বিএনপির নেতারা নিজ দলের ত্যাগী কর্মীদের থেকে বেশি পছন্দ করে দালাল ও অন্য দলের কর্মীদের। আপনাদের বলতে হবে এর কারণ কি?
দালাল মুক্ত বিএনপি
সংগঠনেই শক্তি, শক্তিতে সংগ্রাম, সংগ্র?
25/05/2026
উনি আমাকে সুন্দরী বলবে কেন? আমার নাম তো সুন্দরী না। উনি আমার বুকে হাত দিবে কেন?" কান্নাজড়িত কণ্ঠে এমন প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লার এক নারী কর্মচারী।
অভি'যোগকারী নারী কর্মচারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার অফিসের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে অনৈ'তিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তিনি বলেন, অফিসের উপরের তলায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলত এবং তাকেও সেখানে যেতে বলা হতো। কিন্তু তিনি এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার প্রতি ক্ষো'ভ তৈরি হয়।
ভু'ক্তভোগী'র অভিযোগ অনুযায়ী, ২১ তারিখ সকালে একটি প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে গেলে সেখানে কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয় এবং তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়। তিনি দাবি করেন, একজন কর্মকর্তা তাকে "সুন্দরী" বলে সম্বোধন করেন এবং আরেকজন তাকে ধরে টানাহেঁ'চড়া করেন। এতে তিনি মানসিকভাবে ভে'ঙে পড়েন এবং অসু'স্থ হয়ে যান।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও তাকে বারবার ডেকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হতো। কখনও বদলির ভয় দেখানো হতো, আবার কখনও তাকে অনৈ'তিক প্রস্তাব দেওয়া হতো। এমনকি বদলি ঠেকিয়ে দেওয়ার কথা বলে তার কাছে টাকা চাওয়ার অ'ভিযোগও তুলেছেন তিনি।
ভু'ক্তভোগীর দাবি, ঘটনার পর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে কুমিল্লা থেকে অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এতে তিনি আরও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন। পরে তিনি স্থানীয় লোকজন, স্বজন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং সুষ্ঠু তদ'ন্তের দাবি জানান।
তবে অ'ভিযুক্ত কর্মকর্তা এসব অ'ভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বী'কার করেছেন। তার দাবি, অ'ভিযোগগুলো মি'থ্যা এবং ঘটনার সময় কক্ষে একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এখন সবার নজর তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দিকে।
#সত্য_মিথ্যা_যাচাই
24/05/2026
দেশে যদি বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি এই তিনটি রাজনৈতিক শক্তিই অবশিষ্ট থাকতো তবে নিশ্চিন্তমনে একজনের সঙ্গে অন্যজনের ফাইট করতে উৎসাহ দিতাম। কিন্তু এই তিন শক্তির কমন শত্রু হিসাবে একটা ভয়ংকর রাজনৈতিক শক্তি বহাল তবিয়তে আছে! কাজেই সবাইকে একটু প্রজ্ঞার সাথে সবকিছু নিয়ে ভাবার পরামর্শ দিচ্ছি!
যতদূর সম্ভব, একজন আরেক জনের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক বক্তব্য পরিহার করি!
গোটা দেশটা জাহান্নামে নরকের পরিনত হয়েছে!!!
বরিশাল থানায় বাবার সামনে ধ*র্ষণের বর্ণনা দিয়েছেন মেয়ে!!
লাকসামে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ
অনিয়মের দেশ!!
23/05/2026
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে "বাঙ্কার বাস্টার" বো*মা মারলো!
সেই অবিষ্ফোরিত বো**মা পেয়ে ইরানের ভার্সিটির পুলাপান রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে সেইম বো*মা বানিয়ে ফেলছে!
__কয়দিন আগে ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষা চালাইছে।
__তার ঠিক কয়দিন পরে ভারতকে পাল্লা দিয়ে পাকিস্তানও ফাতাহ-৪ (Fatah-4) ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাইছে।
_আর এই কয়দিনে আমাদের দেশে একটার পর একটা ইস্যু আসলো!
কয়দিন চলে ধর্ষণ ইস্যু।
আবার কয়দিন চলে গুপ্ত ইস্যু!
