মুজিববাদ বাঙালি মুক্তির দর্শন

মুজিববাদ বাঙালি মুক্তির দর্শন

Share

unofficial fan Page of বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ ফ্যান পেজ লাইক ফলো শেয়ার করে শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করুন

Photos from মুজিববাদ বাঙালি মুক্তির দর্শন's post 23/04/2026

পতন শেখ হাসিনার হয়নি,
পতন হয়েছে দেশের মানুষের।

কেমন আছে দেশের মানুষ ?
#মজিববাদবাঙালিমুক্তিরদর্শন

23/04/2026

১ কোটি ৬২ লক্ষ প্রকৃত কৃষককে "কৃষি কার্ড", ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ, কোনো কিছু বন্ধক ছাড়াই "ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ" এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের খেলাপি ক্ষুদ্র
কৃষি ঋণ মওকুফ করেন কৃষক বান্ধব শেখ হাসিনা।
#মজিববাদবাঙালিমুক্তিরদর্শন #আমি_আওয়ামিলীগ

22/04/2026

গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ভালো লাগবে শুনতে পারেন Part 6

22/04/2026

গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ভালো লাগবে শুনতে পারেন

21/04/2026

কৃতিম সংকট দেখিয়ে বাংগালী কে বোকা বানিয়ে কিভাবে তেলের দাম বাড়ালো বুঝলেন তো?

21/04/2026

https://www.facebook.com/share/18RJ7rBqkC/?mibextid=wwXIfr

আওয়ামী লীগ নেতাদের সিম বন্ধ করে বিক্রির ‘বাণিজ্য’, ছাত্রলীগ নেতা জাকিরের চাঞ্চল্যকর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের প্রভাবশালী নেতাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরগুলো সুপরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দিয়ে তা মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করার একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার (২০ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে জাকির হোসাইন অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ চক্র কোনো পুঁজি ছাড়াই এই ‘লাভজনক ব্যবসা’ শুরু করেছে। তারা টার্গেট করা নেতাদের সিম বন্ধ করে দিচ্ছে এবং পরবর্তীতে সেই নম্বরগুলো অন্যত্র বিক্রি করে ফায়দা লুটছে।

যা ঘটেছিল জাকির হোসাইনের সাথে

সাবেক এই ছাত্রনেতা জানান, গতকাল রাতে অনেকটা ঘোষণা দিয়েই তার ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহৃত সিমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সিমটি বন্ধ হওয়ার পরপরই আজ সকাল থেকে তার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক করার জন্য দফায় দফায় চেষ্টা চালাচ্ছে ওই চক্রটি।

জাকির হোসাইন তার পোস্টে লিখেন, "গতকাল রাতে একরকম ঘোষণা দিয়েই আমার ব্যবহৃত সীমটি বন্ধ করে দিয়েছে। সকাল থেকে আমার ফেইসবুক আইডিটি হ্যাক করার চেষ্টা চলছে! এটাও বুঝি একটা বিনা পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা তাহলে!"

নেতাদের প্রতি সতর্কবার্তা

ভবিষ্যতে অন্য নেতাদেরও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জাকির বলেন, "ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি থাকাও কিন্তু ভালো। কার কখন কোন নাম্বার চলে যায় সেটা তো বলা যায় না।"

অনুসন্ধানে যা জানা যাচ্ছে

গুগল সার্চ ও বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে 'সিম সোয়াপ' (SIM Swap) বা অবৈধভাবে সিম রিপ্লেসমেন্ট করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর দখল নিতে পারলে তাদের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ব্যাংকিং অ্যাপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সহজ হয়। সাধারণত মোবাইল অপারেটর কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মী অথবা ডিলারদের যোগসাজশে এনআইডি জালিয়াতি করে এই কাজ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন। এই সুযোগে তাদের ব্যবহৃত দীর্ঘদিনের পরিচিত নম্বরগুলো হাতিয়ে নেওয়ার একটি সংঘবদ্ধ চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

