প্রেস রিলিজ
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| রাজউক এর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়: নকশার ব্যত্যয় ঘটালে নির্মাণাধীন ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নে কোনো আইনী বাধা নেই ||
_____________________________________
আজ ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, রোজ মঙ্গলবার, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের এক রায়ে গত ১৭.১২.২০২৫ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের জারিকৃত রাজউক এর নির্মাণাধীন ভবনের পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশটি স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে রাজউক অনুমোদিত এলাকায় নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণাধীন স্থাপনা সমূহে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আর কোনো আইনী বাধা রইলো না।
উল্লেখ্য, গত ১৭/০৪/২০২৫ইং তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এই মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নকশার ব্যত্তয় ঘটিয়ে অবৈধ ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্মাণাধীন ভবনের পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। পরবর্তীতে গত ০৭/১২/২০২৫ইং তারিখে রিহ্যাব (REHAB) কর্তৃক রীট পিটিশন নং ২১১৭১/২০২৫ দায়ের করা হলে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ গত ১৭/১২/২০২৫ইং তারিখে একটি রুল নিশি জারি করেন এবং একই সাথে একটি অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে রাজউকসহ সকল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রাজউক নিয়ন্ত্রিত এলাকার নির্মাণাধীন ভবনের পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন।
এই অবস্থায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজউক কর্তৃক সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ৪১৮/২০২৬ দায়ের করা হয়। যার প্রেক্ষিতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত অদ্য ০৩/০২/২০২৬ইং তারিখের আদেশের মাধ্যমে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের আদেশটি স্থগিত করেন। রাজউকের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, সিনিয়র অ্যাডভোকেট।
এর ফলে রাজউক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্মাণাধীন ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে পানি, গ্যাস এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ক্ষেত্রে রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর কোন আইনী বাধা রইলো না।
বিষয়টি জনস্বার্থে প্রচার করা হলো।
Rajdhani Unnayan Kartripakkha
RAJUK is composed of various public officials, city planners, urban administrators, engineers, and architects.
Rajdhani Unnayan Kartripakkha ( RAJUK ) – literally the Capital Development Authority of the Government of Bangladesh – is a public agency responsible for coordinating urban development in Dhaka, Bangladesh. Rajdhani Unnayan Kartripakkha (RAJUK) – literally the Capital Development Authority of the Government of Bangladesh – is a Bangladeshi public agency responsible for coordinating urban develop
ভূমিকম্পে ভবনে ফাটল দেখা গেলে করণীয়।
11/11/2025
প্রেস রিলিজ
১১ নভেম্বর, ২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| বনানীতে রাজউকের মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান,
মোট ২৪ টি দোকান সীলগালা, ০১ টি আবাসিক হোটেল ও ১ টি হাসপাতালকে বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ ||
__________________________________
আজ ১১ নভেম্বর, ২০২৫, রোজ মঙ্গলবার , রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর জোন-৪/২ এর আওতাধীন এলাকায় বনানী আবাসিক এলাকায় আবাসিক প্লটে অবৈধভাবে অ-আবাসিক ব্যবহার বন্ধের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট/উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব লিটন সরকার, অথরাইজড অফিসার-৪/২ জনাব মোহাম্মদ কায়সার পারভেজ , সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকগণ এবং বনানী সোসাইটির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জোন-৪/২, আবাসিক প্লটে অবৈধভাবে অ-আবাসিক/বাণিজ্যিক ব্যবহার করায় মোট মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার মাধ্যমে মোট ২৪টি দোকান সীলগালা করে কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। এসময় ১টি আবাসিক হোটেল এবং ১টি হাসপাতালের মালিকপক্ষ/প্রতিনিধিকে ০১ (এক) মাসের মধ্যে অ-আবাসিক/বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং এ লক্ষ্যে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়।
এছাড়াও মোবাইল কোর্ট চলাকালে একটি রেস্টুরেন্টের বেজমেন্টের গাড়ি পার্কিং এর স্থানে মালামাল রাখায় রাজউকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উক্ত পার্কিং স্থান খালী করে গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও ফুটপাতে জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে ভাসমান ১৪ টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এর নির্দেশনায় রাজউক এর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট/উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
27/09/2025
|| অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ এবং বিচ্ছিন্নকৃত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃপ্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি ||
_____________________________________
এতদ্বারা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর আওতাধীন এলাকায় অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করে বা অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ, ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এর ধারা-১২ অনুসারে দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ০৭ (সাত) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা কমপক্ষে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করে বা অবৈধভাবে নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক কনস্ট্রাকশন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এভাবে নির্মাণাধীন মোট ১০০২ (এক হাজার দুই) টি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। যে সকল ভবন মালিক অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করে চেয়ারম্যান, রাজউক বরাবর আবেদন করবেন, তাদের নির্মাণ কাজের জন্য পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের অনুমতি প্রদান করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার নির্দেশনা রয়েছে।
ভবন মালিকদের প্রতি নির্দেশনা:
(ক) যে সকল ভবন মালিক অদ্যাবধি রাজউক অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করেননি তাদেরকে অনতিবিলম্বে ব্যত্যয়কৃত অংশ নিজ দায়িত্বে অপসারণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো;
(খ) রাজউকের অনুমোদন ছাড়া যে সব মালিকগণ অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ করছেন সে সকল ভবনের নির্মাণ কাজ অবিলম্বে বন্ধ রেখে রাজউক হতে অনুমোদিত নকশা গ্রহণের পর পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।
অন্যথায়, সংশ্লিষ্ট ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ অনুসারে নিয়মিত মামলা দায়েরসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনস্বার্থে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলো।
28/08/2025
২৮ আগস্ট, ২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| গেন্ডারিয়ার ডিআইটি পুকুর পাড় এলাকায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান ||
__________________________________
আজ ২৮ আগস্ট, ২০২৫, রোজ বৃহস্পতিবার, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর জোন ৭/১ এর আওতাধীন ডিআইটি পুকুর পাড় ঘিরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় ডিআইটি পুকুর পাড় ঘিরে থাকা অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদ ও অবৈধ ভাবে নেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
ডিআইটি পুকুর পাড় রক্ষা কমিটির অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এর নির্দেশ মোতাবেক রাজউক এর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব বেলায়েত হোসেন এর নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় ডিআইটি পুকুর পাড়ের চারপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে রেস্টুরেন্ট, দুই তালা ইমারত, রিক্সার গ্যারেজ সহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা। মোবাইল কোর্ট চলাকালে উক্ত স্থাপনাসমূহে অবৈধ ভাবে নেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। রাজউক এর ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ব্যত্যয় করে নির্মিত স্থাপনাসমূহ অপসারণের লক্ষ্যে রাজউক কর্তৃক নিয়মিত মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে যার অংশ হিসেবেই পরিচালিত হয় আজকের মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ কার্যক্রম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউক এর অথরাইজড অফিসার জনাব এস এম এহসানুল ইমাম, সহকারী অথরাইজড অফিসার জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাক তোহা, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শক সহ উচ্ছেদ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট রাজউক ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ। এসময় দীর্ঘদিন ধরে দখলকৃত এসকল স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ডিআইটি পুকুর পাড় এলাকাবাসীগণ রাজউক ও রাজউক চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
21/08/2025
২১. ০৮.২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| নিহত সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির সন্তান মাহির সরওয়ার মেঘের হাতে পূর্বাচলে জমির দলিল হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ||
__________________________________
আজ ২১ আগস্ট, ২০২৫, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে নিহত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির সন্তান মাহির সরওয়ার মেঘের কাছে পূর্বাচলে তিন (৩) কাঠা জমির দলিল হস্তান্তর করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সাংবাদিক সাগর সরওয়ার এই প্লটটি ২০০৪ সালে আবেদন করে ২০০৫ সালে বরাদ্দ পান। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করার পরও বিগত সরকার সাগর সরওয়ারের পরিবারকে এই প্লটটি বুঝিয়ে দেয়নি।
নিহত সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির পুত্র মেঘ যেন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে, সে লক্ষ্যে এবং তার জীবনের অপূরণীয় ক্ষতির কিছুটা হলেও লাঘব করতে রাষ্ট্রীয় ভাবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনায় ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এর উদ্যোগে রাজউক এর পক্ষ থেকে নেওয়া হয় এই প্রয়াস।
এসময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম সহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ। উপস্থিত সকলেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং নিহত সাংবাদিক দম্পতির আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও তার স্ত্রী সাংবাদিক মেহেরুন রুনি। তাদের একমাত্র সন্তান মাহির সরওয়ার মেঘ সেই সময় ছিল মাত্র পাঁচ বছর বয়সী।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলামের উদ্যোগে রাজউক এর আওতাধীন পূর্বাচলের এই জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে মেঘের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
05/08/2025
০৫.০৮.২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
||জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করলো রাজউক ||
__________________________________
আজ ০৫ আগস্ট, ২০২৫, রোজ মঙ্গলবার, যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক পালিত হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস। এ উপলক্ষ্যে রাজউক এর প্রধান কার্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সহ দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সকল শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং রাজধানী ঢাকা সহ সমগ্র দেশের মঙ্গল কামনা করে আয়োজন করা হয় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। একটি বৈষম্যহীন, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে রাজউক কর্তৃক উদযাপিত হচ্ছে এ বছরের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস। আজকের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম সহ রাজউক এর সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
আজকের আলোচনা অনুষ্ঠানে রাজউক এর সদস্য (পরিকল্পনা) জনাব আব্দুল কাদির বলেন, "জুলাই শহীদদের গেজেটে ১৩৪ জন শিশু সহ দেশের জন্য যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। যে কারণে ৭১ হয়েছিল, ৪৭ হয়েছিল, ৯০ হয়েছিল, ২০২৪ ও সেই একই কারণে হয়েছে। আর সেই কারণ হলো- বৈষম্য, শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনতার জাগরণ। আমরা হয়তো পুরো দেশের জন্য একা কিছু করতে পারবো না, কিন্তু যদি নিজের অবস্থান থেকে নিজের পরিসরের কাজটুকু সঠিক ভাবে করলেই দেশের উপকার হবে।"
এসময় রাজউক এর সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) জনাব শেখ মতিয়ার রহমান বলেন, "বিগত ১৭ বছরে গুম খুন আর আয়নাঘরের ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রাণ খুলে কথাও বলতে পারেনি। পুরো দেশকে একটি কলোনি বানিয়ে ফেলা হয়েছিল যা এখনো সম্পূর্ণরূপে স্বাবলম্বী হিসেবে দাড়াতে পারেনি। এর জন্য আমাদের সকল পর্যায়ে আরও অনেক কাজ করতে হবে। জনগণকে সঠিকভাবে সেবা দিতে হবে।"
আলোচনা সভায় রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, "আমরা যদি দেশের স্বার্থে কাজ করি, কোন ফ্যাসিস্ট সরকার বা অন্য কেও আমাদের দিয়ে কোন খারাপ কাজ করিয়ে নিতে পারবে না। বরং নিজের স্বার্থে কাজ করতে গেলেই আমাদের মাধ্যমে খারাপ কাজ ও অন্যের ক্ষতি হওয়া সম্ভব।"
তিনি আরও বলেন, "অনেকেই আজকের দিনকে ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট বলছেন, কিন্তু আমি একে বলবো দ্বিতীয় স্বাধীনতা। প্রথম স্বাধীনতা কে আমরা ধরে রাখতে পারিনি তাই আমাদের জন্য অতীব জরুরী ছিল এই নতুন স্বাধীনতা। যার সূচনা হয়েছিল ১/১১ এর পর থেকেই। আজকের যুব সমাজ যেই নতুন স্বাধীনতা এনেছে, তার পথ তৈরী হয়েছে গত ১৭ বছরে।"
রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, "২৪ এর জুলাই এ সকল শ্রেণির মানুষ রাস্তায় নেমেছিল, তার ফলশ্রুতিতেই এসেছে শোষণের অবসান। আবু সাঈদ, মুগ্ধ সহ অন্যান্য শহীদেরা আমাদের জন্য মানুষের সেবা করার যে পথ সুগম করে দিয়েছে, তার অনুপ্রেরণায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো মানুষের সেবা প্রদানের। আমি অনুরোধ করবো, আমি যদি নাও থাকি, যেই থাকুক, যে সরকারই আসুক, আপনারা অনুগ্রহ করে অন্যায়ের সাথে কোন আপোষ করবেন না।"
এসময় মাইলস্টোনের যে সম্মানিত শিক্ষিকাবৃন্দ নিজেদের সন্তানদের কথা চিন্তা না করে শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অনুসরণ করে নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের সেবা করে যাওয়ার জন্য রাজউক এর সকলকে অনুরোধ জানান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাজউক এর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
আলোচনা অনুষ্ঠানের শেষে ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনের সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ও ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে এবং ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশের মঙ্গল প্রত্যাশায় দোয়া করা হয়। এসময় রাজউক এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারী যেন সততা ও সুষ্ঠতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন সে কামনা করা হয়।
প্রেস রিলিজ
২১.০৭.২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় রাজউক এর শোক বার্তা ||
__________________________________
আজ ২১ জুলাই, রোজ সোমবার, রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বংসের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ও আহত সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
এই দুর্ঘটনায় বিমানটির পাইলট, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ অন্যান্যদের প্রাণ হারানো ও আহত হওয়ার ক্ষতি অপূরণীয়। রাজধানী ঢাকা সহ সমগ্র দেশবাসীর জন্য এটি একটি গভীর বেদনার মুহূর্ত।
রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম সহ রাজউক এর সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। একইসাথে হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করার জন্য আহবান জানাচ্ছেন।
রাজউক এই মর্মান্তিক দু্র্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে দুর্ঘটনা-প্রবণ এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া, রাজউক চেয়ারম্যান জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন ও দুর্ঘটনা স্থলে রাজউক এর পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রাথমিক সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজউক এর পক্ষ থেকে নগরবাসীর প্রতি এই শোকের সময় সবাইকে ধৈর্য ধারণ এবং দুর্ঘটনা-সম্পর্কিত গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহবান জানানো হচ্ছে।
20/05/2025
২০ মে, ২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত রাজউক এর নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির তথ্যগত ভুল উপস্থাপনের বিপরীতে স্পষ্টীকরণ ||
__________________________________
সম্প্রতি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজউক এর একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ১১৮ টি পদের সকল নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে ভুল ও বিভ্রান্তিকর।
উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় ক্রমিক নং- ১ হতে ৩০ এ বর্ণিত ১১৮ টি পদের বিপরীতে ২৫,১৬৬ জন চাকরিপ্রার্থী অনলাইনে আবেদন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ বিভাগের তত্ত্বাবধানে ০৯ মার্চ, ২০২৪ থেকে ০৩ জুন, ২০২৪ পর্যন্ত সময়ের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে ১১৮ টি পদের মধ্যে ক্রমিক নং- ১ হতে ১৭ এর অন্তর্ভুক্ত ৯ম ও ১০ম গ্রেডের ১৭ টি ক্যাটাগরির ৯০ টি পদের নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। উক্ত ৯০ জন এর মধ্যে ৮৫ জন ও পরবর্তীতে প্যানেল থেকে ৫ জন রাজউক এ যথাসময়ে যোগদান করেন এবং বর্তমানে রাজউক এ কর্মরত আছেন। বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নং- ১৮ হতে ৩০ এর অন্তর্ভুক্ত অবশিষ্ট ২৮ টি পদের জন্য কোন নিয়োগ পরীক্ষা হয়নি।
গত ১২ মে, ২০২৫ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০২৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ক্রমিক নং ১৮ হতে ৩০ পর্যন্ত অবশিষ্ট উক্ত ২৮ টি পদের নিয়োগ কার্যক্রম কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাতিল করা হয় যা বিজ্ঞপ্তি আকারে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
