Shamim Anwar

Shamim Anwar

Share

Additional Special SP at CID
CID Headquarters, Malibagh, Dhaka. BCS (Police), 34th BCS

22/05/2026

আসামি গ্রেপ্তারের দাবি তোমার টাইমলাইন জুড়ে
হয়তোবা এসি রুমে শুয়েই, প্রতিবাদের তীব্র সুরে
শোনো, তখন আমিও কিন্তু পথেপ্রান্তরে বেড়াই ঘুরে
সেই আসামিরই সন্ধানে, পুড়ে গ্রীষ্মের খর রোদ্দুরে!

কী, রাগ করলা!

19/05/2026

সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় যেভাবে সিআইডির সহযোগিতা নিবেন!

আপনার ছবি/ভিডিও ব্যবহার করে কেউ নোংরা কন্টেন্ট বানিয়ে আপনাকে হ্যারেস করছে? ফেসবুক আইডি হ্যাক, বিকাশ/নগদ প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন? ভুয়া চাকরির অফার, অনলাইন ব্ল্যাকমেইল, পর্নোগ্রাফি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, মেসেঞ্জারে পরিচয় গোপন করে প্রতারণা, বিদেশ থেকে লটারির প্রলোভন, “OTP দিন—অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করুন” টাইপের ফাঁদ, কিংবা প্রেমের অভিনয় করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়েছেন?

এসব ঘটনার শিকার হলে দেরি না করে সরাসরি সিআইডির সাইবার শাখার সঙ্গে কথা বলুন।
#সিআইডি #সাইবার #হটলাইন: 01320010148

দুঃখজনক হলেও সত্য—অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ার পর প্রকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে না গিয়ে প্রথমেই ফেসবুকের কমেন্ট সেকশনের “আইটি এক্সপার্ট”, “রিকভারি মাস্টার” কিংবা ইনবক্সে এসে সাহায্যের প্রস্তাব দেওয়া অচেনা লোকদের বিশ্বাস করেন।
আর এখানেই ঘটে দ্বিতীয় প্রতারণা!

প্রতারকেরা কেউ প্রচার করে “আমাদের টিম আন্তর্জাতিক সাইবার স্পেশালিস্ট”, কারও বাগাড়ম্বর "আমরা এফবিআই-এর সঙ্গে কাজ করি", কেউবা আবার ভুয়া সিআইডি, ভুয়া পুলিশ কিংবা ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট ইত্যাদি পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের আতঙ্ককে পুঁজি বানায়।

এরপর শুরু হয় নতুন ফাঁদ। OTP চাওয়া, ইমেইল পাসওয়ার্ড নেওয়া, নতুন ছবি- ভিডিও দিতে বাধ্য করা, বিকাশে টাকা পাঠাতে বলা, রিমোট অ্যাপ ইনস্টল করানো, ব্যক্তিগত ছবি/ভিডিও সংগ্রহ করা, ব্যাংক তথ্য হাতিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

মনে রাখবেন, সত্যিকারের তদন্তকারী সংস্থা কখনো ইনবক্সে এসে গোপনে টাকা চায় না, ব্যক্তিগত পাসওয়ার্ড চায় না, কিংবা “আগে টাকা দিন, পরে উদ্ধার” টাইপ কথাবার্তা বলে না।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, অনেকে প্রতারণার শিকার হওয়ার পর লজ্জায় বা ভয় পেয়ে ঘটনা গোপন রাখেন। ভাবেন, “মানুষ কি বলবে!” কিন্তু এই নীরবতাই প্রতারকদের আরও শক্তিশালী করে তোলে। আপনি অভিযোগ না করলে, একই প্রতারক হয়তো পরের দিন আরেকজনের সর্বনাশ করবে।

তাই সাইবার সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় ভুয়া অনলাইন “হেল্পার” বা ইনবক্সে ঘুরে বেড়ানো প্রতারক নয়, সরাসরি যোগাযোগ করুন সিআইডির সাইবার শাখার সঙ্গে।

জেনে রাখুন,
01320010148 নম্বরই সিআইডির সাইবার সংক্রান্ত #একমাত্র হটলাইন নম্বর। এটা ব্যতীত অনলাইনে, অফলাইনে পাওয়া অন্য কোনো নম্বরকে এক্ষেত্রে বিশ্বাস করবেন না।

শামীম আনোয়ার
বিসিএস (পুলিশ)
এডিশনাল স্পেশাল এসপি (সিআইডি)
সিআইডি হেডকোয়ার্টার্স, মালিবাগ, ঢাকা

07/05/2026

ঢাকার রাস্তা দখলে নিচ্ছে এক 'নীরব ট্রাফিক পুলিশ'!