ভার্সিটির পুলাপান করে কামড়াকামড়ি, ভিসি নিয়োগ নিয়া কাটাকাটি!
আবার কয়দিন চলে রাজাকার ইস্যু!
আজকে রাতে গেলো পাটওয়ারী ইস্যু!
এভাবে একের পর এক ইস্যু চলতে থাকলে দেশ আদৌও শক্তিশালী হবে?
শক্তিশালী বিশ্ব ,আধুনিক বিশ্বের সাথে সমানতালে এগোতে পারবেন?
প্রকাশ্যে দিবালোকে সন্ত্রাসী করবে বিচার হবে না! ধর্ষণ করবে বিচার হবে না! খুন করবে বিচার হবে না।
খাদ্যে ভেজাল মেশাবে বিচার হবে না!
দুদিন পর পর মানুষ রাস্তায় নামবে ,স্বয়ং সরকার সমাধান করতে আসবে ,এভাবে একটা রাষ্ট্রযন্ত্র কখনো কি উন্নতি করতে পারবে?
মনে হয় না!
যদি দেশকে অন্তত মালয়েশিয়া বানাতে চান, দেশকে শক্তিশালী বিশ্বের দেশ বানাতে চান তাহলে সকল ইস্যুকে কবর দিতে হবে ,মানে বিচার নিশ্চিত করতেই হবে।
শক্তিশালী বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে হবে।
শিক্ষা ,গবেষণা ,প্রযুক্তি নিয়া গভীরভাবে ভাবতে হবে। শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুমে ফেরাতে হবে।
রাজপথের মানুষগুলোকে ঘরে ফেরাতে হবে।
লেজুরভিত্তিক রাজনীতি ,স্বজনপ্রীতির রাজনীতির কবর রচনা করতে হবে।
দুর্নীতির টুটি চেপে ধরতে হবে। মাদক নাই করে দিতে হবে। চোরাচালান নাই করে দিতে হবে।
স্থানীয় মাফিয়া ,সন্ত্রাসীদের রাজত্বের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলতে হবে।
অসুস্থ জাতিকে সুস্থ হওয়ার খাবার দিতে হবে। যতো ভেজাল আছে তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স লাগবে।
জম্ম থেকে হাসপাতাল ,ডাক্তার আর ফার্মেসীতে দৌড়াদৌড়ি করে একটা জাতি এভাবে চলতে পারে না।
দেশপ্রেম লাগবে,সরকারি দল ,বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে!
দয়া করে নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে আর নিজেরা নিজেরা কামড়াকামড়ি করে এদেশের মানুষরে আর ঠকায়েন না!
এদেশের মানুষ জান- মালের নিরাপত্তা চায়, সিনা টান করে বাঁচতে চাই!!!
21/05/2026
ছবির জানোয়ারটাকে আপনারা অনেকেই চিনবেন না, চেনার কথাও নাহ্!
তার নাম সাইফুল ইসলাম, এই নরপিশাচ ২০১৬ সালে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পূজা নামের এক শিশুর উপরে পৈশাচিকতা চালায়। নিষ্ঠুরতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে নিজের সুবিধার জন্য সে শিশুটির ভ্যাজাইনা ব্লেড দিয়ে কেটে নেয়।
পরে ঘটনা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় আসলে এই নিয়ে দেশব্যাপী অনেক হইচইয়ের সৃষ্টি হয় এবং বিচারকার্য শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
তবে ঘটনায় একটা টুইস্ট আছে!
এই শুয়োরের বাচ্চা গত বছর ফেব্রুয়ারিতে জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে। পূজার মা তখন আক্ষেপ নিয়ে বলেছিলো এই লোককে চোখের সামনে ঘুরতে দেখার কষ্টটা অবর্ণনীয়।
যেখানে তাকে হাজারবার ফাঁসিতে ঝুলালেও তার অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত হওয়া সম্ভব না, সে নাকি এখন আমাদেরই মাঝে, আবার নতুন কোন শিকারের অপেক্ষায়।
এদেশের আনাচে-কানাচে এরকম অসংখ্য রেপ কেইস আছে যেখানে আসামির বিচার পর্যন্ত হয় নাই, আমরা কয়টা মনে রেখেছি?
রামিসার বাবা তো আজকে মিথ্যা বলে নাই, এদেশে সুষ্ঠু বিচার আসলেই বিলাসিতা! আমরাও কয়দিন পরে রামিসার কথা ভুলে যাবো, নতুন কোন ভাইরাল টপিকে আবার ব্যস্ত হয়ে পড়বো।
কিন্তু তার বাবা-মা?
আমার দুই পয়সা: ধংশ হয়ে যাওয়া ইন্সটিটিউশনের কথা কেন বার বার বলেছি বুঝতে পারছেন এখন? আদালত নামের ইন্সটিটিউশন টা শেষ করে দিয়েছে #খুনিহাসিনা। এরপর মরার উপর ফাঁড়ার ঘায়ের মত, ইন্টেরিম এসে শুধুমাত্র #আন্ডারগ্রাউন্ডটানেলপার্টি'র লোকজনকে বিচারক নিয়োগ দিয়েছে, এর মধ্যে এনসিপির নেতার শ্বশুরও আছে! 🙄 কনফ্লিক্ট অফ ইন্টেরেস্ট বলে আসলে কোন কিছু বাংলাদেশে এক্সিস্ট করে না!
20/05/2026
৭ বছরের একটা শিশুকে পছন্দ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘ ২ মাস ধরে তাকে ভোগ করার প্লান করে যাচ্ছিলো ধর্ষক
খুনী, তাকে সঙ্গ দিছে তার স্ত্রী!
এইটুকু লেখাই কী স্বামী-স্ত্রী দুইজনকে সরাসরি ঝুলিয়ে দেওয়া যায় না?
কিন্তু না এই দেশে ঝুলাইবে না, ওনাকে জামিনে আবারও বের করে দিবে।
কারন এর আগেও ধর্ষনের জন্য দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে জামিনে সে বের হয়ে আসে।
তারপর এখন পাশের বাসার ৭ বছরের মেয়েটাকে প্রথমে ধর্ষন পরে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে মেরে ফেলছে।
যেই দেশে কোনো হত্যার বিচার হয় না, শুধু জামিন হয়।
সেই দেশে এইসব কখনোই বন্ধ হবে না।
চারিদিকে এইসব দেখার পরে একজন মেয়ের বাবা হিসেবে রাতে মানসিক যন্ত্রনা কতটা পোহাতে হয়, সেটা যাদের কন্যা সন্তান আছে তারা বুঝবেন।
18/05/2026
তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। গত ১৭ বছর বিশ্বের অন্যতম বড় স্বৈরশাসক এর বিরুদ্ধে একটা আন্দোলনে সমস্ত দেশকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছে। এটা খুব একটা সাধারন বিষয় না।
তারেক রহমান ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কয়েকদিন আগে নিজ প্রতিষ্ঠানে গিয়েছে। পৃথিবীর সব বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথিতযশা নিজ ছাত্রদের সন্মান সুচক ডক্টরেট বা ডি লিট উপাধি দিয়ে নিজেরা সন্মানিত হয়।
এটা খুব সাধারন কালচার। জনাব তারেক রহমানকে ঢাবি কর্তৃপক্ষ এই সন্মানটুকু দেখাতে পারত। অথচ দেখায়নি।
আমি জানি এখন অনেকেই এমনকি নিজ দলের কেউ কেউ বলবে এটা বাড়াবাড়ি, তেল দেয়া এই টাইপের। যারা এটা বলবে তাদের জ্ঞাতার্থে এটা তেল দেয়া বা বাড়াবাড়ি না, এটা রেওয়াজ। তেল দেয়া হল ২৩ টা ডক্টরেট ডিগ্রি কিনে আনা।
এই রেওয়াজ হাভার্ড, কেম্ব্রিজ, এম আই টি, আই আই টি বা বিশ্বের যে কোন বড় ভার্সিটিতে চলছে।
গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে একজন সাবেক ঢাবির ছাত্র হিসেবে আমি চাইতেই পারি ঢাবি উনাকে অনারারি ডিগ্রিটা দিক।
বিএনপি সম্ভবত মিডিল ক্লাস নিশ্চিহ্ন করার মিশনে নামসে নইলে পলিসি মেকিংয়ে এমন কেউ আছে যে সরকারকে বিপদে ফেলতে চায়।
এক লাফে বিদ্যুতের দাম ২৯% বাড়ানোর মত জগাখিচুরি প্রস্তাবটা কার? এ প্রস্তাব যে দিয়েছে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এরা সরকারকে বিপদে ফেলতে চায়।
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর মানে খাবার উৎপাদন খরচ বাড়বে, এক লাফে সব নিত্যপণ্য থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম ডবল।
তারওপর নিত্যপণ্যের ওপর ডবল ট্যাক্স। এই ট্যাক্সের টাকা কোম্পানি দেবে? কোম্পানি তো এই টাকা উসুল করবে নিত্যপন্যের দাম বাড়ায়ে।
এইভাবে চলতে থাকলে আসলে দেশে আবারও দারিদ্র্য ও অতি দারিদ্রতার হার বাড়বে। কারণ মধ্যবিত্ত নাই হয়ে যাবে সমাজ থেকে।
এমনেই দেশের মূল্যস্ফীতির হার যেকোনো বছরকে ছাড়িয়ে গেছে ১০% এর আশেপাশে। আর ঋণের কথা নাই বা বললাম। স্কাই রকেট অবস্থা।
বন্ড মার্কেট থেকে টাকা তোলার সুযোগ দিচ্ছে, রিভার্স রেপোতে সুদের হার কমায় দিছে, এগুলাতো টাইট মনেটারি পলিসি মনে হইতেছেনা একদমই। দেশের মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে। তাইলে সামারি কি দাঁড়ায়? -
১. বিদ্যুতের দাম ২৯% বাড়ানোর প্রস্তাব।
২. নিত্যপণ্যে ডবল ট্যাক্স
৩. একদমই টাইট মনেটারি পলিসি না মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে।
আবার ওদিকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বাংলাদেশে ডক করার অনুমতি নিয়ে চুড়ান্ত আলোচনা চলছে। বাংলাদেশে একবার ইউএস মিলিটারি ঢোকা মানে দেশ সিরিয়া আর আফগান হইতে বেশিদিন লাগবেনা।
আমি কিছু কমুনা। হয় সরকার মিডিল ক্লাস নিশ্চিহ্ন করতে নামসে, নাইলে পলিসি মেকিং এ যারা আছে এরা ইচ্ছাকৃতভাবে এসব কর্মকান্ড করে সরকারকে বিপদে ফেলতেছে।
দেশে দারিদ্র্যতা বাড়ছে। সামনে আরও বাড়বে। আর এসব পলিসি আসলে শুধু দারিদ্র না অতি দারিদ্রতা বাড়ার চান্স আছে।
মানুষ তো অতকিছু বুঝেনা। মানুষ যখন দেখবে সব যায়গায় ট্যাক্স ডবল করে, বিদ্যুৎ দাম এত বাড়ায়ে যখন দেশের মানুষ গরিব হইতেছে মানুষ ধরেই নিবে বিএনপি এসব টাকা গায়েব করে দিয়েছে। দূর্নীতির অভিযোগ আসবে।
তারওপর হাতে ধরে দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্টের জন্য দেশে বিদেশী মিলিটারি ঢোকার রাস্তা তৈরী করতেছে। না ভাই এটা মানা সম্ভব না। বাংলাদেশে কোনো ফরেন মিলিটারি চাইনা। সেটা চীন হোক আর আমেরিকা।
সব মিলায়ে কি যে হবে, এখন আবার মাঝে মাঝে শুধু একটা কথাই ভাবি, দেশ ছাড়তে পারলে বাচি। কারণ সত্যি কথা বলি হতে পারে আমাদের দল ক্ষমতায়। কিন্তু আসলেই আমি বুঝতেসি না সরকার কি চায়? কি করতেছে, এই দেশের কি ভবিষ্যত।
17/05/2026
এতোদিন লাগলো কেন এই সিদ্ধান্ত নিতে??
বারবার এটার তাগিদ দেয়া হচ্ছিল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
নয়াপল্টন রোড
Dhaka
1100
