PKSF has initiated `Cultural & Sports Programme' by it's POs to strengthen the multidimensional prog
Cultural & Sports Program
In order to create an ingenious society and dignified nation by retaining healthy physical growth and good cultural values among the People from different levels of the society specially children and teenagers, PKSF has initiated Cultural and Sports Program as a part of its multidimensional Poverty Alleviation programs. From July 2017 it has been implemented across the co
untry by 60 Partner Organizations (PO) of PKSF whereas 10 POs started the program in March 2016 . The selected POs have organized the programme with their own ability to carry out ‘Sports and Cultural Activities’ based on local tradition and seasonal trend. PKSF has prepared a yearly comprehensive work plan for the events by amalgamating the POs’ individual plan for execution. In future this program will be spread in all over Bangladesh by PKSF and its POs. The following cultural and sports activities are listed for implementing under the programme : Competition of Drawing and Hand Writing, Wall Magazine creation, Essay writing, Story telling, Music including Folk & Local, Reciting, Acting, Dance, Debate, Season wise festivals & fares, Science & Technology fare etc and Inter School Football, Handball, Volleyball, Cricket, Table tennis, Swimming, Sprint, Kabadi, Badminton, Mini Marathon, Cycling, Bullock Cart Race and other local cultural and sports activities and arranging some workshops for skill development and establishing good values. The expenditure of the program will be covered from `Special Fund’ and ‘Program-Support Fund’ of PKSF along with from 10% of the surplus of Credit Programs of Partner Organizations.
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানুষের সুকুমার বৃত্তির উন্নয়নকে স¤পৃক্ত করতে না পারলে টেকসই দারিদ্র বিমোচন এবং মানবিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য একটি দেশের আর্থ-সামাজিক ও মানবিক সক্ষমতা অর্জন আবশ্যক। আর মানবিক সক্ষমতা অর্জনের প্রপঞ্চ হলো মানুষের মানসিক ও দৈহিক সক্ষমতার উন্নয়ন ও বিকাশ, যার জন্য সুকুমার ভিত্তি ও ক্রীড়া চর্চার কোন বিকল্প নেই। আমাদের দেশকে নিু মধ্যম আয় থেকে পর্যায়ক্রমে মধ্যম ও উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে এ জাতিকে পরিপূর্ণরূপে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মনষ্ক হতে হবে। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চা মানুষের মননশীলতার বিকাশ ও শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সুকুমারবৃত্তি চর্চার অন্যতম মাধ্যম। সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে দলগত কাজ করার মানসিকতা তৈরি হয়, তারা সাহসী হয়, মিলেমিশে ভাল কিছু করার আগ্রহ তৈরি হয়। এ প্রেক্ষিতে সুস্থ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া-চর্চার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানুষের সুকুমার বৃত্তির চর্চাকে সম্পৃক্ত করে টেকসই দারিদ্র বিমোচনের বহুমাত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে পর্ষদের ১৯৭তম সভার সিদ্ধান্তক্রমে একটি সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মনষ্ক সমাজ ও জাতি গঠনের লক্ষ্যে শিশু-কিশোরসহ সমাজের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য পিকেএসএফ সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম অর্থাৎ শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে বাংলাদেশের সংবিধান এবং ঐতিহ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ লালন এবং একটি ক্রীড়ামনস্ক জনগোষ্ঠী তৈরির ক্ষেত্রে প্রণোদনা দেওয়া এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এ কর্মসূচির মাধ্যমে পিকেএসএফ তার সহযোগী সংস্থাসমূহসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের সহযোগিতায় শিশু-কিশোরদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ, আÍবিশ্বাস অর্জন, একতাবদ্ধ ও নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষাসহ সর্বোপরি সঠিকভাবে তাদের শারীরিক ও মানসিক গঠন ও বিকাশের জন্য শহরে-গ্রামে-তৃণমূল পর্যায়ে ছোট-বড় আয়োজনের মাধ্যমে বাঙালীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চা এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নৈতিকতা,শুদ্ধাচার ও ব্রতচারী চর্চাকে ছড়িয়ে দিবে। বছরের বিভিন্ন সময়ে গ্রামে ও শহরে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান-প্রতিযোগিতা-কর্মশালা, মেলা ইত্যাদি নানা সামাজিক ও শিক্ষামূলক আয়োজনে শিশু-কিশোরসহ সকল প্রজন্মের মানুষদের সম্মিলন ঘটিয়ে পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ স¤পর্ক, শ্রদ্ধাবোধ তৈরি এবং সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর মনন গঠনে উৎসাহ প্রদান করা, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ও অশুভ চিন্তা রোধ করাই এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। এছাড়া এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মশালা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় গুণী শিল্পী ও খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করা হবে। এর ফলে শিশু-কিশোরসহ তরুণ ও পেশাজীবী মানুষের প্রতিভা, সুকুমার বৃত্তি ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটবে। পিকেএসএফ-এর পরিচালনা পর্র্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত কর্মপরিকল্পনার আলোকে বিগত মার্চ-২০১৬ হতে নির্বাচিত ১০টি সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সংস্থাগুলো নিজস্ব সামর্থ্য অনুযায়ী অঞ্চল ও মৌসুমভেদে প্রচলিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, যা পিকেএসএফ পরিচালিত দারিদ্র বিমোচন কর্মকাণ্ডকে আরো টেকসই করার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিন্তা-চেতনায় প্রাগ্রসর জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার জন্য দেশব্যাপী বইপড়া, রচনা, প্রবন্ধ ও গল্প বলা ও লিখা, দেয়াল পত্রিকা, ছবি আঁকা, সুন্দর হস্তলিপি ইত্যাদি প্রতিযোগিতা; ভাষার সুস্থ ব্যবহারকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কবিতা আবৃত্তি ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং কর্মশালার আয়োজন; গণিত, বিজ্ঞান, কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা আয়োজন; সুস্থ সংস্কৃতির চর্চাকে প্রসারের লক্ষ্যে রবীন্দ্র-নজরুল, দেশাত্ববোধক গান, লোক ও আঞ্চলিক সঙ্গীত, পালাগান, অভিনয় ও নৃত্য ইত্যাদি প্রতিযোগিতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বাংলা নববর্ষ ও পৌষ উদযাপন, স্কুলভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কর্মশালা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ইত্যাদি আয়োজন; সুস্থ শরীর গঠন ও নের্তৃত্বের বিকাশে দৌড়, লাফ, মোরগ লড়াই, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, হাডুডু, কাবাডি, টেবিল টেনিস, ফুটবল, কিশোরী ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, হ্যান্ডবল, ব্যাডমিন্টন, কেরাম, সাঁতার, নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা, গরুর গাড়ি প্রতিযোগিতা, মিনি ম্যারাথন, সাইক্লিং ইত্যাদি খেলার আয়োজন করা হচ্ছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের লেখালেখিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধসহ তাদের বিভিন্ন লেখা সংগ্রহ ও প্রকাশ এবং সৃজনশীল লেখালেখির দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এতদ্বিষয়ক কলাকৌশল কর্মশালার মাধ্যমে হাতে-কলমে প্রায়োগিকভাবে শিক্ষাদান, নির্বাচিত প্রতিযোগীদের প্রতিভা, মেধা ও দক্ষতাকে আরও শাণিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন শিশু-কিশোর পত্রিকা এবং সংগঠনের সাথে একযোগে কাজ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচিটির মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, সমাজে মানুষের মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশপাশি কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থাগুলোর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি করবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষের হৃদয়ের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। এ ধরণের সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম সংস্থাগুলোর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়া আয়ের একটি অংশ এ ধরণের কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য সংস্থাগুলোর সুযোগও রয়েছে। এ সকল কার্যক্রম একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা ও কার্যকর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য কর্মসূচির প্রাথমিক পর্যায়ে পিকেএসএফ তার ১০ টি সহযোগী সংস্থাকে বাছাই করেছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে এ কর্মসূচি সমগ্র দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেবার পরিকল্পনা রয়েছে। পিকেএসএফ এ কর্মসূচিতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। আশা করা যায়,এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে এমন সময় আসবে যখন মানুষ নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে এ ধরণের কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, এটি একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিবে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, সংগঠন এ দেশের বহুমুখী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। fb.me/culturalandsportsprogrampksf