শান্তি চুক্তি নামক কালো চুক্তি বাতিল করতে হবে।।
PCNP Media Cell
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from PCNP Media Cell, Dhaka.
প্রার্থীদের কাছ থেকে নির্বাচনে আর্থিক সুবিধা নিতে কাজি মজিবের কমিটির নাটক।।
19/11/2025
এই আইডিটি রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য জনাব হাবিব আজম নিজে ব্যক্তিগতভাবে পরিচালনা করছেন। উক্ত আইডি কিংবা তার প্রকাশিত যেকোনো সিদ্ধান্তের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। তিনি যা বলেছেন, তা কেবলমাত্র তার ব্যক্তিগত মতামত। অতএব, দয়া করে কেউ এই বিষয়কে কেন্দ্র করে আমাদের সংগঠনকে জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না। আমাদের সংগঠন, সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব।
সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।
01/09/2025
আজ ০১-০৯-২০২৫ ইং তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা, বাঙালি জনগোষ্ঠীর নয়নের মণি, শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের রূপকার, খাগড়াছড়ি জেলার সাবেক সংসদ সদস্য ও উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি জনাব ওয়াদুদ ভূঁইয়া ভাইয়ের ঢাকার অফিসে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পাহাড় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আগামীতেও তিনি নির্বাচিত হয়ে সকল জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নেবেন—ইনশাআল্লাহ।
তাঁর জন্য রইল দোয়া ও শুভকামনা।
পিসিএনপি’র পক্ষ থেকে আমরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করব এবং তাঁর সাথেই থাকব, ইনশাআল্লাহ।
29/08/2025
প্রিয় নেতৃবৃন্দ
আসসালামু আলাইকুম।
সকল নেতৃবৃন্দের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ ইতিপূর্বে সাংগঠনিক নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। বিশেষত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় একাধিকবার তাদের ইচ্ছেমতো জেলা সভাপতি পরিবর্তন করেছে, যা পিসিএনপি, স্থায়ী কমিটি, এমনকি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক পর্যন্ত অবগত ছিলেন না। পিসিএনপির অঙ্গ সংগঠন হলো পিসিসিপি ও পিসিএমপি।
ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরপর তিনটি কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সভায় অনুপস্থিত থেকে নিজ ইচ্ছেমতো সংগঠন পরিচালনা করছেন বলে পিসিএনপি’র কেন্দ্রীয় ও স্থায়ী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতৃবৃন্দের নিকট প্রতীয়মান হয়েছে। সেক্ষেত্রে সংগঠনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপাতত খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্র পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
উক্ত বিষয়ে সংগঠনের শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্থায়ী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করেই এ নির্দেশ প্রদান করা হলো। পাশাপাশি, পরবর্তী সময়ে পিসিসিপি’র যে-কোনো কেন্দ্রীয়, জেলা, মহানগর বা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রোগ্রাম আয়োজনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ছাত্র পরিষদের প্রধান সমন্বয়কের অনুমতি সাপেক্ষে আয়োজন করার নির্দেশ প্রদান করা হলো।
প্রোগ্রাম করার ক্ষেত্রে অভিভাবক, চেয়ারম্যান/মহাসচিব এবং স্থায়ী কমিটির সভাপতি/সদস্য সচিবের সাথে প্রধান সমন্বয়ক সমন্বয় করবেন।
সকল নেতৃবৃন্দের জন্য রইলো আন্তরিক শুভকামনা।
তারিখ: ২৯/০৮/২০২৫ ইং
শেখ আহমেদ রাজু
প্রধান সমন্বয়ক
পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ
সহ-সভাপতি, পিসিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি
সদস্য, কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটি
29/08/2025
অদ্য ২৯/০৮/২০২৫ইং খাগড়াছড়ি সদরস্থ পিসিসিপি খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি জরুরী সভায় উপস্থিত সকল সদস্যের সর্ব সম্মতিক্রমে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুজাহিদ ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান ব্যক্তি কেন্দ্রীক রাজনৈতিক, নেতৃবৃন্দদের মাঝে বিভাজন/গ্রুপিং সৃষ্টি ও শৃঙ্খলাভঙ্গ দল বিরোধী কার্যক্রম করায় আমরা জেলা কমিটি অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি।
তার দ্বারা গৃহীত সকল কার্যক্রম সংগঠনের দৃষ্টিতে ব্যক্তিগত বিবেচিত হবে। সংগঠনের পক্ষ থেকে তার প্রতি কোনো দায়িত্ব বর্তাবে না।
নতুন সভাপতির ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাঃ
উল্লেখ্য, জেলা কমিটি সদস্যদের পরামর্শক্রমে সংগঠনের সভাপতি মোঃ সোহেল রানা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন'কে অন্তবর্তীকালীন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলো। তাহারা পরবর্তী ঘোষণা বা নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করবেন।
আমরা আশা করি সকল সদস্য দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে সংগঠনের অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে|
বিনীত,
মোঃ নাজমুল হোসেন
সহ-দপ্তর সম্পাদক
পিসিসিপি, খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।
26/08/2025
আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ইতিমধ্যে পিসিসিপির কর্মকাণ্ড সংগঠনের নিয়মবহির্ভূতভাবে কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাত হোসেন কায়েস সাহেব ২/১ জন ব্যক্তিকেন্দ্রিক কার্যক্রম শুরু করেছেন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তথাকথিত সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান।
এই মুজাহিদ ও মেহেদী বিশেষ ব্যক্তির ইঙ্গিতে আমাদের অভিভাবক সংগঠন পিসিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ও নিন্দনীয় মন্তব্য করেছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
গত ৪ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখে খাগড়াছড়ি জেলার নামে কৃতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করা হয়, যেখানে জেলা কমিটির ৫২ জন সদস্যের মধ্যে মাত্র ৪/৫ জন উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানের বিষয়ে জেলা পিসিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এমনকি ছাত্র পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক পর্যন্ত অবগত ছিলেন না।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের অঙ্গ সংগঠন হলো পিসিসিপি ও পিসিএমপি। আমাদের সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে গৃহীত হয়ে থাকে। কিন্তু ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাত হোসেন কায়েস নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির পরপর তিনটি বৈঠকে অনুপস্থিত থেকে নিজ ইচ্ছামতো সংগঠন পরিচালনা করে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
কাউকে অব্যাহতি দেওয়া অথবা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত আবশ্যক।
কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাত হোসেন কায়েস সাহেব মূল সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিশেষ ব্যক্তির পূজায় মগ্ন থাকায় আমরা খাগড়াছড়ি জেলা পিসিসিপি পিসিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবো।
আমাদের পিসিসিপি পরিচালনার সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে, এবং প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পিসিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শেখ আহমেদ রাজু ভাই।
পিসিসিপির কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কের সঙ্গে সমন্বয় করেই সংগঠন পরিচালিত হয়ে থাকে।
গত ২৩ আগস্ট পিসিসিপি খাগড়াছড়ি জেলা আমাদের প্রধান সমন্বয়ক শেখ আহমেদ রাজু ভাইকে প্রধান অতিথি, পিসিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডালিম ভাইকে প্রধান বক্তা এবং মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সালমা আহমেদ মৌ আপাকে বিশেষ অতিথি করে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
এখানে কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আমরা পরবর্তী কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে শাহাদাত হোসেন কায়েস, মুজাহিদ ও মেহেদীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। কারণ তারা মূল সংগঠন পিসিএনপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে বিশেষ ব্যক্তির ইশারায় সংগঠনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন এবং ছাত্র পরিষদেও মারাত্মক অস্থিরতা তৈরি করেছেন।
বিঃদ্রঃ – পিসিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া এবং আমাদের পিসিসিপির কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কের অনুমোদন ছাড়া আমরা কোনো ধরনের কর্মসূচি পালন করব না। এটিই আমাদের সংগঠনের গঠনতন্ত্র, যেহেতু আমরা পিসিএনপির অঙ্গ সংগঠন।
নিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (খাগড়াছড়ি জেলা)
দীঘিনালায় উপজেলায় উপজাতি সন্ত্রাসী গ্রুপের
৪ জন নিহত।
08/05/2025
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র রুখে দিতে ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধ!
