06/04/2026
মানুষ এখন বই কম পড়ছে—এটা পুরোপুরি “পড়ে না” এমন নয়, বরং পড়ার ধরণ বদলে গেছে। কেন এমন হচ্ছে, সেটা কয়েকটা বড় কারণ দিয়ে বুঝিয়ে বলছি:
🔹 ১. মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি
ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক—এইগুলো খুব দ্রুত বিনোদন দেয়।
বই পড়তে সময়, ধৈর্য ও মনোযোগ লাগে, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এক স্ক্রলেই নতুন কিছু—তাই মানুষ সহজটাই বেছে নিচ্ছে।
🔹 ২. মনোযোগের ঘাটতি (Attention Span কমে যাওয়া)
আগে মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়তে পারতো।
এখন ৩০–৬০ সেকেন্ডের ভিডিওতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ফলে লম্বা লেখা পড়তে বিরক্ত লাগে।
🔹 ৩. ব্যস্ত জীবনযাপন
অনেকেই বলে—“সময় পাই না”।
স্কুল, কোচিং, চাকরি, পরিবার—সব মিলিয়ে বই পড়া অনেকের কাছে লাক্সারি মনে হয়।
🔹 ৪. পরীক্ষামুখী শিক্ষা ব্যবস্থা
আমাদের দেশে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী শুধু পাস করার জন্য পড়ে।
বই পড়ার আনন্দ (novel, story, biography) শেখানো হয় না, ফলে অভ্যাসও গড়ে ওঠে না।
🔹 ৫. সহজ বিনোদনের বিকল্প
Netflix, gaming, short video—সবকিছু হাতের মুঠোয়।
বই পড়া একটু “কষ্টসাধ্য”, তাই অনেকে সহজ entertainment বেছে নেয়।
🔹 ৬. বইয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি না হওয়া
ছোটবেলা থেকে যদি গল্পের বই, লাইব্রেরি কালচার না থাকে, তাহলে বড় হয়ে আগ্রহ তৈরি করা কঠিন।
🔹 ৭. ডিজিটাল পড়া বনাম প্রিন্ট বই
অনেকে এখন PDF, ব্লগ, পোস্ট পড়ে—কিন্তু এটাকে আমরা “বই পড়া” হিসেবে ধরি না।
আসলে পড়া হচ্ছে, কিন্তু ফরম্যাট বদলেছে।
🔹 ৮. সঠিক বই না পাওয়া
অনেকে বলে—“বই পড়তে ভালো লাগে না”
আসলে তারা হয়তো তাদের পছন্দের বই (interesting genre) খুঁজে পায়নি।
🔸 একটা গুরুত্বপূর্ণ সত্য
মানুষ পড়া বন্ধ করেনি—
👉 তারা ছোট ছোট কনটেন্ট পড়ছে বেশি
👉 গভীর, মনোযোগী পড়া (deep reading) কমে গেছে
🔹 সমাধান কী হতে পারে?
প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট পড়ার অভ্যাস
নিজের পছন্দের বই দিয়ে শুরু করা
মোবাইল ব্যবহার একটু কমানো
লাইব্রেরি/বুক ক্লাব তৈরি করা
শিক্ষকদের গল্পভিত্তিক শেখানো
🔸 শেষ কথা
বই পড়া কমে যাওয়া মানে জ্ঞান কমে যাওয়া না—
কিন্তু গভীর চিন্তা, কল্পনা আর বিশ্লেষণ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
06/03/2026
অদ্য বাদ জোহর মরহুমের নিজ বাড়ির মসজিদ বায়তুশ শরীফ জামে মসজিদ সংলগ্ন স্থানে জানাজার নামাজ আদায় হবে। উক্ত জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে জানানো হলো।
26/02/2026
#প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
#ঘোষণা করে: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
উপলক্ষ: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি)
#উদ্দেশ্য: বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান
যে যে ক্ষেত্রে একুশে পদক দেওয়া হয়
সাধারণত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পদক প্রদান করা হয়—
ভাষা আন্দোলন
সাহিত্য
শিক্ষা
সংস্কৃতি ও শিল্পকলা
গবেষণা
সাংবাদিকতা
সমাজসেবা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুক্তিযুদ্ধ
অর্থনীতি
জনসেবা
অন্যান্য বিশেষ অবদান
#পদকের সাথে যা দেওয়া হয়
একুশে পদকপ্রাপ্তরা পান—
🏅একটি স্বর্ণপদক
📝 সম্মাননাপত্র
💵চেক (বর্তমানে ৪ লক্ষ টাকা)
#একুশে পদকের গুরুত্ব
এটি বাংলাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা
ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও অবদানকে সম্মান জানায়
জাতীয় পর্যায়ে গুণী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেয়
08/02/2026
একুশে পদকপ্রাপ্ত সবাইকে অভিনন্দন।
02/01/2026
📚 লাইব্রেরীর ইতিহাস
লাইব্রেরী শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ “Bibliotheca” থেকে, যার অর্থ বইয়ের সংগ্রহশালা। মানবসভ্যতার শুরু থেকেই জ্ঞান সংরক্ষণের প্রয়োজন দেখা দেয়। প্রাচীন মিশর, ব্যাবিলন ও গ্রিসে মাটির ফলক ও প্যাপিরাসে লেখা সংরক্ষণের মাধ্যমে লাইব্রেরীর সূচনা হয়।
বিশ্বের প্রাচীনতম ও বিখ্যাত লাইব্রেরীগুলোর মধ্যে আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মধ্যযুগে মুসলিম বিশ্বের বাইতুল হিকমাহ (বাগদাদ) জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র ছিল।
বাংলা অঞ্চলে ব্রিটিশ শাসনামলে আধুনিক লাইব্রেরীর বিস্তার ঘটে। বর্তমানে ডিজিটাল লাইব্রেরী ও ই-লাইব্রেরীর মাধ্যমে লাইব্রেরী আরও আধুনিক ও সহজলভ্য হয়েছে।
*লাইব্রেরীর গুরুত্ব
লাইব্রেরী একটি জাতির মেধা ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
এটি শিক্ষার মূল ভিত্তি
জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র
গবেষণা ও সৃজনশীলতার উৎস
জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের মাধ্যম
একটি উন্নত জাতি গঠনে লাইব্রেরীর ভূমিকা অপরিসীম।
*লাইব্রেরীর প্রয়োজনীয়তা
লাইব্রেরী আমাদের জীবনে নানা কারণে প্রয়োজনীয়—
পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সহায়ক বই পড়ার সুযোগ
শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধি
আত্মশিক্ষা ও আত্মউন্নয়নের সুযোগ
অবসর সময়ের সদ্ব্যবহার
নৈতিক ও মানসিক বিকাশ
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এমনকি প্রত্যেক এলাকায় লাইব্রেরী থাকা অত্যন্ত জরুরি।
*লাইব্রেরীর উপকারিতা
লাইব্রেরী থেকে আমরা যে উপকারগুলো পাই
✓জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়
✓পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে
✓চিন্তাশক্তি ও ভাষার দক্ষতা বাড়ে
✓নৈতিকতা ও মূল্যবোধ তৈরি হয়
✓সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি বিকশিত হয়
✓পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হয়
✓লাইব্রেরী মানুষকে আলোকিত করে এবং ✓অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে।
*মোটকথা:
লাইব্রেরী হলো জ্ঞানের ভাণ্ডার ও আলোর পথপ্রদর্শক। একটি শিক্ষিত, সভ্য ও উন্নত জাতি গঠনে লাইব্রেরীর বিকল্প নেই। তাই সমাজের সর্বস্তরে লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা ও এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
05/02/2025
তাহমিনা-ইকবাল পাবলিক লাইব্রেরি
11/10/2024
তাহমিনা-ইকবাল পাবলিক লাইব্রেরি
19/09/2024
গল্পের বিকেল প্রোগ্রামে তাহমিনা-ইকবাল পাবলিক লাইব্রেরির ছোট্ট বন্ধুরা। মুগ্ধ হয়ে তাদের বলা গল্প শোনা শেষে, ছবি আঁকা ও জাদু দেখায় আনন্দে মত্ত ছিলো।
পড়ালেখার মাঝে গল্পের ছলে নতুন কিছু জানা এক স্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে সবার জন্য।