দেশনেত্রীর কিছু হলে ভালো থাকবে না বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল
বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে ছাত্রদল সব সময় প্রস্তুত।
আগামীকাল সকাল হয়তো বাংলাদেশের এর জন্য শোকের।
মহান আল্লাহ দেশনেত্রী কে হেফাজত করুন।
We Revolt ©Rahat Santanu
26/03/2020
বিএনপি'র প্রার্থী ডা.শাহাদাত হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে করোনা HOT LINE সেবা চালু।
অদ্য ২৫ মার্চ, বুধবার, বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি'র মেয়র প্রার্থী ডা.শাহাদাত হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে হটলাইন সেবা চালু হয়েছে। নির্মোক্ত ডাক্তার বৃন্দ করোনা বিষয় HOT LINE এর মাধ্যমে যেকোনো পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন। যে কেউ ডাক্তারদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।
হটলাইন সেবা প্রদানকারী ডাক্তারদের নাম ও মোবাইল নাম্বার:-
১। ডা. সাকির উর রশীদ- 01616 -49 1613
২। ডা. হাসানুল বান্না -01740- 508144
৩।ডা.আরফান খান নিবির- 01676-3192 20
৪। ডা. সাগর আজাদ -01763-758758
৫। ডা. মীর কাশেম মজুমদার -01683- 416426
৬।ডা.তৌকিরুল ইসলাম - 01673-704372
৭। ডা. তানভীর হাবিব তান্মা -01760-8 88777.
বার্তা প্রেরক
মারুফুল হক চৌধুরী( মারুফ)
একান্ত সচিব
ডা.শাহাদাত হোসেন
সভাপতি
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি
মোবাইল:-০১৭৪৩৯০১৪৮০
24/03/2020
সবাই নিজ নিজ অবস্থানে সতর্ক থাকুন।
রেডিও তে স্বাধীনতার ঘোষনা দিল কে??
--- মেজর জিয়াউর রহমান।
দেশের পতাকা পরাধীন বাংলায় প্রথম উত্তোলন করল কে????
---আসম আব্দুর রব।
সম্মুখে শত্রু সেনার সাথে যুদ্ধ করে উপাধী পাইলো কে???
--- কাদের সিদ্দিকি, উপাধী ছিলো "বংগবীর"।
স্বাধীন দেশের সংবিধান রচিয়তা কে???
ড. কামাল হোসেন।
যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান কোন পত্রিকার ছিলো???
---ব্যারিষ্টার মঈনুলের পিতার পত্রিকা "ইত্তেফাক"।
যুদ্ধে কোন ডাক্তারের অবদান বেশি???
---ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
যুদ্ধে দেশে থেকে জেলে টর্চার সহ্য করেছে কে??
---দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়া।
আমার প্রশ্ন যুদ্ধের সময় তাহলে আওয়ামী লীগ কি করলো???
যে দল সারাদিন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বইল্লা গলা ফাডায়, মুক্তিযুদ্ধে তাদের কর্মকান্ড কি ছিলো???
বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন যারা -
ঢাকা বিভাগঃ
ঢাকা-২ আসনে ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,
ঢাকা-৪ আসনে সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস
ঢাকা-১০ আসনে আবদুল মান্নান,
নারায়ণগঞ্জ- ২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ,
নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ আসনে ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৪ আসনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল,
মানিকগঞ্জ-১ আসনে এমএ জিন্নাহ, মানিকগঞ্জ-২ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মইনুল ইসলাম খান শান্ত,
মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে আবদুল হাই,
গাজীপুর-১ আসনে চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী,
গাজীপুর-২ আসনে সালাহউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-৫ আসনে ফজলুল হক মিলন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রেজাউল করিম খান চুন্নু,
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন,
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান,
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল,
কিশোরগঞ্জ-৬ মো. শরীফুল আলম, টাঙ্গাইল-১ আসনে সরকার শহীদ,
টাঙ্গাইল-২ আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৫ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান,
টাঙ্গাইল-৬ আসনে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী,
টাঙ্গাইল-৭ আসনে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী,
ফরিদপুর-১ আসনে শাহ মো. আবু জাফর, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ,
ফরিদপুর-৪ আসনে ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম,
গোপালগঞ্জ-২ আসনে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ,
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এসএম আফজাল হোসেন,
মাদারিপুর-২ আসনে মিল্টন বৈদ্য, মাদারিপুর-৩ আসনে আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার,
শরিয়তপুর-২ আসনে শফিকুর রহমান কিরন,
শরিয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন অপু।
সিলেট বিভাগ:
সিলেট-৩ শফি আহমদ চৌধুরী,
সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ-১ আসনে নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু,
মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গৌছ।
চট্টগ্রাম বিভাগ: চট্টগ্রাম-১ আসনে নুরুল আমিন,
চট্টগ্রাম-৪ আসনে ইসহাক কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ আসনে জসিমউদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম-৭ আসনে কুতুবউদ্দিন বাহার, চট্টগ্রাম-৯ আসনে ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১২ আসনে এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে সারওয়ার জামাল নিজাম,
চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কুমিল্লা-১ আসনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন,
কুমিল্লা-২ আসনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন,
কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী মুজিবুল হক, কুমিল্লা-৮ আসনে জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আসনে কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল,
চাঁদপুর-১ আসনে মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে ড. জালালউদ্দিন, চাঁদপুর-৫ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, ফেনী-২ আসনে ভিপি জয়নাল আবেদীন, ফেনী-৩ আসনে আকবর হোসেন, নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন,
নোয়াখালী-২ আসনে জয়নুল আবদিন ফারুক,
নোয়াখালী-৩ আসনে বরকতউল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনে মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ
নোয়াখালী-৬ আসনে ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে আবুল খায়ের ভূঁঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী,
কক্সবাজার-১ আসনে হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-৩ আসনে লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ আসনে শাহজাহান চৌধুরী, পার্বত্য রাঙ্গামাটি মনিস্বপন দেওয়ান এবং পার্বত্য বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি।
ময়মনসিংহ বিভাগ:
ময়মনসিংহ-২ আসনে শাহ শহীদ সারওয়ার, ময়মনসিংহ-৩ আসনে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন,
ময়মনসিংহ-৫ আসনে মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু,
ময়মনসিংহ-৬ আসনে ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন আহমদ,
ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৯ আসনে খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১১ আসনে ফখরুদ্দিন বাচ্চু, শেরপুর-১ আসনে ডা. শানসিলা,
শেরপুর-২ আসনে একেএম মোখলেসুর রহমান রিপন,
শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদ রুবেল, জামালপুর-২ আসনে সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল,
জামালপুর-৪ আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার,
জামালপুর-৫ আসনে অ্যাডভোকেট শাহ ওয়ারেস আলী মামুন,
নেত্রকোনা-১ আসনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল,
নেত্রকোনা-২ আসনে আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ আসনে রফিকুল ইসলাম হিলালী,
নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান শ্রাবনী।
খুলনা বিভাগ:
খুলনা-১ আসনে আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ আসনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে আজিজুল বারী হেলাল, সাতক্ষীরা-১ আসনে হাবিবুল ইসলাম হাবিব,
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মাহমুদ হাসান খান, কুষ্টিয়া-৪ আসনে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী,
ঝিনাইদহ-৪ আসনে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ,
যশোর-১ আসনে মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব,
যশোর-৬ আসনে আবুল হোসেন আজাদ, বাগেরহাট-১ আসনে মাসুদ রানা,
বাগেরহাট-২ আসনে এমএ সালাম
বিএনপির ২০৬ আসন,
ঐক্যফ্রন্ট ও ২৩ দল ৯৪ আসন,
চট্টগ্রাম থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পেলেন যারা.....
চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন
চট্টগ্রাম-২ কর্ণেল আজিম উল্লাহ বাহার
চট্টগ্রাম-৩♦মোস্তফা কামাল পাশা
চট্টগ্রাম-৪ ইসহাক কাদের চৌধুরী
চট্টগ্রাম-৫♦জেনারেল ইব্রাহিম বীরপ্রতীক
চট্টগ্রাম-৬ জসিম উদ্দীন সিকদার
চট্টগ্রাম-৭ কুতুব উদ্দীন বাহার
চট্টগ্রাম-৮♦মোর্শেদ খান / আবু সুফিয়ান
চট্টগ্রাম-৯ ডাঃ শাহাদাত হোসেন
চট্টগ্রাম-১০ আবদুল্লাহ আল নোমান
চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১২ এনামুল হক হোসেন
চট্টগ্রাম-১৩ সরোয়ার জামাল নিজাম
চট্টগ্রাম-১৪ কর্নেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম
চট্টগ্রাম-১৫♦শামসুল ইসলাম
চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী
সবার প্রতি শুভ কামনা রইল
তফসিল ঘোষণার পর থেকে আওয়ামী লীগের দু'গ্রুপের খুনের ধারাবিবরণী.......!!
