24/04/2020
Ramadan Mubarak ✨
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Gandaria Rail Station, Public & Government Service, Gandaria Rail Station, Dhaka.
24/04/2020
Ramadan Mubarak ✨
14/04/2020
শুভ নববর্ষ ১৪২৭
09/02/2020
Alhamdulillah! We have made history! Young Tigers have done it!
We are the World Champions! 🇧🇩
01/02/2020
অভিনন্দন
Gandaria Rail Station পেজের পক্ষ হতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গেন্ডারিয়া থেকে নব-নির্বাচিত সম্মানিত চার কাউন্সিলরগণকে অভিনন্দন।
আমাদের এলাকাবাসীর সকলের প্রত্যাশা তারা ঐতিহ্যের গেন্ডারিয়ার মানুষের নাগরিক সুবিধা সমুন্নত করবেন এবং এলাকার সুন্দর পরিবেশ ও বসবাসের জন্য নিরাপদ একটি গেন্ডারিয়া উপহার দিবেন যা আমাদের প্রিয় গেণ্ডারিয়াকে আদর্শ একটি মডেল বানাতে সহায়ক হবে।
❤️
31/12/2019
I wish..
- সবাই যেন তার প্রিয়জন এবং পরিবার নিয়ে, এই নতুন বছরে, সব সময় ভালো থাকে ☺️
Happy New Year - 2020
29/12/2019
১৯৫৩ সালে শিল্পী জয়নুল আবেদিন ইউরোপ ভ্রমণে বের হয়েছিলেন। স্পেনে এসে তিনি বেশ বিপদে পড়লেন কারণ স্প্যানিশ ভাষা তিনি জানতেন না, ইংরেজি জানা লোকও সেখানে কম ছিল। তাই শিল্পী খাবার সময় রেস্তোরাঁয় ঢুকে তার স্কেচ খাতার সাদা কাগজে একপাশে একটি সিদ্ধ করার কড়াই এবং একটি ভাজি করার কড়াই আঁকলেন। তারপর একটি বড় গরু, পাশে গরুর পেছনের রান এঁকে তীর চিহ্ন দিয়ে সিদ্ধ করা কড়াইয়ের দিকে দেখালেন। অর্থাৎ, রানের মাংস রান্না খেতে চান।
একে একে মুরগির ডিম, কপি, আলু যা যা খাবার প্রয়োজন সব এঁকে ফেললেন। স্প্যানিশ ওয়েটারের আর বুঝতে অসুবিধা হলো না যে শিল্পী কী খেতে চান। তারপর থেকে এভাবেই চলতে লাগলো ছবি এঁকে খাবার অর্ডার দেওয়ার তার এক নতুন পদ্ধতি ।
জয়নুল আবেদিন এরপর বিদেশে পথ চলতে আর খুব একটা অসুবিধেয় পড়েননি। কারণ সঙ্গে থাকতো তার স্কেচ খাতা আর পেন্সিল। যে কোন ভাষাভাষীর সঙ্গে ছবি এঁকে ভাবের আদান-প্রদান করে নিতেন, ছবির ভাষা দিয়ে কাজ চালিয়ে যেতেন।
আজ শিল্পাচার্যের শুভ জন্মদিন 🙂
(ছবি ও লেখা নেট থেকে নেয়া)
04/06/2019
14/04/2019
নবীন আলোকে নব আনন্দে,
শুভ হোক নববর্ষের আগমন।
সকলকে জানাই বাংলা নববর্ষের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
ঢাকা শহরে উৎসবমুখর পরিবেশে সাকরাইন উৎসব পালন করা হয়। মূলত পুরান ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাতে বেশি জমজমাট ভাবে উদযাপিত হয় পৌষসংক্রান্তি তথা সাকরাইন। শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, গোয়ালনগর, লক্ষ্মীবাজার, সূত্রাপুর, গেণ্ডারিয়া, লালবাগ ও এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে ছোট, বড় সকলেই মেতে উঠে এ উৎসবে। বিকেল বেলা এই সব এলাকায় আকাশে রঙ বেরঙের ঘুড়ি ওড়ে। ছাদে কিংবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়ানো হয়। অধিকাংশ সময়ে ভোঁ কাট্টা'র (ঘুড়ি কাটাকাটি) প্রতিযোগীতা চলে। একজন অপরজনের ঘুড়ির সুতা কাটার কসরৎ করে।
রাত নামলে পুরান ঢাকার আতশবাজির আলোয় উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। আগুন মুখে নিয়ে খেলা দেখানো কসরৎবিদগণ ছাদে দাঁড়িয়ে দর্শকদের তাদের কারুকাজ দেখায়। সন্ধ্যার পর আকাশে ওড়ে রঙবেরঙা ফানুশ ও ঘরে ঘরে পিঠাপুলির আয়োজন।
31/12/2018
শুভ হোক আগামীর দিনগুলো :)
Happy New Year 2019
15/12/2018
লক্ষ শহীদের রক্ত আর অগণিত শ্রমের দাম দিয়ে,
কেনা আমাদের স্বাধীনতা।
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।