19/03/2024
#গীবত....
গাছটি আপনার, অনেক কষ্ট করে লাগিয়েছেন, যত্ন নিয়েছেন। কিন্তু আজ তার ফল আপনি ভোগ করতে পারছেন না, মাঝখানে দেয়াল বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে❗
ঠিক তেমনি আপনি দিনভর আল্লাহর ইবাদত করে, তাহাজ্জুদ পড়ে, নামাজ পড়ে, রোজা রেখেও পরকালে সেটার ফল ভোগ করতে পারবেন না। ভোগ করবে অন্যরা। যাদের নামে আমি/আপনি গীবত করে বেড়িয়েছি, বাজে সমালোচনা করেছি, কেয়ামতের দিন আমি/আপনি তাদের কাছে ফেঁসে যাবো। সেদিন আমার/আপনার নেক আমল ওদের দিয়ে, তাদের গোনাহ্ গুলো আমাদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হবে। সেদিন আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।
আল্লাহ্ তায়া’লা আমাদের সবাইকে গীবত থেকে বাঁচার তাওফিক দান করুক।
05/02/2024
আল্লাহর ৯৯ টি নাম:-
১/ ইয়া আল্লাহ্ - হে আল্লাহ্!
২/ ইয়া রাহমানু - হে পরম করুনাময়!
৩/ ইয়া রাহিমু - হে পরম দয়াবান!
৪/ ইয়া মালিকু - হে আমার শ্রেষ্ঠ প্রভু!
৫/ ইয়া কুদ্দুসু - হে পবিত্রতম সত্তার অধিকারী!
৬/ ইয়া মুমিনু - হে নিরাপত্তা দাতা!
৭/ ইয়া মুহাইমিনু - হে সত্য সাক্ষীর অধিকারী!
৮/ ইয়া আজিজু - হে প্রতাপশালী!
৯/ ইয়া সালামু - হে শান্তিও প্রশান্তি দাতা!
১০/ ইয়া জাব্বারু - হে অজেয় শক্তিশালী!
১১/ ইয়া মুতাকাব্বিরু - হে গৌরবময় সত্তা!
১২/ ইয়া খালিকু - হে সৃজনকারি!
১৩/ ইয়া গাফ্ফারু - হে অপরাধ ক্ষমাকারী!
১৪/ ইয়া বারিইউ - হে মুক্তি দাতা!
১৫/ ইয়া মুছাব্বিরু - হে শ্রেষ্ঠ শিল্পী!
১৬/ ইয়া কাহহারু - হে সক্ষম শাস্তিদাতা!
১৭/ ইয়া ওয়াহহাবু - হে সৎ কাজে পুরস্কার দাতা!
১৮/ ইয়া রাজ্জাকু - হে রিযিক দাতা!
১৯/ ইয়া বাছিরু - হে প্রর্দশনকারী!
২০/ ইয়া ফাত্তাহু - হে প্রশস্তকারী!
২১/ ইয়া আলিমু - হে মহাজ্ঞানী!
২২/ ইয়া ক্বাবিদ্বু - হে আয়ত্বকারী!
২৩/ ইয়া বাসিতু - হে কল্যাণ বর্ধক!
২৪/ ইয়া খাফিদ্বু - হে ক্রুদ্ধ হওয়ার অধিকারী!
২৫/ ইয়া মুয়িজ্জু - হে সম্মান দানের অধিকারী!
২৬/ ইয়া মুজিল্লু - হে অপদস্তকারী!
২৭/ ইয়া রাফেউ - হে উন্নতকারী!
২৮/ ইয়া সামিউ - হে শ্রবনকারী!
২৯/ ইয়া হাকামু - হে আদেশকারী!
৩০/ ইয়া আদলু - হে ন্যায় বিচারক!
৩১/ ইয়া লতিফু - হে কোমল অন্তঃকরনময়!
৩২/ ইয়া সাদিকু - হে সত্যবাদী!
৩৩/ ইয়া খাবিরু - হে সসর্বজ্ঞ!
৩৪/ ইয়া হালিমু - হে স্থিতিশীল!
৩৫/ ইয়া আজিমু - হে মহীয়ান!
৩৬/ ইয়া গাফুরু - হে ক্ষমাশীল!
৩৭/ ইয়া শাকুরু - হে কৃতজ্ঞতা পছন্দকারী!
৩৮/ ইয়া আ'লিয়্যু - হে সমুন্নত সত্তা!
৩৯/ ইয়া হাদিয়্যু - হে সৎ পথ প্রদর্শক!
