14/05/2013
like this page. next 100 will get surprise bonus.
https://www.facebook.com/BurningCuriosity
Burning Curiosity
“I know quite certainly that I myself have no special talent; curiosity, obsession and dogged endurance, combined with self-criticism, have brought me to my ideas.” ~Albert Einstein
14/05/2013
like this page. next 100 will get surprise bonus.
https://www.facebook.com/BurningCuriosity
14/02/2013
ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ফাঁসির লাশটা দেখতে চাই।
জামাত ছেরে চলে আয়, নইলে তোদের রক্ষা নাই ।
প্রজন্ম একাত্তুর ,নিয়ে যাবে বহুদুর ।
ফাঁসি দিয়ে তোদের রায়,কার্যকর করব আমরা তাই।
তোদের আমরা ছারব না, ফাঁসি ছাড়া মানবনা ।
মিষ্টি কথা বলবনা ,ফাঁসি ছাড়া মানবনা ।
বজ্র কণ্ঠে হুঙ্কার , জামাতিরা রাজাকার ।
মায়ের কোলে শিশু তাই,কাদের ময়লার ফাঁসি চায় ।
লুচ্ছা সাইদির পরকিয়া, ছেঁচবো মাথা পাথর দিয়া ।
পরকিয়ার খেসারত , ফাঁসি হবে শেষ তক ।
--- Kibria Rakib
09/02/2013
রাজধানী ঢাকার শাহবাগে ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ শুরু হয়। এদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত আসামী আব্দুল কাদের মোল্লার বিচারের রায় ঘোষণা করে। কবি মেহেরুন্নেসাকে হত্যা, আলুব্দি গ্রামে ৩৪৪ জন মানুষ হত্যা সহ মোট ৬টি অপরাধের ৫টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। কিন্তু এতোগুলো হত্যা, ধর্ষণ, সর্বোপরী গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ মেনে নিতে পারেনি। রায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকার শাহবাগে জড়ো হতে শুরু করে এবং এর অনুসরণে একসময় দেশটির অনেক স্থানেই সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়।[
এই আন্দোলনে তরুণ প্রজন্মের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। শাহবাগ মোড় বা শাহবাগ চত্বরে বিপুল সংখ্যক মানুষের বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মানুষের সমাবেশের কারণে এই চত্বরকে অনেকে "প্রজন্ম চত্বর" বলে ডেকেছেন। এই চত্বরে নির্ঘুম রাত কাটান অনেকে। পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর কাছে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেছিল, পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে "শহীদ জননী"-খ্যাত লেখিকা ও সমাজকর্মী জাহানারা ইমাম সোহরাওয়ার্দি উদ্যানেই গণআদালতের মাধ্যমে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের প্রতীকী বিচার করেন। প্রজন্ম চত্বর বা শাহবাগ চত্বর এই উদ্যানের বেশ কাছেই অবস্থিত।[
08/02/2013
শনিবার আন্দোলনে আসছে ক্রিকেট দল ।
শাহবাগ চত্বর থেকে: যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে চলমান আন্দোলেনে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ।
বৃহস্পতিবার ক্রিকেট দলের পক্ষ থেকে চলমান আন্দোলনকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয়, তারা আগামী শনিবার থেকে আন্দোলনে যোগ দেবেন ।
রাত পৌনে আটটায় সমাবেশস্থল থেকে মাইকে এ সংক্রান্ত ঘোষণা দেন একজন আন্দোলনকারী । এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে করতালি দিয়ে জাতীয় দলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় উপস্থিত গণজমায়েত ।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধেঅভিযুক্ত জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়ার পর মঙ্গলবার থেকেই শাহবাগে বৃহত্তর জমায়েত গড়ে তুলেছে তরুণ প্রজন্ম । আর তাদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ । শাহবাগের এই আন্দোলনের রেশ পড়েছে সারা দেশে ।
আন্দোলন-প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে ফেইসবুক, ব্লগসহ অনলাইনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে । সারা দেশের মানুষ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিরাও ভার্চুয়াল জগতের মাধ্যমে আন্দোলনে সংহতি জানাচ্ছেন ।
08/02/2013
শুক্রবার সকালের পরই জনস্রোত বাঁধভাঙা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। ‘তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’, ‘একটাই দাবি ফাঁসি, ফাঁসি’ ‘আমি কে, তুমি কে, বাঙালি বাঙালি’, ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’ শহীদের বাংলায়, রাজাকারের ঠাঁই নেই’ ইত্যাদি স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে সমাবেশ স্থলসহ পুরো এলাকা।
স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত শাহবাগ।
08/02/2013
স্যালুট লাকী আক্তার!
