১১ই ফেব্রুয়ারী শহীদ আদনান দিবস

১১ই ফেব্রুয়ারী শহীদ আদনান দিবস

Share

সড়কে মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন স?

11/05/2026

#নৃশংস১১
২০১৮ সালে একটি সড়ক আইন হয়ছে - বাস্তবায়নের আগে তার সাজা নমনীয় ও শিথিল করা হচ্ছে ! আর সড়ক দুর্ঘটনা নামের আড়ালে সড়ক সংবাদ গুলোর শেষ লাইন এক ও অভিন্ন "ঘাতক চালক পলাতক" - এটা কি পুলিশ প্রশাসনের ব্যার্থতা - নাকি উপরের নির্দেশ - নাকি স্বার্থের আফিম ? মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিনকে ১১/০২/২০১৯ জেব্রাক্রসিঙের উপর হত্যা করা হয় প্রায় ৬ বছর কিন্তু ঘাতককে নাকি খুঁজেও পাওয়া যায় না - শিক্ষার্থী আদনান তাসিনের বন্ধুরা, সহপাঠি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রহস্যজনক ভুমিকায়।
প্রথমআলো সন্মানিত সাংবাদিক নাজনিন ও মাসুদ ‘ভাইরাল হয়নি, তাই বিচার পাইনা’ প্রতিবেদনে লিখেন, "পুলিশের অভিযোগপত্রে চালক হিসাবে জাকিরের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের গাবচালা গ্রাম। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সেখানে যান প্রথম আলোর গাজীপুর প্রতিনিধি। জাকিরদের বাড়ির আশপাশে একাধিক বাসিন্দা জানান, জাকিরকে এলাকায় দেখা যায়"-
অভিশাপ ! অভিশাপ !! প্রতিদিন সড়কে হত্যাকাণ্ডের শিকার ৬৪জন কিন্তু সড়ক পরিবহণ ঘাতকদের ধরা নিষিদ্ধ ! সন্তান ও সজনহারাদের বুক ফাটা আর্তনাদ - অভিশাপ বৃষ্টি হয়ে নামবেই আজ হোক আর কাল ! রেডি থাকেন @

সড়ক দুর্ঘটনায় ছয় ভাই নিহতের ঘটনা যেভাবে ‘ইচ্ছাকৃত’ হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হলো 08/05/2026

সড়ক দুর্ঘটনা নামে, ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড

সড়ক দুর্ঘটনায় ছয় ভাই নিহতের ঘটনা যেভাবে ‘ইচ্ছাকৃত’ হত্যাকাণ্ড প্রমাণিত হলো কক্সবাজারের চকরিয়ার এক ব্যস্ত মহাসড়ক। ভোরের অন্ধকার কাটার আগেই এক পরিবারের জন্য নেমে আসে চূড়ান্ত বিভীষিকা। একে ....

03/05/2026

সড়কে একের পর এক প্রাণহানি—কিন্তু ঘাতকদের জবাবদিহি কোথায়?

বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে, মানুষ মারা যাচ্ছে, অথচ অনেক ক্ষেত্রেই দায়ীদের খুঁজে পাওয়া যায় না বা শাস্তি নিশ্চিত হয় না। এর ফলে এক ধরনের দায়মুক্তির সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে—যেখানে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

কুমিল্লায় ৭ জন শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনার পরও আমরা দৃশ্যমান বিচার দেখিনি। আর আজ, ৩ মে সকাল ছয়টার দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজারে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল আরও ৮ জন নির্মাণশ্রমিকের। আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

প্রশ্ন একটাই—এই চক্র কি কখনও থামবে?

শ্রমিকরা দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি। তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কি আমাদের দায়িত্ব নয়? সড়ক নিরাপত্তা, আইনের প্রয়োগ, এবং দ্রুত বিচার—এসব শুধু আলোচনার বিষয় নয়, এখন সময় কার্যকর পদক্ষেপের।

চালকের আসনে হেলপার, কিছুদূর যাওয়ার পরই দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৭ জনের 14/04/2026

বৈশাখের প্রথম প্রহরে রক্তাক্ত সড়ক , আর ঘাতকদের উৎসব। ঘাতকরা জানে তাদেরকে ধরা হবে না। তারা জামাই আদরে !! পশুদের দয়া মায়া থাকলেও ঘাতকদের দয়া মায়া নেই

হেল্পার দিয়ে গাড়ি চালালে পরিবহন মালিকদের লাভ , মানুষ , মরলে তাদের কি , বছরে সড়কে দুর্ঘটনা নামের আড়ালে হত্যাকাণ্ডের শিকার ২৫০০০-৩২০০০, পঙ্গু ৮০০০০ কিন্তু ঘাতকদের সাজার নজির ন্বি, ধরাও হয়না

চালকের আসনে হেলপার, কিছুদূর যাওয়ার পরই দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৭ জনের উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে যাচ্ছিলেন একদল দিনমজুর। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছ.....

11/04/2026

#নৃশংস১১ | Road Safety & Justice
২০১৮ সালের জুলাই আন্দোলনের পর যে সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল, বাস্তবায়নের আগেই তার সাজা শিথিল করা হয়। এরপর থেকেই আইনের কার্যকারিতা নেই বললেই চলে। আর প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদের শেষ লাইন যেন একটাই—“ঘাতক চালক পলাতক।”
প্রশ্ন হলো—এটি কি পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতা, নাকি ওপরের নির্দেশ, নাকি গভীর কোনো স্বার্থের প্রভাব?
মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন—১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, জেব্রাক্রসিঙের ওপর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। প্রায় ৬ বছর পার হয়ে গেলেও ঘাতককে এখনো ‘খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না’।
আরও বিস্ময়কর—তার বন্ধু, সহপাঠী, এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
প্রথম আলো’র সম্মানিত সাংবাদিক নাজনিন ও মাসুদ “ভাইরাল হয়নি, তাই বিচার পাই না” প্রতিবেদনে লিখেছেন:
“পুলিশের অভিযোগপত্রে চালক জাকিরের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে গাজীপুরের গাবচালা গ্রাম। গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর প্রতিনিধি সেখানে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন জানান—জাকিরকে এলাকায় দেখা যায়।”
তবুও—ঘাতক নাকি অদৃশ্য!
প্রতিদিন গড়ে ৬৪ জন মানুষ সড়কে নিহত হন, কিন্তু সড়ক পরিবহণ খাতের ঘাতকদের ধরতে যেন অদৃশ্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
সন্তান হারানো পিতা-মাতার বুক ফাটা আর্তনাদ কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না?
অভিশাপ… অভিশাপ…
আজ হোক বা কাল—এই আর্তনাদই বৃষ্টি হয়ে নামবেই।

ঈদযাত্রায় ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি 30/03/2026

লাশ গুলো আপনার বা আপনার পরিবারের সদস্যদের হতে পারে, তাদের পরিসঙ্খানে মৃত্যু ৩৯৪, আহত ১২৮৮ , আহতদের ৮০%ই বিনা চিকিৎসা ও চিকিৎসা অবহেলায় মারা যায় - সে হিসেব কেউ নেয় না - । স্বজনহারাদের আর্তনাদ আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। কিন্তু কেউ কোন সহানুভূতি ও দুঃখ প্রকাশ পর্যন্ত করলোনা। স্বজনহারাদের আর্তনাদ অভিশাপের বৃষ্টি হয়ে নামবেই, আজ হোক কাল।।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার দিন ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ও ১ হাজার ৪৬ জন আহত হয়েছেন। ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হন। বিগত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮ দমশিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও আহত ২১ শতাংশ বেড়েছে।