ঢাকায় নানক-সাদেক দ্বন্ধ খুন ২,
নারায়নগঞ্জে গ্রুপিং খুন ১,
কুমিল্লায় গ্রুপিং খুন ১
নরসিংদীতে দু'গ্রুপে দ্বন্ধ খুন ৭,
নাটোরে গ্রুপিং খুন ১,
পাবনায় গ্রুপিং খুন ২,
চট্টগ্রামের পটিয়ায় গ্রুপিং খুন ১,
রাজশাহীতে দু'পক্ষের দ্বন্ধে খুন ১,
নওগাঁয় উপজেলা সভাপতি খুন ১,
নীলফামারিতে মনোনয়ন গ্রুপিং খুন ১,
নড়াইলে গ্রুপিং খুন ২,
ঢাকায় ১
সর্বমোট খুন ২১
সামনে আরো কিছু খুন দেখতে চোঁখ রাখুন আওয়ামী লীগের উপর।
মরহুম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী এবং পরবর্তি প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বেগম জিয়ার কিছু অর্জন......
১) বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তান এ। তার কবর দেয়া হয়েছিল মশরুর বিমান ঘাটিতে।আর কবরের উপর উল্লেখ করা ছিল " এটা এক দেশদ্রোহী গাদ্দারের কবর"। তার পরিবার এর সদস্যরা শুধুমাত্র একবার সেখানে যাবার অনুমতি পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ইচ্ছা আর প্রবল আগ্রহে পাকিস্তান সফরের মূল বিষয় ছিল এটাই যে তিনি এই সূর্য সন্তানের কবর দেশে ফিরত নিয়ে যেতে চান। সফল এই সফরের ফলে তা সম্ভব হয় এবং জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানটিকে তার মাতৃভূমির মাটিতে ফিরিয়ে নিয়া আসা হয় এবং নতুন করে মিরপুরে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এখানে আরেকটা কথা বলে রাখা দরকার যে, প্রধানমন্ত্রী নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের লাশ গ্রহন করেছিলেন।
২) বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কে দাফন করা হয়েছিল বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে দুই কিলোমিটার দূরে ভারতের আম্বাসা নামক গ্রামে। যুগের পরে যুগ, জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের কবর নিভৃতে অযত্নে অবহেলায় পড়ে ছিল।
১৯৯২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার নির্দেশ মতে তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান এর লাশ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এ দাফন করেন। ঐ সময়ের তিন বাহিনী প্রধান তখন সম্মান জানিয়ে লাশ দাফনে উপস্থিত ছিলেন।
৩) ঐ সময়েই মুক্তিযুদ্ধের উপর সিনেমা বানাতে চেয়েছিলেন বাংলাদের সাহিত্যের জাদুকর হুমায়ুন আহমেদ স্যার। রাষ্ট্রীয় অর্থে নির্মান ব্যয় হবার কথা থাকলেও সেন্সরশীপ এর টাকা বাকি থেকে যায়। প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান হুমায়ুন আহমেদ। প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তা পরিশোধ করেন।
সিনেমা বানানোর মিলিটারী সরঞ্জামের প্রয়োজন পড়লো। হুমায়ন আহমেদ আবারো বেগম জিয়ার দ্বারস্থ হলেন। প্রধানমন্ত্রী সাথে সাথেই তৎকালীন সামরিক সচিব সুবিদ আলী ভুইয়া কে নির্দেশ দেন উক্ত বিষয়ে সর্ব প্রকার সহায়াতার নির্দেশ দেন।
সিনেমার সব কাজ শেষ।এবার হুমায়ুন আহমেদ আবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্বারস্থ হলেব এবং আবদার করলেন তিনি তাকে না দেখিয়ে সিনেমা কাউকে দেখাতে চান না। গোল বাধলো অন্য জায়গায় এফডিসিতে প্রজেক্টর সহ সকল কিছু পুরোনো আর অকেজো।
প্রধানমন্ত্রী আবারো তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এলেন।
হুমায়ন আহমেদ এবং বেগম জিয়া সহ বিশিষ্ট্য ব্যক্তিবর্গ একসাথে বসে সিনেমাটা দেখলেন। ছবিটি দেখার সময় চোখে পানি চলে এল বেগম জিয়ার, হুমায়ন আহমেদ কাদলেন। সেইবারই হুমায়ন আহমেদ এর চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি ৮ টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
৪) খেতাব পাওয়া বীরপ্রতিক তারামন বিবির কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো নাহ।এক সাংবাদিকের দুই যুগের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে সেই মহানায়িকার সন্ধান।
১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া তার অফিসে তারামন বিবিকে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান এর আয়োজন করে সম্মাননা প্রদান করেন।
এতোক্ষণ বলছিলাম বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা। মুক্তিযুদ্ধ আর যোদ্ধাদের সম্মানের কোন ঘাটতি তার মধ্যে কখনোই দেখা যায় নাই।বরং তার মত করে সম্মান আর কেউ করতে পারবে কি নাহ জানিনা।
কিন্তু এই মহিলা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কখনোই কোন ব্যবসা করতে পারলেন নাহ। নিজে যুদ্ধের সময় সন্তান নিয়ে বন্দী ছিলেন।
জানা যায় একবার বোমা বিস্ফোরণ হলে তার ঘরের এক অংশ পুড়েও গিয়েছিল। অথচ আজকের কিছু অসাধু শয়তান তাকে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে বলে প্রচার করে বেড়াচ্ছে।
খুব জানতে ইচ্ছে হয়,মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান কি???
এখন তারা কতটা ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধকে কে???
মুক্তিযুদ্ধ কে ভালোবেসে কি করেছে মুক্তি যোদ্ধাদের জন্য???
মহান এই নারীকে আমরা সম্মান তো কখনোই দিতে পারলাম নাহ। কিন্তু পদে পদে অসম্মান করছি। তার প্রতিষ্ঠিত সকল জায়গা থেকেই তার নাম সরাতে চাচ্ছি।।কিন্তু তা কি আদৌ সম্ভব?
তার রেকর্ড কি আজীবন কেউ ভাংতে পারবেন!!!!
৫) তিনি বাংলাদেশের প্রথম ফাস্ট লেডি, এই রেকর্ড ভাংগার সাধ্য কারো নেই।
৬) ৯০' সালের স্বৈরশাসক বেগম জিয়ার আপোহীনতার কারণেই জাতীয় নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই রেকর্ড ভাংগার সাধ্য কারো নেই।
৭) তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। এই রেকর্ড ভাংগার কোন সুযোগ নাই।
৮) তিন তিন বারের বিপুল ভোটে জয়ী হওয়া সফল প্রধাবমন্ত্রী। তার প্রাপ্ত মোট ভোট পৃথিবীর যে কোন সংসদীয় সরকার প্রধানকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখে। এই রেকর্ড ভাংগার সাধ্য কারো নেই।
৯) তার স্বামী জাতির ক্রান্তিলগ্নে স্বাধীনতার ঘোষনা দেন, এই রেকর্ড ভাংগার সাধ্য কারো নেই।
১০) তার স্বামী মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তিনি বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের পূর্নঃ প্রতিষ্ঠাতা, এই রেকর্ড ভাংগার সাধ্য কারো নেই।
১১) জাতিসংঘ এ প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে দেশের অধিকার নিয়ে কথা বলা নারী তিনি, এই রেকর্ড ভাংগার সাধ্য কারো নেই।
আজ তারা যাকে অসম্মান করছেন তাদেরকে বলতে চাই যে, বেগম জিয়ার একটা রেকর্ড অর্জন করে দেখান।এগুলা টাকা দিয়ে কেনা পুরস্কার বা ডিগ্রি নয় যে ব্যাগ ভরে কিনে আনলাম। তার প্রতিটি রেকর্ড তার সততা, দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি তার ভালবাসা আর মানুষের কাছে থেকে পাওয়া অমুল্য ভালোবাসা দিয়েই অর্জিত।
তাই বলি কি এসব ফলক মুছে কাজ নাই। কিছু ভাল কাজ করুন। তবুও যদি দেশের জনগণ আপনাদের অন্যভাবে মনে রাখে।
06/12/2018
আমাকেও বাবার সাথে গুম করে দাও 😭😭😭
গুমন্ত বিবেক কখনোই হয়তো জাগ্রত হবেনা.আমরা মানুষ পশুর চেয়ে ও খারাপ হয়ে গিয়েছি, ছোট ছোট অবুঝ শিশুদের বুক ফাটা আর্তনাদ দেখে ও আমাদের মনে একটু মায়া হয় না, কি পরিমান কষ্ট নিয়ে যে ওরা এইটুকু শিশুরা বেঁচে আছে তা ওদের না দেখলে বোঝা জাবেনা - নীচের ছবিতে কান্নায় বেঙ্গে পরা মেয়েটি- ২০১৩ সালে ‘গুম’ হওয়া সাজেদুল ইসলাম সুমনের মেয়ে - আফসানা ইসলাম রাইদা।
05/12/2018
আমাকেও গুম করে দিন। অন্তত আমার বাবার সাথে দেখা হবে😭😭😭😭
এর উত্তর কি দিতে পারবেন?
বিজয়ের মাসে আরেকটা বিজয় চাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
নয়াপল্টন
Dhaka