আজ, ৮ মে ২০২৫, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতামূলক বিশেষ আয়োজন ‘ক্যাম্পেইন ২৫’। এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামকে ঘিরে চলমান গভীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতির বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়, যাতে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, সচেতন মনোভাব ও আগ্রহ ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তারা শুধু প্রচারসামগ্রী গ্রহণ করেই ক্ষান্ত থাকেনি—আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজেদের উদ্বেগ, মতামত ও দেশপ্রেমও প্রকাশ করেছে।
এ আয়োজন প্রমাণ করেছে, ছাত্রসমাজ যখন সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ, তখন জাতির ভবিষ্যৎ নিরাপদ ও শক্তিশালী।
‘ক্যাম্পেইন ২৫’-এর মতো উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মের মাঝে দায়িত্ববোধ ও সচেতনতা জাগিয়ে তোলে, যা একটি শক্তিশালী ও সংহত জাতি গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এমন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশের স্থিতিশীলতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তা একটি বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
দেশের বৃহত্তর স্বার্থে, দলমত নির্বিশেষে আলেম ওলামাগণ এই বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে
তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হবেন না!
23/04/2025
যখন জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে কেউ দেশের বিরুদ্ধে কথা বলে তখন প্রশ্ন ওঠে, সে কার হয়ে কথা বলছে? সম্প্রতি একজন বাংলাদেশি নাগরিক জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা শোনার পর মনে হয়, কিছু মানুষ দেশের ভেতরের দ্বন্দ্ব, মতবিরোধ কিংবা রাজনৈতিক দাবিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে একপেশেভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চাইছে।
কথিত ‘আদিবাসী নারী’ পরিচয়ে অগাস্টিনা চাকমা জাতিসংঘে যে ভাষণ দিয়েছেন, তাতে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ‘দমনমূলক শক্তি’, বাঙালিদের ‘দখলদার’ আর পাহাড়িদের ‘নিপীড়িত জাতি’ হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা। প্রশ্ন হলো এই বক্তব্যের পেছনে উদ্দেশ্য কী? শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথ রুদ্ধ করে, একটি অঞ্চলকে বিচ্ছিন্নতার দিকে ঠেলে দেওয়া?
বাংলাদেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে দেশের যেকোনো জায়গায় বসবাসের অধিকার দিয়েছে। তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালিদের বসবাস কীভাবে অন্যায় হয়ে যায়? সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কেন 'অবৈধ দখল' হবে, যখন তারা বছর পর বছর উন্নয়ন, সেবা ও শান্তি রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে?
আমরা ভুলে গেলে চলবে না, সেই পার্বত্য অঞ্চলেই সেনাবাহিনীর হাত ধরেই স্কুল, হাসপাতাল, সড়ক, বিদ্যুৎ ও পানি পৌঁছেছে। আর এই উন্নয়ন যাদের গায়ের চামড়ায় ঘা দিচ্ছে, তারাই আজ আন্তর্জাতিক মহলে দাঁড়িয়ে সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রকে দায়ী করছে!
এই বক্তব্য শুধু একপেশে নয়, এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ এখানে কোনো ভারসাম্য নেই, নেই বাস্তবতা তুলে ধরা আছে কেবল একতরফা অভিযোগ, যেগুলো পরোক্ষভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।
কিন্তু সবচেয়ে দুঃখজনক হলো এই বক্তৃতা আন্তর্জাতিক মহলের সহানুভূতি কুড়ানোর চেষ্টা মাত্র, যেখানে দেশের নিরাপত্তা, সংবিধান ও সার্বভৌমত্বকে সস্তা রাজনীতির জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
আমরা যারা বাংলাদেশে বসবাস করি, পাহাড় সমতলের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই, তাদের জন্য এই ধরনের বক্তব্য অপমানজনক ও উদ্বেগজনক। এটি কোনো মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয় এটি পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্তের অংশ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
