বিচার বিভাগের সংস্কার এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিচারপতি এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, শক্তিশালী বিচারবিভাগ প্রতিষ্ঠার জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরে যাওয়ার বয়স পূর্বের ন্যায় ৬৫ বৎসরে ফেরাতে হবে, নিন্ম আদালতের বিচারকদের অবসরের বয়স আরও দুই বৎসর বাড়াতে হবে।
জিয়া সাইবার ফোর্স-জিসাফো
আমরা শক্তি
আমরা সোর্স,
আমরা জিয়া
সাইবার ফোর্স।
14/04/2026
বৈশাখী শুভেচ্ছা নিও—
সরাসরি ভোট কেন্দ্রে থেকে,
18/03/2026
জিয়া সাইবার ফোর্স—শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ আর আদর্শের নাম। ২০১৫ সালের প্রতিকূল সময়ে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, সেই “জিসাফো” আজ তৃণমূলের অক্লান্ত পরিশ্রমে একটি শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে আছে।
এই দীর্ঘ পথচলায় যেসব পরীক্ষিত নেতৃত্ব নিজেদের শ্রম, মেধা ও সাহসিকতা দিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়েছেন—তাদের অন্যতম একজন হচ্ছেন মার্চেন্ট মেরিন অফিসার মিয়া মোহাম্মদ রাজিবুল ইসলাম।
সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি—
✔️ সারাদেশ ও প্রবাসে শক্তিশালী কর্মী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন
✔️ নতুন প্রজন্মকে আদর্শিকভাবে গড়ে তুলতে দিকনির্দেশনামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন
✔️ শিক্ষিত ও আদর্শিক নেতৃত্ব তৈরি করতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন
✔️ দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থেকে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করেছেন
✔️ অনলাইনে শক্তিশালী তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করেছেন
✔️ বিভিন্ন রিউমার ও অপপ্রচারের বিপরীতে বাস্তব ঘটনার নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন
✔️ জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সচেতনতামূলক প্লাকার্ড ও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছেন
✔️ গতানুগতিক কনটেন্টের বাইরে গিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী ও কৌশলগত কনটেন্ট তৈরি করে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন
✔️ আধুনিক সাইবার কৌশল ও বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করে সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছেন
✔️ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অনলাইন ফ্রন্টকে সক্রিয় ও কার্যকর রেখেছেন
একটি বিষয় স্পষ্ট—অনুকূল সময়ে নেতৃত্ব দেয়া সহজ, কিন্তু প্রতিকূল সময়ে সংগঠনকে টিকিয়ে রাখা ও বিস্তৃত করা সত্যিকারের নেতৃত্বের পরিচয়। সেই কঠিন সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একজন নেতা হলেন রাজিবুল ইসলাম।
বর্তমানে সংগঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে ৬ষ্ঠ দ্বিবার্ষিক নির্বাচন-২০২৬—যেখানে প্রয়োজন অভিজ্ঞ, আদর্শিক ও তৃণমূল-সংযুক্ত নেতৃত্ব।
আমরা বিশ্বাস করি—
একজন পরীক্ষিত সংগঠক, দক্ষ নেটওয়ার্কার এবং আদর্শিক যোদ্ধা হিসেবে মিয়া মোহাম্মদ রাজিবুল ইসলাম-ই হতে পারেন জিয়া সাইবার ফোর্সের আগামী দিনের উপযুক্ত সাধারণ সম্পাদক।
আসুন, ব্যক্তি নয়—যোগ্যতা, ত্যাগ ও অবদানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেই।
আসুন, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ হই।
জয় হোক আদর্শের, জয় হোক জিয়া সাইবার ফোর্সের। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
18/03/2026
ছোটবেলায় বিটিভির পর্দায় 'আলিফ লায়লা', 'ম্যাকগাইভার' কিংবা 'পাপাই'-এর পাশাপাশি যে নামটি আমাদের রক্তে শিহরণ জাগাতো, তা হলো— 'সিনবাদ'।
উত্তাল সাগরের বুকে এক দুঃসাহসী নাবিক, যার প্রতিটি শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে আমরা থাকতাম মন্ত্রমুগ্ধ।
আজ রূপকথার কোনো গল্প নয়, আপনাদের শোনাবো বাস্তব পৃথিবীর, রাজপথের এক অকুতোভয় 'সিনবাদ'-এর গল্প।
বিগত ১৭টি বছর এই বাংলার বুকে চেপে বসেছিল এক নব্য বাকশালের জগদ্দল পাথর। সেই ঘোর অমানিশায়, যখন গুম-খুন আর জুলুমের ভয়ে অনেকেই নিস্তব্ধ, তখন যে মানুষটি প্রশাসনের বুলেট, স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনীর ডান্ডা আর শত মিথ্যা মামলার রক্তচক্ষুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাজপথে গর্জে উঠেছিলেন— তিনি আমাদের রাজিবুল ইসলাম ভাই (সিনবাদ রাজিব)।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শকে বুকে ধারণ করে প্রতিটি লড়াইয়ে তিনি ছিলেন প্রথম সারির যোদ্ধা। চরম দুঃসময়ে তাঁর অগ্নিঝরা লেখনী আমাদের হাজারো নেতাকর্মীর বুকে জ্বালিয়েছে দ্রোহের আগুন, যুগিয়েছে হার না মানা সাহস। ২৪-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানেও তিনি ছিলেন সম্মুখ সমরের এক নির্ভীক সিপাহসালার। রাজপথের পিচঢালা পথ থেকে শুরু করে সাইবার জগৎ— সবখানেই তাঁর দৃপ্ত পদচারণা আর অনবদ্য অবদান।
পেশায় একজন মার্চেন্ট মেরিন অফিসার হয়েও, জাহাজের চার দেয়ালের বন্দিজীবন কিংবা উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ— কোনো কিছুই তাকে দেশ ও দলের প্রতি ভালোবাসা থেকে একচুলও টলাতে পারেনি। অথৈ সাগরের বুক থেকেও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির স্বার্থে তিনি নিবেদন করেছেন নিজের সর্বোচ্চ মেধা ও সময়।
তিনি আর কেউ নন, তিনি আমাদের জিয়া সাইবার ফোর্সের সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রাজিবুল ইসলাম।
আগামী জিয়া সাইবার ফোর্সের আসন্ন দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে তিনি আমাদের 'সাধারণ সম্পাদক' পদপ্রার্থী।
সময় এসেছে মূল্যায়নের। আসুন, একজন পরীক্ষিত, রাজপথের ত্যাগী, সুশিক্ষিত, যোগ্য এবং আপাদমস্তক কর্মীবান্ধব এই মানুষটির প্রতি আমাদের সমর্থন ব্যক্ত করি। পেশাগত জীবনে তিনি যেমন এক দক্ষ নাবিক হিসেবে গভীর সাগরের ভয়াল ঢেউ পাড়ি দিয়ে জাহাজকে নিরাপদে তীরে ভেড়ান, তেমনি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস— জিয়া সাইবার ফোর্সের হাল ধরার সুযোগ পেলে এই দুঃসাহসী নাবিক আমাদের প্রাণের সংগঠনকেও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন, ইনশাআল্লাহ।
রাজিব ভাইয়ের বিজয় হোক,
জিয়া সাইবার ফোর্সের জয় হোক!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
মোহাম্মদপুর
Dhaka
1207
