03/02/2026
QuranicPath
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from QuranicPath, Library, Dhaka.
03/02/2026
https://www.facebook.com/cybarta/posts/140186068119456
Cyber Barta - সাইবার বার্তা See the Cyber World Closer - একপলকে সাইবারজগৎ
গুনাহ ছাড়ার প্রস্তুতি নেয়ার পর গুনাহ করার সুযোগ আরও বেড়ে যায়। হারাম ইনকাম ছেড়ে দেয়ার সংকল্প করতেই নতুন নতুন হারামের অফার এসে ধরা দেয়। হিজাব শুরু করার নিয়ত করতেই এমন সব জায়গা থেকে চাকরির অফার আসে, যাদের একমাত্র শর্তই হয় হিজাব ছেড়ে দেওয়া। দ্বীনদার কাউকে বিয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করার পর কেবল দ্বীনের ব্যপারে বেখবর এরকম পরিবার থেকেই প্রস্তাব আসা শুরু হয়।
এমনই কি হচ্ছে আপনার সাথে? যদি হয়ে থাকে, সুসংবাদ গ্রহন করুন আল্লাহমুখী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপটি গৃহীত হয়েছে। তাই তো শাইত্বান বাড়িয়ে দিয়েছে তার চেষ্টাকে। সে তো কখনোই চাইবে না, নতুন করে তার একজন শত্রু তৈরি হোক।
আপনি হয়তো হোচট খাবেন, হয়তো পড়ে যাবেন। উঠে দাঁড়ান, বারবার প্রতিবার। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নিজেকে ব্যর্থ ভাবারও কোন কারন নেই। ব্যর্থ তো সে, যে চেষ্টা ছেড়ে দেয়।
আপনার রব ভাল করেই জানেন, শয়তানের ধোঁকাগুলো তার বান্দার জন্য কত মারাত্মক। যার মোকাবেলা করা তাঁর এই দুর্বল বান্দার জন্য সহজ কিছু নয়। তিনি দেখছেন, দুনিয়ার চাকচিক্য কীভাবে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। লোলুপ দৃষ্টি নিজের অজান্তেই বারবার সেদিকে পড়ে যায়, আপনার ইলাহ ঠিকই জানেন।
ভেঙে পড়বেন না, নিরাশ হবেন না। সাহায্য আসবেই। এটা আল্লাহর ওয়াদা। কবে আসবে?
"জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে।" - সুরা বাক্বারা, আয়াত ২১৪
ব্যস, #তাওয়াক্কালতুয়ালাল্লাহ, নিজের মালিকের উপর বিশ্বাস রাখুন।
টিভিতে এ্যাড দেখছেন??
মেয়েটির চোখে মুখে অস্থির কনফিডেন্স....এ্যাডটি হতে পারে স্যানিটারি ন্যাপকিন অথবা কোন ফেয়ারনেস ক্রিমের আর নতুবা কোনো শ্যাম্পুর।
ভারতীয় টিভি চ্যানেলে বডি স্প্রে XOLO,FOOG এর এ্যাডে দেখা যায়। বডি স্প্রে করা পুরুষের উপর কতগুলো নারীকে কামুক দৃষ্টিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে।
দামী ব্রান্ডের গাড়ি প্রদর্শনে বিকিনি পরা মেয়ের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে কিন্তু গাড়ির সৌন্দর্য বাড়েনা। বরং এটিই বুঝা যায় যে গাড়ি নয় নারীকেই সেখানে আকৃষ্ট পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
টিভি খুললেই টিভির পর্দায় ভেসে উঠে U&ME কনডমের এ্যাড। যেখানেও পুরুষের ব্যবহৃত বস্তুর এ্যাডে নারীকেই কামুক করে উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিবারের সাথে বসে টিভি দেখতে গেলে অবস্থাটা কি হয় একবার ভাবুন তো???
"এত চিনি, তবু রনি ভাইয়ের মন খারাপ"
এটি একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের বিজ্ঞাপনের সংলাপ। টিভিতে অনেকেই হয়তো দেখেছেন। সংলাপের পেছনের গল্পটা না হয় ভেঙ্গে না ই বললাম..... আচ্ছা, মন খারাপ করা রনির জন্য কি এর থেকে ভালো নারী মডেল দেওয়া যেতো না??
