বর্তমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় যৌথ আন্দোলন সম্পর্কে একটি প্রস্তাব
খসড়া-২, ২২ আগস্ট ২০১৩
বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। তাই বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী শাসন নবায়নের সময় ঘনিয়ে এসেছে। ফলে ‘গদী’ দখল নিয়ে শাসক শ্রেণীর দুই বড় জোটের লড়াই চূড়ান্তে পৌঁছেছে। এ সংঘাতে বরাবর মদদ দিয়ে চলেছে মার্কিনসহ সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতের শাসক শ্রেণী। তার অভিঘাত হিসাবে অগণতান্ত্রিক শক্তির জাতীয় ও গণস্বার্থ বিরোধী তৎপরতা গোটা সম
াজকে গ্রাস করছে। উদ্ভব ঘটছে নতুন নতুন সংকটের।
এ গদী দখলকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ধর্ম নিয়ে ন্যাক্কারজনক নির্বাচনী রাজনীতি অব্যহত রয়েছে। উগ্রজাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদকে অবলম্বন করে বিকশিত করা হচ্ছে - ফ্যাসিবাদ। সভা-সমাবেশ, সংবাদ ও সামাজিক গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণ-নিষেধাজ্ঞা বাড়ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে। বাড়ছে পিতৃতন্ত্র, সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন। জামাতী ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে জনগণের দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ সংঘাতের সুযোগে বৈদেশিক শক্তি- তার এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমেছে। এ সরকারের মেয়াদের মধ্যেই টিকফা, সন্ত্রাসদমন স্মারক, সামুদ্রিক গ্যাস ব্লক বরাদ্দ, অনুপ চেটিয়াকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। চলছে দেশবিক্রির প্রতিযোগীতা। বাড়ছে রাজনীতিতে বৈদেশিক হস্তক্ষেপ। এসব সংকটের মাঝে অব্যহত রয়েছে শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতার স্বার্থবিরোধী তৎপরতা। সকলের অগোচরে জাতীয়স্বার্থবিরোধী মুক্ত আকাশ চুক্তি করা হয়েছে, রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, কিন্তু রানা প্লাজা, তাজরীনসহ শ্রমিকদের দাবী বাস্তবায়িত হচ্ছে না। সাম্রাজ্যবাদের নির্দেশনায় প্রণীত হচ্ছে গণবিরোধী সন্ত্রাস দমন আইন, শ্রম আইন, শিক্ষা আইন।
২৫ অক্টোবর সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ফলে চূড়ান্ত সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গদী দখলকে কেন্দ্র করে এ সংঘাত-সংঘর্ষ, রাষ্ট্রীয় ও জামাতী সন্ত্রাস, গণতান্ত্রিক অধিকারহরণ, যুদ্ধাপরাধের বিচার ও ধর্ম নিয়ে নির্বাচনী রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন, রাজনীতিতে বৈদেশিক হস্তক্ষেপ, জাতীয় ও গণস্বার্থবিরোধী তৎপরতা এবং প্রতিক্রিয়াশীল আঁতাতের বিরুদ্ধে দেশ, জাতি ও জনগণকে রক্ষায় আজ গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন। কিন্তু এ প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতিকে গণরাজনীতি দিয়ে মোকাবেলার ক্ষেত্রে বিরাট শূন্যতা রয়েছে। তাই আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রগতিশীল, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তি সাধ্যমত যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন অনুভব করছে।
দেশে প্রগতিশীল, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন আজ দুর্বল। তাদের একাংশ কয়েকটি রাজনৈতিক মোর্চা বা সংগঠনে সংগঠিত। এছাড়া বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ এমন অনেক ব্যক্তি, গ্রুপ ও সংগঠন রয়েছে যারা এ আন্দোলনের এক বড় অংশীদার। কিন্তু এ শক্তি বিদ্যমান রাজনৈতিক মোর্চাগুলোতে সংগঠিত নয়। কারণ এসব মোর্চায় তাদের অন্তর্ভূক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কিন্তু চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে মোকাবেলায় তারা সোচ্চার হওয়ার তাগিদ অনুভব করছে। তাই আন্দোলনে এ শক্তির ব্যাপক ও সংগঠিত ভূমিকা নিশ্চিত করার জন্য উপযুক্ত ধরনের একটি যৌথ সংগ্রাম কমিটি গড়ে তোলার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তবে এ কমিটি অপরাপর সাম্রাজ্যবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মোর্চাসমূহের সাথেও ঐক্যবদ্ধ অথবা যুগপৎ কর্মসূচি দিয়ে আন্দোলনের বৃহত্তর ঐক্যকে সম্প্রসারিত ও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখতে পারে।