১.
ট্রাফিক পুলিশ: “সিগনাল অমান্য করে চলে গেলেন কেন? লাল বাতি জ্বলছিল, দেখেননি?”
ড্রাইভার: “লাল বাতি দেখেছি স্যার। কিন্তু আপনাকে দেখি নাই!”
২.
ট্রাফিক পুলিশ: "গাড়ির কাগজপত্র তো ঠিক নাই। এখন মামলা দিব। আর না হলে ১ হাজার টাকা দে"।
ড্রাইভার: "স্যার এত টাকা তো নাই"।
ট্রাফিক: "তাইলে ৫ শ টাকা দে"।
ড্রাইভার: "৫শ-ও নাই স্যার"।
এভাবে ১০০, ৫০,২০ ও ১০ টাকা আদায় করার চেষ্টা করেও ট্রাফিক পুলিশ যখন চালকের কাছ থেকে ওই একই উত্তর পেল 'নাই স্যার'।
শেষমেষ রেগে গিয়ে, ট্রাফিক পুলিশ: 'তাইলে পিঠটা চুলকে দিয়ে যা ব্যাটা"।

লোকসমাজে আমাদের দেশের ট্রাফিক শৃঙ্খলা ব্যবস্থা নিয়ে এমন অজস্র কৌতুক শুনতে পাওয়া যায়। শত বছরের অভিজ্ঞতা প্রসূত এসব কৌতুক। আশার কথা হচ্ছে, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকে পরবর্তী উন্নততর ধাপে নিয়ে যেতে ঢাকার রাস্তায় এসেছে নতুন “নীরব ট্রাফিক পুলিশ”!

হ্যা, সে-ও ট্রাফিক পুলিশই। তবে তার হাতে না আছে বাঁশি, না আছে স্টিক। মনে না আছে রাগ, না অনুরোধ শোনার অভ্যাস। না তিনি ঘুষ খান, না নাস্তা-পানি খাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সেবাগ্রহীতার পকেট সাফাই করেন। এই ট্রাফিক শুধু দেখে, তারপর সরাসরি রিপোর্ট পাঠায়।

রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে Dhaka Metropolitan Police - DMP চালু করেছে AI-ভিত্তিক ট্রাফিক মনিটরিং ও E-Prosecution সিস্টেম।

মানে কী?
আগে আইন ভাঙলে হয়তো সামনে পুলিশ থাকলে ধরা পড়তেন। এখন দশাসই চেহারার কোনো সার্জেন্টের সিগনালের মুখোমুখি না হলেও আপনি ক্যামেরার সার্বক্ষণিক দৃষ্টির পর্যবেক্ষণেই থাকবেন।

ক্যামেরা? এ আর এমন কি; ঠিকঠাক ফাঁকি দেওয়ার রাস্তা বের করে নেওয়া যাবে?

আপনি যদি আমার মতো গরিব-গুনা টাইপের হয়ে থাকেন, আপনার হাতে হয়তো স্বল্প রেজুলেশনের কমদামি এনড্রয়েড মোবাইল আছে। আর আপনি যদি বড়লোক্স হয়ে থাকেন, তাহলে হয়তো আপনার ডিএসএলআর-ই আছে। সেটা না থাকলেও আপনার মুঠোয় যে লেটেস্ট মডেলের আইফোন রয়েছে, তাতেও আছে উচ্চ ক্ষমতার ক্যামেরা সাপোর্ট। কিন্তু জেনে নিন, আপনার-আমার ক্যামেরা আর এই ট্রাফিক ক্যামেরা এক জিনিস নয় কিন্তু! এ ক্যামেরা ভীষণ বুদ্ধিমান। সে শুধু ভিডিও তোলে না, “বুঝে”ও ফেলে যে, আপনি কী ভুলটা করলেন।

>>সিগন্যাল লাল, আপনি গেলেন?
>>জেব্রা ক্রসিংয়ের উপর গাড়ি থামালেন?
>>উল্টো পথে ঢুকলেন?
>>হেলমেট ছাড়া বাইক?
>>স্টিয়ারিং হাতে, ফোন কানে?
>>সিটবেল্ট ছাড়া ড্রাইভিং?
>>অনুমতি ছাড়া VIP লাইট?
এসবকিছুই এখন ডিজিটালি রেকর্ড হতে পারে।

আর সবচেয়ে বড় কথা, আপনাকে রাস্তার মাঝখানে থামিয়ে তর্কও করা হবে না।ক্যামেরা নিজের কাজ করে চলে যাবে, কিন্তু মামলাটা পরে আপনার কাছেই পৌঁছে যাবে। যদি মনে করেন, পুলিশ শুধুই তো মামলাই দিয়েছে, কাগজপত্র তো আর নেয়নি। এই ভেবে যদি নির্ধারিত দিনে হাজির না হন তাহলে আপনার বিরুদ্ধে নেওয়া হতে পারে সমন বা ওয়ারেন্টের মতো পদক্ষেপও।

এখানে আরেকটা বিষয় জানা খুবই জরুরি। গাড়ি আপনি চালান বা অন্য কেউ চালাক, সিস্টেম প্রথমে ধরবে রেজিস্ট্রেশন নম্বর। অর্থাৎ ভুল করলে ঝামেলা আগে যাবে মালিকের দিকেই।

একসময় ড্রাইভাররা বলত- “পুলিশ নাই, রাস্তা ক্লিয়ার!” এখন রাস্তা ক্লিয়ার হলেও সিস্টেম ঠিকই অন থাকবে। তাই সতর্ক থাকুন।নিজে নিয়ম মানুন, অন্যকেও মানতে পরামর্শ দিন। নাহলে? ক্যামেরা হয়তো কথা বলবে না। প্রমাণ কিন্তু জমা রাখবে ঠিকঠাক। আর যথাসময়ে কাগজ পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়।

আমাদের দেশের পুলিশ কেন ইউরোপ আমেরিকার পুলিশের মতো হয় না, এ নিয়ে যাদের হাপিত্যেশ ছিল, তাদের হতাশা দূর হতে চলল বলে! (না হইলেই ভালা হইতো, তাই না? :p )
.........................................................
শামীম আনোয়ার
বিসিএস (পুলিশ)
এডিশনাল স্পেশাল এসপি, সিআইডি
সিআইডি হেডকোয়ার্টার্স, মালিবাগ, ঢাকা

02/05/2026

সিআইডিতে জয়েন করার পর....

আমি এখনো আগের মতোই আছি। কিন্তু আশপাশের লোকজন বলে, শুধু নাকি একটু বেশি বেশি প্রশ্ন করি!!!

27/04/2026

সিআইডি-কথন

আসামি ধরার ক্ষেত্রে আগে একটাই থাম্বরুল জানতাম দ্রুত ঢুকো, দ্রুত ধরো, দ্রুত বের হও।

সিআইডিতে এসে শিখলাম-
ধীরে বসো, ধীরে ভাবো, ধীরে ধরো… কিন্তু একবার ধরলে আর ছাড় নাই।

মনে হয় আগে দৌড়ে বিশ্বাসী ছিলাম, আর এখন হিসাবে।
..............................................................
শামীম আনোয়ার
এডিশনাল স্পেশাল এসপি,
সিআইডি, ঢাকা

07/04/2026

পথেপ্রান্তরে যার প্রিয়জনদের বিচরণ, সেই লোক চাইলেও কি আর কাউকে না বলে চুপচাপ বিদায় নিতে পারে!

ইনশাআল্লাহ আবার দেখা হবে প্রাণের নরসিংদী। ভালো থাকুন, প্রিয় নরসিংদীবাসী।

ইতি
আপনাদেরই
শামীম আনোয়ার
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-সদর সার্কেল (প্রাক্তন)
নরসিংদী।

02/04/2026

আমার বিরুদ্ধে চান্দাভাইদের শেষ ব্যর্থ চেষ্টা!

আচ্ছা, একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে কেউ কারো কাছে ১০ হাজার টাকা প্রতারণা করতে চাইবে, এটা আপনাদের কাছে কোনো বিবেচনাতেই কি বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়? নরসিংদীতে তো বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট মিলিয়ে শত শত অফিসার, তাদের কারো নামে চাঁদা নিল না, নিল আমার নামে। তাও মাত্র ১০ হাজার!! কোথাও কি একটু খটকা লাগছে না!

আমার কারণে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকা লস খাওয়া চান্দাভাই, দুর্নীতিবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী ভাইয়েরা বহু চেষ্টা করেও গত প্রায় দেড় বছরে আমার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো অভিযোগ দাড় করাতে পারেননি। আমার ধারণা, শেষ এই চেষ্টাটাও তাদেরই গোবর-ভরা দুর্বল মস্তিষ্কের ফসল। কয়েকজনকে দিয়ে আমার নাম ভাঙিয়ে ১০ হাজার টাকা প্রতারণা 'করিয়ে' আমার উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা! যেন পাবলিক মনে করে যে, "এডিশনাল এসপি শামীম আনোয়ার নিজে ঘুষ না খাওয়ার ভাণ করলে কী হবে, অন্য লোকদেরকে দিয়ে ঠিকই টাকা আদায় করে খায়। নিজ হাতে না খেয়ে ঘুরিয়ে খাওয়া আরকি!" কিন্তু ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা যখন আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করে ফেললাম, তাৎক্ষণিক একশনে গেলাম, তাদের দুর্বল এই পরিকল্পনাটিও মাঠে মারা গেল! নরসিংদীর মানুষের কাছেও সবকিছু হয়ে পড়ল জলবৎ তরলং!

যদি কোনোভাবে বিষয়টা আমার নলেজে না আসত বা আমি গুরুত্ব না দিতাম বা কোনো কারণে আসামিদেরকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হতাম, তাহলে তাদের পরিকল্পনাই হয়তো সফল হয়ে যেত। একদিন না একদিন তারা মানুষকে বুঝাত যে, 'দেখেন এডিশনাল এসপি শামীম আনোয়ার যদি তাদেরকে দিয়ে টাকা না তোলাত, তাহলে সব প্রমাণ থাকার পরও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল না কেন!' আশা করি, তদন্তকারীরা সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবে।

বাস্তবতা এমনই যে, আপনি যদি অপরাধী চক্রের সঙ্গে মামু-ভাইগ্না হয়ে যান, শুধু যে মাস শেষে বিশাল অংকের অর্থ পকেটস্থ করতে পারবেন, তা নয়; আপনার চাকরির পথটাও হবে কুসুমাস্তীর্ণ। বিপরীতক্রমে যদি তাদের অপকর্মকে বাঁধাগ্রস্ত করতে যান, জনগণের পক্ষে অবস্থান নেন, তাহলেই হলো। বিপদ আপনার পদেপদে ঘুরবে! আমার বদলি হয়ে গেছে, আমি চলে যাচ্ছি। তা-ও আমাকে শায়েস্তা করার ইচ্ছা তাদের দূর হচ্ছে না।

আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও চান্দাভাইদের ক্ষোভ আছে, জানি। কিন্তু তাই বলে এতটা? শুনে রাখুন প্রিয় ভাইয়েরা, আমার শক্তির জায়গা একটাই, নরসিংদীর খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলি, শত চেষ্টা করে আমার কিছুই করতে পারবেন না। জানেন না, রাখে আল্লাহ, মারে কে!

বিদায় বেলায় আবারও আহ্বান জানাই, দয়া করে আমাকে শায়েস্তা করার চিন্তা মাথা থেকে ফেলে দিয়ে এই সর্বনাশা পথ ছেড়ে সুপথে ফিরুন। প্রাণের নরসিংদীটাকে প্লিজ আর বসবাসের অনুপযোগী করেন না। আল্লাহপাক আপনাদের প্রতি রহমশীল হোন।
......................................................
শামীম আনোয়ার
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
নরসিংদী।

31/03/2026

আমার জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক যে গ্রেপ্তার!

গতকাল রাতে একজন সাহসী লোক প্রমাণসহ আমাকে জানিয়েছিলেন যে, তার কাছ থেকে আমাকে দেওয়ার নাম করে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশক্রমে সকালের মধ্যেই আমরা সেই তিন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন।

নরসিংদীবাসীর নিকট আবারো করজোড়ে অনুরোধ, প্লিজ কমেন্টে বলুন, আমি নিজে বা আমাকে দেওয়ার কথা বলে অন্য কেউ আপনার কাছ থেকে বা আপনার পরিচিত কারো কাছ থেকে কখনো যে কোনো পরিমাণ টাকা নিয়েছি/নিয়েছে কিনা! আমি নরসিংদী ছাড়ার আগেই এ ধরনের সকল বিষয়ে সবাই প্লিজ মুখ খুলুন। আমি তথ্য ও প্রমাণের অপেক্ষায় আছি।
(বিস্তারিত প্রথম কমেন্টে)

25/03/2026

নরসিংদীবাসীর কাছে আমার খোলা জবাবদিহিতা: 'আমার সম্পর্কে সত্যিটা বলুন'

