Shahjahanpur Shibir

Shahjahanpur Shibir

Share

This is a part of an islamic organization named Bangladesh Islami Chatrashibir. It is established in SHahjahanpur thana of Dhaka city. The autocratic govt.

BangLaDesh Islami ChhatraShibir


Aims and Objects-

To seek the pleasure of Allah (SWT) by moulding entire human life in accordance with the code bestowed by Allah (SWT) and examplified by His Messenger (peace be upon them)


At a Glance-

Bangladesh Islami Chhatrashibir: 35 years of Struggle, Tradition, and Glory

A characteristic feature of the Indian subcontinent is the existence of an active

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


01 Shahjahanpur
Dhaka
1217

General information

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির


লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য-

এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সঃ) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পুনর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন।


এক নজরে ফিরে দেখা-

বাংলাদেশ

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। দীর্ঘ নয় মাস এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী হয় এ দেশের মুক্তিকামী মানুষ। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আমরা একটি স্বাধীন দেশ, একটি ভৌগলিক মানচিত্র, একটি লাল-সবুজ পতাকা লাভ করলেও প্রকৃত স্বাধীনতার সুখ আজো উপলদ্ধি করতে পারিনি। মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা প্রদানকারী পার্শ্ববতী দেশ ভারত সহসাই আমাদের সাথে দাদাগিরি শুরু করে। আমাদের দেশের মুল্যবান সম্পদরাজি সীমান্ত দিয়ে চলে যেতে থাকে ভারতে। প্রতিবাদ করার অপরাধে দেশের প্রথম রাজনৈতিক বন্দী হন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ.জলিল। অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে নেমে এলো অর্থনৈতিক বিপর্যয়, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সাংস্কৃতিক দেউলিয়াত্ব। এই সামগ্রীক অরাজকতা অল্প সময়ের মধ্যেই দেশটির স্বাধীনতাকে এক ধরণের পরাধীনতায় গ্রাস করল, যাকে প্রখ্যাত গবেষক আবুল মনসুর আহমেদ বললেন “ বেশী দামে কেনা , কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা”।

৭১-৭৫ এ স্বল্প সময়ের মধ্যেই গনতান্ত্রিক বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হলো একদলীয় স্বৈর সরকার ‘বাকশাল’। সকল দলের ও সকল মতের টুটি চেপে ধরা হলো। ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে ইসলামের নামে যে কোন দল বা সংগঠন নিষিদ্ধ করা হলো। সরকার নিয়ন্ত্রিত ৪ টি পত্রিকা ছাড়া অন্যান্য সকল পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হলো। মানুষ হারালো তার বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা। এ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিবাদ করল এ দেশের তরুণ সমাজ। প্রান দিতে হলো ৩০,০০০ তরুনকে। দেশ চলে গেল “একনেতা একদেশ” শ্লোগানধারী একদল উচ্ছৃংখল ও জিঘাংসু বাহিনীর কবলে। দেশের মানুষ নিমজ্জিত হলো কুশাসনের অন্ধকারে, হারালো সব রকমের স্বাধীনতা। লক্ষ লক্ষ মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে জীবন দিল, কাপড়ের অভাবে বাসনতীরা ছেঁড়া জাল জড়িয়ে লজ্জা নিবারণে বাধ্য হলো, মানুষে-কুকুরে কাড়াকাড়ি করলো ডাস্টবিনের উচ্ছিষ্ট খাবার নিয়ে। ক্ষমতাসীন লোকেরা ও সন্তান-সন্ততিরা উঠে গেল আইনের উর্দ্ধে আর নিরীহ মানুষেরা শিকার হতে লাগলো কালো আইনের কঠোর থাবার।


সোনার বাংলার স্বপ্ন কিন্তু-

বাংলাদেশ সুজলা- সুফলা, শষ্য-শ্যামলা এক স্বপ্নের দেশ। একসময় এ দেশে টাকায় ৮ মন চাল পাওয়া যেত, এখানে ছিল গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু আর গৃহভরা স্নেহপ্রীতি। সেজন্য এই বাংলাকে বলা হতো “সোনার বাংলা”। এই সোনার বাংলার প্রতি লোভ ছিল সবার। বারবার ঔপনিবেশিক শাসন,বর্গীদের হানা,স্বাধীনতা পরবর্তী এক দলীয় শাসন এই বাংলার জনপদের সুখ-সমৃদ্ধি ও স্থিতি ছিনিয়ে নিয়েছে। সেজন্য যারাই মানুষকে আশার বাণী শুনিয়েছে তাদের সকলের মুখে একটি কথায় ছিল সেটি হচ্ছে আমরা সোনার বাংলা গড়বো। পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের হাত থেকে দেশকে স্বাধীন করতে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার মনে সাহস জাগিয়েছিল এই শ্লোগান,মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষ। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান নিজেই বললেন “ মানুষ পায় সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। আমার ডানে-বামে সবদিকে চোর। সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য সাড়ে সাত কোটি কম্বল এসেছে আমার কম্বল কই?”

একটি সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখা যত সহজ তা বাস্তবায়ন করা তত সহজ নয়। এজন্য চাই একদল সোনার মানুষ যারা হবে সৎ, সত্যনিষ্ঠ, যোগ্য, দেশপ্রেমিক ও চরিত্রবান। এমন একদল মানুষ ছাড়া কিভাবে সোনার বাংলা গঠন করা সম্ভব? আসলে মানুষ তৈরি হয় শিক্ষার মাধ্যমে। একটি সুন্দর, পরিকল্পিত ও জাতির অধিকাংশ লোকের বিশ্বাসের ওপর ভিত্তিকরে গড়ে উঠা শিক্ষা ব্যবস্থা পারে একদল সুন্দর মানুষ তৈরি করতে। কিন্তু আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত যে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলিত আছে তা প্রায় সোয়া দুইশত বছর পুর্বের ব্রিটিশ প্রচলিত শিক্ষা ব্যাবস্থার সংমিশ্রন। সুতরাং এই শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভাল মানুষ তৈরি করা সম্ভব না।

এমন একটি হতাশা জনক অবস্থায় কোন সঠিক লক্ষ ও পরিকল্পনা ছাড়াই যখন দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। ঠিক এ সময় ১৯৭৫ সালে বাংলার ইতিহাসে যোগ হলো আর একটি ঘটনা। সপরিবারে নিহত হলো বাংলার স্বাধীনতার নায়ক ও সরকার প্রধান, এরপর সামরিক শাসন, গণতান্ত্রিক অভ্যুথান ইত্যাদি সব মিলিয়ে জাতির কপালে নেমে আসল হতাশা।


যেভাবে ছাত্রশিবিরের যাত্রা শুরু-

কোন প্রেক্ষাপট ছাড়া যেমন কোন ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম নেই না তেমনি প্রয়োজন ছাড়া কোন সংগঠনের ও জন্ম হয়না। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জন্ম ছিল তৎকালীন সময়ের অনিবার্য দাবী। জাতির যখন এমন চরম দুরবস্থা ঠিক সেই মুহুর্তে কিছু চিন্তাশীল ও সাহসী প্রাণ যুবক, তরুন ছাত্র সমাজকে আদর্শ, চরিত্রবান ও দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলার মহান ব্রত নিয়ে আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করে সিদ্ধান্ত নিলো একটি সংগঠন কায়েম করার।

সেই অনুযায়ী ১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারী প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে যাত্রা শুরু করে “বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির”। এভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে, দলীয় লেজুরবৃত্তি মুক্ত হয়ে ও স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্বপ্রকাশ করল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। গঠনমুলক কার্যক্রম ও চারিত্রিক মাধুর্যতার কারনে এদেশের ছাত্রসমাজসহ সকল মনের মানুষের হৃদয়ে একটি স্থায়ী আসন করে নেয় ছাত্রশিবির।


ছাত্রশিবির একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-

আমাদের দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যাবস্থা একজন ছাত্রকে দুনিয়ায় চলার মতো জ্ঞান-বিজ্ঞান ও কলা-কৌশল শিক্ষা দেয় কিন্তু নৈতিকতা ও মানবিকতা শিক্ষার কোন সুযোগ এখানে নেই। ফলে দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশে প্রতি বছর শিক্ষার হার যেমন বাড়ছে ঠিক তেমন ভাবে বাড়ছে দূণীতি, অন্যায়, রাহাজানি, খুন ইত্যাদি। দুর্নীতিতে দেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একাধিকবার। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তার যাত্রার শুরু থেকেই এদেশের অধিকাংশ মানুষের বিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত ইসলামী শিক্ষা ব্যাবস্থা পরিবর্তনের দাবীতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্পুর্নভাবে সফল না হলেও ছাত্রশিবিরের প্রচেষ্টায় ও নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রমের ফলে প্রতি বছর বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হচ্ছে একদল আলোকিত মানুষের মাধ্যমে, দেশ সেবা যাদের কর্তব্য আর মানবসেবা যাদের ধর্ম।

শিবির তার কর্মীদের একটি সুন্দর ও সমন্বিত সিলেবাসের মাধ্যমে গড়ে তুলছে। যেখানে প্রতিটি ছাত্রকে নিয়মিত রির্পোট রাখতে হয়। প্রতিদিন তাকে অর্থসহ কোরান ও হাদীসের কিছু অংশ অধ্যায়ন করতে হয়, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ ঘন্টা পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন করতে হয়। ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হয়, পত্র-পত্রিকা পড়তে হয়, শরীর চর্চা করতে হয় এবং আত্বসমালোচনা করতে হয়। এভাবে একজন ছাত্রকে দুনিয়া ও দুনিয়া পরবর্তী জীবন অর্থাৎ আখেরাত এ উভয় স্থানে যেন সফল হতে পারে সেভাবে গড়ে তোলা হয়। শিবিরের দায়িত্বশীলেরা শিক্ষকের মতো কর্মীদের ব্যক্তিগত রিপোর্ট দেখে তাদের পরামর্শ দেন। তাই নিঃসন্দেহে আমরা বলতে পারি ছাত্রশিবির একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।


ছাত্রদের পাশে ছাত্রশিবির-

ছাত্রদের জন্যই ছাত্রশিবির সে জন্যই ছাত্রশিবির একমাত্রায় লিখা হয়। শিবির ছাত্রদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সবসময় কথা বলেছে, ছাত্রদের নায্য অধিকার আদায়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে গেছে। ছাত্রশিবিরের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারন এটিও। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ভর্তির জন্য ছাত্রশিবিরের কোচিং ও গাইড সমূহ ইতিমধ্যেই ছাত্র ও অভিভাবকমন্ডলীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ব্যবসায়িক মনোভাব নয় বরং জনকল্যান ও ছাত্রকল্যান মুলক মনোভাব নিয়ে এ সকল কোচিং সমুহ পরিচালিত হয়। অনেক দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা এখানে স্বল্প ফি আবার কখনো বিনা বেতনে কোচিং করার সুযোগ পায়। মেধার সুষ্ঠু ও সঠিক বিকাশ ঘটাতে তার স্বীকৃতি অপরিহার্য। ছাত্রশিবির এ কথা বিবেচনা করেই মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহ প্রদান করতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্তরের যেমন প্রাইমারী সমাপনী পরীক্ষায়, জে ডি সি ও জে এস সি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উর্ত্তীনদের সংবর্ধনা দিয়ে উৎসাহিত করে। এছাড়াও ছাত্রশিবিরের তত্বাবধানে গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য বৃত্তির ব্যাবস্থা রয়েছে। এছাড়াও ধুমপান ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এবং মেধার সঠিক বিকাশে নকল মুক্ত পরীক্ষার জন্য ছাত্রশিবির কাজ করে যাচ্ছে।


প্রতিভার লালন ও বিকাশের কেন্দ্র শিবির-

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেবল প্রতিভা বিকাশ ও লালনের কাজই করেনা বরং শিবির প্রতিভা সন্ধানী একটি ছাত্র সংগঠন। ছাত্রদের শারীরিক,মানসিক ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে ছাত্রশিবির আয়োজন করে থাকে কুইজ প্রতিযোগীতা, মেধা যাছাই, ক্যারিয়ার গাইড লাইন কনফারেন্স, কম্পিউটার মেলা, বিজ্ঞান মেলা, সাধারন জ্ঞানের আসর, আবৃত্তি প্রতিযোগীতা, ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগীতা। এসব আয়োজনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি তাদের আত্ববিশ্বাস বৃদ্ধি পায় ফলে তারা দেশ ও জাতির জন্য যে কোন রকমের ঝুঁকি নিতে পারে।

সাহিত্য চর্চার জন্য ছাত্রশিবিরের রয়েছে নিজস্ব নিয়মিত বাংলা ও ইংরেজী প্রকাশনা সমুহ যেমন মাসিক ছাত্র সংবাদ, perspective ইত্যাদি। অপসংস্কৃতির হাত থেকে তরুন ছাত্র সমাজকে রক্ষার জন্য বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মুল্যবোধের ভিত্তিতে ছাত্রশিবিরের সারাদেশে রয়েছে ২০০ টির ও বেশি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী । যা ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যপক সাড়া ফেলেছে। তাকওয়া, আখেরাত, বিশ্বভ্রাতৃত্ব ও মানবতাবোধের ওপর ভিত্তি করে গঠিত এই নতুন ধারার সাংস্কৃতির মধ্যে রয়েছে ইসলামী গান, দেশাত্ববোধক গান, জারী, ভাওয়াইয়া ও ভাটিয়ালী গান,আবৃত্তি, রয়েছে সমাজের বাস্তব চিত্র নিয়ে নাটক ও কৌতুক। বাংলাদেশের আধুনিক ও শিক্ষিত তরুনদের মাঝে ইসলামী আচার-আচরণ,মুল্যবোধ ও সংস্কৃতি চর্চার ব্যাপারে শিবিরের রয়েছে বিরাট ভুমিকা। সবার মাঝে সালামের প্রচলন, বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহের বন্ধনে আবদ্ধ করা শিবিরের সংস্কৃতি। পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য রয়েছে নিজস্ব ঈদ কার্ড ও শুভেচ্ছা কার্ড। ছোট বড় সকলের জন্য রয়েছে পোস্টার, স্টীকার, ভিউকার্ড, পোস্টকার্ড, ক্লাস রুটিন, রমজানের সময়সূচী, নববর্ষের ডাইরী. ক্যালেন্ডার ইত্যাদি। এছাড়া বিজ্ঞান শিক্ষাকে আরো আকর্ষণীয় ও সহজ করার জন্য সচিত্র সায়েন্স সিরিজ বের হয়েছে।

এই দুর্যোগে, দুর্ভোগে আজ জাগতেই হবে তোমাকে.....

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম দুর্যোগ কবলিত দেশ। ইতিহাসের ভয়াবহ সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে টিকে আছে এদেশের মানুষ। নিজের জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি অন্যদের সাহায্যে ছুটে যাওয়া এখানকার মানুষের চিরাচরিত নিয়ম। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির দেশের যে কোন দুর্যোগ মুহুর্তে নিজ সামর্থ অনুযায়ী দেশের মানুষের পাশে থেকেছে।

১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৮, ২০০০, ২০০১ এর প্রলয়ংকরী বন্যা এবং ২০০৭ সালের সিডরে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে ছাত্রশিবির দাড়িয়েছিল খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসা নিয়ে। একইভাবে ২০০৯ সালের আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশেও দাঁড়িয়েছিল ছাত্রশিবির।


পাঁচদফা কমর্সুচীঃ

একঃ তরুণ ছাত্রসমাজের কাছে ইসলামের আহ্বান পৌঁছিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞান অর্জন এবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।

দুইঃ যে সব ছাত্র ইসলামী জীবনবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা।

তিনঃ এই সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ ছাত্রদেরকে ইসলামী জ্ঞান প্রদান এবং আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তুলে জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা।

চারঃ আদর্শ নাগরিক তৈরীর উদ্দেশ্য ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবিতে সংগ্রাম এবং ছাত্রসমাজের প্রকৃত সমস্যা সামাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান।

পাঁচঃ অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং সাংস্কৃতিক গোলামী হতে মানবতার মুক্তির জন্য ইসলামী সমাজ বিনির্মানে সর্বাত্মক প্রচষ্টা চালানো।