শুধু টিভিতে নয়, এসব নগ্নতা ছড়িয়ে পড়ছে বিলবোর্ডেও। কোন রাস্তায় চলাফেরা করবেন????
অভিজাত এলাকা হিসেবে সবার পরিচিত গুলশানের বিপণিবিতান আর জুয়েলারি গুলোর বিজ্ঞাপনে কোনো সুস্থ সমাজের চেহারা ফোটে উঠেনি। ফুটেছে নারী দ্বারা বিকৃত কামাচারের চেহারা।
VASAVI নামে একটি ফ্যাশন মল আছে গুলশান ১ এর লেকপাড়ে। এরা এদের বিজ্ঞাপনে শুরু থেকেই নারী দেহের উন্মুক্ত প্রদর্শনী করিয়ে আসছে। নারীর শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো মেলে ধরে বিজ্ঞাপনে প্রচার করে তারা। যা চোখ কান খোলা রাখলেই রাস্তার পাশের বিলবোর্ডে দেখতে পাবেন।
ভাসাভির ডায়মন্ড জুয়েলারির বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশ নেয়া মডেলের বুকের মধ্যখান থেকে গলা পর্যন্ত খোলা। একই রকম অবস্থা দেখা গেছে আপন জুয়েলার্সের বিজ্ঞাপনেও। ক্যাটস আই, এক্সটেসির পোশাক আশাক আর প্রাইড শাড়ির বিজ্ঞাপনেও একই হাল। সব জায়গায় নারীকে উলঙ্গ পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
মহাখালী ফাইওভারের নিচে, ধানমন্ডি, বনানী, উত্তরা ও গুলশানে এসব বিজ্ঞাপনের মেলা। দেশীয় নারী ছাড়াও এসব বিলবোর্ডে ভারতীয় তারকা মডেলদেরও নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। এসব এলাকার বেশির ভাগ শপিং মল ভারতীয় ধাঁচের। যেমন রূপ মিলান কিংবা জারা। বনানী ও ধানমন্ডিতে তো সরাসরি ভারতীয় ফ্যাশন হাউজ মান্যবর শোরুম খুলে ব্যবসা করছে!!
বছরকয়েক আগে টেলিভিশনে রাঁধুনি গুড়া মশলার একটি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছিল। সেখানে জনৈকা প্রবীণ অভিনেত্রী রাঁধুনি বলে তার সম্ভাব্য পুত্রবধুর প্রতি ইঙ্গিত করায় নারী মহলে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল। সুলতানা কামাল, খুশি কবির, রোকেয়া প্রাচ্যীদের মত নারীবাদীদের চেতনাতে চরম আঘাত লেগেছিলো ওই এ্যাডের কারণে। তখন অভিযোগ করা হয়েছিল, রাঁধুনি বলে বিজ্ঞাপনে নারীর প্রতি কটাক্ষ করা হয়েছে!!
উপরে যে বিজ্ঞাপন গুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে কি নারীকে খুব মহিমান্বিত করা হয়েছে?
নাকি তাদেরকে দেখানো হয়েছে নিছক সেক্স অবজেক্ট হিসেবে, যারা আকর্ষণীয় পুরুষ দেখলেই সব ভুলে ছুটে যায়?
এগুলোতে কি নারীকে অশ্লীল পণ্য হিসেবে ব্যাবহার করা হয়নি?
নারীকে কি ভোগ্য পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি?
যদি তা করাই হয়ে থাকে, তবে কেন এই রহস্যময় নীরবতা?
নারীত্বের এই চরম অবমাননা কেন তারা সহ্য করছে?
কেন তাদের মুখে ফোটে না প্রতিবাদের ভাষা?
সত্যি সেলুকাস, কি বিচিত্র আমাদের এই দেশ ! এই দেশের সংস্কৃতি !
হায়রে নারী......পাশ্চাত্য তোমাকে ডিজিটালের নামে আজ নগ্ন পন্য বানিয়েছে.....