অর্থাৎ ১১৮ টি পদের সবগুলো নয়, শুধু ক্রমিক নং ১৮ হতে ৩০ এর অন্তর্ভুক্ত ২৮ টি পদের নিয়োগ কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। জনস্বার্থে সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য বিষয়টি স্পষ্ট করা হলো।
08/05/2025
০৮.০৫.২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে অননুমোদিত রেস্টুরেন্ট পরিদর্শনে রাজউক চেয়ারম্যান ||
আজ ০৮ মে, ২০২৫, রোজ বৃহস্পতিবার, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর আওতাধীন এলাকায় ভবন দূর্ঘটনা হ্রাসের লক্ষ্যে আন্তঃসংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডে বহতল ভবনে অননুমোদিত রেস্টুরেন্ট পরিদর্শন করেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম। উক্ত পরিদর্শনে জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, ঢাকা ওয়াসা, তিতাস গ্যাস, ডিপিডিসি সহ অন্যান্য সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অগ্নি ও ভূমিকম্প সহ ভবন সম্পর্কিত অন্যান্য ঝুঁকি হ্রাসে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাস্টিজ আমিন আহমেদ ট্রাস্ট ভবন, প্লট-৫৪, রোড- ১০/এ, সাতমসজিদ রোড, ঢাকা-১২০৯ নামক ০২ (দুই) টি বেজমেন্ট সহ ১৩ (তের) তলা ইমারতটিতে আজকের আন্তঃসংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ২ টি বেজমেন্ট সহ ১৩ তলা ভবনটির প্রায় প্রতিটি তালায় এক বা একাধিক রেস্টুরেন্ট পাওয়া যায়। পরিদর্শনকালে ইমারতটিতে ফায়ার সিঁড়িতে যাবার সিম্বলিক চিহ্ন, অগ্নি নিরোধক দরজা ইত্যাদির অনুপস্থিতি দেখা যায়। এছাড়াও ইমারতটির বিভিন্ন তলাতে অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হবার কথা থাকলেও অধিকাংশ তলাতে রেস্টুরেন্ট পরিচালিত হতে দেখা যায়। ইমারতটির রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত লেআউট নকশায় ১৩ (তের) তলা উল্লিখিত থাকলেও সরেজমিনে ১৪ (চৌদ্দ) তলা আংশিক নির্মিত পাওয়া যায়। ফরেস্ট লাউঞ্জ নামক একটি রেস্টুরেন্টকে ১৩ (তের) তলার উপর উলম্ব ভাবে ০১ (এক) টি তলা বৃদ্ধি করে রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করতে দেখা যায় । এসময় রাজউক চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ প্রতিটি রেস্টুরেন্ট ঘুরে দেখেন। বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্টে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল না। কিছু রেস্টুরেন্টে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল এবং রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ প্রশিক্ষণ নেই বলে জানা যায়। সম্পূর্ণ ভবনে রাজউক প্রদত্ত নকশা অনুযায়ী দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে জরুরী বহির্গমনের জন্য ফায়ার এক্সিট পাওয়া যায়নি। জরুরী বহির্গমনের সিড়ি ও নকশা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলের জন্য নকশা অনুযায়ী রাখা করিডর বন্ধ করে সেখানে স্টোর রুমের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ভবনটিতে একটি জরুরী বহির্গমনের পথ কলাপসিবল গেট দিয়ে বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট গুলোর ভিতরে কিচেনে অপর্যাপ্ত জায়গা থাকায় তা দুর্যোগকালে ব্যবহার অনুপযোগী বলে প্রতীয়মাণ হয়। এসময় নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অননুমোদিতভাবে রেস্টুরেন্ট পরিচালনার ব্যাপারে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি ভবন মালিক পক্ষের প্রতিনিধিগণ। এসময় রাজউক চেয়ারম্যান রেস্টুরেন্ট সমূহে আগত শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য অতিথিদের সাথে কথা বলেন এবং এ ধরনের ভবনে আসার পূর্বে ঝুঁকি বিবেচনা করার এবং সচেতন হওয়ার আহবান জানান। পরিদর্শন শেষে ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, রাজউক মহোদয় সংশ্লিষ্ট ইমারতের প্রতিনিধিগণকে ইমারতের ফায়ার সেফটি সম্পর্কিত ত্রুটি বিচ্যুতির বিষয়ে মৌখিকভাবে তাৎক্ষণিক অবহিতকরণসহ অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এছাড়াও চেয়ারম্যান, রাজউক মহোদয় ইমারতে বিদ্যমান রেস্টুরেন্টগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্তের নিমিত্তে রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতি এর সাথে একটি মতবিনিময় সভা করবেন মর্মে জানান। পরবর্তীতে জনাব শীলাব্রত কর্মকার, বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজউক এর উপস্থিতিতে ভবন মালিকের পক্ষে জনাব সৈয়দ শামীম রেজা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইম্পেরিয়াল কনসালটেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, জাস্টিস আমিন আহাম্মেদ ট্রাস্ট সেন্টার আলোচ্য ইমারতে বিদ্যমান বিচ্যুতি/ ব্যত্যয়সমূহ আগামী ১৫ ( পনের) কার্যদিবস এর মধ্যে সম্পন্ন করবেন মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, "নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে পরিচালত এসকল রেস্টুরেন্টে অগ্নিকান্ড সহ যে কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ পরিদর্শন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এলক্ষ্যে সকল সংস্থা একযোগে কাজ করবে। ব্যত্যয়কৃত ভবনসমূহের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।" তিনি আরও বলেন, "শুধু এই ভবনটিই নয়, সাতমসজিদ রোড সহ ঢাকার অন্যান্য স্থানের এরূপ নকশা বহির্ভূত ও অননুমোদিত রেস্টুরেন্ট এবং আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনসমূহের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে রাজউক। একটি বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তোলার জন্য ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সকল সংস্থাকে নিয়ে কাজ করবে রাজউক।"
এরপর ভবনটির মালিকপক্ষকে ১৫ দিনের মধ্যে নকশার ব্যত্যয়কৃত অংশের সমাধান করতে বলা হয় অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে রাজউক চেয়ারম্যান জানান। এসময় বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ সংশ্লিষ্ট সংস্থা সমূহ রাজউক এর নকশা মেনে ভবন নির্মাণ না হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজে সহযোগিতা করবে বলে জানায়। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসনও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে রাজউক কে অবহিত করে।
আজকের পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজউক এর সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) জনাব শেখ মতিয়ার রহমান, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) জনাব মোহাঃ হারুন-অর-রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রধান নগর স্থপতি সহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা বৃন্দ ও সহযোগী সংস্থাগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ।
04/05/2025
০৪ মে, ২০২৫
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা।
|| পুরান ঢাকার তাঁতী বাজার রোড ও নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার ভূইগড় এলাকায় রাজউকের মোবাইল কোর্ট ||
|| সর্বমোট ৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও ২০ টি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ ||
__________________________________
আজ ৪ মে, ২০২৫, রোজ রবিবার, রাজউক এর জোন ৭ ও জোন ৮ এর আওতাধীন এলাকায় দুটি পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে রাজউক। এ সময় সর্বমোট ৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও ২০ টি মিটার জব্দ করা হয়।
রাজউক এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ লিটন সরকার এর নেতৃত্বে রাজউক এর জোন ৭/১ এর আওতাধীন পুরান ঢাকার কোতোয়ালির তাঁতী বাজার এলাকায় ৫ টি নির্মাণাধীন ও ১ টি নির্মিত ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় ভবন নির্মানে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ১২ টি বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়। এছাড়াও রাজউক এর অনুমোদিত নকশার থেকে ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করা হয়। এসময় ব্যত্যয়কৃত ভবনসমূহের মালিকদের সর্বমোট ৮ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে আরও উপস্থিত ছিলেন অথরাইজড অফিসার জনাব এস এম এহসানুল ইমাম, সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকগণ সহ উচ্ছেদ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
অন্যদিকে, রাজউক এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব তাহমিনা পারভিন এর নেতৃত্বে রাজউক এর জোন ৮/১ এর আওতাধীন নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার ভূইগড় এলাকায় আরেকটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় সর্বমোট ১১ টি নির্মাণাধীন ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ভবন নির্মানে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ৯ টি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় ও ৮ টি মিটার জব্দ করা হয় এবং রাজউক এর অনুমোদিত নকশার থেকে ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করা হয়। এসময় ব্যত্যয়কৃত ভবনসমূহের মালিকদের সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ভবন মালিকগণের নিকট থেকে ভবন নির্মাণে অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করবেন না মর্মে ৩০০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা আদায় করা হয়।
উক্ত মোবাইল কোর্টে আরও উপস্থিত ছিলেন অথরাইজড অফিসার জনাব এফ আর আশিক আহমেদ, সহকারী অথরাইজড অফিসার জনাব আবু সাদাত মোঃ সায়েম, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকগণ সহ উচ্ছেদ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Rajuk Avenue, Motijheel
Dhaka
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |
