Uttara Kazi Office

Uttara Kazi Office

Share

By This page you can know about the marriage and divorce systems of the Muslims. Govt. approved muslim marriage registry and divorce consultancy centre.

14/03/2020

وَأَنْكِحُوا الْأَيَامَى مِنْكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِنْ يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

“তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত (নরনারী) তাদের বিয়ে দিয়ে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্ম-পরায়ন তাদেরও (বিয়ে দাও)। (দারিদ্রকে ভয় পেও না) তারা যদি নিঃস্ব হয়,তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।” সুরা নূর- আয়াত-৩২

26/11/2019

♥♥♥ স্ত্রীকে সুখী রাখার ৭ কৌশল ♥♥♥

১. সংসারের বিষয়ে কোনো কথা থাকলে তা মন দিয়ে শুনুন। পারলে প্রশংসাও করুন।

২. কোনো কোনো মানুষ মিথ্যা বলা একবারে সহ্য করতে পারে না।তাই স্ত্রীর সাথে কখনো মিথ্যা বলবেন না।

৩. নারীরা কখনওই তার পরিবার বা প্রিয় বন্ধুদের সম্পর্কে কোনোরকম সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না। তাই স্ত্রীর সামনে আপনজনদের সম্পর্কে সমালোচনা করবেন না।

৪. স্ত্রীকে কখনই অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না। এতে তারা মনে কষ্ট পেতে পারেন।

৫. স্ত্রীর উপস্থিতিতে কখনও তৃতীয় ব্যক্তিকে বেশি গুরুত্ব দেবেন না। কোনো পুরনো বন্ধু বা পরিচিত কেউ সামনে থাকলেও সমানভাবে গুরুত্বদিন।

৬. বাসায় রান্নার কাজ ও সন্তানের যত্ন নিতে স্ত্রীকে সহযোগিতা করুন। সারা দিন অফিস করে এসে ঘরের কাজ করতে আপনার ইচ্ছা করবে না। আপনার স্ত্রীর ক্ষেত্রেও কিন্তু বিষয়টি তাই। তাই ঘরের কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করুন।

৭. ফুল ও উপহার পছন্দ করে সবাই। স্ত্রীর মন জয় করতে মাঝে মাঝে তাকে ফুল ও ছোট ছোট উপহার দিতে পারেন।

নিজের অর্ধাঙ্গিনীর যত্ন নিন। কিছু বিষয়ে তাকে প্রাধান্য দিন। একে অপরকে সম্মান করুন। তাকে খুশি করুন ,নিজে খুশি থাকুন। গড়ে তুলুন সুখী দাম্পত্য জীবন।

26/11/2019

বিয়েতে কুফু বা সাম্য-সমতার কতটা গুরুত্ব

সুখী সুন্দর ও মধুর দাম্পত্য জীবনের জন্য পাত্র-পাত্রীর মাঝে কিছু বিষয়ে সমতা থাকা চাই। অসম বয়সের বা সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রের দু’জনের মাঝে দাম্পত্য সম্পর্ক কিছুতেই মধুর হতে পারে না। যেমন একজন তো নেককার অন্যজন বদকার, একজন মোত্তাকী পরহেযগার, অন্যজন দুর্বৃত্ত ব্যভিচারী। আল্লাহ তাআলা বলেন,
,, الزاني لاينكح الا زانية او مشركة والزانية لاينكحها الا زان او مشرك وحرم ذالك علي المؤمنين # النور-۳ ‘ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী অথবা মুশরিক রমণীকেই বিবাহ করবে এবং ব্যভিচারিণী নারীকে বিয়ে করবে কেবল ব্যভিচারী পুরুষ কিংবা মুশরিক
পুরুষ। মুমিনদের পক্ষে এদের বিবাহ করা বৈধ নয়।’

এতে বোঝা গেলো, ব্যভিচারী নর-নারী নেককার নর-নারীর ‘কুফু’ তথা বিয়ের উপযোগী নয়। কাজেকর্মে, স্বভাবে-চরিত্রে তাদের মাঝে ফরাক বিস্তর। এতো ব্যবধান নিয়ে পরস্পর মিল-মুহাববত, প্রীতি-সম্প্রীতি তৈরি হওয়া দুরূহ। পবিত্র কুরআনের অন্যত্র আছে,
اَفَمَنْ كَانَ مُؤْمِنًا كَمَنْ كَانَ فَاسِقًا لَايَسْتَونَ. # السجدة
‘ঈমানদার ব্যক্তি কি নাফরমান ব্যক্তির মতো?
তারা কখনো সমান নয়’।
সম্পদে সমতা আব্যশক নয়। ইমাম শাফেয়ী রহ. শুধু সম্পদেও সমতার কথা বলেন। অভিজ্ঞাতায় দেখা যায় এটা তেমন জরুরী বিষয় নয়, নয় প্রেম-ভালোবাসার পথে অন্তরায়। বরং অনেক সময় ধনসম্পদই ফাসাদের কারণ হয়।
বংশীয় সমতাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় :বংশীয় আভিজাত্যের েক্ষত্রেও কেউ কেউ সমতার কথা বলেন। হয়ত বাহ্যিক অবস্থাদৃষ্টে তারা এমনটা বলেন। অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, সামাজিক মর্যাদা ও বংশীয় আভিজাত্যের তারতম্যের কারণে দাম্পত্য জীবনে অনেক জটিলতা দেখা দেয়। কিন্তু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বংশীয় কুফুর গুরুত্ব কতোটুকু? আল্লামা ইবনে হাজার আসকালনী রহ.-এর মতে বংশীয় সমতার ব্যাপারে কোনো সহীহ হাদিস পাওয়া যায় না। বরং এর বিপরীতে এমন অনেক ঘটনা ও রেওয়ায়েত পাওয়া যায় যাতে প্রতীয়মান হয় যে, বংশীয় সমতা না নবীযুগে লক্ষণীয় ছিলো, না সাহাবাদের যুগে। ইমাম বুখারী باب الاكفاء في الدين শিরোনামে এমন দু’টি ঘটনা উল্লেখ করেছেন তাতে স্পষ্ট প্রমানিত হয় যে, ‘কুফুয়ে নসবী’ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। প্রথম ঘটনা হলো বদরী সাহাবি আবু হুজাইফা রা. এর। তিনি নিজের ভাতিজি হিন্দ বিনতে ওলিদের বিয়ে দেন এক আনসারী মহিলার আযাদকৃত গোলাম সালেমের সাথে। এই হিন্দ ছিল মুহাজির মহিলাদের অন্যতম। অপর ঘটনাটি বর্ণনা করেন দাববায়া বিনতে যুবাইর। তাঁর বিয়ে হয়েছে হযরত মিকদাদের সাথে অথচ দাববায়া ছিলো অভিজাত বংশের সম্ভ্রান্ত মেয়ে। হাফেয ইবনুল কাইয়্যুম জাওযী রহ. এ ব্যাপারে বিসত্মারিত লেখে প্রমাণ করেছেন, বংশীয় সমতা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। এতে বাড়াবাড়ি করা বরং ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী। আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে গোত্র গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছেন কেবলমাত্র পরিচয়ের জন্য। গর্ব গৌরব বা অহংকারের জন্য নয়। ইসলামে এর বিশেষ কোনো আবেদন নেই। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন,
ان اكرمكم عند الله اتقكم.
‘তোমাদের মাঝে মুত্তাকীরাই হলো আল্লাহর নিকট সবচে’ সম্মানী। অন্যত্র বলেন, انما المؤمون اخوة. # الحجراتমুসলমানগণ

26/11/2019

উত্তম স্ত্রীর গুণাবলি

কুরআন-হাদীসের বিবরণ থেকে জানা যায় যে, উত্তম স্ত্রী হল যে স্বামীকে সম্মান করে। স্বামীর বশ্যতা স্বীকার করে। স্বামীর আদেশ-নিষেধ মান্য করে। স্বামীর ধন-সম্পদ হেফাযত করে এবং অন্যান্য হকসমূহ যথাযথভাবে আদায় করে। সাথে সাথে নিজের সতীত্ব রক্ষা করে, শরীয়তের বিধানুসারে জীবন পরিচালনা করে।

স্বামীর উপস্থিতি-অনুপস্থিতি সর্বাবস্থায় নিজের সতীত্ব এবং স্বামীর ধন-সম্পদ হেফাযত করা স্ত্রীর কর্তব্য। সাধারণত এদু’টি ক্ষেত্রে মহিলাদের থেকে সবচেয়ে বেশি খেয়ানত হয়ে থাকে। কোনো কোনো মহিলার ক্ষেত্রে এমনও ঘটে যে, স্বামী ঘর থেকে বের হলে, চাকরি বা অন্য কোনো স্থানে গেলে, সেই সুযোগে স্বামীর অজান্তে নিজেকে নাফরমানির কাজে জড়িয়ে ফেলে। স্বামীর উপস্থিতিতে এটা সে করতে পারত না। বাহ্যিক দৃষ্টিতে এতে স্বামীকে ধোকা দেওয়া হলেও প্রকারান্তরে এটা হচ্ছে নিজের জীবনে অভিশাপ টেনে আনা। সুতরাং স্ত্রীর অবশ্যকর্তব্য হল, আল্লাহকে হাযির-নাযির জেনে স্বামীর উপস্থিতি-অনুপস্থিতি সর্বাবস্থায় নিজের ইজ্জত-আব্রু সংরক্ষণ করা। হাদীস শরীফে আছে-‘উত্তম স্ত্রী হল, যখন তুমি তার দিকে তাকাও তখন সে তোমাকে আনন্দিত করে। যখন তাকে আদেশ কর তখন সে আনুগত্য করে আর যখন তুমি বাহিরে যাও তখন সে তার ইজ্জত-আব্রু রক্ষা করে এবং সম্পদ হেফাযত করে।’

আর যে স্ত্রী শরীয়তের হুকুম মেনে চলে, স্বামীর আদেশ মান্য করে, তার খেদমত করে, নিজের সতীত্ব রক্ষা করে হাদীস শরীফে তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে, রমযান মাসের রোযা রাখে, লজ্জাস্থানের হেফাযত করে এবং স্বামীর অনুগত থাকে তাকে বলা হবে তুমি যে দরজা দিয়ে চাও জান্নাতে প্রবেশ কর।’ -মুসনাদে আহমদ হাদীস ১৬৬১

পক্ষান্তরে যে স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে ভালো আচরণ করে না এবং স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে তার সম্পর্কে হাদীস শরীফে এসেছে যে, ‘তার কোনো নামায কবুল হয় না, কোনো নেক আমল উপরে উঠানো হয় না যতক্ষণ স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট না হবে।-সহীহ ইবনে হিববান হাদীস ৫৩৫৫

অন্য হাদীসে আছে-হুসাইন ইবনে মুহসিন থেকে বর্ণিত, তাঁর এক ফুফু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কোনো প্রয়োজনে এসেছিলেন। তাঁর প্রয়োজন পূর্ণ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি বিবাহিতা? তিনি বললেন, জ্বী হাঁ। নবীজী বললেন, তুমি স্বামীর সাথে কেমন আচরণ করে থাক? তিনি বললেন, আমি একেবারে অপারগ না হলে তার সেবা ও আনুগত্যে ত্রুটি করি না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, স্বামীর সাথে তোমার আচরণ কেমন তা ভেবে দেখ। কারণ স্বামীই তোমার জান্নাত কিংবা জাহান্নাম।-মুসনাদে আহমদ খ. ৪, পৃ. ৩৪১৩; খ. ৬, পৃ. ৪১৯

তাই সকল নারীর উচিৎ, নিজেকে উত্তম স্ত্রীর গুণে গুণান্বিত করে আদর্শ স্ত্রী হওয়া। এবং স্বামীর আনুগত্য স্বীকার করে নিজের জান্নাতের পথ সুগম করা। সকল নারী উত্তম স্ত্রী হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ সহায় হোন।

02/11/2019

বিয়ে কেন করবেন?
ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
মানুষ প্রকৃতিগত ভাবে সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করতে অভ্যস্ত।মানুষের প্রকৃতিতে যে যৌন-ক্ষুধা আছে, তা দূর করার বৈধ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা হল বিবাহ।

বিয়ের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করার সময় যে বিষয়গুলো সবার আগে চোখে পড়েঃ
১.বিবাহ মানুষকে সুন্দর চরিত্র দান করে।
২.অবৈধ দৃষ্টি থেকে চক্ষুকে সংযত রাখে।
৩. লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে।

৪.বিবাহের মাধ্যমে আবির্ভাব হয় মুসলিম প্রজন্মের। ৫.এতে হয় বংশ বৃদ্ধি, রসূল (সাঃ) এর উম্মত বৃদ্ধি।

৬.পৃথিবী আবাদ রাখার সঠিক ও সুশৃঙ্খল বৈধ ব্যবস্থা বিবাহ।বিবাহ আনে মনে শান্তি, হৃদয়ে স্থিরতা, চরিত্রে পবিত্রতা,জীবনে পরম সুখ। বংশে আনে আভিজাত্য, অনাবিলতা।
নারী-পুরুষকে করে চিরপ্রেমে আবদ্ধ। দান করে এমন সুখময় দাম্পত্য, যাতে থাকে ত্যাগ ও তিতিক্ষা, শ্রদ্ধা, প্রেম, স্নেহ ও উৎসর্গ।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرون
অর্থাৎ তাঁর নিদর্শন গুলোর মধ্য হতে একটি হলো-তিনি তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন‌, যাতে তোমরা তাদের পেয়ে পরিতৃপ্ত হও,।তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পারিক প্রেম ভালোবাসা ও মমত্ববোধ সৃষ্টি করেছেন। [সূরা রুম]

এই হল মুসলিমের জীবন। তাই তো বিবাহ করা প্রত্যেক নবীর সুন্নত ও তরীকা।
বিবাহ করা এক ইবাদত। স্ত্রী-সঙ্গম করা সদকাহ্তুল্য।
যেহেতু এই পরিণয়ে মুসলিমের বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে নিজেকে ব্যভিচার থেকে রক্ষা করা, স্ত্রীর অধিকার আদায় করা এবং তাকেও ব্যভিচারের হাত হতে রক্ষা করা, নেক সন্তান আশা করা, অবৈধ দৃষ্টি, চিন্তা প্রভৃতি থেকে নিজেকে দূরে রাখা। প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,

إذَا تَزَوَّجَ العَبدُ فَقَد استَكمَلَ نِصْفَ الدِّين فَلْيَتَّقِ اللهَ في النِّصف البَاقي.
‘‘(মুসলিম) বান্দা যখন বিবাহ করে, তখন সে তার অর্ধেক ঈমান (দ্বীন) পূর্ণ করে,
অতএব বাকী অর্ধেকাংশে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে।’’

ব্যভিচার থেকে বাঁচার জন্য ও পবিত্র জীবন গঠনের উদ্দেশ্যে বিবাহ করলে দাম্পত্যে আল্লাহর সাহায্য আসে।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

‘‘তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত তাদের বিবাহ সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও।
তারা অভাবগ্রস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন।
আল্লাহ তো প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।[5]

মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেন,

يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنْ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ.
‘‘হে যুবকদল! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি (বিবাহের অর্থাৎ স্ত্রীর ভরণপোষণ ও রতিক্রিয়ার) সামর্থ্য রাখে সে যেন বিবাহ করে। কারণ, বিবাহ চক্ষুকে দস্ত্তরমত সংযত করে এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করে। আর যে ব্যক্তি ঐ সামর্থ্য রাখে না, সে যেন রোযা রাখে। কারণ, তা যৌনেন্দ্রিয় দমনকারী।’’[6]

তিনি আরো বলেন,

النِّكَاحُ من سُنَّتي . فَمَن لَم يَعمَل بسُنَّتي فَلَيسَ مني.
‘‘বিবাহ করা আমার সুন্নত (তরীকা)। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার সুন্নত (তরীকা) অনুযায়ী আমল করে না, সে আমার দলভুক্ত নয়।’’[7]

সুতরাং বিয়ের বয়স হলে, যৌন-পিপাসায় অতিষ্ঠ হলে এবং নিজের উপর ব্যভিচারের অথবা গুপ্ত অভ্যাসে স্বাস্থ্য ভাঙ্গার আশঙ্কা হলে বিলম্ব না করে যুবকের বিবাহ করা ওয়াজেব। বাড়ির লোকের উচিৎ, এতে তাকে সহায়তা করা এবং ‘ছোট’ বা ‘পড়ছে’ বলে বিবাহে বাধা না দেওয়া। যেমন পূর্বে আরো অবিবাহিত ভাই বা বোন থাকলে এবং তাদের বিয়ের ব্যবস্থা বা ইচ্ছা না হলে এই যুবককে বিবাহে বাধা দেওয়ার অধিকার পিতা-মাতার বা আর কারো নেই। আল্লাহর আনুগত্যে গুরুজনের আনুগত্য ওয়াজেব। যেখানে আল্লাহর অবাধ্যতার ভয় ও আশঙ্কা হবে, সেখানে আর কারো আনুগত্য নেই। বরং এই সব ক্ষেত্রে বিশেষ করে ‘মনমত পণ’ না পাওয়ার জন্য বিয়ে না দিলে মা-বাপের আনুগত্য হারাম। সুতরাং যুবকের উচিৎ, যথাসময়ে বিনা পণে মা-বাপ রাজী না হলেও রাজী করতে চেষ্টা করে বিবাহ করা। নচেৎ তার অভিভাবক আল্লাহ।

অনেক সময় দ্বীনদার-পরহেজগার পরিবেশের পুণ্যময়ী সুশীলা তরুণীর সাথে বিবাহে মা-বাপ নিজস্ব কোন স্বার্থে রাজী হয় না। অথবা এমন পাত্রী দিতে চায়; যে দ্বীনদার নয়। দ্বীনদার যুবকের এ ক্ষেত্রেও মা-বাপের কথা না মানা দ্বীনদারী।[8]

বৈবাহিক জীবন দু-একদিনের সফর নয়; যাতে দু-একদিন পর সহজভাবে সঙ্গী পরিবর্তন করা যাবে। সুতরাং এখানে ছেলে-মেয়ে সকলেরই বুঝাপড়া ও পছন্দের অধিকার আছে।­

পক্ষান্তরে দ্বীন ছাড়া অন্য স্বার্থে ছেলে যদি মা-বাপের কথা না মেনে তাদেরকে নারাজ করে বিবাহ করে,
তবে এমন ছেলে নিশ্চয়ই অবাধ্য। অবাধ্য মাতা-পিতার এবং অবাধ্য আল্লাহ ও তাঁর রসূলের।
এ বিষয়ে আরো কিছু আলোচনা আসবে ‘বিবাহ প্রস্তাব ও তার শর্তাবলী’তে।

02/11/2019

সত্য বলা,যত্ন নেয়া,পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ।এই তিনটি গুনই সুখী দাম্পত্য জীবনের মূলসূত্র।যে দাম্পত্যজীবনে এই তিনটি গুন বিরাজ করবে সেখানে সুখপাখি রাজ করবে।কারন সত্য মানুষকে মুক্তি দেয়।যত্ন মানুষের আকর্ষন ও আগ্রহ বৃদ্ধি করে এবং কাছে টেনে নেয়।আর শ্রদ্ধাবোধ তো ভালোবাসার পরশ বুলায়।যারা বলে ভালোবাসি অনেক ভালোবাসি কিন্তু তাদের ভালোবাসায় এ গুনগুলো নেই,। আসলে সেটা ভালোবাসা নয়।
ভালোবাসা আসলে সৃষ্টি ই হয় এই তিনটি বিষয় হতে।প্রচলিত অর্থে যাকে ভালোবাসা বলা হয় তা শুধু শারীরিক কামনা।শুধু কারও শারীরিক সৌন্দর্য কখনো ভালোবাসার অনুপ্রেরণা হতে পারে না।সেটা হয়তো খনিকের মোহ এবং কামনা সৃষ্টি করতে পারে,সেটা সত্যিকার ভালোবাসা নয়।দীর্ঘদিন একসাথে থাকা,দু জন দুজনকে জানার মধ্যদিয়ে যে ভালোবাসা গড়েে উঠে সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয়।এমন ভালোবাসা গড়তে প্রয়োজন পরস্পরের প্রতি সততা,যত্ন ও সচেতনতা।প্রয়োজন নিজের জীবন সঙ্গীকে নিজের উপর প্রাধান্য দেয়ার মানসিকতা এবং পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ।

সম্মান ছাড়া কখনো ভালোবাসা জন্ম নিতে পারে না।আপনাকে আপনার জীবনসঙ্গীকে সম্মান করতে হবে।তার গুনগুলোর মূল্যায়ন করতে হবে।তাকে পেয়ে গর্ব বোধ করতে হবে।এটা এমন এক ভালোবাসার প্রদীপ জ্বেলে দেয় যা সময়ের সাথে সাথে আরো উজ্জ্বল হয়।কারন সম্মান করার কারন গুলো সময়ের সাথে সাথে আরো বাড়তে থাকে।

যেমনটা অনূভূত হয়, অকপটে তেমনটা প্রকাশ করাই হচ্ছে সত্য।আর যত্ন নেয়া মানে হলো, অন্যকে সচেতনভাবে খেয়াল করা।কেননা আপনি জানেন আপনার এবং তার মাঝে কোনো বাধার প্রাচীর নেই।সম্মান হচ্ছে আপনাকে বিশ্বাস করে আপনার সঙ্গী তার হৃদয়ের মণিকোঠায় আপনাকে যে বিশেষ স্থান দিয়েছে,,,,, সেই বিশ্বাসের মূল্য দেয়া। যে বিশেষ অধিকার আপনাকে দেয়া হয়েছে,সেই অধিকারের প্রাপ্য মর্যাদা দেয়া।এর অমর্যাদা না করা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো,,,, আমরা মনে করি ভালোবাসা আমাদের হাতের নাগালে।যখন তখন পাবো,পেতেই হবে, কেন পাবো না?বিবাহিত স্ত্রী আমার। সম্মান, ভালোবাসা দিতে বাধ্য। ভুলে যাই নিজেদের, ভুলে যাই আমরা তার থেকে যা আশা করছি তা পাওয়ার কতটুকু যোগ্যতা রাখি।হাজারো মন্দ গুণের সমাহার নিজের মাঝে থাকা সত্তেও স্ত্রীর মাঝে সামান্য দোষ সহ্য করতে পারি না।খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে তার পিছনে লেগে থেকে, দিন শেষে তার থেকেই ভালোবাসা,সম্মান, আত্মতৃপ্তি পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠি।মনে করি এটাই আমার স্মার্টনেস।আমার মতো আদর্শ স্বামী পৃথিবীর অরণ্য জঙ্গলেও নেই।এ ধরনের আশা দুরাশা মাত্র। এ চাওয়া পাওয়া শক্ত কাঠ গাছ লাগিয়ে সুস্বাদু আঙ্গুর ফল আশা করার নামান্তর। তিক্ত করল্লা থেকে মিষ্ট স্বাদ গ্রহনের নিরাশ অভিপ্রায় মাত্র।

তাই বলছি,,কিছু পেতে চান?দেবেননা কিছু?অবশ্যই দিতে হবে।ভেবে দেখুন না! আপনি নিজেই কিছু না েপয়ে কাউকে কিছু দেয়ার ইচ্ছা করেন না।তাহলে অন্যের বিষয়ে কেন আপনার এমন মানসিকতা?নিজেকে অন্যের জায়গায় রাখুন। তারপর ভাবুন।কথায় আছে,,,,,
কুচ পানেকে লিয়ে, কুচ দেনা পাড়েগা।
কিছু পাওয়ার জন্য তো কিছু ত্যাগ স্বীকার করতে হবেই।তাই ওই ধরনের অসুস্থ মানসিকতা পরিহার করুন।সুস্থ মানসিকতার বিকাশ করুন।ত্যাগে অভ্যস্ত হোন।তাহলে সুখপাখির দুয়ারে ঘুরতে হবে না।সে তো নিজেই আপনার দুয়ারে এসে নক করবে।আপনার কাছে বাসা বাধার সরনজাম চাইবে। আর তার বাড়ির নাম দিবে সততার আশ্রয়প্রাপ্ত যত্নে ভরা"সুখের নীড়"।

24/10/2019

একটি সুস্থ-সুন্দর সমাজের ভিত্তি হলো পরিবার ব্যবস্হা। আর পারিবারিক জীবনের ভিত্তি হলো একটি সুস্থ-সুন্দর দাম্পত্য জীবন। অথচ সেই দাম্পত্য জীবনে যেন আজ হানা দিয়েছে ভাঙ্গনের মহামারী। পরিনতিতে তৈরী হয়েছে সমাজ জীবনে ভয়ানক দায়িত্ববোধহীনতা। এই বিপর্যয় এমন একটা অপসংস্কৃতি ছড়িয়ে দিচ্ছে যা মানুষকে স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক করে তুলছে। ধ্বংস করছে পরিবার। ক্রমেই যেন নির্মম হয়ে উঠছে ভাঙনের এই করুন সুর। প্রতিনিয়ত দেখছি-শুনছি দাম্পত্য জীবনের সহজ ও নির্মম ভাঙ্গন-বিচ্ছেদ। শুনছি তাদের অভক্তি ও বিরক্তিকর জীবনের তিক্ত অভিগ্তার নিঃশ্বাসের ক্লান্ত আওয়াজ। হেরে যাচ্ছে শত সাজানো পরিবারের সুখময় অনুভূতি।
অশ্রুসিক্ত হচ্ছে হাজারো নিষ্পাপ আঁখি।
দিশেহারা হয়ে দিক-দিগন্তে ঘুরে ফিরছে সুখের নীড়ের খুঁজে। সুখের পরশ ভুলে গিয়ে অসুখের আলিঙগন করছে। ভুলে গেছে সুখের নীড়ের নির্মাতাকে। ভুলে গেছে দাম্পত্য জীবনের প্রতিটি সদস্য নিজেদের। ভুলে গেছে তারা নিজেরাই যে সুখের নীড়ের নির্মাতা।

আসলে দাম্পত্য জীবনের সুখশান্তি কেবল স্বামী-স্ত্রীর মন-মানসিকতা, আচার আচরনের উপরই নির্ভর করে.। তারা যদি সত্যিই সুখি হতে চায় তাহলে তা রোধ করতে কেউ পারবে না। আর তারা যদি অশান্তি সৃষ্টি করে তাহলে কেউ তাদের সুখ এনে দিতে পারবে না।
দাম্পত্য জীবনের মূল চাবি তথা বিয়ে মানেই সুখের পরশ। যারা বিয়ে করে সুখ পাচ্ছে না তারা হয়তো বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিল না, নয়তো তারা বিয়ের অর্থই বুঝে না। বিয়ের বিষয়ে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে ইরশাদ হয়েছে... তাঁর নিদর্শন গুলোর মধ্য হতে একটি হলো-তিনি তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন‌, যাতে তোমরা তাদের পেয়ে পরিতৃপ্ত হও,।তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পারিক প্রেম ভালোবাসা ও মমত্ববোধ সৃষ্টি করেছেন। [সূরা রুম]
এ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বিয়ে নামক বন্ধননের আলোচনা করেছেন। এটিকে তিনি তার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ আয়াতে তিনি তিনটি তাৎপর্যপূর্ন শব্দ ব্যবহার করেছেন।
১. সুকুন: বিয়ের প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে আল্লাহ তাযালা.. সুকুন তথা প্রশান্তি লাভের কথা বলেছেন। তিনি বলেচেছন.. তিনি আমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করছেন, যেন আমরা তাদের সাথে সুকুন তথা প্রশান্তি খুজে পাই। তাই এই চুক্তির প্রথম শর্ত হল.. স্বামী স্ত্রী দু জন দুজনের সাথে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে যে তাদের যৌথ এ জীবন ধারার প্রতিটি কাজকর্ম এমন হবে যা তাদের উভয়ের জন্য প্রশাান্তির উৎস। তাদের আবাস-নিবাস, তাদের ঘনিষ্ঠতা, তাদের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা--সব কিছুই হবে তাদের প্রশান্তির উৎস।
তারা এ ব্যপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ... যে তারা জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে পূরনীয় একান্ত বিষয়গুলো অন্য কোথাও খুজবে না। তারা ্অন্য কোথাও আকৃষ্ট হবে না। কেউ কাউকে অবহেলা করবে না।
এ ব্যাপারে আল্লাহ সকলের সহায় হোন...

২. আল মাওয়াদদাহ: তথা ভালোবাসা। স্বামী স্ত্রী একে অন্যের প্রতি শরীর ও মনের যে মুগ্ধতা, যে আকর্ষন অনুভব করে, যে ভালোবাসা অনুভব করে এখানে এ দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
ভালোবাসা মূলত সৃষ্টি হয় সম্মান থেকে। এমন কাউকে ভালোবাসতে পারি না যাকে আমরা সম্মান করি না। তাই স্বামী -স্ত্রী উভয়েরই পরস্পরের প্রতি সম্মান বোধ থাকতে হবে। পরস্পরের ভালো গুনগুলো মূল্যায়ন করতে হবে এবং ভুলগুলো...... র দৃষ্টিতে দেখতে হবে। তারা উভয়ে পরস্পরের আয়নার মত। দুজনের ভালো মন্দ গুনগুলো সবই চোখে পড়বে, মনের উপর প্রভাব ফেলবে। কিন্তু খুঁটিনাটি কিছু নিয়ে মন খারাপ করে মুখ গোমরা করার কোনো মানে নেই। চেষ্টা করতে হবে কেবল ভালো গুনগুলো স্মৃতিতে রাখার। আর মন্দগুলো ভুলে যেতে। আমরা যেন মানুষের গুনগুলো পাথরের উপর আর দোষ গুলো বালুর উপর লিখি। তাহলে ভালোটির প্রভাব দীর্ঘ দিন থাকবে আর মন্দগুলো বাতাসের প্রথম ঝাপটাতেই মুছে যাবে।

একটি সুন্দর জীবনের অন্যতম গোপন চাবিকাঠি হল -সুন্দর স্মৃতি গুলো মনে রাখা আর মন্দ গুলো ভুলে যাওয়া। দুঃখের বিষয় হলো... অধিকাংশ মানুষই করে এর উল্টা। সে কারনেই এটা অশান্তির কারন হয়ে দাড়ায়। ভালো জিনিস গুলো নিজের আজন্মপ্রাপ্য অধিকার ধরে তা হালকা করে দেখা হয়., অপর দিকে ভুলগুলোকে পূর্বপরিকল্পিত অপরাধ মনে করে ভয়ানক প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়। ইসলাম আমাদের বিপরিতটাই শেখায়... অন্যের দোষগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা... কেবল একবার নয়. প্রয়োজনে ৭০ বার। তাহলেই ভালোবেসে তৃপ্তি পাওয়া যাবে। বুঝে আসবে বিয়ের মর্মকথা।

বিয়ে মানে.... দুজন নারী পুরুষের মাঝে অঙ্গীকার;
একে অন্যকে ভালোবাসা, সম্মান ও সহমর্মিতা করার এক প্রতিশ্রুতি। সব সময় মনে রাখা উচিত.. আল্লাহ সব চিন্তা, নিয়ত এবং কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ন অবগত।
দোয়া করি.. আল্লাহ যেন এই বন্ধনের প্রতি করুণা ধারা বর্ষণ করেন। প্রতিটি দম্পতিকে ইসলামের আদর্শে আদর্শবান হওয়ার তাওফিক দেন।

বিয়ে এবং তালাক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন
উত্তরা কাজী অফিস
বাসা নং- ০৫, রোড নং-০৯ সেক্টর নং-০৩
উত্তরা ১২৩০।(রাজলক্ষির পাশে)
মোবাইল- ০১৭১১৯০৫৩৯৩ / ০১৮৪১৯০৫৩৯৩

24/10/2019

সর্বজনের জ্ঞাতার্থে জানা প্রয়োজন
 বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন, মুসলিম উম্মাহর জন্য। বিবাহ রেজিষ্ট্রেশন প্রচলিত আইন এর সম্মান ও স্বামী / স্ত্রীর বৈবাহিক দলিল দ্বারা প্রমান। সে জন্য যে এলাকায় বিবাহের স্থান যেমন - বাসা বাড়ী, হোটেল- রেষ্টুরেন্ট ও কমিউনিটি সেন্টার, যে খানেই বিবাহ সম্পন্ন হবে সে এলাকার বা ওয়ার্ডের স্থানীয় মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রার কাজীর রেজিষ্টার বহিতে বিবাহ রেজিষ্ট্রী করা বাধ্যতা মূলক। তবে অন্য ওয়ার্ড বা এলাকার কাজীর ভলিয়মে নয়। উদহারণ স্বরূপ- যে এলাকার জমি সে এলাকার সাব রেজিষ্ট্রার দ্বারা রেজিঃ করা বাধ্যতা মূলক। ঠিক তেমনি মুসলিম ম্যারিজ রেজিষ্ট্রারের বেলায়ও এবই নিয়ম।

 আপনার পরিচিত ও বিশ্বস্ত কাজী বা কাজীর প্রতিনিধি থাকতে পারে তাই বলে তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্য কাজীর এলাকায় বিবাহ রেজিষ্ট্রী করানো আইনগত বৈধ নহে। প্রকাশিত গেজেট / ২০১১ ইং দ্রষ্ট্রব্য। বিবাহ বা কবুল পড়ানোর ক্ষেত্রে আপনার শ্রদ্ধাভাজন আলেম ওলামার আমন্ত্রণে কোন বাধা নেই।

 বাংলাদেশের প্রত্যেক সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১ (এক) জন করে বাংলাদেশ আইন মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত নিকাহ রেজিষ্ট্রার বিদ্যমান, নিজ নিজ ওয়ার্ডে বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রীর জন্য। ইউনিয়নের ক্ষেত্রে ও তাই। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় সামান্য পয়সার লোভে মিথ্যা বলে এক এলাকার কাজী অন্য কাজীর এলাকায় বিবাহ রেজিঃ করে থাকেন যাহা আইনের পরিপন্থি যাহা নিকাহ্ নামার ১ (এক) নং কলামেই সুস্পষ্ট প্রমান।

 প্রচলিত আইনে বরের বয়স ২১ এবং কনের বয়স ১৮ বছর। বয়স ও ব্যক্তি প্রমানের জন্য বর ও কনের জন্ম সনদ/এন,আই,ডি/পাসপোর্ট/স্কুল সার্টিফিকেট যে কোন একটি বাধ্যতামূলক। (বর ও কনের দুই কপি করে ছবি থাকলে ভালো হয়)।
সর্বজনের জ্ঞাতার্থে জানা প্রয়োজন

13/07/2019

উত্তরায় একমাত্র সরকারি কাজী অফিস
ফোন/ইমো 01711-905393,
http://uttarakazioffice.com/

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


House:5, Road:9, Sector:3, Uttara
Dhaka
1230