বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বরুড়া উপজেলা/কুমিল্লা

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বরুড়া উপজেলা/কুমিল্লা

Share

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

Photos 01/08/2016

বাঙ্গালীর শোকের মাস আগস্ট :(
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

Photos 10/01/2015
15/11/2014

বিএনপিই সত্যিকারের ‘রাজাকারের দল’
বিএনপিকে ‘সত্যিকারের রাজাকারের দল’ বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাজাকারদের দেশে ফিরিয়ে এনেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন হোটেলে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘বিএনপিই হচ্ছে সত্যিকারের রাজাকারের দল। বিএনপি যদি প্রমাণ করতে চায় তারা রাজাকারের দল নয়, তাহলে জামায়াতের সঙ্গে জোট ভেঙে আসুক।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি বিষয় অস্বীকার করতে পারবে না- সেটা হলো এ দেশে কারা রাজাকারদের ফিরিয়ে এনেছে। জিয়াউর রহমান রাজাকারদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনেছে। এটা তারা অস্বীকার করতে পারবে না।’
‘পাকিস্তানপন্থিদের জন্য যুদ্ধপরাধীদের বিচার করতে দেরি হয়েছে’ উল্লেখ করে জয় বলেন, ‘পাকিস্তানপন্থিদের জন্য ৪৩ বছর লেগেছে যুদ্ধপরাধীদের বিচার করতে। পঁচাত্তরের পর থেকে তাদের ষড়যন্ত্রের কারণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকাজে দেরি হয়েছে।’
‘পঁচাত্তরের পর দেশবিরোধী অপশক্তি ক্ষমতায় এসে দেশের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত করেছে। তারা পাগল না। তারা একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস বিকৃত করছে। তাদের সর্ম্পকে আমাদের সচেতন হতে হবে। দেশবিরোধী অপশক্তিরা পাঠ্য বইয়েও মিথ্যা ইতিহাস দিয়েছে। যাতে মানুষ সত্য ইতিহাস ভুলে যায়।
জয় বলেন, ‘২০ বছর আগে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার কথা বলতে ভয় পেত। কিন্তু আজকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই এখন সবাই স্বাধীনতার কথা বলি।’
সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ এ আরাফাত। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, চিত্রশিল্পী হাসেম খান, ব্যারিষ্টার তুরিন আফরোজ প্রমুখ

01/10/2014

তারেক রহমানের বেয়াদবি আর বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে কুটুক্তি এর কোন সমালোচনা আমাদের তথাকথিত শুষিল রা করেনা , আমাদের মিডিয়া এখানে তারেক কে ইতিহাসের বিক্রিতকারি হিসাবে দেখানায় , আওয়ামীলীগ কিছু করলেই তাঁদের চুলকানি বেড়ে যায় , হারামিদের পান্ডার মালিশ দিয়ে ও তাঁদের চুলকানি থামানো যায় না , হায় রে আমার চুদির ভাইএর শুষিল আর হলুদ মিডিয়া , আর কত রঙ দেখাইবি > ?

জয়বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

29/09/2014

একে খন্দকার
লতিফ সিদ্দিকি
মহসিন আলি
আর তাঁদের
অনুসারি চাটুকারদের লাগাম টেনে ধরেন নেত্রি
তানাহলে এক মণ দুধে এক ফোটা গরুর ছনা যেমন সব নষ্ট করে দেয়
তেমনি এই সকল ছাগলের বাচ্চারা দলের অনেক বড় ক্ষতি করে দিবে , বলা যায়
অলরেডি দিয়েছে । সময় থাকতে দলকে বাঁচান ।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

18/08/2014

আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি বলেই জাতীয় সঙ্গীত কে ভালোবাসি
জয়বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

10/08/2014

আজ থেকে চল্লিশ বছর পর, মনে করি সালটা ২০৫৪, তারিখ ২১ জুলাই। ফিলিস্তিন এখন একটি স্বাধীন দেশ। ইসরায়েল এখন আইসিসির একটি পূর্ণসদস্য। তারা টেস্ট খেলে, ২০৫১ বিশ্বকাপের রানার্স আপ। ফলে ফিলিস্তিনে একটি ক্রিকেটপ্রেমী প্রজন্ম গড়ে উঠছে যারা ইসরাইলি ক্রিকেট দলের উন্মাদ ফ্যান। তারা খেলার সাথে রাজনতি মেশায় না, চল্লিশ বছর আগের গন্ডগোলকে তারা আমলে নেয় না। ইসরাইলি খেলোয়াড়রা তাদের ভালবাসা, স্বপ্নের পুরুষ। তারা ইসরায়েলের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে যায়, ইসরাইলি পতাকা গালে, দেহে এঁকে। তারা ইসরাইলের জাতীয় সঙ্গীতের সময় বুকে হাত দেয়। এমতাবস্থায়, ৬৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধা চোখের পানি ফেলেন গোপনে। তার নিজের শিশুকন্যা হানিয়ে আবু জারাদের কথা মনে পড়ে, ইসরাইলের ট্যাঙ্কের গোলায় ২০১৪ সালে যে নিহত হয়েছিল।

পুনশ্চঃ ১ - কাল্পনিক স্ট্যাটাসটি শেষ। বাস্তবের সাথে এর কোন মিল নেই, থাকবেও না।
পুনশ্চঃ ২ - পাকিস্তানিদের বর্বরতার সাথে তুলনা চলে কিনা ইসরাইলি এই হামলার, আমি জানি না।
পুনশ্চঃ ৩ - এই প্লটের সাথে মুক্তিযুদ্ধের মিল খুঁজবেন না, তুলনা করানোটা আমার উদ্দেশ্য না, কিন্তু ভেবে দেখতে অনুরোধ করছি।

26/05/2014

মোদীর দাওয়াত পত্র ট্রাফিক জ্যামে পড়েছে নাকি আকাশে এয়ার ক্রাশ হয়ে প্লেন দুর্ঘটনা ঘটেছে আর নাহলে ইমেইলে লোডশেডিং হয়েছে তানাহলে দাওয়াত পত্র আসতে এত দেরি হচ্ছে কেন ? আমাদের দেশর কিছু সংখ্যক সংবাদ পত্র আর তাদের পোষা হুলদ সাংবাদিক রা যা লিখেছে তার প্রতি উত্তরে এই চেয়ে ভালো কিছু মাথায় কাজ করে না আর কত টাকা খেয়ে দেশ কে বিভাজনের দিকে বিভ্রান্তির দিকে নিয়ে যাবে কলম সৈনিক নামের এই জাতীয় হলুদ সাংগাতিক রা ? — অনুভূতি দালালের দল।

26/04/2014

ভালোবাসার সবচেয়ে
বড় ব্যাথা হল যখন তুমি কাউকে মিস করো।।
কিন্তু তারচেয়েও বড়
ব্যাথা হল যখন তুমি কাউকে প্রবলভাবে ভালোবাসো, কিন্তু সেই ভালোবাসা ব্যার্থ হয়।।
_____আব্রাহাম ক্রাউলি।

25/03/2014

"এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা,আজ
থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন।
বাংলাদেশের
জনগন,তোমরা যে যেখানেই আছ
এবং যার যা কিছু আছে তাই
নিয়ে দখলদার সৈন্য
বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য
আমি তোমাদের আহবান জানাচ্ছি।
পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ
সৈনিকটিকে বাংলাদেশের
মাটি থেকে বিতাড়িত করে বিজয়
অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ
চালিয়ে যেতে হবে।"
-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
২৫শে মার্চ ১৯৭১, গ্রেফতার হওয়ার
পূর্বে পাঠানো শেষ তারবার্তা

07/03/2014

৭ই মার্চঃ১৯৭১
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ ।

ভায়েরা আমার,

আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম? নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে, আওয়ামী লীগকে ভোট দেন।

আমাদের ন্যাশনাল এসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো এবং এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো। এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় ২৩ বৎসরের করুণ ইতিহাস, বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। ২৩ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাস-এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ৬দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ এর আন্দোলনে আয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গনতন্ত্র দেবেন - আমরা মেনে নিলাম।

তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেলো, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলা নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা এসেম্বলিতে বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করবো- এমনকি আমি এ পর্যন্তও বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজনও যদি সে হয় তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব। জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো।

তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে কসাইখানা হবে এসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলা দেয়া হবে। যদি কেউ এসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, এসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে এসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো। ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো, দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্ধ করে দেয়ার পরে এদেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।

আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সব কিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিলো। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো।

কী পেলাম আমরা? আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্র“র আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরীব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের ওপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালীরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

টেলিফোনে আমার সঙ্গে তার কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কিভাবে আমার গরীবের ওপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের ওপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি নাকি স্বীকার করেছি যে, ১০ই তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স হবে। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি, কিসের রাউন্ড টেবিল, কার সঙ্গে বসবো? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসবো? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার ওপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের ওপরে দিয়েছেন।

ভায়েরা আমার, ২৫ তারিখে এসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি, ওই শহীদের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারেনা। এসেম্বলি কল করেছেন, আমার দাবী মানতে হবে। প্রথম, সামরিক আইন- মার্শাল ল’ উইথড্র করতে হবে। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে। আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর বিবেচনা করে দেখবো, আমরা এসেম্বলিতে বসতে পারবো কি পারবো না। এর পূর্বে এসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না। আমি, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না। আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাচারী, আদালত-ফৌজদারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

গরীবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে সেইজন্য যে সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে সেগুলোর হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, ঘোড়ারগাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোন কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা যেয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় - তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল।

তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু - আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো। তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবেনা। আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করবো। যারা পারেন আমাদের রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকা-পয়সা পৌঁছে দেবেন। আর এই সাত দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছে, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পৌঁছে দেবেন।

সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে, খাজনা ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো- কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলায় হিন্দুমুসলমান, বাঙালী-ননবাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোন বাঙালী রেডিও স্টেশনে যাবে না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোন বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না।

২ ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়না-পত্র নেবার পারে। পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সংগে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালীরা বুঝেসুঝে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো রক্ত দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।

এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম
জয় বাংলা

07/02/2014

আলুর কেজি একটা মনে হচ্ছে শায়েস্তা খানের যুগে বসবাস , আমার সুশীল টকশো জীবীরা এখন বলেন আওয়ামীলীগ সরকার জনগণ কে না খাইয়ে মারার জন্য আলুর দাম ১ টাকা করে দিয়েছে শালারা আর কত চোখ কানা , কথা বলবি , সময় থাকতে মানুষ হও ।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka