01/05/2025
নগর নিউজ ঢাকা
no Dhaka Bangladesh
01/05/2025
রাজধানীতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে,চরম গণ পরিবহন সংকটে সাধারণ মানুষ।
ভিডিও কৃতজ্ঞতায়ঃ নাগরিক টিভি।
#গণপরিবহন
24/08/2022
আলহামদুলিল্লাহ..!❤️
চরফ্যাশন ও মনপুরা গণমানুষের নেতা আলহাজ্ব জনাব নাজিমুদ্দিন আলম ভাই..!
নেতাকর্মীদের সাথে চরফ্যাশন নিজ বাসভবনে
আজকের সমাবেশ সফল হওক স্বার্থক হওক..!✊
23/08/2022
কেন্দ্রে ঘোষিত বিক্ষোভ প্রতিবাদ সমাবেশে চলছে ভোলায়, উপস্থিত আছেন প্রিয় নেতা
চরফ্যাশন ও মনপুরা বি এন পির একমাত্র অবিভাবক
সাবেক ডাকসুর এজিএস
সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক
আলহাজ্ব নাজিম উদ্দীন আলম ভাই সহ নেতৃবৃন্দ।
23/08/2022
মাদার অব ডেমোক্রেসি
বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য আপডেট —
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
নোয়াখালী সূবর্ন চর উপজেলা বিক্ষোভ সমাবেশ মহাসমাবেশ পরিনিত হয়েছে।
.
23/08/2022
বিএনপি ক্ষমতার জন্য কাদে না,
জনগণ বিএনপির জন্য কাদে।
নোয়াখালী সূবর্ন চর উপজেলা বিক্ষোভ সমাবেশ মহাসমাবেশ পরিনিত হয়েছে।
.
13/04/2022
নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, খালেদা জিয়ার সাজা রাজনৈতিক চক্রান্ত, নিরাপত্তা বাহিনী গুম-খুনের সাথে জড বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি। ভোটদানে বাধা, বিরোধি প্রার্থীদের হয়র....
19/02/2022
রাজপথে গড়াবে রাজনীতি
ঘর গোছানো, জোট গড়া বিএনপির প্রধান লক্ষ্য
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি এখনও দুই বছর। তবে রাজনীতি গরম হয়ে উঠতে শুরু করেছে এরই মধ্যে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও লবিস্ট নিয়োগ নিয়ে বিতর্কের পর এখন উত্তাপ নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে। সামনের দিনগুলো আরও গরম হয়ে উঠবে, তার আভাস দিয়েছেন বিশ্নেষকরা। তবে সামনের নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে হলে দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিল করতে হবে-
নানামুখী সংকটে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। সংকট থেকে উত্তরণে নানা সময়ে তৎপরও ছিল তারা। সেই তৎপরতার কিছু পর্দার বাইরে, কিছু পর্দার অন্তরালে। এসব কৌশলী পদক্ষেপেও 'অন্ধকার গর্ত' থেকে বেরিয়ে এসে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না দলটি। সংকট উত্তরণের পথ হিসেবে এবার আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকেই টার্গেট করছে তারা। আশা করছে, 'অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে আলো দেখার'। অবশ্য লক্ষ্য অর্জনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে দলটিকে।
চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে- দলের নেতৃত্ব সংকট ও সাংগঠনিক দুর্বলতা, জামায়াতে ইসলামীকে বাইরে রেখে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যজোট গড়ে তোলা, দাবির স্বপক্ষে জনমত গড়ে তোলা, রাজপথে জোটগত শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতা, ক্ষমতাবান বৈশ্বিক শক্তির সমর্থন আদায়, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণ কৌশল নির্ধারণ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসা, সর্বোপরি নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়। অবশ্য এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন বলে মনে করেন দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও রাজনৈতিক বিশ্নেষকরা।
বিগত তিনটি নির্বাচনে ফল 'বিপর্যয়' হয়েছে বিএনপির। অবশ্য দলটির বক্তব্য, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন দুটি অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি। দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা ভোটে ১৫২ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগের দিন রাতেই প্রশাসনের সহযোগিতায় কারচুপির মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগ।
এ পরিস্থিতিতে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের দাবি আদায়ই বিএনপির প্রধান দাবি। এই দাবি সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপে যোগ দেয়নি এবং প্রধান কমিশনার ও কমিশনার পদে নাম প্রস্তাবে সার্চ কমিটির আহ্বানেও সাড়া দেয়নি তারা।
অবশ্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, বর্তমানে দেশ একটি অবৈধ স্বৈরশাসকের কবলে। বিনা ভোটে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে আওয়ামী লীগ। এ সরকার দেশে গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণরূপে কবর দিয়েছে। আইনের শাসন ও মানবাধিকার বলতে কিছুই নেই। সাংবিধানিক সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়েছে। দলের লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে নির্দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন। দেশপ্রেমিক ও গণতান্ত্রিক সব রাজনৈতিক দল ও মত এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যে কোনো স্বৈরশাসকের কাছ থেকে দাবি আদায় কঠিন চ্যালেঞ্জ। আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি, জনরোষের মুখে অবৈধ সরকার পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।
বিএনপির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী- সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের কাছে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি সমকালকে বলেন, 'নেতৃত্বের সংকট। দেশি-বিদেশিদের কাছে আস্থা অর্জনকারী নেতৃত্বের প্রকট সংকট রয়েছে দলটিতে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য বহিঃপ্রকাশও ঘটছে। এ সংকটের উত্তরণ ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ও দায়বদ্ধ দলে পরিণত হতে হবে। বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় না।
তিনি আরও বলেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থাকার পরও সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি বিএনপি। সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে ভোটে কারচুপি, অনিয়ম, দুর্নীতি, অপশাসনের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। জনমতকে পক্ষে নিতে পারেনি। বাংলাদেশের মতো দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুতে বহির্বিশ্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে বহির্বিশ্বের সমর্থনও আদায় করতে পারেনি বিএনপি।
নেতৃত্ব সংকট ও সাংগঠনিক দুর্বলতা: ওয়ান-ইলেভেনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের পর এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বিএনপি। দলের মধ্যে বিভক্তি, সন্দেহ ও সংশয় এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। দলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে 'সাইড লাইনে' বসিয়ে রাখা হয়েছে। আবার অযোগ্য নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। ফলে দেশ ও বিদেশে আস্থা অর্জন করতে পারছে না সংগঠনটি। বিশেষ করে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি থাকায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি দল পরিচালনা করলেও নেতৃত্ব সংকট দূর হচ্ছে না। সরাসরি দেশে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার শূন্যতা পূরণে দলটির কোনো কার্যকর উদ্যোগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
এ পরিস্থিতিতে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন 'নির্দলীয়' সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে এক দফা দাবিতে বৃহত্তর জোট গঠনের মাধ্যমে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। নির্বাচনের প্রায় দুই বছর সময় বাকি থাকলেও এ নিয়ে ভেতরে-ভেতরে নানামুখী তৎপরতা শুরু করেছে রাজনীতির মাঠে কোণঠাসা দলটি। দাবি আদায়ে সফল গণআন্দোলন গড়ে তোলার সক্ষমতা অর্জন করাই বিএনপি সামনে অগ্নিপরীক্ষা বলে মনে করেন দলীয় নেতা ও বিশ্নেষকরা। অবশ্য আগামী মার্চ থেকে জেলা পর্যায়ে সম্মেলন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহত্তর জোট গঠনের পথেও বাধা: বিগত জানুয়ারির শুরুতেই দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সমমনা ডান-বাম-ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে 'বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যজোট' গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে ওইসব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে অথবা পৃথকভাবে মাঠে নামার বিষয়ে যোগাযোগ শুরু করেছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। প্রায় দুই মাস পরও জোটের এখনও কোনো রূপরেখা তৈরি করতে পারেনি তারা।
দলীয় সূত্র জানায়, বৃহত্তর জোট গঠনে জামায়াতে ইসলামী একটি বড় অন্তরায় হবে দলটির। আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে বিএনপির ওপর জামায়াতের দায়ভার যাতে আর চাপতে না পারে, সে কৌশল থেকেই বৃহত্তর জোটে জামায়াতকে রাখতে চাচ্ছে না তারা। তবে জোটের বাইরে রেখেও দলটিকে পাশে রাখতে চায় তারা। এ পরিস্থিতিতে জামায়াতের বিষয়টি ফয়সালা না করলে বামপন্থি দলগুলো বিএনপির সঙ্গে বৃহত্তর জোটে সাড়া দেওয়া নিয়েও জটিলতা তৈরি হবে বলে মনে করেন বিশ্নেষকরা।
জনমতকে পক্ষে নেওয়া: বিএনপির দাবির স্বপক্ষে জনমতকে পক্ষে নেওয়া দলটির জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক বিশ্নেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, বিএনপি জনগণের স্বার্থ-সংশ্নিষ্ট ইস্যুতে বড় কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি পালন করতে পারছে না।
সূত্র জানায়, ক্ষমতায় গেলে উল্লেখযোগ্য কী কী কাজ করবে, তারও কিছু প্রতিশ্রুতি আগাম জানাবে তারা। অঙ্গীকারের মধ্যে থাকবে অতীতমুখী না হয়ে ভবিষ্যৎমুখী ইতিবাচক রাজনীতির ধারার নেতৃত্ব দেওয়া। জনগণের সামনে যে কোনো সন্ত্রাসী ও জঙ্গি তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত। বিশেষ করে বাংলাদেশের মাটি থেকে অন্য কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়াই থাকবে অন্যতম অঙ্গীকার।
