21/02/2026
টঙ্গীতে ‘মাতব্বর’ রা*জত্বের প*তন: জন*রোষ ও ধানের শীষের বিপ*র্যয়ের নেপথ্য কথা
নিজস্ব প্রতিবেদক WNN24.tv টঙ্গী |
দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব-প্রতিপত্তির বলয়ে থাকা স্থানীয় ‘মাতব্বর’ রাজনীতির দৃশ্যপটে নাটকীয় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে টঙ্গীতে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনরোষের মুখে একসময় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত একটি গ্রুপের কর্তৃত্ব ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাজুড়ে চাঁদা*বাজি, দখ*লবাজি ও ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ জমে ছিল। সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী কয়েকজনের ইশারায় এলাকায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো, যা নিয়ে নীরবে ক্ষোভ বাড়ছিল। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদল সেই ক্ষোভকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসে।
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভাজন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, কেন্দ্রীয় রাজনীতির টানাপোড়েনের প্রভাব তৃণমূলেও পড়েছে। দলীয় কো*ন্দল, মনোনয়ন-সংক্রান্ত বিরোধ এবং নেতৃত্বের দ্ব/ন্দ্ব পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষ*মতার দীর্ঘস্থায়িত্ব অনেক সময় স্থানীয় নেতৃত্বকে আত্মতুষ্ট করে তোলে। ফলে জনসম্পৃক্ততা কমে যায় এবং অভিযোগ-অভিযোগের জাল তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতে বিরোধী পক্ষ মাঠে সক্রিয় হলে জনসমর্থনের ভারসাম্য দ্রুত বদলে যেতে পারে।
একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “এলাকায় পরিবর্তন দরকার ছিল। সাধারণ মানুষের কথা শোনা হতো না। এখন অন্তত সবাই বুঝেছে, জনরোষকে অবহেলা করলে তার ফল ভোগ করতেই হয়।”
তবে অভিযুক্ত পক্ষের নেতারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, টঙ্গীর এই ঘটনাপ্রবাহ শুধু একটি এলাকার ক্ষ*মতার পরিবর্তন নয়; বরং তৃণমূল রাজনীতিতে জবাবদিহি ও জনমতের গুরুত্বের নতুন বার্তা বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, এই পরিবর্তন সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের সূচনা।
04/02/2026
নীরব থাকবেন না 🚨
চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলুন
চাঁদাবাজ, অবৈধ দখলদার ও গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ফরম ফিলাপ করুন।
টঙ্গী এলাকার—বিশেষ করে দত্তপাড়া—দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল, কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসার কারণে সাধারণ মানুষ ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।
এখন আর একা নয়—সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এই বিশেষ উদ্যোগ।
🔴 আপনার জমি বা সম্পত্তি কি অন্যায়ভাবে দখল করে রাখা হয়েছে?
🔴 কেউ কি আপনাকে বা আপনার ব্যবসাকে চাঁদা দিতে বাধ্য করছে?
🔴 আপনার এলাকায় কি কিশোর গ্যাং ত্রাস সৃষ্টি করছে?
🔴 মাদক ব্যবসার কারণে কি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে?
👉 তাহলে নিচের ফরমে বিস্তারিত তথ্য দিন।
আপনার দেওয়া সকল অভিযোগ সংকলিত করে জনমত তৈরি করা হবে এবং একযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে।
আপনার পরিচয় ও তথ্য গোপনীয়তার সাথে সংরক্ষণ করা হবে।
✊ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ান
✊ নিজের অধিকার রক্ষা করুন
✊ নিরাপদ টঙ্গী–দত্তপাড়া গড়ে তুলুন
👇 এখনই অভিযোগ জমা দিন
https://forms.gle/E2cxpPBeM4FmX5SP7
03/02/2026
টঙ্গীতে ‘মাতব্বর’ সিন্ডিকেটের তাণ্ডব: হাসপাতাল নির্মাণে বাধা ও কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব
WNN24.tv এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন...
টঙ্গীর দত্তপাড়া ও এরশাদ নগর এলাকায় এক ভয়াবহ অপরাধের সাম্রাজ্য গেড়ে বসেছে আরিফ মাতব্বর ও মনির মাতব্বর ভ্রাতৃদ্বয়। জনকল্যাণমূলক হাসপাতাল নির্মাণে প্রকাশ্য বাধা, কোটি টাকার চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাং লালনের মাধ্যমে তারা পুরো এলাকাকে একটি ‘মদতপুষ্ট নরকে’ পরিণত করেছেন। প্রশাসনের নাকের ডগায় এই চক্রের বেপরোয়া দৌরাত্ম্য এখন স্থানীয়দের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
স্বপ্নের হাসপাতালে ‘চাঁদাবাজির’ থাবা
স্থানীয় জমিদার পরিবারের প্রয়াত রফিকা খানমের আজীবনের স্বপ্ন ছিল ‘দত্তপাড়া ফ্রি কমিউনিটি হাসপাতাল’। তার সন্তান সৈয়দ ওমর হোসেন যখন মায়ের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছেন, তখনই বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছে মনির মাতব্বর। অভিযোগ উঠেছে, এই মহৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করতে হলে মনির ও আরিফ মাতব্বরকে দিতে হবে বিশাল অংকের ‘প্রোটেকশন মানি’ বা চাঁদা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় জীবননাশের হুমকি দিয়ে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—একটি অলাভজনক জনহিতকর প্রতিষ্ঠান গড়ার পথে এই ‘চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট’ রুখবে কে?
কিশোর গ্যাং ও খুনিদের ‘অভয়ারণ্য’
অনুসন্ধানে উন্মোচিত হয়েছে এক রমহর্ষক চিত্র। দত্তপাড়া ও নওগা বস্তি কেন্দ্রিক যত কিশোর গ্যাং রয়েছে, তার অধিকাংশেরই রিমোট কন্ট্রোল আরিফ মাতব্বরের হাতে। তার প্রত্যক্ষ মদতে লালিত ‘পেটু বাহিনী’ ও ‘জুয়েল গ্যাং’ এলাকায় সশস্ত্র মহড়া দিয়ে বেড়ায়। এই জুয়েল গ্যাং ইতিপূর্বে নৃশংস জোড়া হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকলেও মাতব্বরদের ছত্রছায়ায় তারা আইনি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার স্পর্ধা দেখায়।
সজল সরকার ও ‘অদৃশ্য’ নেটওয়ার্কের কারিগর
এই অপরাধ সিন্ডিকেটের অন্যতম কুশীলব হিসেবে উঠে এসেছে সজল সরকারের নাম। স্থানীয়দের মতে, মনির মাতব্বর যেকোনো বড় ধরনের জমি দখল বা চাঁদাবাজির চূড়ান্ত ছক কাটেন সজল সরকারের পরামর্শে। সজল সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রায় আড়াইশ সদস্যের একটি দুর্ধর্ষ গ্যাং এলাকায় ছায়ার মতো কাজ করে। তারা রাজনৈতিক নেতাদের নামকে ‘ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে প্রশাসনের হাত বেঁধে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
হুমায়ুন বাহিনী ও মাদকের নীল দংশন
মাতব্বর বাড়ির এই অপরাধ সাম্রাজ্যের প্রধান ঘাতক বাহিনী হিসেবে পরিচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী হুমায়ুন কবিরের ‘হুমায়ুন বাহিনী’। দত্তপাড়ার মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে নির্মাণাধীন ভবনে হত্যাকাণ্ড—সবখানেই এই বাহিনীর রক্তমাখা হাতের ছাপ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দত্তপাড়ার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আসামি হুমায়ুন জামিনে বেরিয়ে এসে মাতব্বরদের আশ্রয়ে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যা স্থানীয় শান্তিকামী মানুষের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে।
প্রশাসনের প্রতি খোলা প্রশ্ন
দত্তপাড়া, হিমারদিঘি ও কলাবাগান রোড এলাকায় প্রতিদিন যে সশস্ত্র মহড়া চলে, তা কি প্রশাসনের অগোচরে? কেন একজন গেজেটেড কর্মকর্তা বা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই মাতব্বর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি? জুলাই বিপ্লবের পর মানুষ যখন একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখছে, তখন টঙ্গীর এই ‘মাতব্বর রাজত্ব’ সেই বিপ্লবের চেতনাকে প্রতিনিয়ত বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি: অবিলম্বে আরিফ মাতব্বর ও মনির মাতব্বরের অবৈধ সম্পদের উৎস ও তাদের লালিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চালিয়ে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হোক।
বাংলার বুক থেকে এত বড় ফ্যাসিস্ট পালিয়ে গেলেও, এরা পালায়নি। এরা ছিলো,এখনো আছে এবং দরবেশদের মতো মুখোশধারী। বাংলার মানুষ এখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে জানে, নিজের ন্যায্য অধিকার ছিনিয়ে নিতে জানে।
ফেরাউন, নমরুদ যেমন নিশ্চিতভাবে অভিশপ্ত ছিল, তেমনিভাবেই তারা ধ্বংস হয়েছে। যুগে যুগে আবু জাহেলরা ধ্বংস হয়েছে, আর আবু বকর (রা.)-রা পেয়েছেন নিশ্চিত জান্নাতের সুসংবাদ।
এই বাংলার বুকে আর নয় অন্যায়— প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায় ইন শা আল্লাহ ।
বল বীর, চির উন্নত মম শির।
23/01/2026
“হে মুমিনগণ, তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না…”
— সূরা আন-নিসা, আয়াত ২৯
19/06/2025
দখলদার পালিয়ে যায়, আর প্রকৃত জমির মালিক ধ্বংসস্তুপের মাঝেও পড়ে থাকতে চায়।
25/03/2025
চর দখলের মতো ব্যাংকগুলো দখল করা হয়েছিল : প্রধান উপদেষ্টা :
বিগত সরকারের আমলে চর দখলের মতো ব্যাংকগুলো দখল করে নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, দখলের মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা লুটে নেওয়া হয়েছে। এসব টাকা আবার বিদেশে পাচার করা হয়েছে । তবে বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরেছে। ক্রমান্বয়ে অর্থনীতির অপরাপর সূচকগুলো ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করছে।
হাসিনা সরকারের আমলে টাকা পাচারের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত সরকারের লুটপাটের মহোৎসবে গত ১৫ বছরে ২৪৩ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। পাচারের একটি পদ্ধতি সবাইকে অবাক করেছে। একজন ব্যক্তি বিদেশে তার অধ্যয়নরত সন্তানের কাছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ডলার বা ৪০০ কোটি টাকা পাঠিয়েছে।
মহান স্বাধীনতা দিবস ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাতটায় জাতির উদ্দেশে তার এ ভাষণ শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টার এই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করছে।
17/03/2025
ফুটপাথ দখল করলেই ট্রেড লাইসেন্স বাতিল
===========================
ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করলে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল: ডিএনসিসির প্রশাসক
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, যেসব দোকানদার ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করবে তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হবে। দোকান সিলগালা করা হবে। শনিবার সকালে মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তার চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এবিএম সামসুল আলমসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঈদের আগে ৬০ ফুট রাস্তা জনগণের চলাচলের উপযোগী করা হবে। ডিএনসিসি এলাকার দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার একটি মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তা ও আরেকটি মিরপুর ডিওএইচএস থেকে উত্তরা দিয়াবাড়ির রাস্তা। অব্যবস্থাপনার কারণে দীর্ঘদিন এই রাস্তার অবস্থা খারাপ ছিল। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মিরপুর ডিওএইচএস থেকে উত্তরা দিয়াবাড়ি রাস্তাটির কাজ সম্পন্ন করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তিনি বলেন, ৬০ ফুট রাস্তার ৮টি পয়েন্টে রাস্তার পাশে বাড়ির মালিক আমাদের ফুটপাত করতে দিচ্ছে না। আমাদের কর্মীদের কনস্ট্রাকশন করতে দিচ্ছে না। আদালতের রায়ের ভয় দেখাচ্ছেন। কোনো ধরনের সহযোগিতা করছে না। অবৈধভাবে দোকান দিয়ে রেখেছে, ময়লা ফেলে রেখেছে। বাধা প্রদানকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা জনগণকে চলাচলের সুবিধা দিতে চাই, কিন্তু কেউ যদি সরকারি কাজে বেআইনিভাবে বাধা দেয়; তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
16/03/2025
অবৈধ দখলদার প্রতিরোধ কমিটির প্রথম প্রোগ্রাম
উত্তর ইব্রাহীমপুরে অবৈধ দোকান নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন
রাজধানীর উত্তর ইব্রাহীমপুরে প্রতিবেশীর চলাচলের জন্য বরাদ্দ করা রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে দোকান নির্মাণের অভিযোগ ...
15/03/2025
ফু'টপাত দখল করে ব্যবসা ক'রলে লাইসেন্স বাতিল: ডি'এনসিসি