Muhammad Najmul Hasan

Call Directions Website Contact the organization

Muhammad Najmul Hasan সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা, সমাজকর্ম ছাড়াও মানবিক আইনজীবী হওয়ার পথে নিরন্তর ছুটে চলা...

আমি কিছুদিন আগে পর্যন্ত কম সন্তান নেওয়ার কনসেপ্টে বিশ্বাসী ছিলাম। চিন্তা করতাম, সন্তান কম হলে তাদের ঠিকভাবে দেখাশোনা করা...
23/09/2026

আমি কিছুদিন আগে পর্যন্ত কম সন্তান নেওয়ার কনসেপ্টে বিশ্বাসী ছিলাম। চিন্তা করতাম, সন্তান কম হলে তাদের ঠিকভাবে দেখাশোনা করা যাবে। তাদের সব সখ আহ্লাদ পূরণ করা যাবে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এ কনসেপ্টটা পুরোপুরি ভূল। এতে করে আমরা উল্টো আমাদের সন্তানের উপর এক ধরনের জুলুম করতেছি। আবার অনেক সময় দেখা যায় অতিরিক্ত আদর যত্নের হলে একমাত্র সন্তানের স্বভাব চরিত্রও খারাপ হয়ে যায়। এসব বাচ্চাদের ছোটবেলায় তেমন কোন রেসপনসেবলিটি দেয় না তাদের মা বাবা। নিজের ইচ্ছে মতো বড় হয়। আর আশা করা হয় বড় হওয়ার পর হঠাৎ করে একদিন সে গোটা পরিবারের দায়িত্ব নিয়ে নিবে!

আমরা মনে করি বাচ্চা কম থাকলে এটেনশন একজনকেই দেওয়া যাবে। অথচ খেয়াল করলে দেখা যায়, আপনি তার রেসপনসেবলিটি টাই বাড়াচ্ছেন শুধু। যেমন আমি অনেক জায়গায় দেখছি যে একমাত্র সন্তান হওয়ায় তাকে পড়াশোনার জন্য দূরে কোথাও পাঠায় না, পড়াশোনার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ থাকলে যেতে দেওয়া হয় না। বাচ্চা হাত থেকে বের হয়ে যাবে এ টেনশনে থাকে মা বাবা। মা বাবা বৃদ্ধ হলে তাদের রেসপনসেবলিটিও নিতে হয় তাকে একা হাতে। ইভেন আপনার মৃত্যুর সময়ও তাকে আপনার দাফন-কাফন করার জন্য তাকে একা দৌড়াতে হবে। অথচ কবরস্থানে নিতে খাটিয়া ওঠানোর জন্য ৮-১০ জন মানুষ লাগে। একজন মহিলা মানুষকে প্রপারলি কবরে নামানোর জন্যওতো ২-৩ জন মাহাররাম লাগে। অথচ আমরা সেটা এক জনের কাঁধের তুলে দেওয়ার চেষ্টা করতেছি। এটা কি অন্যায় না?

আমি আপনি হায়াত থাকলে সবাই একদিন বৃদ্ধ হবো। আপনি এ রকম অহরহ ফ্যামেলী পাবেন যাদের মাসে তাদের বাবা-মার ডাক্তার, মেডিকেল টেস্ট ও ওষুধের জন্যই ২০-৩০ হাজার টাকার খরচ আছে। মাসে ১০-১৫ হাজার টাকার ইনসুলিন নিতে হয় এ রকম পরিবারও অহরহ। অনেকসময় দেখা যায় পরিবারের কোন সদস্য গুরুতর অসুস্থ হলে ইমার্জেন্সি ২-৩ লাখ টাকা ধার নেওয়ার মতো মানুষ পাওয়া যায় না। এ খরচটা এক সন্তানের উপর চাপিয়ে দেওয়াটা কতটুকু যৌক্তিক? দেশে থেকে এ খরচটা কয়জন নেওয়ার মতো সামর্থ্য রাখে? অথচ এসব রেসপনসেবলিটি একা নিতে না পারলে সে মা বাবার জন্য হয়ে যায় খারাপ সন্তান!

আপনি তখনও হয়তো বলবেন আমরা এতো কষ্ট করে সব ফোকাস একজনকে দেওয়ার জন্য আর বাচ্চা নিইনি। এটা জাস্ট নিজেকে মহান বানানোর চেষ্টা। কিন্তু অধিকাংশ সময় দেখা যায় নতুন বাচ্চা হওয়াটাকে এখন নতুন ঝামেলা হিসেবে দেখা হয়। এটা কেউ স্বীকার করবে না। কারণ বাচ্চা মানুষ করা অনেক কষ্টের কাজ। মেডিকেল প্রবলেম থাকলে সে বিষয়টি আলাদা।
কিন্তু "ফোকাস একজনকে দিয়ে তাকে মানুষের মতো মানুষ করা" বিষয়টি পুরোপুরিই ভুল। আপনি আগের যুগের হাজার হাজার পরিবার দেখবেন, যাদের ৫-৬ জন সন্তানের সবাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার পিএইচডি হোল্ডার হয়েছে। আবার ৫-৬ জন সবাই গর্ধব হয়েছে এমন পরিবারও আছে। এখানে বিষয়টি হলো মূলত পরিবেশের। আপনি ভালো পরিবেশ, ভালো শিক্ষা দিতে পারলে বাচ্চা এমনিতেই ভালো মানুষ হবে। আগের যুগের মানুষ অশিক্ষিত হয়েও তাদের ৫-৭ জন সন্তানকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতে পারলে, আপনি কেন পারবেন না? আপনিতো অন্তত ওনাদের চেয়ে বেশি শিক্ষিত। আপনি কেন ঐ পরিবেশ দিতে পারবেন না? ভালো পরিবেশ না দিলে আপনার বাচ্চা একটা হলেও সেটা অমানুষ হবে। ফোকাস কম-বেশির কোন ইস্যু না এটা।

একাধিক সন্তান থাকলে তারা একজন আরেকজনের সাথে খেলাধুলা করে বড় হয়। তারা একাকিত্বে ভোগে না। বাচ্চাদের শান্ত রাখতে ওদের হাতে মোবাইল দিতে হয়না। বরং ওরাই একজন আরেকজনের রেসপনসেবলিটি নেয়। ভালো পরিবেশ পেলেই হয়, এগুলো তাদের শিখিয়ে দিতে হয় না। কিন্তু এখন অনেক পরিবারেই দেখবেন, বাচ্চা খেলার জন্য সঙ্গী পায় না। কোন দায়িত্ব না দিলে সে রেসপনসেবলিটি নেওয়া কিভাবে শিখবে!

আপনাদের নাগাসাকিতে পারমাণবিক বিস্ফোরণের পর একজন কিশোর তার আহত ছোট ভাইকে পিঠে নিয়ে আত্মীয়দের খোঁজার ছবির কথা হয়তো নিশ্চয়ই মনে আছে। এ রকম অনেক ইন্সিডেন্ট রিসেন্ট টাইমেও অনেক পাবেন। ভাই ভাইকে বা বোনকে কাঁধে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয় খুজতেছে, স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। এ ভালোবাসা বা রেসপনসেবলিটি গুলো পিওর। ভালো পরিবেশ পেলে বাচ্চারা আশেপাশের মানুষকে ভালোবাসতে শিখে। শৈশবে একটা বাচ্চার জন্য নিজের ভাইবোন থাকাটা একটা সম্পদের মতো। একজন আরেকজনের রেসপনসেবলিটি অটোমেটিক নিয়ে নেয়।

আজকে আপনার সাথে কেউ অন্যায় করলে আপনার ভাইবোন আপনার হয়ে লড়ে যাওয়ার অপশন থাকে। আপনি বিপদে পড়লে তাদের সহায়তার আশা করতে পারেন। আপনার মেরুদণ্ড মজবুত থাকে। কিন্তু পরিবার ছোট রাখার কনসেপ্টের মাথায় নিয়ে আপনার সন্তানের জন্য তেমন কোন অপশনই আপনি রাখছেন না। ভবিষ্যতে কেউ তার সাথে অন্যায় করলে তার পেছনে যদি সাহায্যের জন্য কেউ না থাকে, তাহলে সে কিভাবে তা মোকাবিলা করবে?

ছোটবেলায় আমাদের কৃষক এবং তার অকর্মন্য ছেলেদের গল্প শোনানো হতো। "একটা লাঠিকে যে কেউ ভেঙে ফেলতে পারে, কিন্তু অনেকগুলো লাঠি একসঙ্গে থাকলে কেউ সহজে ভাঙ্গতে পারে না।" এ গল্প গুলো আমরা পড়েছি, কিন্তু শিখিনী কিছুই!
বড়বড় মানুষ এলন মাস্ক, সালমান বিন আবদুলআজিজ, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জেপ বেজোস, মার্ক জাকারবার্গ, রোনালদো, মেসি সবারই একাধিক সন্তান রয়েছে। কারণ জীবনে কখন কোন সিটিউশনে ফেস করতে হয় সেটা কেউ জানে না। আপনার সম্পদ বেশী হলে, এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য মানুষের প্রয়োজন আরো বেশি। সন্তানকে যোগ্য বানাতে পারলে এটা সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট।

কিন্তু আমাদের মাথায় ঢুকানো হচ্ছে, "দুটি সন্তানের অধিক নয়, একটি হলে ভালো হয়!" ইসলামে যেখানে সামর্থ্য থাকলে অধিক সন্তান নেওয়াতে উৎসাহিত করা হয়েছে, সেখানে বাকি এসব থিউরি অযৌক্তিক। অনেকসময় চালাকি করতে গিয়ে অনেকের দেখা যায় আম-ছালা দুইটাই চলে যায়। দেরী হওয়ার আগে বিষয়গুলো একটু চিন্তা করে দেখবেন।

?
08/09/2026

?

প্রতিটা মানুষের পড়া উচিত এমন ৫০০ বইয়ের তালিকা–১. যদ্যপি আমার গুরু - আহমদ ছফা২. বদলে যান এখনই - তারিক হক৩. রাজনৈতিক আদর্শ...
06/09/2026

