আর কে চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

আর কে চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

Share

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

24/09/2023
Photos from আর কে চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ's post 08/10/2016
03/10/2016
Photos 28/09/2016

নেত্রী আপনি দীর্ঘজীবী হন। যে ভালবাসার বন্ধনে আপনি আমাদের সিক্ত করে চলেছেন। তার বিপরীতে বিশ্বমানবের ভালবাসায় শিক্ত হোক আপনার প্রতিটি ক্ষণ, দিন, বছর । সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায়, আজ আপনি জাতির কান্ডারী। আপনার এ কর্মযজ্ঞের অনুসারী হিসাবে, অতি ক্ষুদ্র রাজনৈতিক কর্মী হয়ে, সারাজীবণ আপনার পাশেঁ রইবো।
শুভ জন্মদিন,,,,,,,নেত্রী।

Photos 19/09/2016

"এই আত্মস্বীকৃত খুনির (নূর চৌধুরী) ফাঁসির রায় দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এখন তাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে রায় কার্যকর করে কলঙ্কমোচনের সব চেষ্টাই সরকার করবে।"
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Photos 14/09/2016

চালু হতে যাচ্ছে ইস্কাটন - মগবাজার ফ্লাইওভার। আগামী বৃহস্পতিবার যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে ফ্লাইওভারটি। তেজগাঁও - মৌচাক - হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল থেকে বাংলামটরের যাতায়াত হবে সহজ।

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সাথে থাকুন।

Photos 14/09/2016
Photos 06/03/2015

জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র. ১৯৮১ থেকে শেখ হাসিনাকে এ পর্যন্ত ১২ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে যেভাবে !

২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার আগে অন্তত আরো এগারবার বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। এসব হামলায় তিনি অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও এ পর্যন্ত নিহত হন ৩৯ জনের মত নেতাকর্মী। আর শুধু একুশে আগস্টেই ভয়ানক আহত হন ৪০০ জন।
১৯৮১ থেকে শেখ হাসিনাকে এই পর্যন্ত ১২ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে
১৯৮১ সালে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আওয়ামী লীগের হাল ধরেন তখন থেকেই বিএনপি জামাত সহ প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী তাকে হত্যা করতে সক্রিয় হয়ে উঠে।জানা যায় ,

#প্রথমবার
১৯৮৭ সালে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। ৮৭ সালের ১০ নভেম্বর স্বেরাচারবিরোধী অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে সচিবালয়ের সামনে তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ কর্মী নূর হোসেন মারা যান।
#দ্বিতীয়বার
শেখ হাসিনাকে হামলার বড় চেষ্টা চালানো হয় ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি। তিনি জনসভা করতে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে মিছিল করে জনসভাস্থলে যাওয়ার পথে মিছিলে হামলা হয়। তার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। সেদিন প্রায় ১৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন।
#তৃতীয়বার
১৯৮৮ সালের ১৫ আগস্ট ফ্রিডম পার্টির অস্ত্রধারীরা শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। শেখ হাসিনা তখন ওই বাসাতেই থাকতেন।
#চতুর্থবার
১৯৯১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চতুর্থবার জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনের সময় ধানমন্ডির গ্রীনরোডে তিনি ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। অল্পের জন্য তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
#পঞ্চমবার
১৯৯৪ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ট্রেনমার্চ করার সময় ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে তাকে বহনকারী ট্রেনের কামরা লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
#ষষ্ঠবার
১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বোমা হামলা চালানো হয়। তখন দলের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
#সপ্তমবার
১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে সপ্তমবার এক অনুষ্ঠান থেকে বের হওয়ার সময় কার্জন হল থেকে অস্ত্রধারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এটি ছিল সপ্তমবার শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা।
#অষ্টমবার
প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জনসভাস্থলের কাছে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল। এই বোমা গোয়েন্দাদের কাছে ধরা পড়ে। বোমাটি বিস্ফোরিত হলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত জনসভাস্থল।
#নবমবার
এর পরের বছর নবমবার ২০০১ সালের ২৯ মে খুলনার রূপসা সেতুর কাজ উদ্বোধন করতে যাওয়ার কথা ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ঘাতকচক্র সেখানে বোমা পুঁতে রাখে। গোয়েন্দা পুলিশ তা উদ্ধার করে।
#দশমবার
২০০৩ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়াতে শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে জামাত – বিএনপি চক্র ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে । অল্পের জন্য প্রানে রক্ষা পান তিনি
#এগার তম হামলা
পরের বছর ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল বরিশালের গৌরনদীতে তার গাড়ী বহরে গুলিবর্ষণ করে জামাত – বিএনপির ঘাতক চক্র ।

#বার তম নৃশংস হামলা
সর্বশেষ ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এ্যভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তি সমাবেশস্থলে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।এতে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন নেতা অল্পের জন্য এই ভয়াবহ হামলা থেকে বেঁচে গেলেও অপর ২৪ জন নিহত হন।এ দিন বিকেলে একটি ট্রাকের উপর অস্থায়ী মঞ্চে যখন শেখ হাসিনা বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তখন আকস্মিক এই হামলায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী ও আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমান এবং আরো ২৩ জন নেতা-কর্মী নিহত হন।এছাড়াও এই হামলায় আরো ৪শ’ জন আহত হন। আহতদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। তাদের কেউ কেউ আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি।

18/09/2014

এক বিশ্বজিতের জন্য আট ছাত্রলীগ কর্মীর ফাঁসি,
আর এতো অপরাধের পর সাইদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড!

সাইদীরে আমৃত্যু কারাদণ্ড না দিয়া খালাস দিয়া দিত আর ভালো হতো,এখন সে জেল খানায় বসে বসে দুধ ভাত খাবে।

জয় বাংলা

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Dhaka