😁😂
সাহিত্য কলাম
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সাহিত্য কলাম, Library, Dhaka.
ভোর ৫: ৩০ মিনিট
শুভ্র কফি বানাচ্ছে। ইদানীং শুভ্রর ঘুম খুব ভোরে ভেঙে যায়।
আজও তাই হল। কিন্তু শুভ্র এই নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়। নিতান্তই তুচ্ছ ব্যাপার।
এই শীতের সকালে বৃষ্টি,
শুভ্রর বেশ ভালই লাগছে। হঠাৎ শুভ্রর খেয়াল হল আজতো মেয়েটা তাকে ফোন করে নি।
গত দুই সপ্তাহ থেকে অর্পা নামের একটি মেয়ে প্রতি সকালে ফোন দেয়। মেয়েটার ফোন দেওয়ার সময় একই সকাল ৬ টা।
কে এই মেয়ে, কোথায় থাকে, কি করে, এসব শুভ্র কিছুই জানে না। জানার ইচ্ছাও নেই।
মেয়েটার কণ্ঠ অনেক সুন্দর, তাই শুভ্র কথা বলে।কথাগুলো সব অপ্রয়োজনীয়, তারপরেও শুভ্র কথা বলে যায়।
কিন্তু আজ কেন মেয়েটা ফোন দিল না!
মেয়েটার কিছু হয়নি তো?
খুব অদ্ভুত যে, শুভ্রর মনে এতদিনে কোন প্রশ্ন জাগল।
শুভ্র বেশি কিছু চিন্তা করার আগেই মুখ দিয়ে একটি শব্দ বেরিয়ে এল, "অর্পা"
লেখক ঃ অসভ্য মনুষ্য
পৃথিবীতে অনেক ধরনের অত্যাচার
আছে।
ভালবাসার অত্যাচার
হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ানক অত্যাচার।
এ অত্যাচারের বিরুদ্ধে কখনো কিছু
বলা যায় না, শুধু সহ্য করে নিতে হয়।
—হুমায়ূন আহমেদ
"আনন্দ মানুষকে পরিবর্তন করে,
বেদনা মানুষকে পরিবর্তন করে।
আর এই পরিবর্তন এর মধ্য দিয়েই মানুষ
নতুন নতুন অভিজ্ঞা অর্জন করে।
তাইতো প্রতিটা মানুষের জীবনে আনন্দ
বেদনা থাকে। "
#অ্যানোনিমাস
"প্রতিটি দিন আমাদের এমনভাবে কাটানো উচিত, যেন আজকে আমাদের শেষ দিন।"
-সেনেকো
"পৃথিবীতে সবচেয়ে কষ্টদায়ক সম্পর্ক হচ্ছে একাকীত্ব তাই এই একাকীত্বের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন কর"
সুরের সান্ত্রি যা বাজিয়ে মোহের ভায়োলিন
মেঘের নিচে নিরুদ্দেশে সূর্যমুখী দিন
আড়াল করে পথের দিশা পায়রা উড়ে যাক
সন্ধ্যা প্রদীপ দাও জালিয়ে সূর্য ছুটি পাক
এই ভূগোলে জড়িয়ে থাকার উশ্ন আবেদন
বৃক্ষ উদাস ডাহুক বুকে বাক্য গড়ার ক্ষণ
সুখের পরাগ এই অধরা শরীর চেরা স্রোতে
শব্দ শুধায় বৃত্তে হারায় চায় নিজেকে পেতে
দূরান্তরের দখিন হাওয়ায় শিকল ভাঙ্গা সুর
তৃষ্ণাবুকে নিরব দাহে জীবন সুরায় চুর
বিন্দু মানুষ ভু-গোলকের বৃত্তে ঘুরে মরা
উজান স্রোতে নিরুদ্দেশের গন্ধ খুজে ফেরা
-আধাঁরের লেখক
পাশে আছেন,থাকবেন।এভাবেই আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাব।
ধন্যবাদ।
-লেখক।
সাহিত্য কলামের শতাব্দীর একশত এক লাইক পূর্ণ হলো।
আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
_বিড়িখাতার জনক হিমু মাহমুদ
পেজটিকে বড় করতে আপনাদের সহযোগিতা কাম্য করছি।
OUR GROUP LINK
m.facebook.com/groups/208487092674099
স্যান্ডেল/writer:শাম্মী তুলতুল
রুমের বাইরে থেকে স্যান্ডেল উধাও। প্রতিদিনকার মতো ঝন্টুর ছোট চাচীর চিৎকার চ্যাচামেচি। সকাল বেলা ঘড়ির এলার্ম আর দরকার পড়েনা। চাচীর চিৎকারে সবার ঘুম ভাঙে।
ঝন্টুর দাদী খুবই বিরক্ত হন এতে। বৃদ্ধ মানুষ, অসুস্থ শরীর। আজো তিনি লাঠি হাতে তেড়ে উঠোনে আসলেন। যেখানে ঝন্টু বন্ধুদের সঙ্গে খেলছিল। দাদীকে দেখে ঝন্টু ভয় পেয়ে গেল।
বলল, দাদী কি হয়েছে?
দাদী বলল- ‘নিজেকে শুধরাবি নাকি তোর বাবাকে সব জানিয়ে ঘরের সবাইকে উদ্ধার করবো। নয়তো জেল স্কুলে পাঠিয়ে দিবো ।’
ঝন্টু মাথা চুলকায় আর ভাবে। কিন্তু কিছু বুঝতে না পেরে সে আবার খেলায় মনোযোগ দিলো। খেলা শেষ, দুপুর গড়াল। দুপুর বেলা ঝন্টু খেতে বসলো।
এমন সময় মা এসে বললেন, ‘এই শয়তান ভালো করে খেয়ে নে, আমাকে উদ্ধার কর। পারলে আমার মাথাটাও খা। জীবনটা পানসে করে দিলো। হতচ্ছাড়া, সারাদিন হৈ চৈ করে ঘুরে বেড়ানো আর ধেই ধেই করে নেচে মানুষকে ক্ষ্যাপানো।’ ঝন্টু আবার মাথা চুলকাতে চুলকাতে ভাবল, কি ব্যাপার মায়ের মেজাজ আজ একেবারে আকাশে।
সন্ধ্যার সময় ঝন্টু পড়তে বসলো স্যারের কাছে। ‘তাল গাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে….’ পড়তে পড়তে এক সময় স্যার ঝন্টুকে বললেন- ‘একই রকম কষ্ট বার বার বাড়ির মানুষকে দিতে কি এমন মজা পাও শুনি? বাড়ির সবাই তোমার ওপর চটে আছে।’ ঝন্টু বলল, ‘কেন স্যার’?
স্যারের জবাব- ‘না জানার ভান করোনা । যাও কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকো কিছুক্ষণ।’
বোকা বোকা চেহারায় ফ্যাল ফ্যাল করে স্যারের দিকে তাকিয়ে রইলো ঝন্টু। মনে মনে ভাবলো, দোষ না করেও শাস্তি। ঝন্টু সারাদিন আর কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করলো না। মন খারাপ করে বারন্দায় বসে আকাশ দেখছিল আর ভাবছিল সারাদিনের যত কথা।
সারাদিন সবার কি হলো? ঝন্টু আবারও মাথা চুলকায় আর অংক কষে।
এমন সময় মন্টু এসে ঝন্টুকে দিলো একটা ধাক্কা। ‘কি ঝন্টু ভাইয়া সারাদিন সবার কেমন বকুনি খেলে’?
ঝন্টু বলল- মানে?
মন্টু বলল, ‘মানে হচ্ছে প্রতিদিন তুমি আমার স্যান্ডেল লুকিয়ে আমাকে কাঁদাও। আজ আমি লুকিয়ে তোমাকে সারাদিন বকুনি খাওয়ালাম। কেমন লাগলো ভাইয়া’?
ঝন্টু মাথায় হাত দিয়ে বলল, ‘আরে তুই এতো চালাক হলি কবে থেকে’? বাড়ির সবাই মন্টুর কাণ্ড শুনে হা……।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
1217