মিডলইস্টের মিড এইজেই তুমি সন্মানীত ছিলে....
আমরা সবাই জানি, শেষ যুগে নারীরা এমন পোষাক পড়বে যে, মনেই হবে না তারা পোষাক পড়ে আছে ।
তাহলে আমরা কি দাজ্জালীয় যুগ পার করছি না???
হাদিস থেকে আমরা পাই, একজন বেপর্দাশীল নারী তার সাথে আরও ৪ জনকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে । যথাঃ ১. তার স্বামী ২. তার পিতা ৩. তার বড় ভাই ৪. তার বড় ছেলে ।
সময় আছে, সতর্ক থাকুন ।
কালেক্টেড
আমি যেদিন জানতে পারলাম আমি
প্রেগন্যান্ট, আনন্দে কেঁদে
দিয়েছিলাম। যখন আনন্দের উচ্ছাসটা
কমে গেলো তখন মাথার মধ্যে একটা ভয়
ঢুকে গেলো। আল্লাহ আমাকে সন্তান
দিয়েছেন, আমি কি পারবো তাকে
আল্লাহর পথে বড় করতে। চারিদিকে
এতো ফিত্না, এতো নোংরামি, পারবো
এর মাঝে ছেলেকে ঈমানের সাথে বড়
করতে? আমি কি পারবো আদর্শ মা হতে?
প্রথমেই মনে হলো নিজে না জানলে
সন্তানকে কি শিখাবো? তাই ইসলাম
সম্পর্কে পড়তে লাগলাম। এই পড়তে গিয়ে
একটা ব্যাপার উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ
আমাদের সন্তান দেন ভবিষ্যতে সন্তান
টাকা কামাবে আর আমরা আরামে
থাকবো এজন্যে না। বরং সন্তান আমাদের
জন্য বড় একটা পরীক্ষা। আমরা যদি ভুল
শিক্ষা দেই এবং সন্তান যতোবার ভুলটা
করবে তার জন্য আমাদেরও শাস্তি পেতে
হবে।সুবহানআল্লাহ! আল্লাহ আমাদের দ্বায়িত্ব
দিয়েছেন একটা মানুষকে বড় করার,
তাকে সঠিক শিক্ষা দেয়ার, তাকে
আল্লাহর পথে চলার জন্য তৈরি করে
দেয়ার। সন্তান বাইরে অনেকের সাথে
মিশবে
কিন্তু মূল্যবোধ তৈরি হবে আমাদের
দেখে। আমি যদি অপচয়কারী হই সেও তা
শিখবে। আমি যদি মিথ্যাবাদী হই, সেও
সেটাই শিখবে,আমি যদি অহংকারী হই তার কাছে সেটাই স্বাভাবিক মনেহবে । সুবহানআল্লাহ! কি
ভয়ঙ্কর অবস্থা! তারমানে আগে আমাকে
আদর্শ মা হতে হবে!
সন্তান পেটে আসার
পর থেকেই সূরা ফুরকানের ৭৬ নাম্বার
আয়াতে আল্লাহ যে দুয়া শিখিয়ে
দিয়েছেন তা পড়তাম, কিন্তু দুয়ার মহীমা
উপলব্ধি করলাম এতোদিন পর!
'হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রী
ও সন্তানদের আলাদের জন্য চ
ক্ষু শীতলকারী বানিয়ে দাও এবং
আমাদেরকে তোমার আনুগত্যশীল
বান্দাদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দাও '।
আমাদের সন্তান একটা মানুষ।
তার নিজের ইচ্ছা, অনিচ্ছা, পছন্দ,
অপছন্দ, চাহিদা আছে। অনেক বাবা
মায়েরাই
নিজেদের ইচ্ছা সন্তানের উপর
চাপিয়ে দেন। কিন্তু এর ফলাফল ভয়াবহ
হতে পারে।আমাদের যেটা ঠিক মনেহয় সেটা তার জন্য সঠিক নাও তো হতে পারে। আমি এক ভাইকে চিনি যিনি
বর্তমানে নেশাখোর হিসেবে পরিচিত।
যখন সে স্কুলে ছিলো তার বাবা তাকে
জোর করে সাইন্স পড়ার জন্য চাপ দিতো।
কিন্তু ভাইটার ব্রেইন ভালো ছিলোনা।
সে জানতো সে সাইন্স পড়লে পাশ করতে
পারবেনা। শতো চেষ্টা করেও সে বাবা
মাকে বুঝাতে পারেনি। উল্টা কপালে
জুটেছিলো বাবার অমানুষিক মারধোর,
গালাগালি। অত্যাচার থেকে বাঁচতে
ভাইটি বাসা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল।
কিন্তু লাভ হলোনা। ধরে এনে আবার
মারা হলো। বর্তমানে সেই ভাই
নেশাখোর হিসেবে পরিচিত। সে আর
পড়ালেখা করেনি। পড়ার প্রতি তার ঘৃণা
জন্মে গিয়েছিলো। চুরি করে, নেশা করে
সে তার বাকি জীবন পার করে দিতে
লাগলো। বাবা মা লজ্জায় কারো কাছে
এখন তাকে সন্তানের পরিচয় দিতে
পারেনা। তারা নিজেদের ভাগ্যকে
দোষ দেন এমন সন্তান জন্মের জন্য।
আরেক ভাই এর কথা জানি যিনি
ভার্সিটি পাশ করেই বিয়ে করতে
চেয়েছিলো। কিন্তু বাবা মা দিলোনা।
উল্টা বলতে লাগলো এখনই বিয়া করতে
চাও লজ্জা করেনা?বিয়ার জন্য পাগল
হয়েছো কেন? আগে চাকরি করো,
টাকা ইনকাম করো, ঘর গুছিয়ে এরপর
মেয়ে আনো। ছেলের বয়স যখন ৩৩ ,বাবা
মা ওর জন্য মেয়ে দেখা শুরু করলো। এটা
ভালো না, ওটা ভালো না ইত্যাদি করতে
করতে ছেলের বয়স এখন ৩৬+ হয়ে গেছে।
এখন আর তার জন্য ভালো মেয়ে পাওয়া
যায়না। ছেলে স্কুল কলেজের ছোট মেয়ে
বিয়ে করবেনা। কিন্তু ভার্সিটি পড়ুয়া
বেশিরভাগ মেয়েই ম্যারিড।
একাকিত্বের কষ্ট ছেলেটাকে রোজ
কুরে কুরে খেতে লাগলো। যৌন চাহিদা
মেটাতে ছেলেটা হারাম পথের আশ্রয়
নিতে লাগলো। বাবা মা এখন নিশ্চুপ
ভূমিকা পালন করতে লাগলো!
আজকাল দেখি মুসলিম নামধারি ছেলেমেয়েরা বাবা মায়ের সামনে প্রেম করে বেরায়। ফেসবুকে একসাথে ছবি তুলে পোস্ট করে। ডেটিং এ যাওয়ার ছবিও দেয়! বাবা মা তবুও বিয়ে দেয়না।বলে বিয়ের বয়স হোক! ছেলে মেয়ে প্রেম করতে পারবে কিন্তু বিয়ের বয়স হয়নি?? কি অদ্ভুত! একজন তো তার ছেলেকে বিয়ে দিতে বলার পর আমাকে বলে যে এমন কতো মেয়ে আসবে লাইফে, পাঁচ বছর যাক, এরপরেও রিলেশন টিকলে বিয়ে দিবে! নিজের হাতে যে ছেলেমেয়েকে জিনা করার, কবিরা গুনাহ করার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন তা নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যথা নাই।পাচ বছর যে সন্তান বাঁচবে এর কি নিশ্চয়তা আছে? কিন্তু মুসলিম হয়েও বাবা মা তাদের সন্তানদের গুনাহের পথেই ছেড়ে দেয়!
মজার ব্যাপার হচ্ছে আখিরাতে
আমাদের জিজ্ঞেস করা হবেনা আপনার
ছেলে সাইন্স পড়েছে কিনা, কেমন
স্টুডেন্ট ছিলো, ভালো চাকরী করে
কিনা, ইনকাম কেমন, বউকে কতোটাকা
মোহর দিয়ে এনেছে বা বিয়েতে কতো
টাকার শপিং করেছে, কতোজনকে
খাইয়েছে, সুন্দর মেয়ে বিয়ে করেছে
কিনা ব্লা ব্লা! বরং আমাদের
জিজ্ঞাসা করা হবে আমরা সন্তানকে
ইসলাম শিক্ষা দিয়েছি কিনা, তার
চরিত্র সুন্দর করে গঠনে সাহায্য করেছি
কিনা, তাকে আল্লাহ ও তার রাসূল
(সাঃ) কে ভালোবাসতে শিক্ষা
দিয়েছি কিনা, সঠিক সময়ে নামাজ
রোজা পর্দার ইত্যাদি শিক্ষা দিয়েছি
কিনা!আমি জানি গীবত করা মানে মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাওয়া, তবুও কেনো আমার সন্তানকে গীবত করা থেকে দূরে রাখিনি? কেন তাকে সব সময় ভালোটা দিয়ে অন্যদের থেকে আলাদা হতে, হিংসা করতে শিক্ষা দিলাম যেখানে জানি কারো মধ্যে নূন্যতম হিংসা থাকলে সে জান্নাতে যাবেনা। কেন তাকে জেনেশুনে রাগি হতে শিক্ষা দিলাম, এমন আরো অনেক কিছু। আল্লাহ
যে আমাদের একটা মানুষকে ইসলামের
আলোকে বড় করার দ্বায়িত্ব দিয়েছেন
তা যথাযথভাবে পালন করেছি কিনা।
আমরা এর কয়টা প্রশ্নের উত্তর দিতে
পারবো?
হ্যা অনেক সময় বাবা মা সঠিক শিক্ষা
দেয়ার পরেও সন্তান খারাপ হতে পারে।
ইউসুফ (আঃ) এর পিতা ইয়া'কূব (আঃ)
একজন নবী ছিলেন।নিঃসন্দেহে তিনি
একজন আদর্শ পিতা ছিলেন।তবুও উনার
ছেলেরা তাদেরই ভাইকে হত্যা করার
চেষ্টা করেন। সুতরাং সন্তান খারাপ
হবে কিনা তা আল্লাহর হাতে! কিন্তু
আমরা বাবা মা হিসেবে আমাদের
দ্বায়িত্ব পালন করে যাবো ও দুয়া করতে
থাকবো চক্ষু শীতলকারী সন্তানের জন্য।
যেন আখিরাতে আল্লাহর কাছে আমরা
ভালো থাকতে পারি, যে সন্তানের জন্য
এতো কষ্ট করলাম সেই যেন আখিরাতে আমাদের
দোষ দিতে না পারে আমাদের জন্য সে
খারাপ হয়েছে। তাছাড়া যাকে এতো ভালোবাসি তাকে আমরা জাহান্নামি কিভাবে হতে দিতে পারি?
আল্লাহ আমার জন্য পূর্ব্য নির্ধারিত করে রেখেছেন এমন কিছুর ব্যাপারে "ঈশ ! এমন যদি না ঘটত" বলার চেয়ে লাল উত্তপ্ত কয়লা ঠান্ডা হওয়ার আগ পর্যন্ত কামড়ে ধরে থাকা আমার কাছে অধিক প্রিয়"
- আবদুল্লাহ ইব্ন মাসউদ রাঃ [ আবু দাউদের আয জুহুদ অধ্যায়ে বর্নিত]
আহমকের কথায় প্রতিবাদ করেব না ; শেষে তুমিই আহমক সেজে যাবে।
-- (হযরত সোলায়মান)
যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একদিন রোযা রাখবে আল্লাহ তার বিনিময় তাকে জাহান্নাম থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে রাখবেন। (মুসলিম)
যে আপনার ক্ষতি করতে চায় তার একটি উপকার করে দিন। এরপর আর কোন জবাব দিতে হবে না, সে নিজেই উপযুক্ত জবাব পেয়ে যাবে।
অহংকার কর না, কেননা অহংকারীর পরিনাম জাহান্নাম।
14/06/2015
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1000
