a2i - Aspire to Innovate
It’s your right to know what we are doing for people!
Official page of a2i-Aspire to Innovate in ICT Division and Cabinet Division, Government of the People's Republic of Bangladesh supported by UNDP
26/05/2026
পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া ই–টোল সেবা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে। এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) পরিচালিত ‘ডি-টোল’ নামের নগদবিহীন এই সেবা ব্যবহার করে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় গাড়ি না থামিয়েই সেতুর টোল দিতে পারছেন চালকেরা। নগদ অর্থের বদলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে টোল পরিশোধের সুযোগ থাকায় পদ্মা সেতুতে ঈদকেন্দ্রিক অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সেবাটি।
ঈদে পদ্মা সেতুতে স্বয়ংক্রিয় ই-টোল ব্যবহার করা গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) পরিচালিত ‘ডি-টোল’ নামের নগদবিহীন এই সেবা ব্যবহার করে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় গাড়ি না থাম...
24/05/2026
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জাতীয় ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়ন বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা ২৩–২৪ মে ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় মন্ত্রণালয়ের ১৯ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মোঃ মনিরুল ইসলাম।
কর্মশালায় জাতীয় ড্যাশবোর্ডের ধারণা, ব্যবহারিক দিক এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া উপস্থাপন করেন এটুআই-এর সিনিয়র কনসালটেন্ট (ডেটা) মোঃ আনোয়ারুল আরিফ খান ও ফ্যাসিলিটেট করেন জুনিয়র কনসালটেন্ট মোঃ আশরাফুল ইসলাম।
কর্মশালার প্রাথমিক ধাপে চিহ্নিত গুরুত্বপূর্ণ সূচক ও সেবাসংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারীরা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উইংয়ের ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজ করে ড্যাশবোর্ড তৈরি করেন। এর মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে জাতীয় ড্যাশবোর্ডের কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে ধারণা লাভ করেন।
ঈদ যাত্রায় পদ্মা সেতুতে বাংলাদেশের প্রথম সমন্বিত ক্যাশলেস টোল সেবা, ডি-টোল
#
21/05/2026
ডিজিটাল সেবায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি।
গ্লোবাল অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাওয়ারনেস ডে ২০২৬ উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিডা অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)। অনুষ্ঠানে সহআয়োজক ছিল ফ্রেন্ডশিপ ও সাইটসেভার্স।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, এমপি; সাইটসেভার্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও এবং ফ্রেন্ডশিপের ইনক্লুসিভ সিটিজেনশিপ সেক্টরের ঊর্ধ্বতন পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান আয়েশা তাসিন খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক, সঞ্চালনা করেন হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম এবং আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাক্সেসিবিলিটি কনসালট্যান্ট দৃষ্টিজয়ী ভাস্কর ভট্টাচার্য।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে এই নীতিকে সামনে রেখে অভিগম্য ওয়েবসাইট ও অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়েই এখন থেকে সব ডিজিটাল সেবার নকশা করা হবে। কারণ, এটি দয়ার বিষয় নয়; আমরা এটিকে তাদের অধিকার হিসেবে দেখি। প্রযুক্তিকে মানুষের প্রয়োজন, সক্ষমতা ও বৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা তাদের সমাজের মূলধারায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে চাই। দেশের প্রতিবন্ধী সন্তানদের আমরা সম্পদে পরিণত করতে চাই। প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে আইসিটি বিভাগ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’
ফারজানা শারমীন বলেন, ডিজিটাল অভিগম্যতায় অবদান রাখা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর বিকাশে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে। সবার জন্য বাংলাদেশ গড়তে সার্বজনীন অভিগম্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সব নাগরিক যেন সহজে ডিজিটাল সেবা নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন প্রতিটি নাগরিক মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সমতার সঙ্গে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন, প্রযুক্তি উদ্ভাবক ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে মোহাঃ আব্দুর রফিক বলেন, দেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনো ধরনের প্রতিবন্ধিতার সঙ্গে বসবাস করলেও তারা এখনও অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেবার পূর্ণ সুবিধা পাচ্ছেন না। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এটুআই পর্যায়ক্রমে সরকারি ডিজিটাল সেবাগুলোকে অভিগম্য করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি এআই-ভিত্তিক সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ টুল তৈরি, ই-কমার্স ও ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা এবং জ্ঞান বিনিময়ের জন্য ডিজেবিলিটি ইনোভেশন নলেজ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
সবার আগে বাংলাদেশ; যদি সবাই পায় ডিজিটাল অ্যাকসেস। এটা দয়া নয়, আমাদের সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ্য করে ভাস্কর ভট্টাচার্য বলেন, ডিজিটাল অভিগম্যতা নিশ্চিত করতে এটুআই-এর ডিজেবিলিটি ইনোভেশন ল্যাব একটি বিশেষায়িত উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। সরকারি ডিজিটাল সেবা, শিক্ষা উপকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ল্যাবটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবন এগিয়ে নিচ্ছে। সরকারি ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেসিবিলিটি লেভেল-এ নিশ্চিত করার উদ্যোগের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক, অ্যাক্সেসিবল ডিকশনারি ও মুক্তপাঠের মতো উদ্যোগ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।
অমৃতা রেজিনা রোজারিও বলেন, সাইটসেভার্স বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এড়ানোযোগ্য অন্ধত্ব দূরীকরণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। আমাদের ‘ইক্যুয়াল বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে একত্রিত করে অধিকারভিত্তিক অন্তর্ভুক্তির পক্ষে কাজ করছে।
আয়েশা তাসিন খান বলেন, প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি তখনই নিশ্চিত হয়, যখন প্রযুক্তি, সেবা ও সুযোগ-সুবিধা সবার জন্য সমানভাবে প্রবেশগম্য ও ব্যবহার উপযোগী হয়। ফ্রেন্ডশিপ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সকলের জন্য সমতা, প্রবেশগম্যতা ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ও দুর্গম প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কাছে উদ্ভাবনী মৌলিক সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে পাঁচটি উদ্যোগকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এগুলো হলো, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের থেরাপি সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট এবং ডিজেবিলিটি ইনফরমেশন সিস্টেম, বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সার্ভিস, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপি’র গ্রাম আদালত মোবাইল অ্যাপ এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ইবিএল স্কাইব্যাংকিং উদ্যোগ।
এছাড়াও প্রতিবন্ধীবান্ধব উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করে স্থাপিত উদ্ভাবকদের বিভিন্ন স্টল সকালে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং দুপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। পরিদর্শন শেষে উদ্ভাবনগুলো দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের সদিচ্ছা ও অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। এ সময় অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতি বছর মে মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়। এর লক্ষ্য হলো ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সফটওয়্যার ও ডিজিটাল সেবাগুলোকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য ও অভিগম্য করে তোলা। বাংলাদেশ জাতিসংঘের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদ এবং মারাকেশ চুক্তির স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন এবং সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকারেও ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
21/05/2026
সরকারি সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নাগরিকবান্ধব করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় এটুআই-এর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ‘সেবা সহজিকরণ কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯ থেকে ২১ মে ২০২৬ ঢাকার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ভবনে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং ডেসকো-এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
উদ্বোধনী পর্বে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক সরকারি সেবায় সময়, খরচ ও যাতায়াত কমিয়ে নাগরিকের জন্য আরও কার্যকর ও ব্যবহারবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মশালায় সেবা সহজিকরণের নীতিমালা, বাস্তবায়ন কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি বিষয়ে আলোচনা করেন এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোঃ কামরুল হাসান। সমাপনী পর্বে বক্তব্য রাখেন এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোঃ রশিদুল মান্নাফ কবীর।
নাগরিককেন্দ্রিক সেবা ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ সরকারি সেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং জনভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
20/05/2026
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এবং এটুআই, আইসিটি ডিভিশনের আয়োজনে ১৮-২০ মে ২০২৬ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বিকেআইআইসিটি ল্যাব, আইসিটি টাওয়ার, আগারগাঁও, ঢাকায় ‘শিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী কোর প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বিভিন্ন জেলার সরকারি ও বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন এবং পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মীর জাহীদা নাজনীন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ উইং) শামীম আল মামুন।
প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন মো. সাজ্জাদ হোসেন খান, সহকারী অধ্যাপক ও সংযুক্ত কর্মকর্তা (এটুআই), ফিউচার অব এডুকেশন। পরে রিসোর্স পারসনগণ অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। সমাপনী পর্বে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক এবং এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোঃ রশিদুল মান্নাফ কবীর অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ আয়োজনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোঃ রশিদুল মান্নাফ কবীর অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।
20/05/2026
নবজাতকের জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত ও নাগরিকবান্ধব করার লক্ষ্যে ২০ মে ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছে জন্ম ও মৃত্যু তথ্য ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য তথ্যব্যবস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বিষয়ক কর্মশালা। কর্মশালাটির কারিগরি সহায়তা প্রদান করে এটুআই। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়—জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং এটুআইয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
নবজাতকের জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের জন্মসংক্রান্ত তথ্য, ইপিআইয়ের টিকা তথ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাতৃস্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যকে সমন্বিতভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধনের হার বৃদ্ধি, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, তথ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, ডুপ্লিকেশন হ্রাস এবং নাগরিকসেবা প্রদান আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।
কর্মশালায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহ থেকে জন্মসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, জন্ম ও মৃত্যু তথ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য তথ্যব্যবস্থার আন্তঃসংযোগ, ইন্টারঅপারেবল ডাটা এক্সচেঞ্জ, তথ্য যাচাইকরণ, ডুপ্লিকেট শনাক্তকরণ এবং নাগরিকসেবা সহজীকরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এছাড়া বিচ্ছিন্ন সরকারি তথ্যব্যবস্থাগুলোকে সংযুক্ত করে একটি সমন্বিত, নাগরিক-কেন্দ্রিক ডিজিটাল সেবা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কর্মশালায় মতবিনিময় হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করা এবং তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, জন্ম নিবন্ধন একটি শিশুর মৌলিক নাগরিক পরিচয় নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তাই জন্মের পরপরই নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে নাগরিক সেবার পরবর্তী ধাপগুলো আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
“একবার তথ্য সংগ্রহ, বহুমুখী ব্যবহার”—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জন্ম নিবন্ধনসহ নাগরিকসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমন্বিত ডিজিটাল সেবা কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে এটুআই।
20/05/2026
এটুআই এর আয়োজনে ‘জাতীয় ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়ন ফোকাল কর্মকর্তাগণের টিওটি’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ ২০ মে ২০২৬ আইসিটি টাওয়ারে শুরু হয়েছে।
জাতীয় ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ফোকাল কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ডাটা-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করাই এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোঃ রশিদুল মান্নাফ কবীর।
দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জাতীয় ড্যাশবোর্ডের টেকনিক্যাল ডেমনস্ট্রেশন এবং ডাটা আপলোড প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সেশনে দপ্তরভিত্তিক ড্যাশবোর্ড পর্যালোচনা, ডাটা গ্যাপ নিরূপণ ও সমাধান এবং ড্যাশবোর্ড আপডেটের কার্যকর পদ্ধতি বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এটুআই-এর ডাটা বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করছেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
A2i, ICT Division ICT Tower, Agargaon
Dhaka
1207