৪০/ ইয়া বাদিয়ু - হে সর্ব প্রথম স্রষ্টা!
৪১/ ইয়া কাবীরু - হে মহিমান্বিত!
৪২/ ইয়া মুকিতু - হে শক্তিদাতা!
৪৩/ ইয়া ওয়ারিসু - হে সত্ত্বাধিকারী!
৪৪/ ইয়া রাশিদু - হে সৎপথ পর্দশক!
৪৫/ ইয়া মালিকাল মুলকি - হে বিশ্বজগতের মালিক!
৪৬/ ইয়া সাবুরু - হে ধৈর্যশীল!
৪৭/ ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম - মহত্বও গৌরবের অধিকারী!
৪৮/ ইয়া জালীলু - হে পরাক্রমশালী!
৪৯/ ইয়া হাফিজু - হে রক্ষাকারী!
৫০/ ইয়া বাকিউ - হে সর্বদা বিরাজমান!
৫১/ ইয়া সাত্তারু - হে গোপনকারী!
৫২/ ইয়া কারীমু - হে করুনাময়!
৫৩/ ইয়া রাক্কিবু - হে তত্ত্বাবধায়নকারী!
৫৪/ ইয়া মুজিবু - হে প্রার্থনাকারী গ্রহনকারী!
৫৫/ ইয়া ওয়াসেউ - হে প্রশস্তকারী!
৫৬/ ইয়া হাকীমু - হে মহাজ্ঞানের অধিকারী!
৫৭/ ইয়া ওয়াদুদু - হে দরদী বন্ধু!
৫৮/ ইয়া কাভিয়ু - হে অপরাজেয় শক্তির অধিকারী!
৫৯/ ইয়া বায়িসু - হে পুনরুথানকারী!
৬০/ ইয়া শাহিদু - হে সাক্ষ্য দাতা!
৬১/ ইয়া হাক্কু - হে শাশ্বত সত্য!
৬২/ ইয়া ওয়াকিলু - হেসর্বময় সর্ব কর্তা!
৬৩/ ইয়া মাতিনু - হে অটল সত্তার অধিকারী!
৬৪/ ইয়া ওয়ালিয়্যু - হে সাহায্যকারী!
৬৫/ ইয়া মাজিদু - হে মহীয়ান গরীয়ান!
৬৬/ ইয়া হামিদু - হে প্রশংসিত!
৬৭/ ইয়া মুবদিয়্যু - হে সর্বপ্রথম সৃজনকারি!
৬৮/ ইয়া মুয়িদু - হে স্থিতিস্থাপক!
৬৯/ ইয়া মুহছিয়্যু - হে সবজ্ঞ সত্তার অধিকারী!
৭০/ ইয়া মুহ্ইয়ু - হে জীবন দাতা!
৭১/ ইয়া মুমিতু - হে মৃত্যুদাতা!
৭২/ ইয়া কাইয়্যুমু - হে সর্বত্র বিরাজমান!
৭৩/ ইয়া ওয়াজিদু - হে সর্ববিষয় তড়িৎ ইচ্ছার অধিকারী!
৭৪/ ইয়া মাজিদু - হে গৌরবময়!
৭৫/ ইয়া হাইয়্যু - হে চিরঞ্জীব!
৭৬/ ইয়া ওয়াহিদু - হে একক সত্তা!
৭৭/ ইয়া সামাদু - হে অভাবহীন!
৭৮/ ইয়া ক্বাদিরু - হে সর্বশক্তিমান!
৭৯/ ইয়া আহাদু - হে অদ্বিতীয়!
৮০/ ইয়া মুকতাদিরু - হে সর্বশক্তিমান উৎস!
৮১/ ইয়া মুকাদ্দিমু - হে অগ্রসরকারী!
৮২/ ইয়া মুয়াখ্খিরু - হে পশ্চাদ্বর্তীকারী!
৮৩/ ইয়া আখিরু - হে অন্ত!
৮৪/ ইয়া মুনই'মু - হে নিয়ামত দাতা!
৮৫/ ইয়া জাহিরু - হে প্রকাশ্য!
৮৬/ ইয়া বাতিনু - হে অপ্রকাশ্য!
৮৭/ ইয়া ওয়ালিয়ু - হে বন্ধুত্বের অধিকারী!
৮৮/ ইয়া মুতাআলী - হে উন্নততম!
৮৯/ ইয়া বাররু - হে মঙ্গল দাতা!
৯০/ ইয়া তাওয়্যাবু - হে তওবা কবুলকারী!
৯১/ ইয়া মুনতাকিমু - হে প্রতিশোধগ্রহণ কারী!
৯২/ ইয়া আফুয়্যু - হে ক্ষমাকারী!
৯৩/ আ আউয়ালু - হে আদি!
৯৪/ ইয়া রাদ্বু - হে অত্যন্ত কৃপাশীল!
৯৫/ ইয়া মুকাসিতু - হে ন্যায়পরায়ন!
৯৬/ ইয়া জামিউ - হে একত্রকারী!
৯৭/ ইয়া মুগনিয়্যু - হে সম্পদশালী!
৯৮/ ইয়া মু'তিয়্যু - হে সিদ্ধি দাতা!
৯৯/ ইয়া মানিউ - হে নিষেধকারী!
22/01/2024
I need to prepare for JANNAT
20/08/2022
একজন মেয়েকে ৫০/৬০ সাপের উপর কবর দেওয়া হয়েছিলো, ১৯৮৬ সালে করাচির এক পত্রিকায় সেই মায়ের লিখা চিঠি প্রকাশ পায়।
তিনি লিখেছিলেন,,
'আমার বড় মেয়ে কিছুদিন আগে মারা গেছে তাকে দাফন করার জন্য কবর খনন করা হলে সেখানে ৫০/৬০ টা সাপ কিলবিল করছে।
এই অবস্থা দেখে ২য় ৩য় বারও কবর খনন করা হয় কিন্তু প্রতিবারই সাপ দেখা যাচ্ছিল। অতপর,সকলের সাথে পরামর্শ করে ওই সাপের ওপরই কবর দেওয়া হয়েছিল।
মেয়েকে কবর দেওয়ার পর তার বাবা অর্থাৎ আমার স্বামী নিজের মাথার চুল ছিড়া শুরু করছিলো আর বলছিল,
"আমার মেয়ে নামাজ রোজা সব কিছু করত, কিন্তু পর্দা করত না। তাকে পর্দা করতে বলা হলে সে যা ইচ্ছা তা শুনিয়ে দিত, এক কথায় আমি ছিলাম ব্যর্থ বাবা"।
অথচ, আজ সে কবরে ধনুকের ন্যায় বেঁকে আছে।'
১৪ শ ১৪ হিজরি শাবান মাসে আমার এক বন্ধু সে আমাকে জানালো করোংগি এলাকার একটি ঘটনা,
আমার আত্মীয়ের এক যুবতি মেয়ে মারা গেছে, মেয়েকে কবর দেওয়ার জন্য মেয়ের বাবাও কবরে নেমেছিল।
বাড়ি ফিরে এসে তার মনে পরে সে তার ম্যানিব্যাগ কবরে ফেলে এসেছিল যার মধ্যে ছিল অতি প্রয়োজনীয় কাগজ তাই তাকে বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয়।
আবার, কবর খুড়ে কাগজ আনতে গিয়ে মাটি সরিয়ে কাঠ সরানোর পর মৃত মেয়ে অবস্থা দেখে বাবা জোরো চিৎকার করে দূরে সরে এলো, কেন চিৎকার করেছে জিজ্ঞেস করলে সে উত্তর দেয়,
আমি দেখেছি " তার সাদা কফনের কাপড় নেই তার মাথার চুল দিয়ে তার পা বাধা, ভয়ংকর কিছু বিচ্ছু ন্যায় প্রানি তাকে গ্রাস করে সারা দেহে লেপ্টে আছে। "
অতপর,মেয়েটির ব্যাপারে খোঁজ নিলাম।
জানা গেলো না তার কোনো খারাপ দিক,
শুধু তার বাবা মা বলে ছিল,
" তাদের সন্তান ফ্যাশন প্রিয় ছিল ,
সে কখনই পর্দা করেনি "।
কবরের আজাবের বই থেকে
লেখক : মাওলানা তারিক জামিল
_______
আহ, আমরা পর্দাকে কত সস্তা ভেবে নিয়েছি।
আর উম্মুল মু'মিনীনরা কিভাবে নিয়েছিলেন!
আফসোস!!!
শাহাদাতের রাতে শোকাতুরা স্ত্রীর ওড়না একটু সরে গিয়েছিল।
উসমান (রা). বললেন, “ওড়না ঠিক কর, বেগানা লোক তোমার একটা চুল দেখার চেয়ে, তীব্র মৃত্যুযন্ত্রণাও আমার জন্য অনেক সহজ।”
(শায়েখ আতিক উল্লাহ)