সংগ্রাম কমিটি চলমান রাজনৈতিক সংকটজাত নিম্নোক্ত রাজনৈতিক ইস্যুতে আন্দোলন করতে পারে:
১. গণতান্ত্রিক অধিকার সংকোচন ও হরণ সম্পর্কিত ইস্যু
২. জাতীয় স্বাথবিরোধী মার্কিন-ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন সম্পর্কিত ইস্যু
৩. ধর্ম নিয়ে রাজনীতি সম্পর্কিত ইস্যু
৪. রাষ্ট্রীয় ও জামাতি সন্ত্রাস সম্পর্কিত ইস্যু
৫. রাজনীতিতে বৈদেশিক হস্তক্ষেপ ও প্রকিক্রিয়াশীল আঁতাত সম্পর্কিত ইস্যু
৬. যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নির্বাচনী রাজনীতি সম্পর্কিত ইস্যু
৭. সাম্প্রদায়িক নিপীড়ন সম্পর্কিত ইস্যু
৮. প্রতিক্রিয়াশীল সংঘাতে চাপা-পড়া শ্রমিক, কৃষক, জনগণের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু
মার্কিন-ভারতের মদদে শাসক শ্রেণীর দুই বড় জোটের গদী দখলের সংঘাত-বিদেশী প্রভুদের কাছে দেশ বিক্রির প্রতিযোগীতার মধ্যেও প্রকাশ পাচ্ছে। প্রভুর আনুকূল্য লাভের জন্য পূর্ব-প্রতিশ্রুত মার্কিন-ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকার মেয়াদের শেষ সময়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আসন্ন টিকফা চুক্তি ও সন্ত্রাস বিরোধী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। তাই এ চুক্তির বিরুদ্ধে যৌথ আন্দোলনের সূচনা করে সংগ্রাম কমিটি গড়ে তোলার কাজ অগ্রসর হতে পারে।
সংগ্রাম কমিটিতে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি ও সংগঠনের মানদণ্ড:
১. সাম্রাজ্যবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক
২. সাম্রাজ্যবাদের দালাল শাসক শ্রেণীর দুই জোট ও তৃতীয়শক্তির সঙ্গে যুক্ত নয়
৩. উগ্রজাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, পিতৃতন্ত্রের সমর্থন করে না
৪. সাম্রাজ্যবাদের সহযোগী সুশীল সমাজ বা নাগরিক আন্দোলন, এনজিও-র প্রতিনিধি নয়
৫. সাম্রাজ্যবাদের উপরোক্ত সহযোগীদের সাথে রাজনৈতিকভাবে তাৎপযপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করেন; তারা এ কমিটিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
৬. কেউ যদি উপরোক্ত শক্তিগুলোর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, মানদ- অর্জন করেন - তবে তারা এ কমিটিতে যুক্ত হতে পারবেন।
এটি আসন্ন রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় একগুচ্ছ রাজনৈতিক ইস্যুতে যৌথ সংগ্রাম গড়ে তোলার জন্য একটি সংগ্রাম কমিটি মাত্র। এটা একক সংগঠন নয়, বরং প্রত্যেক সংগঠনের প্রতিনিধি ও ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক যৌথ সংগঠন। সমানাধিকার ও গণতান্ত্রিক রীতি অনুসারে কমিটি পরিচালিত হবে।
প্রতিটি ইস্যুতে এ সংগ্রাম দায়ী পক্ষসমূহ, সরকার ও শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত হতে হবে, গণপ্রচারের ভাষা হবে জনবোধ্য। তাতে নীতিগত অবস্থানেরও সংক্ষিপ্ত উল্লেখ থাকবে।
কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত ব্যক্তি ও সংগঠনগুলোর মধ্যে উচ্চতর অবস্থান ও কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ রয়েছে। কমিটি এ লক্ষ্যে আন্দোলনের পাশাপাশি একটি লিখিত বক্তব্যের ভিত্তিতে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে।।
(বি.দ্র: সংগ্রাম কমিটিতে যুক্ত সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গের মধ্যকার আলোচনার ভিত্তিতে এই খসড়া লেখাটি পরিবর্তিত-পরিবর্ধিত হতে পারে।)
শ্রমজীবী সংঘ, জাগরণের পাঠশালা, মঙ্গলধ্বনি, মৌলিক বাংলা, প্রপদ, নির্বাণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, দাবানল, সংস্কৃতির নয়া সেতু, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ, জাতীয় যুব পরিষদ, কমিউনিস্ট ইউনিয়ন, গণসংস্কৃতি পরিষদ এবং ব্যক্তিবর্গ
------------------------------------------------
আসন্ন রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রগতিশীল নয়টি সংগঠনের (শ্রমজীবী সংঘ, জাগরণের পাঠশালা, মঙ্গলধ্বনি, মৌলিক বাংলা, প্রপদ, নির্বাণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, দাবানল, সংস্কৃতির নয়া সেতু, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ) উদ্যোগে গত ২৭ আগস্ট ২০১৩, মঙ্গলবার, বিকাল ৬ টায় পরিবাগে অবস্থিত সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. আখতারুজ্জামান।