প্রতিটা মানুষের পড়া উচিত এমন ৫০০ বইয়ের তালিকা–

১. যদ্যপি আমার গুরু - আহমদ ছফা
২. বদলে যান এখনই - তারিক হক
৩. রাজনৈতিক আদর্শ - বার্ট্রান্ড রাসেল
৪. আর্ট অব ওয়ার - সান জু
৫. অন দ্য শর্টনেস অব লাইফ - সেনেকা
৬. বেগম মেরী বিশ্বাস - বিমল মিত্র
৭. কবি - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৮. সুবর্ণলতা - আশাপূর্ণা দেবী
৯. নারী - হুমায়ুন আজাদ
১০. প্রদোষে প্রাকৃতজন - শওকত আলী
১১. দ্যা লস্ট সিম্বল - ড্যান ব্রাউন
১২. জননী - শওকত ওসমান
১৩. গোরা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৪. পথের দাবী - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৫. পাক সার জমিন সাদ বাদ - হুমায়ুন আজাদ
১৬. এ লং ওয়ার্ক টু ফ্রিডম
১৭. মা - ম্যাক্সিম গোর্কি
১৮. সংগঠন ও বাঙালি - আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
১৯. গাভী বিত্তান্ত - আহমদ ছফা
২০. দ্য অ্যালকেমিস্ট - পাওলো কোয়েলহো
২১. এইসব দিনরাত্রি - হুমায়ূন আহমেদ
২২. অসমাপ্ত আত্নজীবনী - শেখ মুজিবুর রহমান
২৩. আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর - আবুল মনসুর আহমদ
২৪. বাংলাদেশ রক্তের ঋণ - এন্থনি মাসকারেনহাস
২৫. ছোটদের রাজনীতি ও অর্থনীতি - অধ্যাপক নীহারকুমার সরকার
২৬. বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯০৫-১৯৭১ - ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন
২৭. যোগাযোগ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৮. ফেরা - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
২৯. অগ্নিরথ - সমরেশ মজুমদার
৩০. শিকল অন্তরে- জাঁ পল সার্ত্রে
৩১. আমি বিজয় দেখেছি - এম আর আখতার মুকুল
৩২. কলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী - এম আর আখতার মুকুল
৩৩. আমার দেখা দেশ, সমাজ ও রাজনীতির তিনকাল - সাদ আহমেদ
৩৪. কবির আত্মবিশ্বাস - আল মাহমুদ
৩৫. জীবনের শিলান্যাস - সৈয়দ আলী আহসান
৩৬.গঙ্গাঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ - মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
৩৭. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'র' এবং সিআইএ -মাকসুদুল হক
৩৮. বাঙালী জাতীয়তাবাদ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ -আবদুল হক
৩৯. সুখ - বাট্রার্ন্ড রাসেল
৪০. অনুস্মৃতি - পাবলো নেরুদা
৪১. জোছনা ও জননীর গল্প - হুমায়ূন আহমেদ
৪২. দেয়াল - হুমায়ূন আহমেদ
৪৩. সাতকাহন -সমরেশ মজুমদার
৪৪. উত্তরাধিকার - সমরেশ মজুমদার
৪৫. কালবেলা- সমরেশ মজুমদার
৪৬. কালপুরুষ- সমরেশ মজুমদার
৪৭. দূরবীন - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৪৮. মানবজমিন - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৪৯. যাও পাখি - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫০.পার্থিব - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
৫১. আরণ্যক - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
৫২. পথের পাঁচালী - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
৫৩. আদর্শ হিন্দু হোটেল- বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
৫৪. সত্যবতী ট্রিলজি- আশাপূর্ণা দেবী
৫৫. পূর্ব-পশ্চিম - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৫৬. প্রথম আলো:সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৫৭. বাদশাহ নামদার - হুমায়ূন আহমেদ
৫৮. মা - আনিসুল হক
৫৯. একাত্তরের দিনগুলি - জাহানারা ইমাম
৬০. বরফ গলা নদী - জহির রায়হান
৬১. বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস : সাম্প্রতিজ বিবেচনা - আহমদ ছফা
৬২. প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ - আরিফ আজাদ
৬৩. তুমিও জিতবে - শিব খেরা
৬৪. ডাকঘর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৫. সেপিয়েন্স - ইউভ্যাল নোয়া হারারি
৬৬. যে গল্পের শেষ নেই - দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
৬৭. অরিজিন অফ স্পিসিস - চার্লস ডারউইন
৬৮. ক্যাপিটাল - কার্ল মার্ক্স
৬৯. পরিবার, রাষ্ট্র ও ব্যক্তিগত সম্পদের উদ্ভব - ফ্রেড্রিখ এঙ্গেলস
৭০. ওঙ্কার - আহমেদ ছফা
৭১. এক জেনারেলের নীরব সাক্ষী - জেনারেল মঈন আহমেদ
৭২. রক্তাক্ত বাংলাদেশ - ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন
৭৩. আহমদ ছফার প্রবন্ধসমগ্র
৭৪. রাইফেল রোটি আওরাত - আনোয়ার পাশা
৭৫. বায়তুল্লাহর মুসাফির - আবু তাহের মিসবাহ
৭৬. ভিঞ্চি কোড - ড্যান ব্রাউন
৭৭. তোমাকে ভালবাসি হে নবী - গুরুদত্ত সিং
৭৮. উইংস অব ফায়ার - এপিজে আবুল কালাম আজাদ
৭৯. তেঁতুল বনে জোৎস্না - হুমায়ূন আহমেদ।
৮০. ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার সুফল - হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী ( রহঃ)
৮১. অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী - আহমদ ছফা
৮২. মহৎ জীবন - লুৎফর রহমান
৮৩. মানব - লুৎফর রহমান
৮৪. উন্নত জীবন - লুৎফর রহমান
৮৫. জলেশ্বরী -ওবায়েদ হক
৮৬. সংস্কৃতি-কথা - মোতাহের হোসেন চৌধুরী
৮৭. Sapiens: A Brief History of Humankind - Yuval Noah Harari
৮৮. অলৌকিক নয় লৌকিক - প্রবীর ঘোষ
৮৯. হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি - গোলাম মুরশিদ
৯০. উল্টো নির্ণয়- মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর
৯১. enjoy your life - আব্দুর রহমান আরিফী
৯২. বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান
৯৩. নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি - তারেক শামসুর রেহমান
৯৪. সিনিয়র জুনিয়র- খায়রুল ইসলাম
৯৫. কষ্টিপাথর- আরেফিন সিদ্দিক
৯৬. ডাবল স্টান্ডার্ড- আরেফিন সিদ্দিক
৯৭. আরজ আলী সমীপে- আরিফ আজাদ
৯৮. আঙ্কেল টম'স কেবিন - হ্যারিয়েট বিচার স্টো
৯৯. গর্ভধারিণী - সমরেশ মজুমদার
১০০. বিষাদসিন্ধু - মীর মশাররফ হোসেন
১০১. ফেলুদা সমগ্র - সত্যজিৎ রায়
১০২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা - সৈয়দ আবুল মকসুদ
১০৩. বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস : আদিপর্ব - শিশির ভট্টাচার্য
১০৪. গনতন্ত্র ও উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ - মওদুদ আহমেদ
১০৫. দ্য পার্ল - জন স্টেনবেইক
১০৬. অগ্নিবীণা - কাজী নজরুল ইসলাম
১০৭. বিষের বাঁশী - কাজী নজরুল ইসলাম
১০৮. সাম্যবাদী - কাজী নজরুল ইসলাম
১০৯. প্রলয় শিখা - কাজী নজরুল ইসলাম
১১০. ছায়ানট - কাজী নজরুল ইসলাম
১১১. মৃত্যুক্ষুধা - কাজী নজরুল ইসলাম
১১২. সিন্ধু-হিন্দোল - কাজী নজরুল ইসলাম
১১৩. বাঙালি বলিয়া লজ্জা নাই - হায়াৎ মামুদ ১১৪. দেবদাস - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১১৫. মুক্তিযুদ্ধের বয়ানে ইসলাম - পিনাকী ভট্টাচার্য
১১৫. প্রেমের কবিতা - নির্মলেন্দু গুণ
১১৬. উপমহাদেশ - আল মাহমুদ
১১৭. কাবিলের বোন - আল মাহমুদ
১১৮. মাতাল হাওয়া - হুমায়ূন আহমেদ
১১৯. ওঙ্কার - আহমদ ছফা
১২০. একজন আলী কেনানের উত্থানপতন - আহমদ ছফা
১২১. আনোয়ারা- নজিবুর রহমান সাহিত্যরত্ন
১২২. ক্রীতদাসের হাসি - শওকত ওসমান
১২৩. পুতুল নাচের ইতিকথা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১২৪. পদচিহ্ন - সত্যেন সেন
১২৫. আল কুরআন
১২৬. বাইবেল
১২৭. মহাভারত
১২৮. রামায়ণ
১২৯. আল কুরআন, বাইবেল ও বিজ্ঞান - ড.মরিস বুকাইলি
১৩০. অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩১. আনন্দমঠ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৩২. গল্পগুচ্ছ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৩৩. বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ১০০ মনীষীর জীবনী - মাইকেল এইচ হার্ট
১৩৪. কত অজানারে - শংকর
১৩৫. মূলধারা একাত্তর - মইদুল ইসলাম
১৩৬. গীতা
১৩৭. তাও তে চিং - লাও ৎসে
১৩৮. মুকাদ্দিমা - ইবনে খালদুন
১৩৯. রিপাবলিক - প্লেটো
১৪০. Alchemy of happiness - Imam Gazzali
১৪১. Hamlet - Wiliam Shakespeare
১৪২. Faust - Goethe.
১৪৩. বাংলাদেশ সংবিধান
১৪৪. Outliers- Malcolm Gladwell
১৪৫. How to win friends and influence people - Dale Carnegie
১৪৬. Rich dad poor dad - Robert kiyosaki.
১৪৭. The oldman and the Sea - Ernest Hemingway.
১৪৮. The Globalization of Inequality - Francois Bourguignon
১৪৯. শুভ্রসমগ্র - হুমায়ূন আহমেদ
১৫০. ফেরা - সিহিন্তা শরিফা
১৫১. The God of Small Things - Arundhati Ray
১৫২. লা মিজারেবল - ভিক্টর হুগো
১৫৩. A Glimpse of The World History-Jawharlal Neheru
১৫৪. জননী- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১৫৫. শেষের কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৫৬. The Subtle Art of Not Giving a F*ck - Mark Manson
১৫৭. ক্রাচের কর্নেল - শাহাদুজ্জামান
১৫৮. পুষ্প বৃক্ষ বিহঙ্গ পুরাণ - আহমদ ছফা
১৫৯. সারেং বউ - শহীদুল্লাহ কায়সার
১৬০. শবনম - সৈয়দ মুজতবা আলী
১৬১. সূর্য দীঘল বাড়ি - আবু ইসহাক
১৬২. সব কিছু ভেঙগে পড়ে - হুমায়ুন আজাদ
১৬৩. সপ্তপদী - তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
১৬৪. গণদেবতা - তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
১৬৫. জলপুত্র - হরিশংকর জলদাস
১৬৬. জাগরী - সতীনাথ ভাদুরী
১৬৭. ভয়ের সাংস্কৃতি - আলী রিয়াজ
১৬৮. ক্ষুধা - নুট হ্যামসন
১৬৯. ছোটগল্প সমগ্র - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭০. নুন চা – বিমল লামা
১৭১. রাজনগর - অমিয়ভূষণ মজুমদার
১৭২. গড় শ্রীখন্ড - অমিয়ভূষণ মজুমদার
১৭৩. ক্রান্তিকাল - প্রফুল্ল রায়
১৭৪. কেয়াপাতার নৌকা - প্রফুল্ল রায়
১৭৫. মহাস্থবির জাতক - প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
১৭৬. আরজ আলি মাতুব্বরের রচনাসমগ্র
১৭৭. গৃহদাহ - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৭৮. দেনাপাওনা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৭৯. শ্রীকান্ত- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৮০. ভোলগা থেকে গঙ্গা - রাহুল সাংকৃত্যায়ন
১৮১. নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান - পূরবী বসু
১৮২. ঈশ্বরের বাগান - অতীন বন্দোপাধ্যায়
১৮৩. নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে - অতীন বন্দোপাধ্যায়
১৮৪. আয়না - আবুল মনসুর আহমদ।
১৮৫. ত্রিপিটক - গৌতমবুদ্ধ
১৮৬. গঙ্গা - সমরেশ বসু
১৮৭. প্রজাপতি - সমরেশ বসু
১৮৮. কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ - হুমায়ূন আজাদদ
১৮৯. খেলারাম খেলে যা - সৈয়দ শামসুল হক
১৯০. তিস্তাপারের বৃত্তান্ত - দেবেশ রায়
১৯১. উদ্ধারণপুরের ঘাট - দুলালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
১৯২. বারো ঘর এক উঠোন - জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
১৯৩. নকশীকাঁথার মাঠ - জসীমউদদীন
১৯৪. বাঙালি মুসলমানের মন - আহমদ ছফা
১৯৫. লৌহকপাট - জরাসন্ধ
১৯৬. অন্তর্লীনা - নারায়ণ সান্যাল
১৯৭. খোয়াবনামা - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১৯৮. চিলেকোঠার সেপাই - আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
১৯৯. সঞ্চয়িতা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২০০. সঞ্চিতা - কাজী নজরুল ইসলাম
২০১. মেমসাহেব - নিমাই ভট্টাচার্য
২০২. লালসালু - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
২০৩. কাঁদো নদী কাঁদো - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
২০৪. হাজার বছর ধরে - জহির রায়হান
২০৫. দৃষ্টিপাত - যাযাবর
২০৬. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র - আলাউদ্দিন আল আজাজ
২০৭. লোটা কম্বল - সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
২০৮. কড়ি দিয়ে কিনলাম - বিমল মিত্র
২০৯. ন হন্যতে - মৈত্রেয়ী দেবী।
২১০. তিতাস একটি নদীর নাম - অদ্বৈত মল্লবর্মণ
২১১. ওদের জানিয়ে দাও - শাহরিয়ার কবির
২১২. কেরী সাহেবের মুন্সী - প্রমথনাথ বিশী
২১৩. নিষিদ্ধ লোবান - সৈয়দ শামসুল হক
২১৪. সেই সময় - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
২১৫. নন্দিত নরকে - হুমায়ূন আহমেদ
২১৬. শঙ্খনীল কারাগার - হুমায়ূন আহমেদ
২১৭. জেনারেল ও নারীরা - আনিসুল হক
২১৮. ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - হুমায়ুন আজাদ
২১৯. গোধূলিয়া - নিমাই ভট্টাচার্য
২২০.আগুনপাখি - হাসান আজিজুল হক
২২১. পদ্মা নদীর মাঝি - মানিক বন্দোপাধ্যায়
২২২. নূরজাহান - ইমদাদুল হক মিলন
২২৩. আবদুল্লাহ - কাজী ইমদাদুল হক
২২৪. শেষ বিকেলের মেয়ে - জহির রায়হান।
২২৫. তিথিডোর - বুদ্ধদেব বসু
২২৬. দেশ বিদেশে - সৈয়দ মুজতবা আলী
২২৭. পঞ্চম পুরুষ - বাণী বসু
২২৮. মাধুকরী - বুদ্ধদেব গুহ
২২৯. হাজার চুরাশির মা - মহাশ্বেতা দেবী
২৩০. ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা - শিবরাম চক্রবর্তী
২৩২. শাপ মোচন - ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
২৩৩. আমার মেয়েবেলা - তসলিমা নাসরিন
২৩৪. উতল হাওয়া - তাসলিমা নাসরিন
২৩৫. সংশপ্তক - শহীদুল্লাহ কায়সার
২৩৬. জীবন আমার বোন - মাহমুদুল হক
২৩৭. উপনিবেশ - নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়
২৩৮. অলীক মানুষ - সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ
২৩৯. মরণবিলাস - আহমদ ছফা
২৪০. কালের নায়ক - গাজী তানজিয়া
২৪১. আমি তপু - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
২৪২. আকাশ বাড়িয়ে দাও - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
২৪৩. আমার বন্ধু রাশেদ - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
২৪৪. অনীল বাগচীর একদিন - হুমায়ূন আহমেদ
২৪৫. জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক স্মারকগ্রন্থ
২৪৬. ফুল বউ - আবুল বাশার
২৪৭. নিশি কুটুম্ব - মনোজ বসু
২৪৮. উত্তম পুরুষ - রশীদ করিম
২৪৯. কাবুলিওয়ালার বাঙালি বউ - সুস্মিতা বন্দোপাধ্যায়
২৫০. আমি বীরাঙ্গনা বলছি - নীলিমা ইব্রাহিম
২৫১. দ্য প্রফেট - কাহলিল জিবরান
২৫২. উপদ্রুত উপকূল - রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
২৫৩. পুত্র পিতাকে - চানক্য সেন
২৫৪. দোজখনামা - রবিশংকর বল
২৫৫. চতুষ্পাঠী - স্বপ্নময় চক্রবর্তী
২৫৬. নামগন্ধ - মলয় রায়চৌধুরী
২৫৭. বিষাদবৃক্ষ - মিহির সেনগুপ্ত
২৫৮. বিষবৃক্ষ - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২৫৯. জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা
২৬০. ছোটগল্পসমগ্র - সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ্‌
২৬১. শ্রেষ্ঠ ছোটল্প - তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায় ২৬২. ছোটগল্পসমগ্র - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২৬২. নবীর বাগান - কাহলিল জিবরান
২৬৩. গল্পমালা - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
২৬৪. নিমন্ত্রন - তসলিমা নাসরিন
২৬৫. প্রথম প্রতিশ্রুত - আশাপূর্না দেবী
২৬৬. সুবর্ণলতা - আশাপূর্না দেবী
২৬৭. বকুল কথা - আশাপূর্না দেবী
২৬৮. বলাকা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২৬৯. সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস - স্টিফেন হকিংস
২৭০. কারাগারের রোজনামচা - শেখ মুজিবুর রহমান
২৭১. বাংলাদেশের অভ্যূদয় - রেহমান সোবহান
২৭২. রবীন্দ্রনাথ কেন জরুরি - সিরাজুল ইসলাম চৌধুরি
২৭৩. আদমবোমা - ড. সলিমুল্লাহ খান
২৭৪. কুবের সাধু খাঁর বিষয় আশয় - শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
২৭৫. বসুধারা - তিলোত্তমা মজুমদার।
২৭৬. দুচাকায় দুনিয়া - বিমল মুখার্জী
২৭৭. আমার সশস্ত্র শব্দবাহিনী - মুহম্মদ নূরুল হুদা
২৭৮. শোণিতে সমুদ্রপার - মুহম্মদ নূরুল হুদা
২৭৯. ছাড়পত্র - সুকান্ত ভট্টাচার্য
২৮০. হরতাল - সুকান্ত ভট্টাচার্য
২৭১. ঘুম নেই - সুকান্ত ভট্টাচার্য
২৭২. ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন - সাম্যুয়েল পি. হান্টিংটন
২৭৩. ভায়োলেন্স এন্ড ইল্যুশন - অমর্ত্য সেন
২৭৪. কলকাতার কাছেই - গজেন্দ্র কুমার মিত্র
২৭৫. পৌষ ফাগুনের পালা - গজেন্দ্র কুমার মিত্র
২৭৬. উপকন্ঠ - গজেন্দ্র কুমার মিত্র
২৭৭. নদী ও নারী - হুমায়ুন কবির
২৭৮. অসাধু সিদ্ধার্থ - জগদীশ গুপ্ত
২৭৯. কথোপকথন - পূর্ণেন্দু পত্রী
২৮০. সেয়ানা - সত্যেন সেন
২৮১. লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ুন আজাদ
২৮২. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে - শামসুর রাহমান
২৮৩. যে জলে আগুন জ্বলে - হেলাল হাফিজ
২৮৪. নিস্ফলা মাঠের কৃষক - আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
২৮৫. কাশবনের কন্যা - শামসুদ্দীন আবুল কালাম
২৮৬. জলরাক্ষস - আবুবকর সিদ্দিক
২৮৭. বিলোরিস - অঞ্জলি লাহিড়ী
২৮৮. উড়ুক্কু - নাসরীন জাহান
২৮৯. কুহেলিকা - কাজী নজরুল ইসলাম
২৯০. কারাগারে রাত দিন - জয়নাব আল গাজালী।
২৯১. কাছের মানুষ - সূচিত্রা ভট্টাচার্য
২৯২. ইলিয়াড
২৯৩. ওডিসি
২৯৪. 48 laws of power - রবার্ট গ্রীন
২৯৫. দ্যা প্রিন্স - নিকোলো ম্যাকিয়াভিলি
২৯৬. The art of seduction - রবার্ট গ্রীন
২৯৭. Bangladesh:State of the Nation -Abdur Razzaq.
২৯৮. Bangladesh :A Biography of a Muslim Nation - Charles Petter O'donnell.
২৯৯. জীবন যাপনের শিল্পকলা -আন্দ্রে মারোয়া
৩০০. রেনেসাঁ -অন্নদাশঙ্কর রায়
৩০১. শাশ্বত বঙ্গ- কাজী আবদুল ওদুদ
৩০২. দেবযান - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
৩০৩. রজনী - হুমায়ূন আহমেদ
৩০৪. হলুদ হিমু কালো র্যাব - হুমায়ূন আহমেদ,
৩০৫. হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ
৩০৬. নীললোহিত সমগ্র
৩০৭. সক্রেতিসের জবানবন্দি - প্লেটো
৩০৮. কর্মযোগ - স্বামী বিবেকানন্দ
৩০৯. ভবঘুরে শাস্ত্র- রাহুল সাংকৃত্যায়ন
৩১০. কমিউনিস্ট মেনিফেস্টো- কার্ল মার্কস, ফ্রিডরিক এঙ্গেলস
৩১১. অন লিবার্টি - জন স্টুয়ার্ট মিল
৩১২. মাই এক্সপেরিমেন্টস উইদ ট্রুথ - মহাত্মা গান্ধী
৩১৩. নেপোলিয়ন ইমমোর্টাল - জেমস কেম্বেল, জন মারি
৩১৪. ফ্রিডম এট মিডনাইট - ডমিনিক লেপিয়ার ও ল্যারি কলিন্স
৩১৫. হিস্ট্রি অব ওয়েস্টার্ন ফিলসফি - বাট্রার্ন্ড রাসেল
৩১৬. দ্য গ্রেটেস্ট মাইন্ড এন্ড আইডিয়াজ অব অল টাইম - উইল ডুরান্ট
৩১৭. সোফির জগত - ইয়োস্তেন গার্ডার
৩১৮. দ্য লিটল প্রিন্স - আন্তোন সেইন্ট দ্য এক্সিপেরি
৩১৯. এ ক্রিটিকাল হিস্ট্রি অব গ্রিক ফিলসফি - ডব্লিউ টি. স্টেইস
৩২০. এমিল অর অন এজুকেইশন -জ্যাঁ জ্যাক রুশো
৩২১. অর্থশাস্ত্র - কৌটিল্য
৩২২. এ হিস্ট্রি অব ওয়েস্টার্ন ফিলসফি - রালফ ম্যাকলনার্নি
৩২৩. শেষপ্রশ্ন - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩২৪. চরিত্রহীন - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩২৫. দত্তা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩২৬. শুভদা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩২৭. মতিচূর - বেগম রোকেয়া
৩২৮. সুলতানার স্বপ্ন - বেগম রোকেয়া
৩২৯. দিবারাত্রির কাব্য - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩০. অহিংসা - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩১. চিহ্ন - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩২. চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩৩. হাঁসুলি বাঁকের উপকথা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩৪. নাগিনী কন্যার কাহিনী - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩৫. আরোগ্য নিকেতন - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৩৬. কারুবাসনা - জীবনানন্দ দাশ
৩৩৭. মাল্যবান - জীবনানন্দ দাশ
৩৩৮. বেনের মেয়ে - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
৩৩৯. গীতাঞ্জলী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৪০. অন্তর্জলী যাত্রা -কমলকুমার মজুমদার
৩৪১. সুহাসিনীর পমেটম - কমলকুমার মজুমদার
৩৪১. নিম অন্নপূর্ণা - কমলকুমার মজুমদার
৩৪২. রাত ভর বৃষ্টি - বুদ্ধদেব বসু
৩৪৩. মোক্তার দাদুর কেতু বধ - সমরেশ বসু
৩৪৪. চাঁদের অমাবশ্যা - সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৩৪৫. জলাঙ্গী - শওকত ওসমান
৩৪৬. ঢোঁড়াই চরিত মানস - সতীনাথ ভাদুড়ী