বাসে মুখোমুখি সংঘর্ষ, বাস ট্রেনের সাথে সংঘর্ষ, বাস উল্টে পড়ে, বাস প্রাইভেট কারে চাপা, বাস মোটরসাইকেল চাপা, বাস নদীতে ফেলে, এখানে সচেতনতা দিয়ে কি হবে?? এবারের সড়ক দুর্ঘটনা নামের আড়ালে অবাধ সড়ক হত্যাকাণ্ড, দেশের নয় শুধু এটা বিশ্ব রেকর্ড। কিন্তু কোন মাদারবোর্ড সহানুভূতি বা দুঃখ প্রকাশ করেনি। ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের ২টি আন্দোলন হয় (১) কোটা আন্দোলন (২) নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন। কোটা আন্দোলন গুরুত্ব না দেওয়ায় শেষে পর্যন্ত রাষ্ট্র সমাজ পরিবর্তন হয়। কিন্তু সড়ক আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে তাই পরিবহন ঘাতকরা বেপরোয়া দানবের ভূমিকায়। পাবলিক নিজের জীবন বাঁচাতে, একসময়ে ঘাতকদের ধরা শুরু করলে??
ঘাতকদের ধরা বা সাজার নজির নেই, বিচারহীনতা অপরাধ প্রবনতা উৎসাহিত করে।
বাসের ঘাতক চালক গাঁজা সেবন, মদ সেবন করে গাড়ি চালায়। বাসের মালিক কম টাকা দিয়ে চালকের বদলে হেলপার দিয়ে গাড়ি চালায়। বাস বেপরোয়া গতি। প্রতিযোগিতা, রেসারেসি। সড়কের মাঝে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া, না নামলে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা। পরিবহন সেক্টর সর্বশক্তিমান, তাদের স্বার্থের আফিম সকলেই মাথা নত। #ঘাতক , মদ গাঁজা খেয়ে গাড়ি চালায়, ষ্টিয়ারিং হাতে সিগারেট খেতে খেতে বা মোবাইলে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালায় , আর #মাদারবোর্ডরা বলে, মানুষ সচেতন হলে সড়কে হত্যাকাণ্ড কমবে, ঘাতক জামাইয়ের আদরে।

ঈদযাত্রায় ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি পবিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে ৩৭৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেট কারে থাকা একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫ 26/03/2026

🚨 জবাবদিহিতা কোথায়?
ট্রেনের সাথে বাস সংঘর্ষ , পদ্মানদীতে যাত্রীবাহী বাস এর পর এবার বাস প্রাইভেট কারের ৫ জন কে হত্যা ,বাস এখন দানবের ভুমিকায় - বিশ্বের সবচেয়ে হিংস্রও এখন পরিবহন - কারন সড়ক হত্যাকাণ্ড এখানে অলিখিত বৈধ ?
পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। ৭০ জন যাত্রীর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকিরা কোথায়—এই প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত।
চারদিকে স্বজন হারানোর আহাজারি, অসহায় মানুষের কান্না—কিন্তু পরিবহন খাতের দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে আমরা কি দেখলাম?
না কোনো দৃশ্যমান দুঃখপ্রকাশ, না কোনো মানবিক অবস্থান।
বরং মানুষের জীবনের মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে ক্ষতিপূরণের অঙ্কে—২৫,০০০ টাকা!
যে সমাজে একটি পোশাকের দাম এর চেয়েও বেশি হতে পারে, সেখানে একজন মানুষের জীবনের মূল্য এতটাই কম?
এই ধরনের দুর্ঘটনা আর “দুর্ঘটনা” নয়—এগুলো আমাদের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা ও জবাবদিহিতার অভাবের ফল।
👉 প্রশ্নগুলো স্পষ্ট:
দায়িত্বহীন চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কোথায়?
মালিকপক্ষের জবাবদিহিতা কোথায়?
নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর ভূমিকা কোথায়?
আমরা যদি এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নেই, তাহলে এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতেই থাকবে।
🛑 সময় এসেছে—নিরাপদ পরিবহন, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার।


কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেট কারে থাকা একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫ কুমিল্লায় পেছন থেকে আসা বাসের ধাক্কায় প্রাইভেট কারের চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট.....

বাগেরহাটে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর–কনেসহ ১৩ জন নিহত 12/03/2026

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা বলে যে শব্দটা ব্যবহার করা হয়—এটা আসলে একটা মিথ্যা শব্দ। সত্যটা হলো: এটা সড়ক হত্যাকাণ্ড।

বছরে প্রায় ৩২ হাজার মানুষ হত্যা হয় সড়কে,

৮০ হাজার মানুষ পঙ্গু হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—

কতজন ঘাতকের বিচার হয়েছে?

কতজন চালক জেলে গেছে?

কতজন মালিক শাস্তি পেয়েছে?

বাস্তবতা হলো— প্রায় কেউ না।

এই দেশে যেন এক অলিখিত আইন চালু আছে:

সড়কে মানুষ মেরে ফেললেও কিছু হয় না।

তাই ঘাতকরা এখন ভয় পায় না।

তারা জানে—

আজ মানুষ চাপা দিলেও কাল আবার স্টিয়ারিং ধরবে।

ধরা পড়লেও মামলা চলবে ১০–১৫ বছর।

একসময় পরিবার ক্লান্ত হয়ে ন্যায়বিচারের আশা ছেড়ে দেবে।

এই বিচারহীনতাই নতুন হত্যাকাণ্ডের লাইসেন্স। অবাধ সড়ক হত্যাকাণ্ড বন্ধে আন্তর্জাতিক, বিদেশী রাষ্ট্রের মানবাধিকার সংগঠন সহ জাতিসংঘের সাহায্য প্রার্থনা করছে, সন্তান স্বজনহারা পরিবার।

২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিনকে জেব্রা ক্রসিংয়ের ওপর বাস চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

এত বছর পরও সেই হত্যার বিচার হয়নি।

কিছুক্ষণ আগে আরো ১৩়টি লাশ। আরেকটি পরিবার ধ্বংস।

https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8duz4pc0d4

প্রশ্ন একটাই—

এই রাষ্ট্র কি সড়ক ঘাতকদের অভয়ারণ্য হয়ে গেছে?

আমরা দুর্ঘটনার বিচার চাই না—

আমরা হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।





বাগেরহাটে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বর–কনেসহ ১৩ জন নিহত বাগেরহাটের রামপালে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন।

11/03/2026

#নৃশংস১১ | Road Safety & Justice
২০১৮ সালের জুলাই আন্দোলনের পর প্রণীত সড়ক পরিবহন আইন, বাস্তবায়নের আগেই শিথিল করা হলো। এরপর থেকেই আইন কার্যহীন। আর প্রতিটি দুর্ঘটনার সংবাদ যেন একই শেষ—“ঘাতক চালক পলাতক।”
মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, জেব্রাক্রসিংয়ে নির্মমভাবে হত্যা। সাত বছর পার, কিন্তু ঘাতক এখনও অদৃশ্য।
অদ্ভুত ও ব্যথাবহ — স্থানীয়রা জানে, পুলিশও জানে, সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করেছে, তবুও ঘাতক অদৃশ্য।
বছরে গড়ে ৩২০০০ মানুষ মারা যায় সড়কে, ৮০০০০ জন পঙ্গু হয়। কিন্তু সড়ক হত্যাকারীদের ধরার কোনো দৃশ্য নেই।
সন্তান হারানো পিতা-মাতার আর্তনাদ কখনো ন্যায়বিচার পাবে না কি?
অভিশাপ… অভিশাপ…
আজ হোক বা কাল, এই আর্তনাদ বৃষ্টি হয়ে নামবেই।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Jowarsahara Bazar
Dhaka
1229