সভায় যৌথ আন্দোলন গড়ার উদ্যোগে জাতীয় যুব পরিষদ, কমিউনিস্ট ইউনিয়ন এবং গণসংস্কৃতি পরিষদ যুক্ত হবার ঘোষণা দেন। আরো কয়েকটি প্রগতিশীল সংগঠন এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছেন। সেই সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত কর্মী-সদস্যরা ব্যক্তি পর্যায়ে এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন - নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা, জাতীয় গণফ্রন্ট, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, কমিউনিস্ট পার্টি গঠন প্রক্রিয়া, বাংলাদেশ স্বাধীন চলচ্চিত্র আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক আইন ও সংবিধান আন্দোলনের প্রতিনিধিগণ।
উপস্থিত সদস্যদের প্রাণবন্ত আলোচনায় উঠে আসে রাষ্ট্রের অগণতান্ত্রিক চরিত্র ও সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন আইন-কানুন ও চুক্তির মাধ্যমে সেই অগণতান্ত্রিক চেতনার নগ্ন বহির্প্রকাশের স্বরূপ। আর সেই সাথে নিজেদের মধ্যকার মতভিন্নতা সত্ত্বেও কিছু ইস্যুতে যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলার তাগিদের কথাটি সকল বক্তার মুখেই উচ্চারিত হয়। এ লক্ষ্যে উক্ত সভায় একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। সর্বসম্মতিক্রমে গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটি নামটি গ্রহণ করা হয়।
সভায় বারোটি সংগঠন (শ্রমজীবী সংঘ, জাগরণের পাঠশালা, মঙ্গলধ্বনি, মৌলিক বাংলা, প্রপদ, নির্বাণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, দাবানল, সংস্কৃতির নয়া সেতু, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ, জাতীয় যুব পরিষদ, কমিউনিস্ট ইউনিয়ন এবং গণসংস্কৃতি পরিষদ) ও প্রগতিশীল ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে গঠিত গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটির গঠন প্রক্রিয়া ও কিছু আসন্ন কার্যক্রমের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সিদ্ধান্ত সমূহ
১। গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটি একটি গণতান্ত্রিক ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্লাটফরম। এখানে সমমনা যেকোন সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ যুক্ত হতে পারবেন। কোন সংগঠন সাংগঠনিকভাবে যুক্ত না হলেও সেই সংগঠনের সাথে যুক্ত কর্মী-সদস্যরা ব্যক্তি পর্যায়ে এই আন্দোলনে যুক্ত হতে পারবেন।
২। গণ-অধিকার সংগ্রাম কমিটির কর্মকাণ্ড সমন্বয় করবে সংগঠনের প্রতিনিধি ও ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে গঠিত সমন্বয় কমিটি। নতুন কোন সংগঠন/ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধ হলে তাদের কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করে নেয়া হবে। সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক হবেন কোন ব্যক্তি অথবা কোন সংগঠন। উক্ত সমন্বয় কমিটি ৩ মাস অন্তর অন্তর পরিবর্তিত হবে।
৩। আরো কয়েকটি সংগঠন ও ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকায় এবং সমন্বয়কারী নির্ধারণে তাঁদের মতামত যাতে গ্রহণ করা যায়-একারণে এখনই সমন্বয়কারী নিধার্রণ করা হয়নি। অস্থায়ীভাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবে।
৪। ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনে নিজেদের মধ্যকার আলোচনার ভিত্তিতে একই ইস্যুতে আন্দোলনরত অন্য কোন সংগঠন বা জোটের সাথে যুগপত আন্দোলনও করা যেতে পারে।
৫। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ক্ষমতাসীন সরকার দ্বিপাক্ষিক সন্ত্রাস বিরোধী স্মারক ও টিকফা চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। এই গণবিরোধী চুক্তি ও স্মারকের বিরুদ্ধে কর্মসূচী গ্রহণের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
৬। পরবর্তীতে সন্ত্রাস দমন আইন ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের মতো গণবিরোধী আইন-কানুনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।