Employee of BCIC

Employee of BCIC

Share

BCIC -The Leading Industrial Organisation of Bangladesh Under the Minstry of Industry.

Photos from Employee of BCIC's post 08/05/2026

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন সম্মেলন--২০২৬।

অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কুশল বিনিময় করেন বিসিআইসির চেয়ারম্যান মহোদয়।

পে স্কেল: প্রথম ধাপে সুখবর ও স্বস্তি পাচ্ছেন যারা | বাংলাদেশ 07/05/2026

https://www.somoynews.tv/news/2026-05-07/68Lw4BKO?fbclid=IwdGRjcARpDSdjbGNrBGkNH2V4dG4DYWVtAjExAHNydGMGYXBwX2lkDDM1MDY4NTUzMTcyOAABHqaCwiY3wlgxp8HYmjxhq626UaVK2hVbKMdMwO8oBPOQJx-0w2m24AavwXQK_aem_aPVJwWVgo5jPkDfh1y2mLg

পে স্কেল: প্রথম ধাপে সুখবর ও স্বস্তি পাচ্ছেন যারা | বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে পে স্কেল ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থ মন....

30/04/2026

সুস্থ সবল থাক মেহনতি হাতগুলো, সাফল্য কামনা করি যাদের ঘামে সচল থাকে অর্থনীতির চাকা।সফলভাবে টিকে থাকে সভ্যতা,স্হির থাকে রাষ্ট্র কাঠামো।

25/04/2026

আমন মৌসুমকে সামনে রেখে ইউরিয়া সার আমদানির দিকে যাচ্ছে সরকার। কিন্তু সরবারাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর থেকে সাড়া মিলছে না।

সূত্রঃ বনিক বার্তা

এমতবস্থায় একমাত্র পরিত্রাণের পথ হচ্ছে বিসিআইসির নিয়ন্ত্রনাধীন কারখানাগুলোতে গ্যাস সংযোগ দিয়ে ইউরিয়া উৎপাদন বৃদ্ধি করা। ফলে একদিকে যেমন কারখানাগুলো ভাল থাকবে অপর দিকে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

Photos from Employee of BCIC's post 22/04/2026

গ্যাস সরবরাহ করা হবে সারকারখানায়।।
---পেট্রোবাংলা

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্হিতির কারনে সার আমদানি সম্ভব নয়।তাই তরলীকৃত গ্যাস (LNG) আমদানি বাড়িয়ে দেশের সারকারখানাগুলো চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ প্রেক্ষাপটে দেশের অন্যতম বৃহৎ তিনটি ইউরিয়া সারকারখানা কাফকো,সিইউএফএল এবং শাহজালাল সারকারখানায়(SFCL) মে মাস থেকে গ্যাস সরবারাহ করার কথা রয়েছে।একই সাথে এসব কারখানাগুলোর যান্ত্রিক ত্রুটি নিরসন করে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে কারখানা চালু করার মানসিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, মে-জুন মাসে সরকার প্রায় ০৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চার কার্গো তরলীকৃত গ্যাস আমদানির পরিকল্পনা করছে।





পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণ জানালেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম | বাণিজ্য 22/04/2026

অন্তর্বতীকালীন সরকারের সময় পে - স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারন জানালেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণ জানালেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম | বাণিজ্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) চালু করতে না পারার কারণ জানিয়েছেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আল....

06/04/2026

বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং গ্যাস সংকটের কারনে গত ০৪/০৩/২০২৬ইং তারিখে বিসিআইসির নিয়ন্ত্রনাধীন সকল ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা থেকে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।সেই ধারাবাহিকতায় এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠান জিপিএফপিলসিও গ্যাস সংকটের কারন দেখিয়ে বন্ধ করা হয়।

পুনঃরায় গ্যাস সংযোগের ফলে আজকে
০৬/০৪/২৬ইং প্রায় একমাস পরে জিপিএফপিএলসি ইউরিয়া সার উৎপাদনে সক্ষম হয়।আলহামদুলিল্লাহ।

আশা করছি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে
পর্যায়ক্রমে গ্যাস সংযোগ দিয়ে দেশের
সার সংকট নিরসনে বর্তমান সরকার
গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।একইসাথে কারখানাগুলোর মুল্যবান যন্ত্রাংশগুলো
রক্ষা পাবে।

04/04/2026

দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ জাতীয় পে-স্কেল হয়েছিল ২০১৫ সালে। ১জুলাই-২০১৫ থেকে বেতন স্কেল কার্যকর হয়েছিল।

সেই থেকে আজ পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে ৮০-১০০% পার্সেন্ট, যা প্রায় দ্বিগুণ।

অর্থাৎ, ২০১৫ সালে ১০০ টাকায় যা কেনা যেতো এখন সেই একই জিনিস কিনতে লাগে প্রায় ১৮০–২০০ টাকা। তাই বাস্তবে সরকারি চাকরিজীবীদের রিয়েল (ক্রয়ক্ষমতা) বেতন অনেক কমে গেছে।

গত ১১ বছরের মুদ্রাস্ফীতির কারণে ২২ হাজার টাকা বেতনের নবম গ্রেডের একজন কর্মকর্তার বর্তমান বেতন দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার টাকায়।

অর্থাৎ, ১১ বছর আগে ২২ হাজার টাকায় যা কেনা যেতো, ঐ একই জিনিস কিনতে এখন লাগে প্রায় ৪৪ হাজার টাকা।

সুতরাং, সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল দেওয়াটা জরুরি।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে মাত্রই। তারা এখনো সবকিছু ঠিকমতো গুছিয়ে উঠতে পারেনি বটে। কিন্তু, পে-স্কেলের টাকা যদি ফ্যামিলি কার্ডে দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সমস্যা বাড়বে।

পে-স্কেল ঘোষণার ক্ষেত্রে সব সরকারই তেলা মাথায় তেল দেয়। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তাদের দরকার হয় আমলাদের সুযোগসুবিধা বেশি করে দিয়ে তাদেরকে নিজেদের পক্ষে রাখা। সেজন্য নীচের স্তরের কর্মচারীদের বেতনের দিকে তাদের খেয়াল থাকেনা।

বাজার সবার জন্যই সমান। নিম্নপদস্থ চাকরিজীবীদের জন্য আলাদা বাজার থাকলে তাদের কম বেতনেও চলতো হয়তো, কিন্তু বাজার যেহেতু একই, সরকার যেন সেদিকে চোখ রাখে।

তাছাড়া বাংলাদেশের বাস্তবতায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বেতনের টাকায় হাত দেওয়া লাগে না। তাদের যে পরিমাণ উপহার উপঢৌকন আসে তা দিয়েই চলতে পারেন।

বাংলাদেশের কোন আমলাকে কোনদিন বাজার করতে দেখেছেন? তাদের বাজার করা লাগেও না। মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা আমলারা কীভাবে দেশের ধনীক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় সেই খবর যতদিন আমরা না রাখতে পারবো, ততদিন দেশ উন্নত হবেনা।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka