সামাজিক অবক্ষয় রোধে সুষ্ঠু রাজনীতি আবশ্যক।
Eliza Rahman গবেষণা সম্পাদক Headquarters - Politics Club International
Politics Club - পলিটিক্স ক্লাব , Politics Club
প্রচারে
Bangladesh - Politics Club International
ইউটিউব Razu 71
https://youtu.be/YzMcDuoB-p8?si=d5yi9nrLV6t_q2s8
Politics Club - পলিটিক্স ক্লাব
We want to make global politics transparent, simple and accountable, and establish good governance. Stop War, Start Dialogue.
Vance Announces
লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন
09/05/2026
পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি
ঢাকা, ৮ মে ২০২৬ঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রতিক সহিংসতা, সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর হামলা, ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ এবং ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি।
শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এডভোকেট সাইফুল ইসলাম সেকুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল আমিন এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মুসলমানদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কাঁচাবাজারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক। এমনকি সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহের স্থানও রক্ষা পায়নি।
তারা অভিযোগ করে বলেন, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের কথা বলা আন্তর্জাতিক মহল এ ঘটনায় নীরব ভূমিকা পালন করছে। সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, “মানবাধিকার নিয়ে যারা প্রতিনিয়ত সোচ্চার, তারা কি পশ্চিমবঙ্গের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখছেন না? জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজরে কি এসব নির্যাতনের ঘটনা পড়ছে না?”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্ব হচ্ছে সকল নাগরিকের জানমাল ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, ভয়ভীতি ও নির্যাতনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধ, দোষীদের আইনের আওতায় আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান। পাশাপাশি জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, ওআইসি এবং বিশ্ব বিবেকের প্রতি জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নৈতিক দায়িত্ব। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তারা শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবাধিকারের স্বার্থে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
09/05/2026
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
৯ মে ২০২৬
হামে তিনশতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
ড. ইউনুস ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি পল্টন শাখার সম্পাদক রফিজুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে ও সহ-সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবির সঞ্চলনায় রাজধানীর পুরান পল্টন মোড়ে হামে তিনশতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য ড. মোহাম্মদ ইউনুস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্যে রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ইউনুস সরকারের গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটছে বলে বিশেষজ্ঞরা তথ্য প্রমাণসহ বলেছেন।
তিনি বলেন বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে বিশ্বের মধ্যে নানা বিষয় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী হয়েছে। আজ ইউনুস সরকারের অবহেলায় এই শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো। অথচ সরকার রহস্যজনক কারণে দোষীদের বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এজন্য তিনি ইউনুস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িত সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেন।
তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল মিলিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় হাস্যরসের কথা বলে সময় নষ্ট করলেও এ ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হলো না। তিনি বলেন, হামে আক্রান্ত হওয়াার পর পর্যাপ্ত আইসিইউ সাপোর্ট না দেওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপর সরকার আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে অনেক শিশুর মৃত্যু এড়ানো যেত।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, দেশে বেকারত্ব ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসা নিতে জায়গা জমি বেচার কারণে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে।
সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত সরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেসরকারিকরণের নামে অপ্রয়োজনীয় ডায়গনস্টিক সেন্টার ও মানহীন হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। এগুলো দেখার কেউ নেই। তিনি চিকিৎসার নামে ব্যবসা কঠোরভাবে নিষিদ্ধের দাবি জানান।
এছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি ঢাকা মহানগরের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ত্রিদিব সাহা, সিপিবি পল্টন থানার সভাপতি মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত প্রমুখ।
বার্তা প্রেরক-
(রবিউল ইসলাম রবি)
সহ-সম্পাদক
সিপিবি, পল্টন শাখা
০১৫৬৯-১০০৩১৪
Headquarters - Politics Club International
National Parliament Should Be the Center for Securing People’s Rights: Mohammad Hasan
Staff Reporter | Dhaka
Politics Club - পলিটিক্স ক্লাব
Mohammad Hasan, Chairman of Bangladesh Bekar Samaj and Vice President of Politics Club International, has expressed deep concern over the current code of conduct and parliamentary activities in the National Parliament. He called for transforming the parliament into a central platform for realizing the legitimate demands of the people, rather than merely a stage for political debate.
In a recent statement, he said:
"We had hoped that this parliament, formed through elections, would fulfill the aspirations of the youth and young generation. The people of this country dream of a new Bangladesh where fundamental rights, freedom of speech, and sovereignty are protected. However, it is deeply unfortunate that instead of constructive discussions, members of both the ruling and opposition parties are engaging in heated arguments and personal disputes."
Call to Honor the Sacrifices of the People
Referring to the July uprising, Hasan stated:
"In the July mass uprising, nearly 2,000 people were martyred and around 29,000 were left permanently disabled. Similarly, in the 1971 Liberation War, countless people sacrificed their lives for a better, well-organized nation. Their sacrifice was aimed at establishing a state and parliament where freedom of the press, political rights, and peace and order would be ensured. The current parliament must reflect those sacrifices."
Need for a Parliament That Educates the Youth
Speaking on behalf of the unemployed community and referencing their experience in participating in elections, he said:
"The National Parliament should function like an educational institution, from which the younger generation can learn parliamentary democracy and decorum. It is the duty of elected representatives to raise the development issues and problems of their respective constituencies. However, the inability to rise above party narrowness is becoming a matter of concern for future generations."
Appeal to Political Parties
In his concluding remarks, he urged both the ruling and opposition parties:
"For the greater interest of the country and the nation, conduct the parliament in a disciplined and orderly manner. If the parliament becomes effective, ordinary people will be able to learn something positive from you. We want the parliament to be the driving force in building a prosperous Bangladesh."
On behalf of Bangladesh Bekar Samaj, he concluded by calling on citizens to remain united and uphold democratic values.
জাতীয় সংসদ হোক জনমানুষের অধিকার আদায়ের কেন্দ্রবিন্দু: মোহাম্মদ হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
বাংলাদেশ বেকার সমাজের চেয়ারম্যান এবং পলিটিক্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ হাসান জাতীয় সংসদের বর্তমান আচরণবিধি ও সংসদীয় কার্যকলাপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংসদকে কেবল রাজনৈতিক বিতর্কের ক্ষেত্র না বানিয়ে জনমানুষের ন্যায্য দাবি আদায়ের কেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "আমরা আশা করেছিলাম নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সংসদ হবে তরুণ ও যুব সমাজের প্রত্যাশা পূরণের জায়গা। এদেশের মানুষ একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে, যেখানে মৌলিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের গঠনমূলক আলোচনার পরিবর্তে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ব্যক্তিগত তর্কে জড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।"
জনগণের ত্যাগের মর্যাদা রক্ষার আহ্বান
জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে মোহাম্মদ হাসান বলেন, "জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ২ হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন এবং ২৯ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেও অগণিত মানুষ প্রাণ দিয়েছিলেন একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল দেশের আশায়। তাঁদের এই আত্মত্যাগের উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্র ও সংসদ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, রাজনীতি করার অধিকার এবং শান্তি-শৃঙ্খলার নিশ্চয়তা থাকবে। বর্তমান সংসদের কর্মকাণ্ডে সেই ত্যাগের প্রতিফলন ঘটা জরুরি।"
তরুণ প্রজন্মের শিক্ষণীয় সংসদ গড়ার তাগিদ
বেকার সমাজের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "জাতীয় সংসদ হওয়া উচিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো, যেখান থেকে তরুণ প্রজন্ম সংসদীয় গণতন্ত্র ও শিষ্টাচার শিখবে। জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যার কথা তুলে ধরা। অথচ সমস্যার কথা না বলে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠতে না পারাটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।"
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি অনুরোধ
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সরকারি ও বিরোধী দলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, "দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সংসদকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করুন। সংসদ যদি কার্যকর হয়, তবেই সাধারণ মানুষ আপনাদের থেকে ইতিবাচক কিছু শিখতে পারবে। আমরা চাই সংসদ হোক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি।"
বাংলাদেশ বেকার সমাজের পক্ষ থেকে তিনি দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
ইউটিউবে দেখুন👇
https://youtu.be/CLs7SC_1oyQ?si=HLBV-u6H61Of1ho-
02/05/2026
টাকার বিনিময়ে ইন্টারভিউ, ভুয়া সাংবাদিকতার তকমা—বাস্তবতা কোথায়? Politics Club - পলিটিক্স ক্লাব
গণমাধ্যম দিবসের প্রাক্কালে সাংবাদিকতা পেশার সংকট ও আত্মসমালোচনা
বাংলাদেশে সাংবাদিকতা একসময় ছিল সম্মান, আদর্শ ও দায়িত্ববোধের প্রতীক। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এই পেশা আজ নানা প্রশ্ন, বিতর্ক ও সংকটে জর্জরিত। বিশেষ করে “ভুয়া সাংবাদিক” শব্দটি এখন প্রায় প্রতিদিনই শোনা যায়—কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে ভুয়া? আর কে প্রকৃত সাংবাদিক?
“কাক কাকের মাংস খায় না”—তবুও কেন এই আত্মঘাতী দ্বন্দ্ব?
একটি প্রচলিত প্রবাদ—“কাক কাকের মাংস খায় না।” অথচ বাস্তবে দেখা যায়, সাংবাদিকই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কঠোর।
কখনো “ভুয়া সাংবাদিক” তকমা দিয়ে প্রকাশ্যে অপমান, কখনো সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা—এসব ঘটনা এখন আর বিচ্ছিন্ন নয়।
কিন্তু এই সমালোচনার ভেতরে কতটা সত্য, আর কতটা পেশাগত প্রতিযোগিতা বা ক্ষমতার লড়াই—সেটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
ভুয়া বনাম বাস্তব: সংজ্ঞার সংকট
“ভুয়া সাংবাদিক” বলতে আমরা কাদের বুঝি?
যারা প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া হাউসে কাজ করে না?
যারা নিয়মিত বেতন পায় না?
যারা ফ্রিল্যান্স বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করে?
আজকের বাস্তবতায় বড় মিডিয়া হাউসের সাংবাদিকরা বেতন, বোনাস, সুযোগ-সুবিধা পান। অন্যদিকে ছোট হাউস, অনলাইন পোর্টাল বা ব্যক্তিগত প্ল্যাটফর্মে কাজ করা অনেকেই কোনো বেতনই পান না।
তাহলে জীবিকা নির্বাহের জন্য যদি কেউ সংবাদ প্রকাশের বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ করে—তা কি “ভুয়া সাংবাদিকতা”, নাকি “শ্রমের মূল্য”?
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতার বাস্তবতা
বর্তমান যুগে Journalism শুধু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি ধারা।
কিন্তু বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের অবস্থান এখনও অনিশ্চিত—
নেই নির্দিষ্ট বেতন
নেই সামাজিক নিরাপত্তা
নেই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি
ফলে কেউ যদি একটি সংবাদ প্রকাশের জন্য ৫০০, ১০০০ কিংবা সামান্য অর্থ গ্রহণ করে—তাকে সহজেই “ভুয়া” বা “চাঁদাবাজ” বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়।
বেকারত্ব ও মানবেতর জীবন
গণমাধ্যম দিবস এলেই আমরা সাংবাদিকতার গৌরবের কথা বলি। কিন্তু বাস্তবতা হলো—
হাজার হাজার সাংবাদিক আজ বেকার বা অর্ধ-বেকার।
অনেকেই বছরের পর বছর বেতন ছাড়াই কাজ করছেন।
ছোট প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকরা শুধু একটি পরিচয়ের জন্য, একটি স্বপ্নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন—যার বিনিময়ে তারা পাচ্ছেন না ন্যূনতম সম্মান বা নিরাপত্তা।
বৈষম্যের চিত্র
একদিকে—
বড় প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিক
নিয়মিত বেতন
গাড়ি, বাড়ি, বিলাসী জীবন
অন্যদিকে—
বেতনহীন কর্মী
অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
সামাজিক অবহেলা
এই বৈষম্যই মূলত পেশার ভেতরে বিভাজন তৈরি করছে।
নৈতিকতা বনাম বাস্তবতা
সাংবাদিকতার মূলনীতি নিঃসন্দেহে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা।
কিন্তু যখন একজন শিক্ষিত, বেকার মানুষ—
চুরি, ডাকাতি বা অপরাধে না গিয়ে—
সাংবাদিকতার মাধ্যমে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে, তখন তাকে সরাসরি “ভুয়া” বলা কতটা ন্যায়সংগত?
এখানে নৈতিকতা ও বাস্তবতার একটি সংঘাত স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
অমীমাংসিত বিচার ও আস্থার সংকট
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত ঘটনা সাগর-রুনি হত্যা।
বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও এই হত্যার বিচার না হওয়া পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি বড় হতাশার প্রতীক।
এটি প্রমাণ করে—সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত।
প্রশ্নবিদ্ধ সম্পদ ও নীরবতা
সমালোচকদের মতে, কিছু সাংবাদিক নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তি স্বল্প আয়ের পেশা থেকেও বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন।
কিন্তু এই বিষয়গুলো নিয়ে খুব কমই প্রশ্ন তোলা হয়।
অন্যদিকে, দুর্বল ও প্রান্তিক সাংবাদিকদের সহজেই দোষারোপ করা হয়।
এই দ্বৈত মানদণ্ড সাংবাদিকতার নৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে।
রাষ্ট্র ও সমাজের করণীয়
এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন—
বেতনহীন সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা
ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকদের স্বীকৃতি
সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পেশাগত প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান
বিকল্প পেশায় পুনর্বাসনের সুযোগ
রাষ্ট্র ও সমাজ যদি এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এই সংকট আরও গভীর হবে।
সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সমাজের দর্পণ।
কিন্তু সেই দর্পণই আজ ভাঙনের মুখে।
“ভুয়া” তকমা দেওয়ার আগে আমাদের উচিত বাস্তবতা বোঝা, সহানুভূতিশীল হওয়া এবং একটি ন্যায্য কাঠামো তৈরি করা।
অন্যথায়, আমরা শুধু মানুষকে নয়—একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছি।
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংগঠক
Paid Interviews, “Fake Journalist” Labels — Where Lies the Reality?
The Crisis in Journalism and a Call for Self-Reflection Ahead of World Press Freedom Day
Journalism in Bangladesh was once a symbol of honor, ideals, and responsibility. But with the passage of time, the profession is now entangled in questions, controversies, and crises. The term “fake journalist” is heard almost every day—but the real question is: who is fake, and who is a genuine journalist?
“Crows Don’t Eat Other Crows”—So Why This Self-Destructive Conflict?
A common proverb says, “Crows don’t eat other crows.” Yet in reality, journalists are often the harshest critics of fellow journalists.
Public shaming with labels like “fake journalist” and social humiliation are no longer isolated incidents.
But how much of this criticism is truth, and how much stems from professional rivalry or power struggles—this demands deeper analysis.
Fake vs. Real: A Crisis of Definition
Who do we actually mean by “fake journalists”?
Those who don’t work for established media houses?
Those who don’t receive a regular salary?
Those working as freelancers or on online platforms?
In today’s reality, journalists in major media houses receive salaries, bonuses, and benefits. Meanwhile, many working in smaller outlets, online portals, or independently often receive no pay at all.
So if someone accepts money in exchange for publishing news as a means of survival—is that “fake journalism,” or simply “payment for labor”?
The Reality of Freelance Journalism
In the modern world, journalism is no longer confined to institutions. Freelance journalism is globally recognized.
However, in Bangladesh, freelancers face uncertainty:
No fixed income
No social security
No institutional recognition
As a result, if someone accepts a small amount—500 or 1,000 taka—for publishing a report, they are quickly labeled as “fake” or even “extortionist.”
Unemployment and Inhumane Conditions
Every year on Press Freedom Day, we celebrate the glory of journalism. But the reality is stark:
Thousands of journalists are unemployed or underemployed
Many work for years without pay
Journalists in small organizations continue working for identity and hope, without minimum respect or security
A Picture of Inequality
On one side:
Journalists in major institutions
Regular salaries
Comfortable lifestyles
On the other:
Unpaid workers
Uncertain futures
Social neglect
This inequality is fueling division within the profession.
Ethics vs. Reality
Journalism undeniably demands transparency and neutrality.
But when an educated, unemployed individual chooses journalism as a means of survival—rather than turning to crime—how fair is it to label them “fake”?
Here, a clear conflict between ethics and reality emerges.
Unresolved Justice and Crisis of Trust
One of the most discussed cases in Bangladesh’s journalism history is the murder of Sagar and Runi.
Years have passed, yet justice remains elusive—symbolizing deep frustration within the journalistic community.
It reflects the unresolved issues of safety and justice for journalists.
Questionable Wealth and Silent Acceptance
Critics argue that some influential journalists or leaders have amassed significant wealth despite modest incomes.
Yet, these issues are rarely questioned.
Meanwhile, vulnerable and marginal journalists are easily blamed.
This double standard weakens the ethical foundation of journalism.
What the State and Society Must Do
To overcome this crisis, the following steps are essential:
Policies for unpaid journalists
Recognition of freelance journalists
Social security systems
Professional training and employment opportunities
Rehabilitation into alternative professions
Without effective action from the state and society, this crisis will only deepen.
Journalism is not just a profession—it is the mirror of society.
But that mirror is now on the verge of breaking.
Before labeling someone as “fake,” we must understand the reality, show empathy, and build a fair structure.
Otherwise, we are not just undermining individuals—we are pushing an entire profession toward destruction.
Md. Monjurul Hossain Esha
Political Analyst and Organizer
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