প্রতিশ্রুতিতে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর একক নির্বাহী ক্ষমতা অবসানকল্পে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা। জাতীয় সংসদকে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া। বিভিন্ন সম্প্রদায়, প্রান্তিক গোষ্ঠী ও পেশার জ্ঞানীগুণী ও মেধাবী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা করা। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ।
ক্ষমতাধর বিদেশি শক্তির সমর্থন: বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বৈশ্বিক শক্তির প্রভাব কাজ করে। বিগত নির্বাচনগুলোতে সেসব বিদেশি শক্তি আওয়ামী লীগের পক্ষে ছিল বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। বিষয়টিকে মাথায় নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিএনপি ক্ষমতাবান বিদেশিদের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও আইনের শাসনের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে। দাবির স্বপক্ষে সমর্থন পেতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে নানাভাবে তদবির-লবিং শুরু করেছে তারা।
অবশ্য বিএনপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে 'গুম' ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র র্যাবের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলেও অভিযোগ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ইস্যুটি বিএনপির অনুকূলে আসছে বলে কিছুটা 'তৃপ্তির ঢেকুর' দিচ্ছেন দলটির নেতারা। একই সঙ্গে বিএনপি অন্য কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং অন্য কোনো রাষ্ট্রের জন্য নিরাপত্তা সমস্যা সৃষ্টি করবে না বলেও আশ্বাস দেবে এবার। তবে বহিঃশক্তির সমর্থন বিএনপি এখনও আদায় করতে সমর্থ হয়নি বলে জানান দলটির এক দায়িত্বশীল নেতা।
অবশ্য বিএনপির আন্তর্জাতিক উইংয়ের প্রধান ও দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সমকালকে বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, মানবাধিকার পরিস্থিতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে গণতান্ত্রিক দেশগুলোর নৈতিক সমর্থন থাকবে বলে আশা করি।
জোটবদ্ধভাবে রাজপথে নামার শক্তি প্রদর্শন: দলীয় সূত্র জানায়, আগামী নির্বাচনকে টার্গেট করেই জোটবদ্ধভাবে রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। অবশ্য সব দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে বা যুগপৎভাবে মাঠে নামিয়ে রাজপথ দখলে রাখা খুব সহজ নয়। শীর্ষ নেতার ভালো ইমেজ থাকলেও বিএনপি সমমনা অনেক দলের কর্মী ও সমর্থক খুবই কম। এ ক্ষেত্রে রাজপথে কঠিন আন্দোলনের প্রশ্নে বিএনপিকে মুখ্য ভূমিকা রাখতে হবে। সে লক্ষ্য নিয়েই বিএনপি তৃণমূল থেকে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেশ কিছু দিন আগেই।
প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করা: আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার অবস্থানে নিতে হবে। বিএনপি বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, বিগত নির্বাচন প্রশাসনের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ আগের দিন রাতে ভোট কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচনও প্রশাসনের অধীনেই হবে। সেক্ষেত্রে প্রশাসনকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং বিগত দিনের কোনো কাজের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করতে হবে দলটিকে।
নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়: সর্বোপরি নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি আদায়ই বিএনপির এখন প্রধান দাবি। অবশ্য এ দাবিতে বিগত ২০১৪ সালের নির্বাচনও বর্জন করেছিল দলটি। সরকারের নানা আশ্বাসে বিগত ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ভোটের আগের দিন রাতেই ভোট কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে দলটি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সুষ্ঠু হয়নি বলে অভিযোগ করে আসছে তারা। এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
দলীয় সূত্র জানায়, এবার আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং না নেওয়ার প্রশ্ন নেই। অবশ্য বিএনপির এ দাবিটি প্রত্যাখ্যান করে আসছে আওয়ামী লীগ। এ দাবি পূরণ করতে হলে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশ্নেষকদের মতে, সরাসরি নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করার এক দফা দাবিতে গণআন্দোলন গড়তে হবে। এক দফা দাবি আদায় করতে হলে বিশ্বস্ত, ত্যাগী ও সাহসী নেতাকর্মীর প্রয়োজন। সাংগঠনিকভাবে দুর্বল বিএনপির পক্ষে এ দাবি আদায় করা কঠিন চ্যালেঞ্জ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1212