শাহবাগের সমাবেশে তারুণ্যের প্রাণস্ফূর্ততার প্রতীক হয়ে উঠেছেন এই তরুণী
লাকী আক্তার মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। নব্বইয়ের উত্তাল গণ-আন্দোলন শুধুই তাঁর শৈশব-স্মৃতি। কিন্তু লাকী আক্তার মুক্তিযুদ্ধের আগুন বুকে জ্বালিয়েছেন শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষার্থীর দৃপ্ত স্লোগানে সচকিত হাজারো মানুষ গর্জে উঠছেন যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে। তাঁর কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়েছেন অগণিত মুখ। এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।
কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে তিন দিন ধরে অবিরাম স্লোগান দিয়ে চলেছেন লাকী। এক হাতে মাইক্রোফোন আর মুষ্টিবদ্ধ অন্য হাত ঊর্ধ্বে ছুড়ে স্লোগানে স্লোগানে উজ্জীবিত করছেন সমবেতদের। তাঁর উচ্চকিত কণ্ঠ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে হাজারো কণ্ঠে। এই অগ্নিকণ্ঠীকে উদ্দেশ করে সমবেত অনেককেই বলতে শোনা গেছে, ‘স্যালুট লাকী আক্তার!’
চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে তাঁর বানানো স্লোগান এখন দেশজুড়ে। ব্লগ, সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও। লাকীর কণ্ঠে ‘ক’-তে কাদের মোল্লা শোনার সঙ্গে সঙ্গে সবাই গর্জে উঠছে ‘তুই রাজাকার তুই রাজাকার’ ধ্বনিতে। শুধু স্লোগান নয়, লাকীর কণ্ঠের প্রতিবাদী সুর পরিবর্তিত হয় ক্ষণে ক্ষণে। দিনভর একনাগাড়ে তাঁর স্লোগান দেওয়ার ক্ষমতা দেখে সবাই বিস্মিত।
গতকাল শাহবাগ মোড়ে কথা হয় লাকীর সঙ্গে। তিনি বলেন, তিন দিনে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য তিনি আন্দোলনস্থলের বাইরে ছিলেন। স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে গেলেই কণ্ঠ নড়বড়ে মনে হচ্ছে। তবে স্লোগান দিতে কোনো ক্লান্তি নেই। লাকী বলেন, ছোটবেলা থেকেই রাজাকারদের ঘৃণা করি। তাঁদের বিরুদ্ধে এত বড় আন্দোলনে স্লোগান দিতে পেরে তিনি গর্বিত।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি শেষ বর্ষের ছাত্রী লাকীর গ্রামের বাড়ির ফেনী। তিনি বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক। ঢাকার মালেকা বানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন থেকে মাধ্যমিক এবং মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ২০০৭ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। ২০০৯ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জড়িয়ে পড়েন ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে।
08/02/2013
বাংলা মায়ের দাপট দেখে পালিয়েছে পাক্ হায়না, স্বাধীন দেশে বুক দাপিয়ে ঘুরছে ওদের চামচারা, ওদের নাকি দাপট বড়, করতে পারে সব অহরহ, ....ওরা ও তো ভুলে গেছে আমার বাংলা কত বড়,..বলছি আমি বুক দাপড়ে, রাখবো তোদের পদতলে, মুক্ত করব এই দেশেরে রাজাকারের হাত থেকে। আয় না রে ভাই আমরা নবীন নতুন যুদ্ধের পথে নামি, আয় না রে আমার দেশটারে নতুন করে স্বাধীন করি।
উত্তাল নবীন তোমায় শ্রদ্ধা......'গণজাগরন মঞ্চে' স্বাগত সবাইকে 'শাহাবাগ চত্বরে' সকলকে আহ্ববান......
08/02/2013
কাদের মোল্লা সহ সব রাজাকার গুলকে মুক্ত করে শাহাবাগ এ ছেরে দেয়া হক বাকিটা আমরা বুঝে নেব !
এই সরকার যেটা ৫ বছর এ করতে পারছে না সেটা আমরা ৫ মিনিট এ করে দেখিয়া দেব বিশ্বকে....!!!