এ ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচতে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) হিসেবে ফোন নম্বরের বদলে ‘অথেনটিকেটর অ্যাপ’ (যেমন- Google Authenticator) ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া হুট করে সিম বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মোবাইল অপারেটর কোম্পানির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

21/04/2026

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন সাহেব কে যারা ভুল বুঝেছেন তাদের জন্য বক্তব্য, তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন কথাই বলেননি তিনি যা বলেছেন তার সাথে বাস্তবতার অনেক মিল ছিল নেতারা ব্যস্ত ছিল পদ পদবি বাণিজ্যে সেই কথাই তিনি তুলে ধরেছেন এখানে মন্দ কিছুই বলেন নি,উনাকে ভুল বোঝার কোন কারন নাই, তবে আজ তার এই বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পরে আমিও প্রথমে কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েছিলাম। পরে পুরো বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে দেখার পর আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে, তিনি সেখানে নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলেননি। বরং তার বক্তব্য ছিল কিছু নেতার বিরুদ্ধে, যারা পদ-পদবী বেচাকেনার সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

ব্যক্তিগত অপছন্দ অনেক সময় নিরপেক্ষ বিচারকে প্রভাবিত করতে পারে, আর সেটিই এখানে কিছুটা ঘটেছে।

তাই বিষয়টি পরিষ্কার করার স্বার্থে বলছি, আপনারা ক্লিপটি মন দিয়ে শুনুন, তিনি আসলে কী বলতে চেয়েছেন তা তাহলেই বোঝা যাবে।
#মজিববাদবাঙালিমুক্তিরদর্শন #আমি_আওয়ামিলীগ

21/04/2026

জোকার যখন প্র'ধানমন্ত্রী হয়, তখন নিজ এলাকার খবরও রাখে না। সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া রেললাইন প্রকল্পটি ২০১৮ সালে বাস্তবায়ন করে আওয়ামী লীগ সরকার, আর তিনি এখন বলতেছেন প্রকল্পটির কাজ শুরু করবেন।
#মজিববাদবাঙালিমুক্তিরদর্শন #আমি_আওয়ামিলীগ

20/04/2026

তেল আছে, তেল নেই!

রিফাইনারিতে পেট্রল আর অকটেন উপচে পড়ছে। ট্যাংক ভরা। জায়গা নেই। অথচ ঢাকার পাম্পে লম্বা লাইন। এই দুটো ছবি একসাথে দেখলে মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে। এটা কোনো দুর্ঘটনা না, কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগও না। এটা সরকারের নিজের হাতে তৈরি সংকট।

সুপার পেট্রোকেমিক্যাল, যারা দেশের মোট পেট্রল-অকটেন চাহিদার ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ একাই সামলায়, তাদের ৫ এপ্রিলের বৈঠকে বলা হয়েছিল এপ্রিলে ৩৭ হাজার টন সরবরাহ করতে প্রস্তুত থাকো। তারা প্রস্তুতিও নিল। তারপর ৮ এপ্রিল হঠাৎ চিঠি দিয়ে জানানো হলো, তেল নেওয়া হবে না। এই একটা সিদ্ধান্তে কোম্পানির ট্যাংক ভরে গেল, উৎপাদন বন্ধ হওয়ার জোগাড়।

এদিকে একই সময়ে সরকার পেট্রল-অকটেনের দাম বাড়িয়ে দিল।

একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। দেশে তেল আছে, রিফাইনারি থেকে নেওয়া হচ্ছে না, পাম্পে সংকট তৈরি হচ্ছে, আর ঠিক সেই মুহূর্তে দাম বাড়ানো হচ্ছে। এই তিনটা জিনিস একসাথে ঘটছে। এটাকে কি অযোগ্যতা বলবেন, নাকি পরিকল্পিত বলবেন? যে কোনো একটা হলেই এই সরকারের থাকার অধিকার প্রশ্নবিদ্ধ।

দাম বাড়ানোর পরও পাম্পে ভিড় কমেনি। মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। কারণ তেল দরকার। বাইকারের জীবিকা তেলের ওপর নির্ভর করে। রিকশাচালক না খেলেও চলবে কিন্তু তেল না পেলে চলবে না। ওদিকে কৃষক বলছে ধানে সেচ দিতে পারছে না, ডিজেল নেই। বোরো মৌসুমে ডিজেলের সংকট মানে ফসলের সংকট, আর ফসলের সংকট মানে সামনের মাসগুলোতে আরেকটা সমস্যা।

কিন্তু সরকারের তরফ থেকে কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা নেই। কোনো ব্যাখ্যা নেই। কোনো দায়িত্ব স্বীকার নেই। প্রধানমন্ত্রী নাকি একাধিক বৈঠক করেছেন। বৈঠক হয়, নির্দেশনা দেওয়া হয়, তারপর পরের দিন আবার পাম্পে লাইন। বৈঠকের ফল শূন্য।

এখন বিএনপির গুজব সেল সোশ্যাল মিডিয়ায় গল্প ছড়াচ্ছে যে মার্চে অকটেন সংকটের সময় দেশীয় রিফাইনারিগুলো নাকি তেল মজুদ করে রেখেছিল, দাম বাড়বে এই আশায়। সেই গল্পের সূত্র ধরে বলা হচ্ছে বিপিসি এখন শাস্তি দিচ্ছে রিফাইনারিগুলোকে। এই গল্পটা সত্যি হলে ভালোই হতো, কারণ তাহলে অন্তত একটা যুক্তি দাঁড় করানো যেত।

কিন্তু গল্পটা মিথ্যা।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বেসরকারি রিফাইনারির তেল মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। কনডেনসেট সরবরাহ করে পেট্রোবাংলা। পেট্রোবাংলা না দিলে রিফাইনারির কিছু করার নেই। আর এই কোম্পানিগুলো খোলা বাজারে যাচাই করে দাম ঠিক করে না। সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দেয়, সেই দামেই বিক্রি করতে হয়। সুতরাং দাম বাড়লে বেশি পাবে, কমলে কম পাবে, এই হিসাবে মজুদ করার কোনো লাভ নেই।

তাহলে গল্পটা ছড়ানো হচ্ছে কেন? কারণ আসল প্রশ্নটা যেন না ওঠে। আসল প্রশ্ন হলো, রিফাইনারিতে তেল থাকতে সরকার কেন নিচ্ছে না? কেন একই সময়ে দাম বাড়ানো হলো? কেন পাম্পে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকছে?

অকটেন মজুতের ধারণক্ষমতা ৫৩ হাজার টন, কিন্তু মজুত এখন ৫৫ হাজার টন। এরই মধ্যে ১০ এপ্রিল ৩৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটা জাহাজ এসে গেছে। অর্থাৎ বিদেশ থেকে আমদানি থামেনি, কিন্তু দেশের রিফাইনারি থেকে নেওয়া বন্ধ। এই সিদ্ধান্তটা নিছক প্রশাসনিক ব্যর্থতার ফল হলেও ক্ষতি হয়েছে জনগণের। আর যদি অন্য কোনো কারণ থাকে, সেটা আরো ভয়ের।

বিএনপি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে সেই নির্বাচনে বড় দলগুলো ছিল না, মানুষ ভোট দেয়নি। সেই গ্রহণযোগ্যতার সংকট মাথায় নিয়ে তারা যদি অন্তত ঠিকঠাক শাসন করত, তাহলেও কথা ছিল। কিন্তু তেলের এই সংকট দেখে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, শাসনের ইচ্ছা বা সক্ষমতা কোনোটাই নেই।

মানুষ এখন গাড়ি গ্যারেজে রেখে দিচ্ছে। পাম্পে গিয়ে তেল না পেলে মাঝরাস্তায় আটকে পড়তে হবে, এই ভয়ে বের হচ্ছে না। এই ভয়টা সরকার তৈরি করেছে। আর এটা তৈরি করে তারা কার লাভ করল, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। শুধু বোঝা যাচ্ছে, ক্ষতি হয়েছে সাধারণ মানুষের।


#মজিববাদবাঙালিমুক্তিরদর্শন

20/04/2026

আই হ‍্যাব এ প্লান

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka
007654