আলঝেইমারস বা স্মৃতিভ্রম: আপনার যা জানা প্রয়োজন
আলঝেইমারস কেবল বুড়ো বয়সের ভুলে যাওয়া নয়, এটি মস্তিষ্কের একটি গুরুতর রোগ। আমাদের চারপাশের বয়স্ক মানুষদের এই রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া আমাদের দায়িত্ব।
ওষুধ ছাড়াও যেভাবে যত্ন নেওয়া যায়
🔹 রোগীর পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন কাজ বা শখের মাধ্যমে তাদের ব্যস্ত রাখুন। 🔹 দলগতভাবে বুদ্ধিচর্চা বা কগনিটিভ স্টিমুলেশন থেরাপির ব্যবস্থা করা। 🔹 পুরনো দিনের ছবি দেখা বা গল্প করার মাধ্যমে তাদের স্মৃতি সচল রাখার চেষ্টা করা।
চিকিৎসা ও ওষুধের ভূমিকা
চিকিৎসকের পরামর্শে এই রোগের জন্য ডনপেজিল, রিভাস্টিগমিন বা মেমানটিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয়। তবে মনে রাখবেন, ডনপেজিল জাতীয় ওষুধ হৃদস্পন্দন কমিয়ে দিতে পারে বা অনিদ্রার কারণ হতে পারে। তাই হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
আচরণগত পরিবর্তন
রোগী যদি খুব বেশি অস্থির হয়ে ওঠেন বা নিজের ক্ষতি করার সম্ভাবনা থাকে, তবেই চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট ওষুধ দেওয়া উচিত। সাধারণ বিষণ্নতার ওষুধ সব সময় এক্ষেত্রে কার্যকর নাও হতে পারে।
আসুন, আমরা আমাদের পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের প্রতি আরও সহনশীল হই এবং সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করি।
#আলঝেইমারস #সচেতনতা #মানসিকস্বাস্থ্য
সরকারি কর্মচারী হাস্পাতালে
It is an organization which is responsible for providing health care to government employee.
Trusted Source for Home health care
www.facebook.com/lifejacketbd
Life Jacket
Welcome to the official page of Life Jacket
It is an organization which provides medicare at home.
নববর্ষে পটকা, আতশবাজি ও ফানুস বায়ু-শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়।
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি ,
-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
যুদ্ধ জয়ের বীরত্ব গৌরবে দীপ্ত বিজয় উচ্ছ্বাসে সবাইকে শুভেচ্ছা।
Here’s the ready post with the details added:
Urgent Blood Needed
My cousin is in urgent need of A+ (A positive) blood
📍 Hospital: Ibne Sina Hospital
🕒 Needed as soon as possible.
If you are A+ or know someone who can help, please contact:
📞 Rakibul Islam Mitul– 01741452313
🙏 Please share this post widely. Your help can save a life. ❤️
# # # **হৃদরোগের চিকিৎসায় স্টেন্ট বসানো**
**Percutaneous Coronary Intervention (PCI)** হল এমন একটি চিকিৎসা, যেখানে হার্টের ব্লক ধমনী খুলে দেওয়া হয়, যাতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। এটি সাধারণত বুকের ব্যথা (angina) বা হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের জন্য করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধমনীতে **স্টেন্ট** বসানো হয়, যা ধাতব জালের মতো দেখতে।
# # # **স্টেন্ট বসানোর পর কী হয়?**
স্টেন্ট বসানোর পর ধমনী আবার খোলা হয়, কিন্তু কিছুদিন সময় লাগে সেটি শরীরের অংশ হয়ে যেতে। এই সময়ে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি থাকে, যা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।
# # # **স্টেন্টের ধরন:**
1. **সাধারণ স্টেন্ট (Bare-Metal Stent - BMS):** এতে কোনো ওষুধ থাকে না।
2. **ওষুধযুক্ত স্টেন্ট (Drug-Eluting Stent - DES):** এতে বিশেষ ওষুধ থাকে, যা ধমনীতে নতুন ব্লক হওয়া কমায়। তবে এটি পুরোপুরি শরীরের সাথে মিশতে বেশি সময় নেয়, তাই কিছুটা বাড়তি যত্ন দরকার।
# # # **স্টেন্ট বসানোর পর কী ওষুধ খেতে হয়?**
স্টেন্ট বসানোর পর **রক্ত জমাট বাঁধা রোধে** ওষুধ খেতে হয়।
- **অ্যাসপিরিন** সারাজীবন খেতে হবে।
- **ক্লোপিডোগ্রেল** কিছুদিন চালাতে হয়, ডাক্তার বলে দেবেন কতদিন খেতে হবে।
- যদি কোনো অপারেশন করতে হয়, তাহলে ডাক্তারদের না জানিয়ে এই ওষুধ বন্ধ করা যাবে না।
# # # **স্টেন্ট বসানোর পর কী সমস্যা হতে পারে?**
# # # # **শরীরের উপরিভাগে ছোটখাটো সমস্যা:**
- ইঞ্জেকশনের জায়গায় **হালকা ব্যথা বা রক্ত পড়া**
- **পেটের নিচে (কোমরের কাছে) রক্ত জমাট বাঁধা**, যা চাপ দিলে ব্যথা দিতে পারে
- **পায়ের ধমনীর কাছে ফোলা বা কম্পন অনুভব হওয়া**
# # # # **বড় ধরনের সমস্যা:**
1. **স্টেন্ট আবার বন্ধ হয়ে যাওয়া (Restenosis):**
- সাধারণত **৩-৬ মাসের মধ্যে** হতে পারে।
- লক্ষণ: আগের মতো বুকব্যথা ফিরে আসা।
- বেশি ঝুঁকিতে: **ডায়াবেটিসের রোগী, কিডনির সমস্যা থাকা রোগী।**
2. **স্টেন্টের কারণে রক্ত জমাট বাঁধা (Stent Thrombosis):**
- সাধারণত **প্রথম ১ মাসের মধ্যে** ঘটে।
- লক্ষণ: **হার্ট অ্যাটাকের মতো ব্যথা**।
- এটি এড়াতে **অ্যাসপিরিন ও ক্লোপিডোগ্রেল নিয়মিত খেতে হবে।**
**যদি হঠাৎ করে বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা দুর্বল লাগে, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।**
**ইক্লাম্পসিয়া কী?**
ইক্লাম্পসিয়া হলো গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি (সিজার) হওয়া। এটি সাধারণত **প্রি-ইক্লাম্পসিয়া** নামের এক সমস্যার কারণে হয়।
**প্রি-ইক্লাম্পসিয়া কী?**
গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পর এই সমস্যা হতে পারে। লক্ষণগুলো:
✅ **উচ্চ রক্তচাপ** (ব্লাড প্রেসার বাড়ে)
✅ **প্রস্রাবে প্রোটিন** (বাজারের টেস্টে ধরা পড়বে)
✅ **শরীর ফুলে যায়** (মুখ, হাত, পা)
**ইক্লাম্পসিয়ার চিকিৎসা:**
✅ **ম্যাগনেশিয়াম সালফেট** ইনজেকশন দিলে খিঁচুনি বন্ধ হয়।
✅ **ডেলিভারির সিদ্ধান্ত হলে** তখনই ওষুধ শুরু করা হয়।
✅ প্রথমে **৪ গ্রাম ইনজেকশন** দেয়, তারপর ধীরে ধীরে ওষুধ চালানো হয়।
✅ রোগীর **প্রস্রাব, শ্বাস-প্রশ্বাস, অক্সিজেন লেভেল** দেখে রাখতে হয়।
✅ যদি **শ্বাসকষ্ট হয়**, তাহলে **ক্যালসিয়াম গ্লুকোনেট** ইনজেকশন দিতে হয়।
✅ ডেলিভারির পরও **২৪ ঘণ্টা ওষুধ চালিয়ে যেতে হয়** কারণ তখনো খিঁচুনি হতে পারে।
⚠️ **সতর্কতা:**
- বেশি পানি বা স্যালাইন দিলে শরীরে পানি জমতে পারে, যা বিপদজনক।
- খিঁচুনি হলে **দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া জরুরি!**
এই তীব্র শিতে হাইপোথার্মিয়া কী?
হাইপোথার্মিয়া হলো শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা ৩৫°C-এর নিচে নেমে যাওয়া। এটা সাধারণত খুব ঠান্ডা পরিবেশে বেশি সময় থাকার কারণে হয়। এছাড়া, অসুস্থতা বা দূর্বল শরীরের কারণে শরীরের তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে গেলেও হাইপোথার্মিয়া হতে পারে।
হাইপোথার্মিয়ার লক্ষণ:
১. শরীর কাঁপা শুরু করে।
২. হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
৩. দুর্বল বা ক্লান্ত লাগা।
৪. ধীরে ধীরে কথা বলা।
৫. শ্বাস ধীর ও গভীর হয়ে যাওয়া।
৬. চেতনা হারানোর সম্ভাবনা।
করণীয়
১. ঠান্ডা থেকে সরান
রোগীকে দ্রুত ঠান্ডা জায়গা থেকে গরম জায়গায় নিয়ে যান।
২. ভেজা কাপড় বদলান
- রোগীর ভেজা জামা-কাপড় খুলে শুকনা ও গরম কাপড় পরান।
- মাথা, পা ও হাত ভালোভাবে ঢেকে দিন।
৩. গরম রাখতে সাহায্য করুন
- কম্বল বা চাদর দিয়ে রোগীকে ঢেকে দিন।
- পায়ের কাছে বা পিঠের পাশে গরম পানির বোতল বা ইট ব্যবহার করুন (খুব গরম হলে তোয়ালে দিয়ে মুড়িয়ে দিন)।
- রোগীকে মাটির ঠান্ডা থেকে দূরে রাখতে বিছানায় বা শুকনা জায়গায় শোয়ান।
৪.গরম কিছু খেতে দিন
রোগী যদি জ্ঞান হারিয়ে না থাকে, তাহলে তাকে গরম চা, দুধ, বা স্যুপের মতো তরল খাবার দিন।
৫. হাসপাতালে নিয়ে যান
- যদি রোগী অচেতন হয়ে পড়ে বা শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, দ্রুত হাসপাতালে যান।
- শরীরের তাপমাত্রা খুব কমে গেলে বিশেষ চিকিৎসা দরকার।
কেন বিপদজনক?
শরীরের তাপমাত্রা অনেক কমে গেলে হৃদপিণ্ড, ফুসফুস এবং মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
সাবধানতা:
১. ঠান্ডা পরিবেশে গরম কাপড় পরিধান করুন।
২. বাচ্চা ও বৃদ্ধদের বিশেষ যত্ন নিন, কারণ তারা সহজে ঠান্ডা অনুভব করে।
৩. ঠান্ডা জায়গায় বেশি সময় থাকবেন না।
৪. শরীর ভিজে গেলে দ্রুত শুকিয়ে নিন।
মনে রাখবেন: হাইপোথার্মিয়া ঠেকানো সম্ভব যদি সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ঠান্ডা লাগলে অবহেলা করবেন না। যত দ্রুত সম্ভব গরম রাখুন এবং প্রয়োজনে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আসসালামু আলাইকুম
সকলের উদ্দেশ্যে জানাতে চাই
আপনার রোগীর পরিপূর্ণ চিকিৎসার জন্য সকল সিদ্ধান্ত চিকিৎসক কে নিতে দিন।
চিকিৎসায় হস্তক্ষেপ রোগীর জন্য ভালো না।
১ রোগের নাম না বলে চিকিৎসক কে উপসর্গের কথা বলুন
২ কি কি চিকিৎসা পাচ্ছে তা জানান
৩ কবে কোথায় কি অপারেশন হয়েছে জানান
৪ বিনয়ের সাথে নিজের সিরিয়াল এর জন্য অপেক্ষা করবেন
৫ হাস্পাতালে রশিদ ছাড়া লেনদেন করবেন না
৬ শুধু রক্তের পরীক্ষা করাতে অথবা মেডিসিন নেওয়ার জন্য আসলে প্রথমেই চিকিৎসক কে জানান।
৭ হাস্পাতালের স্টাফ আপনার সেবায় নিয়জিত তাদের সাথে সুন্দর ব্যবহার করলে সেবার মান উন্নত হয়।
ধন্যবাদ।
নগদকে ধ্বংসে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র !!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sarkari Karmachari Hospital/Fulbaria
Dhaka
1000