নরসিংদী সদর সার্কেলে প্রায় দেড় বছর দায়িত্বপালনের পর সম্প্রতি আমাকে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে। নাতিদীর্ঘ এ সময়ে এখানে যাদের সাথে আমার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ পরিচয় ঘটেছে, কোনো উপলক্ষে আমার সম্পর্কে জেনেছেন, আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত থানাগুলোতে ওসি, ইন্সপেক্টর, এসআই-সহ পুলিশের বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন এবং ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও ধএনাঢ্য ব্যক্তিসহ নরসিংদীর সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের নিকট আমার সবিনয় জিজ্ঞাসা-

১. বৈধ-অবৈধ যেকোনো প্রক্রিয়ায়, যেকোনো নামে আমি আপনাদের কারো কাছ থেকে কখনো একটি টাকাও নিয়েছি কিনা বা কারো কাছ থেকে কখনো এক কাপ চা-ও খেয়েছি কিনা বা অন্যকোনো উপহার সামগ্রী গ্রহণ করেছি কিনা!

২.কেউ আমাকে দিবে বলে আপনার কাছ থেকে ঘুষ, টাকা, চাঁদা, উপঢৌকন ইত্যাদি নিয়েছে? অথবা টাকা নেওয়ার সময় আমাকে দিবে মর্মে সরাসরি না বললেও পরোক্ষভাবে বুঝিয়েছে যে, এর ভাগ আমার কাছে পর্যন্ত যাবে? (যদি এমনটা ঘটে থাকে, তাহলে আপনার কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ নাম,পরিচয় প্রকাশ্যে উল্লেখ করুন।)

৩.আপনি আপনার ঘনিষ্ঠ কারো কাছে শুনেছেন যে, তিনি আমাকে কারো কাছ থেকে টাকা নিতে দেখেছেন বা শুনেছেন, বা কেউ তার কাছে বলেছে যে আমি তার কাছ থেকে টাকা বা কোনো সুবিধা নিয়েছি।

৪.বেতনের বাইরে আমাকে কারো কাছ থেকে একটি টাকাও নিতে দেখেছেন বা শুনেছেন যে, আমি নিয়েছি?

আমি নরসিংদী থাকতেই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা আমার জন্য ভীষণ জরুরি। অনেকে হয়তো আমার সেবায় সন্তুষ্ট না-ও হতে পারেন, কিন্তু আর্থিকভাবে আমি স্বচ্ছ ছিলাম কিনা, নাকি উপরে সততার অভিনয় করে ভিতরে ভিতরে পকেট ভর্তি করেছি, সকলের নিকট এ বিষয়গুলো পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

অনেকে হয়তো বলবেন, একজন সরকারি কর্মচারী সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। এটা আলাদা করে বলার কী আছে! আছে ভাই। যুগযুগ ধরে সমাজে পুলিশ সম্পর্কে বদ্ধমূল একটি ধারণা যে, পুলিশ মানেই ঘুষ খায়, দুর্নীতি করে ইত্যাদি ইত্যাদি। এই দুঃখজনক বাস্তবতা ভেঙে দেওয়ার তীব্র আকাঙ্খা থেকেই আমি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জটা নিলাম। আজ আমি যা করছি, আমার ধারণা একদিন না একদিন সকল সরকারি অফিসারের ক্ষেত্রেই এটা আবশ্যকীয়ভাবে চালু হবে। বিদায় বেলায় একজন সরকারি কর্মচারীকে বাধ্যতামূলকভাবে সেবাগ্রহণকারী জনগনের নিকট জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে।

আমি এক টাকাও কারো কাছ থেকে নিয়ে থাকলে আপনাদের কেউ না কেউ সেটা জানবেন। না দেখলেও কারো কাছ থেকে অন্তত শুনবেন। আমার সম্পর্কে আপনার জানা, কিন্তু নরসিংদীবাসীর অজানা সেসব বিষয়ই আজ প্রকাশিত হোক। কোনো ভয় নেই। নির্ভয়ে এবং প্রকাশ্যে কমেন্ট বক্সে লিখুন। আমি আপনাদের সবার মন্তব্য আশা করছি।

শামীম আনোয়ার
বিসিএস (পুলিশ)
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-সদর সার্কেল
নরসিংদী।

18/03/2026

এতভাবে বলার পরও যারা আমার বদলি বাতিলের দাবি নিয়ে কর্মসূচি করবেন, আমি ধরে নিব, তারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী নন। সবাইকে যারযার গন্তব্যে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


CID Headquarters, Malibagh
Dhaka