৩৪৭. নৌকাডুবি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৪৮. চোখের বালি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩৪৮. আট কুটুরী নয় দরজা - সমরেশ মজুমদার
৩৪৯. তালাশ - শাহীন আখতার
৩৫০. মুসলমানমঙ্গল - জাকির তালুকদার
৩৫১. কালোবরফ - মাহমুদুল হক
৩৫২. আই এম মালালা - মালালা ইউসুফজাই
৩৫৩. পরিণীতা - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৫৪. কপালকুণ্ডলা - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৫৫. দুর্গেশনন্দিনী - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৩৫৬. সে রাতে পূণিমা ছিল - শহীদুল জহির
৩৫৭. জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা - শহীদুল জহির
৩৫৮. আবু ইব্রাহীমের মৃত্যু শহীদুল জহির
৩৫৮. একুশে ফ্রেব্রুয়ারি - জহির রায়হান
৩৫৯. হার্বাট - নবারুণ ভট্টাচার্য
৩৬০. অগ্নিরথ - সমরেশ মজুমদার
৩৬১. দৃষ্টিপ্রদীপ - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৬২. নীল ময়ূরের যৌবন - সেলিনা হোসেন
৩৬৩. হাঙর নদী গ্রেনেড - সেলিনা হোসেন
৩৬৪. আওয়ামীলীগের ইতিহাস : ১৯৭১ - মহিউদ্দিন আহমদ
৩৬৫. আওয়ামীলীগের ইতিহাস : উত্থানপর্ব ১৯৪৯-১৯৭০ - মহিউদ্দিন আহমদ
৩৬৬. বিএনপির সময়-অসময় - মহিউদ্দিন আহমদ
৩৬৭. জাসদের উত্থানপতন : অস্থির সময়ের রাজনীতি - মহিউদ্দিন আহমদ
৩৬৮. শাপ মোচন - ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
৩৬৯. ফাউন্ডেশন - আইজ্যাক আসিমভ
৩৭০. জুলভার্ণসমগ্র
৩৭১. একাত্তরের যীশু - শাহরিয়ার কবির
৩৭২. বিবাহবার্ষিকী - দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৭৩. কালকেতু ও ফুল্লরা - সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ
৩৭৪. রাজপাঠ - তিলোত্তমা মজুমদার
৩৭৫. বসুধার জন্য - তিলোত্তমা মজুমদার
৩৭৬. জাহান্নাম হইতে বিদায় - শওকত ওসমান
৩৭৭. অলাতচক্র - আহমদ ছফা
৩৭৮. আগুনের পরশমণি - হুমায়ূন আহমেদ
৩৭৯. নেকড়ে অরন্য - শওকত ওসমান
৩৮০. উত্তরকাল - আমজাদ হোসেন
৩৮১. দুশো ছেষট্টি দিনে স্বাধীনতা - মুহাম্মদ নুরুল কাদির
৩৮২. পাকিস্তানীদের দৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধ - মুনতাসির মামুন ও মুহিউদ্দিন আহমেদ
৩৮৩. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ : ভারত, রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা - মেজর রফিকুল ইসলাম পিএসসি
৩৮৪. প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলি - আবু সাঈদ চৌধুরী
৩৮৫. বাংলাদেশের জন্ম - রাও ফরমান আলী খান
৩৮৬. ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে - এ কে খন্দকার
৩৮৭. দ্য বিট্রেয়াল অফ ইস্ট পাকিস্তান - লে. জে. এ এ কে খান নিয়াজি
৩৮৮. আনব্রোকেন - লরা হিলেনব্রান্ড
৩৮৯. দ্য এম্পেরর অব অল ম্যালাডিস - সিদ্ধার্থ মুখার্জি
৩৯০. লেটস টেক দ্য লং ওয়ে হোম - গেইল কল্ডওয়েল
৩৯১. দ্য লাস্ট বয় - জেন লেভি
৩৯২. ব্রিলিয়ান্ট - জেন ব্রোক্স
৩৯৩. ওয়ার - সেবাস্টিয়ান জাঙ্গার
৩৯৪. লাইফ - কেইথ রিচার্ডস
৩৯৫. হেলহাউন্ড অন হিজ ট্রেইল - হ্যাম্পটন সাইডস
৩৯৬. কিওপেট্রা - স্টেসি স্কিফ
৩৯৭. ইউ আর নট এ গ্যাজিট - জ্যারন ল্যানিয়ার
৩৯৮. ফ্রিডম - জনাথন ফ্রাঞ্জেন
৩৯৯. অ্যা ভিজিট ফ্রম দ্য গুন স্কোয়াড - জেনিফার এগান
৪০০. স্কিপ্পি ডাইস - পল মুরে
৪০১. দ্য থাউজেন্ডস অটামস অব জ্যাকব ডি জোয়েট - ডেভিড মিশেল
৪০২. লর্ড অব মিসরুল - জেইমি গর্ডন
৪০৩. উইলসন - ডেনিয়েল কোয়েস
৪০৪. ম্যাটারহর্ন - কার্ল মারলানটিস
৪০৫. হাউ টু লিভ সেফলি ইন এ সায়েন্স ফিকশনাল ইউনিভার্স - চার্লস য়ু
৪০৬. দ্য প্যাসেজ - জাস্টিন ক্রোনিন
৪০৭. ফেইথফুল প্লেস - টানা ফ্রেঞ্চ
৪০৮. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ - সরদার ফজলুল করিম
৪০৯. পলিটিক্স - এরিস্টটল
৪১০. প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস - জেন অস্টেন
৪১১. দ্য ফরটি রুলস অব লাভ - এলিফ শাফাক
৪১২. দ্য কাইট রানার - খালেদ হোসাইনি
৪১৩. ইন প্যারিস অব আইডলনেস অ্যান্ড আদার এসেজ - বার্ট্রান্ড রাসেল
৪১৪. বৃষ্টির ঠিকানা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৪১৫. ইউক্রেনের লোককথা - ভ্লাদিমির বইকোর
৪১৬. একজন কমলালেবু - শাহাদুজ্জামান
৪১৭. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও আমি - আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
৪১৮. ভারতীয় দর্শন - দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
৪১৯. মেঘনাদ বধ কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৪২০. আত্নকথা - মহাত্মা গান্ধী
৪২১. আরব জাতির ইতিহাস - সৈয়দ আমীর আলী
৪২২. পরার্থপরতার অর্থনীতি - আকবর আলি খান
৪২৩. মাদাম বোভারি - গুস্তাভে ফ্লবার্ট
৪২৪. আনা কারেনিনা - লিও তলস্তয়
৪২৫. ওয়ার অ্যান্ড পিস - লিও তলস্তয়
৪২৬. এন্ড অব দ্যা হিস্ট্রি - ফ্রান্সিস ফুকুয়ামা
৪২৭. ললিতা - ভ্লাদিমির নাবোকভ
৪২৮. দ্য অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন - মার্ক টোয়েন
৪২৯. ইন সার্চ অব লস্ট টাইম - মারসেল প্রোস্ট
৪৩০. দ্য স্টোরিজ অব অ্যানটন শেকভ - অ্যানটন শেকভ
৪৩১. মিডলমার্চ - জর্জ এলিয়ট
৪৩২. মুজেস এন্ড মনোথিইজম - সিগমুন্ড ফ্রয়েড
৪৩৩. থিওরি অব এভরিথিং - স্টিফেন হকিং
৪৩৪. তাজউদ্দীন আহমদ : নেতা ও পিতা - শারমিন আহমদ
৪৩৫. দ্য গডফাদার - মারিও পুজো
৪৩৬. ভবিষ্যতের বাঙালি - এস ওয়াজেদ আলি
৪৩৭. ক্যাপিটাল - কার্ল মার্ক্স
৪৩৮. এনিম্যাল ফার্ম - জর্জ অরওয়েল
৪৩৯. বুখারী শরীফ
৪৪০. মেশকাত শরীফ
৪৪১. তিরমিজি শরীফ
৪৪২. আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না - বার্ট্রান্ড রাসেল
৪৪৩. বিশ্বাসের ভাইরাস - অভিজিৎ রায়
৪৪৪. অবিশ্বাসের দর্শন - অভিজিৎ রায়
৪৪৫. মেটামরফোসিস - ফ্রানজ কাফকা
৪৪৬. আমার একাত্তর - আনিসুজ্জামান
৪৪৭. সিদ্ধার্থ - হেরমান হেস
৪৪৮. Love in the Time of Cholera - Gabriel Garcia Marquez
৪৪৯. The History of Sexuality - মিশেল ফুকো
৪৫০. সংস্কৃতি - আহমদ শরীফ
৪৫১. The story of a shipwrecked sailor - Gabriel Garcia Marquez
৪৫২. রাজা ইডিপাস - সফোক্লিস
৪৫৩. ফুড কনফারেন্স - আবুল মনসুর আহমদ
৪৫৪. মাও সে তুং - রাহুল সাংকৃত্যায়ন
৪৫৫. পৃথিবীর পাঠশালায় - ম্যাক্সিম গোর্কি
৪৫৬. জেগে উঠছে ইরান - শিরিন এবাদি
৪৫৭. পুঁজিবাদ : এক ভৌতিক কাহিনী - অরুন্ধতী রায়
৪৫৮. ক্ষমতা - বার্ট্রান্ড রাসেল
৪৫৯. দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি - আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
৪৬০. জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি ১৯০৫-৪৭ - সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
৪৬১. Dreams From My Father - বারাক ওবামা
৪৬২. মিডনাইট চিলড্রেন্স - সালমান রুশদি
৪৬৩. বিবাহ ও নৈতিকতা - বার্ট্রান্ড রাসেল
৪৬৪. মাই নেম ইজ রেড - ওরহান পামুক
৪৬৫. প্লেগ - আলবেয়ার কাম্যু
৪৬৬. মিগুয়েল স্ট্রিট - ভি এস নাইপল
৪৬৭. ইছামতী - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
৪৬৮. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর শ্রেষ্ঠ কবিতা
৪৬৯. পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি -বদরুদ্দীন উমর
৪৭০. বাঙলাদেশে ইতিহাস চর্চা - বদরুদ্দীন উমর
৪৭১. স্মৃতিকথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
৪৭২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চেতনার বাতিঘর - ড. সৌমিত্র শেখর
৪৭৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : নতুন যুগের সন্ধানে - ইমতিয়াজ আহমেদ
৪৭৪. শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - স্বপন কুমার দাস
৪৭৫. স্বাধীনতা সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - রফিকুল ইসলাম
৪৭৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এলাকার ইতিহাস - মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
৪৭৬. নারী প্রগতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রোকেয়া হল - সেলিনা চৌধুরী
৪৭৭. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : স্মৃতি নিদর্শন - ড. আয়শা বেগম
৪৭৮. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫৩৮ দিন - কাজী আল মামুন
৪৭৯. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশি বছর - রফিকুল ইসলাম
৪৮০. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রন্থিত ইতিহাস - ড. রতন লাল চক্রবর্তী
৪৮১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা - বিভাগের ইতিহাস - মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
৪৮২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি ১৯৪৭-১৯৫১ - এ. জি. স্টক
৪৮৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণহত্যা: ১৯৭১ (জগন্নাথ হল) - রতনলাল চক্রবর্তী
৪৮৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: রাজনীতি ও বিবিধ প্রসঙ্গ -গালিব আহসান খান
৪৮৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: আগষ্টের ঘটনা গ্রেপ্তার রিমান্ড ও কারাগারের দিনগুলি - ড. হারুণ অর রশিদ
৪৮৬. বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৪৭-১৯৭১) - ড. রতন লাল চক্রবর্তী
৪৮৭. কাঠগড়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : রিমান্ড ও কারাগারের দিনলিপি - ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন
৪৮৮. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ : ইতিহাস ও ঐতিহ্য - ডক্টর প্রদীপ রায়
৪৮৯. স্যার ফিলিপ হার্টগ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য - সৈয়দ আবুল মকসুদ
৪৯০. কান্টের নীতিদর্শন - শেখ আবদুল ওয়াহাব
৪৯১. চে - মুস্তাফিজ শফি
৪৯২. রাজনীতিকোষ - হারুনুর রশিদ
৪৯৩. আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান
৪৯৪. গবেষণায় হাতেখড়ি - রাগিব হাসান
৪৯৫. দর্শনকোষ - সরদার ফজলুল করিম
৪৯৬. ইতিহাস গবেষণা পদ্ধতি - আহমেদ কামাল
৪৯৭. বাংলাদেশের নায়কেরা : সফলদের স্বপ্নগাথা - মতিউর রহমান
৪৯৮. পৃথিবীর ইতিহাস - জওহরলাল নেহরু
৪৯৯. দর্শনের সমস্যাবলি - বার্ট্রান্ড রাসেল
৫০০. মনঃসমীক্ষা - সিগমুন্ড ফ্রয়েড

(বি:দ্র: তালিকাটি তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা)

কতো কেজি?
04/09/2026

কতো কেজি?

জীবন এমনিতেই অনেক সুন্দর, যখন আমরা তা সহজভাবে দেখি।
22/08/2026

জীবন এমনিতেই অনেক সুন্দর, যখন আমরা তা সহজভাবে দেখি।

আচ্ছা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর ওয়েটার কে বকশিস দেওয়াটাকে কিভাবে দেখেন??পজিটিভ ভাবে নাকি নেগেটিভ ভাবে?তাদেরকে বকশিস দেওয...
21/08/2026

আচ্ছা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর ওয়েটার কে বকশিস দেওয়াটাকে কিভাবে দেখেন??

পজিটিভ ভাবে নাকি নেগেটিভ ভাবে?

তাদেরকে বকশিস দেওয়ার রীজন টা কি?? আপনার মন্তব্য কমেন্টে জানাতে পারেন

উনি জাস্ট খাবার টা শেফ থেকে আপনার পর্যন্ত এনে দিচ্ছে তাই?? তাইলে যে শেফ চুলার গরমে দাঁড়িয়ে রান্না করে,তিনিই তো আরো বেশি কষ্ট করে। তাইলে উনিও তো বকশিশ ডিসার্ভ করে। ইনফ্যাক্ট ওয়েটারের থেকে উনি যোগ্য দাবিদার। দিছেন কখনো শেফ কে বকশিস?

উনাদের তো বেতন দেওয়া হয়।এই কাজ করার জন্যই তো উনাদের রাখা হয়েছে।

যদি কায়িক পরিশ্রমের কারণেই বকশিস দিতে হয়, তাইলে রিক্সাওয়ালা কে কেন বকশীস দেন না?

আপনার বাড়ির "পরিষ্কার ওয়ালা" কে কেনো বকশিস দেন না।

আপনার বাড়ির দারোয়ান কে কেনো বকশিস দেন না?

আপনার বাড়ির কাজের বুয়াকে কেন বকশিস দেন না?

আপনার মা কে/ বউকে কেনো কয়দিন বকশিস দিছেন রান্নার জন্য?

আসলে ভেবে দেখলে, "বকশিস" কালচারটা একটা অদ্ভুত সামাজিক দ্বিচারিতা ও লোকদেখানো মানসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

রেস্টুরেন্টের ঝকঝকে পরিবেশ আর ওয়েটারের টাই-শার্টের চাকচিক্য দেখে আমরা পকেট থেকে ৫০-১০০ টাকা অনায়াসে বের করে দিই, শুধু লোকলজ্জার ভয়ে বা নিজেকে 'স্মার্ট' প্রমাণ করতে।

কিন্তু রোদে পুড়ে ভিজে যে রিকশাওয়ালা আপনাকে গন্তব্যে পৌঁছে দিল, তার সাথে ৫ টাকা ভাড়ার জন্য আমরা হেসেল করি।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই "বকশিস" সংস্কৃতির কারণে রেস্টুরেন্ট মালিকরা তাদের কর্মচারীদের ন্যায্য বেতন দেওয়া থেকে পার পেয়ে যায়। তারা কম বেতন দিয়ে ওয়েটারদের আয়ের দায়িত্বটা গ্রাহকের পকেটের ওপর চাপিয়ে দেয়।

অথচ একজন শেফ, ওয়েটার কিংবা ক্লিনারের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করাটা মালিকের দায়িত্ব, গ্রাহকের দয়া নয়।

তাই দিনশেষে প্রশ্ন থেকেই যায়, বকশিস কি আসলেই ভালো সেবার জন্য সম্মান, নাকি এটি আমাদের সমাজের একধরনের অন্ধ অনুকরণের ফসল? আপনার মতামত কী? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

মোঃ মেহেদী হাসান সাগর

21/08/2026

😊

একজন মানুষের সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখা খুব সহজ। কঠিন হলো, সেই মানুষটার ভেতরের ছোট্ট ছোট্ট পৃথিবীটাকে জানতে চাওয়...
21/08/2026

একজন মানুষের সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর স্বপ্ন দেখা খুব সহজ। কঠিন হলো, সেই মানুষটার ভেতরের ছোট্ট ছোট্ট পৃথিবীটাকে জানতে চাওয়া।আমরা কখনো কখনো একজন মানুষকে নিয়ে গোটা জীবনের হিসাব কষে ফেলি। তার সঙ্গে কতদূর যাব, কোথায় থাকব, কেমন হবে আমাদের ভবিষ্যৎ এসব নিয়ে কত পরিকল্পনা করি। অথচ যে মানুষটাকে নিয়ে এত বড় একটা জীবন ভাবি, তার ছোট্ট ছোট্ট পছন্দ অপছন্দগুলোই হয়তো জানি না।

তার প্রিয় গান কোনটি, বৃষ্টি নামলে সে জানালার পাশে দাঁড়াতে ভালোবাসে, নাকি বারান্দায় বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতে? মন খারাপ হলে সে কথা বলতে চায়, নাকি নিঃশব্দে একটু একা থাকতে চায়? কষ্ট পেলে তার চোখ আগে ভিজে ওঠে, নাকি সে আরও স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার অভিনয় করে?

এসব কি খুব ছোট বিষয়? হয়তো.....

কিন্তু একজন মানুষকে ভালোবাসা তো শুধু তার বড় বড় স্বপ্নগুলো জানার নাম নয় তার ছোট ছোট অভ্যাস, নীরবতা, অস্বস্তি, আনন্দ এসবের ভেতর দিয়ে তাকে চিনে নেওয়ার নামও ভালোবাসা।আপনি যার পাশে সারাজীবন থাকার কথা ভাবছেন, তার মন খারাপের ভাষাটুকু যদি না বোঝেন, তার নীরবতার অর্থ যদি না পড়তে পারেন, তাহলে তার পাশে থাকা আর তার কাছে পৌঁছে যাওয়ার মধ্যে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য থেকেই যায়।

আপনি তার সঙ্গে আছেন কিন্তু তার ভেতরের মানুষটার কাছে কতটা পৌঁছাতে পেরেছেন?
একজন মানুষকে জানতে হলে শুধু তার মুখের কথাগুলো শুনলেই হয় না। কখন সে চুপ করে যায়, কোন কথায় তার চোখের আলো বদলে যায়, কোন স্মৃতিতে সে হঠাৎ অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে এসবও খেয়াল করতে হয়।

হয়তো সে বই পড়তে ভালোবাসে, হয়তো কোনো কবিতায় তার মন আটকে থাকে। হয়তো বৃষ্টি নামলে তার ভেতরটা অকারণে ভালো হয়ে যায়, আবার হয়তো রোদের দুপুরে বারান্দায় বসে থাকাই তার সবচেয়ে প্রিয় একাকিত্ব। হয়তো চুল এলোমেলো হয়ে গেলে সে বিরক্ত হয়, কিংবা মন খারাপের সময় অকারণে একই গান শুনতে থাকে।

এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই তো একজন মানুষকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে।
কিন্তু মানুষের এখন বড় তাড়া। সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলার সময় আছে, অথচ মানুষটার বর্তমানটা জানার সময় নেই। একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনা আছে, অথচ একে অপরের চোখের দিকে কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থাকার অবকাশ নেই।

আমরা তার সঙ্গে থাকতে চাই, কিন্তু তাকে বুঝতে চাই না।
তার হাতটা ধরে রাখতে চাই, কিন্তু তার মনের ভেতরটা ধরতে চাই না।তার জীবনে নিজের জন্য একটা জায়গা চাই, অথচ তার ভেতরে আমাদের জন্য জায়গাটা কীভাবে তৈরি হচ্ছে সেটা জানতে চাই না।
অথচ ভালোবাসা হয়তো ঠিক এখানেই।

ভালোবাসা মানে শুধু কাউকে পাওয়া নয় তার ভেতরের ছোট্ট পৃথিবীটাকে ধীরে ধীরে চিনে নেওয়া। তার হাসির কারণ জানা, তার নীরবতার ভাষা বোঝা, তার ভয়গুলোকে তুচ্ছ না করা, তার আনন্দগুলোকে নিজের আনন্দের মতো করে দেখতে শেখা।

কারণ একজন মানুষকে সত্যি ভালোবাসলে তার বড় স্বপ্নের পাশাপাশি ছোট্ট অভ্যাসগুলোর প্রতিও মায়া জন্মায়।

তখন তার প্রিয় ফুলটাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তার প্রিয় বইয়ের নামটাও মনে থাকে। কোন বিকেলে সে একা থাকতে চায়, কোন রাতে কথা বলতে চায় সেটাও অজান্তেই বুঝে ফেলতে ইচ্ছে করে।

আর তখন পাশে থাকা শুধু পাশে থাকা থাকে না।একজন মানুষ আরেকজন মানুষের জীবনের ভেতর ধীরে ধীরে মিশে যেতে থাকে।

মানুষ চিরকাল সঙ্গ চেয়েছে। কিন্তু শুধু সঙ্গী পাওয়া আর কারও সঙ্গ হয়ে ওঠা এক কথা নয়।কারও পাশে বসে থাকা সহজ তার নীরবতার পাশে বসে থাকা কঠিন।কারও হাত ধরে রাখা সহজ তার ভেতরের ভয়গুলোকে না ভয় পেয়ে ধরে রাখা কঠিন।কারও সঙ্গে ভবিষ্যৎ কল্পনা করা সহজ প্রতিদিনের ছোট ছোট মুহূর্তে তাকে নতুন করে চিনে নেওয়া কঠিন।

তবু সত্যিকারের ভালোবাসা বোধহয় এই কঠিন কাজটাই করতে শেখায়।

কারণ ভালোবাসা শুধু একজন মানুষকে নিজের জীবনে রাখার নাম নয় ভালোবাসা হলো তার ছোট্ট ছোট্ট পৃথিবীটাকেও নিজের যত্নের ভেতর জায়গা করে দেওয়া।

লেখায়ঃ রুদ্র চৌধুরী

মা চাকরি করলে সন্তানের উপর কি কি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, এবং এর সমাধান কী?একজন মা যখন চাকরি করেন, তখন তিনি শুধু নিজের জন্য ...
18/08/2026

মা চাকরি করলে সন্তানের উপর কি কি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, এবং এর সমাধান কী?

একজন মা যখন চাকরি করেন, তখন তিনি শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না—অনেক সময় পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ, স্বামীর পাশে দাঁড়ানো এবং নিজের আত্মসম্মানের জন্যও কাজ করেন। তাই “মা চাকরি করেন বলেই সন্তান অবহেলিত হবে”—এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয়।

তবে এটাও সত্যি, মায়ের কর্মজীবনের সঙ্গে যদি সন্তানের প্রয়োজনীয় সময়, ভালোবাসা, শাসন ও মানসিক উপস্থিতির ভারসাম্য না থাকে, তাহলে সন্তানের মধ্যে কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—সমস্যা চাকরিতে নয়, সমস্যাটা হতে পারে সময় ও মনোযোগের ঘাটতিতে।

একজন মা সারাদিন অফিসে থাকার কারণে সন্তান যদি দিনের পর দিন মায়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না পায়, নিজের কথা বলার মানুষ না পায়, মায়ের কাছ থেকে স্নেহ ও নিরাপত্তার অনুভূতি না পায়, তাহলে ধীরে ধীরে তার মনে একটা শূন্যতা তৈরি হতে পারে।

সন্তান হয়তো মাকে খুব ভালোবাসে, কিন্তু মনে মনে ভাবতে শুরু করতে পারে—
“মায়ের কাছে আমার জন্য সময় নেই।”

এই অনুভূতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে সন্তান বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে অন্য কারও কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজতে পারে। কখনো বন্ধু, কখনো মোবাইল ফোন, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, আবার কখনো এমন মানুষের কাছেও, যার প্রভাব তার জন্য ভালো নাও হতে পারে।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো সন্তানের আচরণগত পরিবর্তন।

ছোট শিশু মায়ের মনোযোগ পাওয়ার জন্য জেদ করতে পারে, অকারণে কান্না করতে পারে, রাগ দেখাতে পারে কিংবা স্কুলে মনোযোগ হারাতে পারে। একটু বড় সন্তান আবার নিজের সমস্যাগুলো মায়ের সঙ্গে শেয়ার না করে নিজের মধ্যেই রেখে দিতে পারে।

আর কিশোর বয়সে এই দূরত্ব আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

কারণ এই বয়সে সন্তান শুধু খাবার, পোশাক কিংবা পড়াশোনার যত্ন চায় না—সে চায় একজন মানুষ, যার কাছে নিজের ভয়, কষ্ট, প্রেম, বন্ধুত্ব, ব্যর্থতা, অপমান কিংবা গোপন কথাগুলো নির্ভয়ে বলতে পারে।

তৃতীয় সমস্যা হতে পারে সন্তানের অতিরিক্ত মোবাইল নির্ভরতা।

মা-বাবা দুজনই ব্যস্ত থাকলে অনেক পরিবারে শিশুকে ব্যস্ত রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হয়ে যায় মোবাইল ফোন। প্রথমে হয়তো কার্টুন দেখানোর জন্য ফোন দেওয়া হয়, পরে গেম, তারপর ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক কিংবা অন্যান্য অনলাইন কনটেন্ট।

একসময় দেখা যায়, সন্তান মায়ের সঙ্গে কথা বলার চেয়ে মোবাইলের সঙ্গে বেশি সময় কাটাচ্ছে।

তবে এখানে আবারও মনে রাখতে হবে—মা চাকরি করেন বলেই সন্তান মোবাইল আসক্ত হবে, এমন নয়। বাবা-মায়ের সময় ব্যবস্থাপনা, পারিবারিক পরিবেশ এবং সন্তানের প্রতি নজরদারিও এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

চতুর্থ সমস্যা হতে পারে সন্তানের পড়াশোনায় নজরদারির ঘাটতি।

চাকরির ব্যস্ততায় অনেক মা সন্তানের পড়াশোনা, স্কুলের খবর, বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক, পরীক্ষার প্রস্তুতি কিংবা শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়গুলো নিয়মিত খেয়াল রাখতে পারেন না।

ফলে সন্তান পড়াশোনায় পিছিয়ে গেলেও অনেক সময় সেটা পরিবারের নজরে আসে দেরিতে।

আর সন্তান যখন বুঝতে পারে—
“আমার পড়াশোনা কেউ দেখছে না”—
তখন তার দায়িত্ববোধও ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।

পঞ্চম সমস্যা হলো মানসিক দূরত্ব।

মা সারাদিন বাইরে থাকলেন, অফিসের চাপ সামলালেন, বাসায় ফিরে ক্লান্ত হয়ে গেলেন। সন্তান সারাদিন মায়ের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু মা বাসায় ফিরে যদি শুধু বলেন,
“পড়তে বসেছো?”
“খেয়েছো?”
“হোমওয়ার্ক করেছো?”
তারপর আবার নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যান—তাহলে সন্তান মাকে ধীরে ধীরে একজন “নিয়ম-কানুনের মানুষ” হিসেবে দেখতে শুরু করতে পারে।

অথচ সন্তানের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হতে পারে মাত্র দশ মিনিটের একটি প্রশ্ন—

“আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?”

এই প্রশ্নটাই কখনো কখনো শিশুর মনে মায়ের জন্য আজীবন নিরাপত্তা তৈরি করে।

তাহলে কি মায়েদের চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত?

না।

বরং প্রয়োজন হলো চাকরি ও মাতৃত্বের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য তৈরি করা।

মা চাকরি করবেন, নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন, পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন—এটা সন্তানের জন্যও গর্বের বিষয় হতে পারে। কিন্তু সেই সঙ্গে সন্তান যেন কখনো মনে না করে, “আমার মায়ের জীবনে আমি সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ।”

এর জন্য কিছু বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত—প্রতিদিন সন্তানের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখুন।

সময়টা অনেক বড় হতে হবে না। প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিটও যদি হয়, সেই সময়টুকু শুধু সন্তানের জন্য রাখুন। ফোন দূরে রাখুন, টেলিভিশন বন্ধ রাখুন এবং তার সঙ্গে কথা বলুন।

দ্বিতীয়ত—সন্তানের কথা শুনুন, শুধু উপদেশ দেবেন না।

সে কোনো ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে বকাঝকা না করে আগে জিজ্ঞেস করুন—
“কেন এমন করেছো?”

কারণ অনেক সময় শিশুর ভুল আচরণের পেছনে থাকে কোনো অভিমান, ভয়, একাকিত্ব কিংবা মনোযোগ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।

তৃতীয়ত—সপ্তাহে অন্তত একটি দিন সন্তানের সঙ্গে বিশেষ সময় কাটান।

একসঙ্গে হাঁটতে বের হওয়া, পার্কে যাওয়া, গল্প করা, রান্নায় সাহায্য করা, একসঙ্গে সিনেমা দেখা কিংবা শুধু ছাদে বসে গল্প করাও হতে পারে সেই সময়ের অংশ।

শিশুর মনে দামি খেলনা যতটা স্মৃতি তৈরি করে, তার চেয়ে অনেক বেশি স্মৃতি তৈরি করে—মায়ের সঙ্গে কাটানো সময়।

চতুর্থত—শিশুকে শুধু গৃহকর্মী বা আত্মীয়ের কাছে রেখে দায়িত্ব শেষ মনে করবেন না।

যদি অন্য কেউ সন্তানের দেখাশোনা করেন, তাহলে মা নিয়মিত তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং সন্তানের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে জানবেন।

পঞ্চমত—বাবার ভূমিকা বাড়াতে হবে।

সন্তান শুধু মায়ের দায়িত্ব নয়। বাবা-মা দুজনেরই দায়িত্ব সন্তানকে সময় দেওয়া, তার পড়াশোনা দেখা, তার সঙ্গে কথা বলা এবং তার মানসিক বিকাশের দিকে নজর রাখা।

একজন মা চাকরি করবেন, আর বাবা বলবেন “বাচ্চা সামলানো তোমার দায়িত্ব”—এটা কোনো ভারসাম্যপূর্ণ পরিবার নয়।

ষষ্ঠত—সন্তানের সামনে মায়ের চাকরিকে কখনো বোঝা হিসেবে তুলে ধরবেন না।

বরং তাকে বোঝান—

“তোমার মা কাজ করেন, কারণ তিনি তোমাকে ভালো ভবিষ্যৎ দিতে চান। আর কাজের পাশাপাশি তোমার জন্যও তার সময় আছে।”

এতে সন্তান মায়ের চাকরিকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, মায়ের সংগ্রামের অংশ হিসেবে দেখতে শিখবে।

সবশেষে একটা কথা মনে রাখা দরকার—

একজন মা সারাদিন সন্তানের পাশে থেকেও সন্তানের প্রতি অবহেলাশীল হতে পারেন। আবার একজন কর্মজীবী মা অল্প সময়ের মধ্যেও সন্তানের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হতে পারেন।

তাই সন্তানের জন্য শুধু মায়ের উপস্থিতি নয়, মায়ের মানসিক উপস্থিতিটাও জরুরি।

মা চাকরি করবেন কি করবেন না—এটা মূল প্রশ্ন নয়।

মূল প্রশ্ন হলো—

মা যতক্ষণ সন্তানের সঙ্গে থাকেন, সেই সময়টুকুতে সন্তান কি মায়ের ভালোবাসা, নিরাপত্তা, মনোযোগ এবং গুরুত্ব অনুভব করতে পারে?

কারণ সন্তানের কাছে মায়ের দেওয়া সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস টাকা নয়, দামি খেলনা নয়, বড় বাড়ি নয়—

মায়ের সময়, মায়ের কথা শোনা, মায়ের স্পর্শ এবং এই নিশ্চয়তা—
“যাই হোক না কেন, আমার মা আমার পাশে আছে।”

এই অনুভূতিটুকু যদি একটি সন্তান পায়, তাহলে কর্মজীবী মায়ের সন্তান হওয়া তার জন্য দুর্বলতা নয়; বরং মায়ের সংগ্রাম দেখে বড় হয়ে ওঠা তার জীবনের অন্যতম শক্তি হয়ে উঠতে পারে।

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Najmul Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Muhammad Najmul Hasan:

Shortcuts

Share

Category