Kendua Bazar - কেন্দুয়া বাজার

Kendua Bazar - কেন্দুয়া বাজার

Share

কেন্দুয়া বাজার - টাঙ্গাইল জেলার, ধনবাড়ী উপজেলার একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

Country : Bangladesh
Division : Dhaka Division
District : Tangail District
Upazila : Dhanbari Upazila
Established on: 1984
Government Type : Union Council
• Chairman : Md Shafiqul Islam (Bangladesh Awami League)
Area Total : 13.21 km2 (5.10 sq mi)
Elevation : 17 m (56 ft)
Population (2011) Total: 18,481
Density : 1,400/km2 (3,600/sq mi)
Time zone : BST (UTC+6)

04/03/2026

আপনি যা অনুভব করেন, শিশুও তাই অনুভব করে

আপনি হয়তো বলছেন - ভয় পেও না, সব ঠিক আছে - কিন্তু আপনার কণ্ঠ কাঁপছে, শ্বাস দ্রুত হয়ে যাচ্ছে। তাহলে কি শিশু শান্ত বোধ করবে?

গবেষণা বলছে, শিশু আপনার কথার চেয়ে বেশি শেখে আপনার শরীরের ভাষা, শ্বাসের গতি, কণ্ঠের টোন ও মুখের ভঙ্গি থেকে। কিন্তু শিশু কীভাবে এগুলো বোঝে? চলুন জনে নেই -

সিঙ্কিং: শরীর-মনের ছন্দ মিলে যাওয়া
অনেক সময় শিশু ও অভিভাবকের মধ্যে জৈবিক ছন্দ মিলে যেতে পারে, যেমন - হৃদস্পন্দন, কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) এমনকি মস্তিষ্কের কার্যকলাপও। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, যিনি শিশুর দেখাশোনা করেন – যিনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর মা - তার উপস্থিতি ও কণ্ঠ শিশুর স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির সেন্টার অন দ্য ডেভেলপিং চাইল্ড বলছে, ছোট শিশু একা একা স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না; তারা প্রাপ্তবয়স্কের স্থিরতার ওপর নির্ভর করে।

এটি শিশুর টিকে থাকার কৌশল
বিবর্তনের দৃষ্টিতে, শিশুর স্নায়ুতন্ত্র এমনভাবে গড়ে উঠেছে যে, সে নিরাপত্তার সংকেত খোঁজে বড়দের মধ্যে। বড়রা শান্ত হলে শিশুর শরীরও সেফ মোড-এ যায়। বড়রা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকলে, শিশু কারণ না বুঝেই সেই অস্থিরতা শোষণ করে।

আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘস্থায়ী চাপের প্রভাব নিয়ে সতর্ক করে বলেছে, বারবার উচ্চচাপের পরিবেশে থাকলে শিশুর উদ্বেগ ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গা-ঘেষা না কি স্নায়ুতন্ত্রের সংকেত?
অনেক সময় শিশুর আঁকড়ে ধরা, খিটখিটে আচরণ বা হঠাৎ কান্না - এসবকে আমরা জেদ বা গা-ঘেষা আচরণ মনে করি। কিন্তু আসলে শিশুর বারবার উচ্চ মানসিক চাপের পরিবেশে থাকলে এই আচরণগুলো করতে পারে।

তবে ভালো খবর আছে। তা হলো - এই প্রক্রিয়া দু’দিকেই কাজ করে। বড়রা শ্বাস ধীর করলে, কণ্ঠ নরম করলে, কয়েক সেকেন্ড চোখে চোখ রাখলে, শিশুর সিস্টেমও দ্রুত শান্ত হতে শুরু করে।

তাই বাসায় ঝগড়ার আগে ৩০ সেকেন্ড গভীর শ্বাস নিযে নিজেকে শান্ত করে নিন। শিশুকে জড়িয়ে ধরুন, ধীরে ও নিচু স্বরে কথা বলুন। এবং অবশ্যই প্রতিদিন শিশুকে ১০ মিনিট নিরবচ্ছিন্ন সময় দিন। কারণ, আপনার শান্ত থাকা শুধু আপনার জন্য নয়; এটি সন্তানের ভবিষ্যৎ আবেগ নিয়ন্ত্রণের নকশা।

সূত্র: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি সেন্টার অন দ্য ডেভেলপিং চাইল্ড, আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সাইকোলজি টুডে । সংগ্রহিতঃ জাগো নিউজ ২৪ অনলাইন।

15/02/2025

যাত্রী ভোগান্তির এক চরম পর্যায় ধনবাড়ী টু ঢাকা রুটে। একমাত্র বিনিময় বাস ছাড়া আর কোনো বাস সার্ভিস নেই এই ধনবাড়ী থেকে।
আজকে যাত্রীর চাপে বাস শেষ হয়ে যায়। বিকেল থেকেই কাউন্টারে প্রচন্ড যাত্রীর উপচে পড়া ভিড়ে বিনিময় ধনবাড়ী কাউন্টারে যতসব অব্যবস্থাপনা দেখা গেছে। ধাক্কাধাক্কি করে টিকিট নেয়ার পর প্রায় দেড় দুই ঘন্টা অপেক্ষা করে টিকিটের বাসের দেখা মিলেছে।

অবশেষে কাউন্টার থেকে ঘোষণা করা হয়, বাস নেই, সবাই কাউন্টার ত্যাগ করুন। পরে অনেক যাত্রী বাস না পেয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছে কেউ কেউ লোকাল বাস বা সিএনজি যোগে যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছে আগামিকাল সকালে যাবে।

আমার প্রশ্ন হলোঃ এই ভোগান্তির শেষ কবে? কেন ভালো কোনো বাস সার্ভিস এই রুটে চালু হচ্ছে না?

09/02/2025

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ধনবাড়ী ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বয়স্ক ও বিধবা ভাতাভোগী উন্মুক্ত পদ্ধতিতে নির্বাচনের নিমিত্তে নিম্নোক্ত সময়সূচি অনুযায়ী যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে..

সংগৃহিতঃ ইসমাইল হোসেন (পোস্ট)/ সমাজসেবা অফিসার, ধনবাড়ী।

17/11/2024

রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র হাতিরঝিল এর মনোরম দৃশ্য...

25/08/2024

রাস্তা পারাপারে সাবধানতা :

১. রাস্তা পার হবার জন্য ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করুন। সেটা না থাকলে জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করুন। দুটির একটিও না থাকলে সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা পার হোন।

২. মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হবেন না। কারণ এ সময় ছুটে আসা যানবাহনের বদলে মনোযোগ থাকে ফোনে। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

৩. রাস্তায় পার হওয়ার সময় গাড়ি নিয়ন্ত্রণের লাইটের সংকেত দেখে নিন। লাল, হলুদ ও সবুজ বাতির সংকেত মেনে চলুন।

৪. রাস্তা পারাপারের সময় সঙ্গে শিশু থাকলে তাকে কোলে তুলে নিন। সম্ভব না হলে শক্ত করে হাত ধরে রাখুন।

৫. রাস্তা পারাপারের সময় দৌড় দেয়া যাবে না। ডানে-বামে দেখে, স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে রাস্তা পার হোন।

৬. রাস্তা পার হওয়ার সময় অবশ্যই সেই চিরায়ত নিয়ম প্রথমে ডানে, তারপরে বাঁয়ে; তারপরে পেছনে, তারপরে সামনে, সব শেষে ডানে তাকিয়ে রাস্তা পার হোন।

৭. চৌরাস্তা দিয়ে রাস্তা পার হওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এসব জায়গা দিয়ে রাস্তা পার হবেন না।

৮. শিশু-কিশোরদের একা রাস্তা পার হওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করুন। এ ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশের সাহায্য নিতে শেখান। পুলিশ পাওয়া না গেলে কমপক্ষে প্রাপ্তবয়স্ক কারও সাহায্য নিয়ে রাস্তা পার হতে বলুন।

Photo Location: Kendua to Gangpar Mor [Device: Samsung M20]

20/05/2024

নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবহারে আপনার করণীয়...

07/01/2024

গ্রাম ও মহল্লার নামের তালিকা (ধনবাড়ী উপজেলা) :

২০০৬ সালে উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ১৩০.৫ বর্গকিমি ও ১৬৮ টি গ্রামের ধনবাড়ী বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। যা ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এটি ঢাকা বিভাগের অধীন টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে সর্বশেষে গঠিত হয়। ধনবাড়ী উপজেলার উত্তরে জামালপুর জেলা, পূর্বে মধুপুর উপজেলা, দক্ষিণে গোপালপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলা অবস্থিত। নিচে পৌরসভা ও ইউনিয়ন ভিত্তিক গ্রামের তালিকা দেওয়া হল।

ধনবাড়ী পৌরসভা : ধনবাড়ী, ধনবাড়ী বাজার, বিলাসপুর, গণিপুর, রামগদা, রামকৃষ্ণবাড়ী, তেহিষ্যা, জ্যোতকাশি, চাতুটিয়া, সিংগাটা, সরদার পাড়া, তলাপাত্রপাড়া, মিয়াপাড়া, কয়াপাড়া (খাসপাড়া), কুমারগাতা, কালিপুর, পানকাতা, হবিপুর, বর্ণিচন্দবাড়ী (৬ ও ৯ নং ওয়ার্ড), বান্দ্রা, বন্দ টাকুরিয়া, আমনগ্রাম (৭ ও ৯ নং ওয়ার্ড), দেবীপুর, সেনবাড়ী, ছত্রপুর, চালাষ, চর ভাতকুড়া, রূপশান্তি, পলাশতলী ও নিজবর্ণি।

১ নং বীরতারা ইউনিয়ন : বালাসূতী (উত্তর ও দক্ষিণ), পাঁচনখালী, গোপিনপুর, বীরতারা, বীরতারা খাড়াপাড়া, ঘোনারবন্দ, কদমতলী, পলিশারপাড়, কাঁঠালিয়াবাড়ী, বাজিতপুর, চরপাড়া, কয়া, চকপাড়া, সুজলকর, বাঁশনিয়োগী, কেন্দুয়া ও হাতিবান্দা।

২ নং বানিয়াজান ইউনিয়ন : পটল, নাথেরপাড়া, গৌরাং, বলদীআটা, শিরনকাজী, বানিয়াজান ঘোনাপাড়া, বানিয়াজান মধ্যপাড়া, বানিয়াজান মিরাপাড়া, বানিয়াজান উত্তরপাড়া, বানিয়াজান বারইপাড়া, বানিয়াজান দক্ষিণপাড়া, বানিয়াজান জাংগালিয়া, বানিয়াজান বেপারীপাড়া, বানিয়াজান খানপুর, বানিয়াজান নয়াপাড়া, বানিয়াজান কামারপাড়া, পঞ্চাশী কাওয়ামারা, পঞ্চাশী, পঞ্চাশী চানপুর, বড় গঙ্গাবর, ছোট গঙ্গাবর, রামজীবনপুর, বিলকুকরী, বিলদুবলাই, বাঐজান।

৩ নং যদুনাথপুর ইউনিয়ন : বারইপাড়া, উখারিয়াবাড়ী, জাগিরাচালা, মমিনপুর, সগুনা, ইসলামপুর, কৃষ্ণপুর, বওলা, পারবওলা, মাদারপুর, কলহকুড়া, বক্তারপুর, আমিরপুর, চারিশিমুল, বরমপুর, ঘাগড়া, হবদেশ, বন্দ হাওড়া, বিজয়পুর, শ্রী হরিপুর, মামুদপুর, যদুনাথপুর, ছাতারকান্দি, মির্জাপুর, পোড়াবাড়ী, আত্রামবাড়ী, কাওয়ালিয়া, কামদেববাড়ী, দড়িবিয়ারা, বেলুটিয়া, পাথালিয়া, গোপালবাড়ী, নলহরা, গোবিন্দচরণ, গোবিন্দপুর, নেটামশরা, নল্যা ও চকভেকী।

৪ নং পাইস্কা ইউনিয়ন : টাউরিয়া, প্যারিআটা, সোনামুই বাদুরিয়া, সেরুভিটা, হারিনাতেলী, হরিপুর, মাধববাড়ী, দরিচন্দবাড়ী (৩ ও ৪ নং ওয়ার্ড), সৈদরপাড়া, ভাতকুড়া, উত্তর ভাতকুড়া, বিলপাইস্কা, বেরীপটল, কয়ড়া, ধোকেরকুল, খাসপাড়া, গাড়াখালী, চরধলী, কুর্শি, পাইটকা, থোড়া, ঝিকুটিয়া ও ফুলবাড়ী।

৫ নং ধোপাখালী ইউনিয়ন : হাজরাবাড়ী, মঠবাড়ী, কবিরাজবাড়ী, ধোপাখালী, কদমতলী, পীরপুর, বালিয়াবাড়ী, উদয়পুর, দয়ারামবাড়ী, চাড়াভাঙ্গা, সমতকুড়, আমিল (ধোপাখালী অংশ), বন্দবেতাল, শিবপুর, ধড়বাড়ী (ধোপাখালী অংশ), জমশেরপুর, বাঘিল, স্যান্ডালপুর, দড়িরামপুর, কান্দিপুর, উত্তর নরিল্যা রামকৃষ্ণপুর ও দক্ষিণ নরিল্যা রামকৃষ্ণপুর।

৬ নং মুশুদ্দি ইউনিয়ন : পূর্ব ঝোপনা, পশ্চিম ঝোপনা, সয়া, বন্দ চরপাড়া, মুশুদ্দি উত্তরপাড়া, মুশুদ্দি দক্ষিণপাড়া, মুশুদ্দি পূর্বপাড়া, মুশুদ্দি পশ্চিমপাড়া, মুশুদ্দি মধ্যপাড়া, মুশুদ্দি খন্দকারপাড়া, মুশুদ্দি মৌলভীপাড়া ও মুশুদ্দি কামারপাড়া (১ ও ৪ নং ওয়ার্ড)।

৭ নং বলিভদ্র ইউনিয়ন : বলিভদ্র, অলিপুর, গণিপুর (বলিভদ্র অংশ), বাগুয়া (২ ও ৩ নং ওয়ার্ড), পাঁচপোটল (উত্তর ও দক্ষিণ অংশ), পানকাতা, খিলপাড়া, কাকনিআটা, কেরামজানী (পূর্ব ও পশ্চিম অংশ), হেমন্তগঞ্জ ও ইসপিঞ্জারপুর (উত্তর ও দক্ষিণ অংশ)।

[সংগ্রহ : মো. শাহীদুল ইসলাম (শাহীন), শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। Posted by msi world blog, posted in tangail news.]

21/11/2023

মা-বাবা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আচরণ যেমন হওয়া উচিত :

আল্লাহ আদেশ করেছেন যে, তোমরা এক আল্লাহ ছাড়া কারো উপাসনা করবে না। বাবা-মার সাথে ভালো ব্যবহার করবে। তোমার জীবদ্দশায় তাদের একজন বা উভয়েই যদি বার্ধক্যে উপনীত হয়, তবুও তাদের ব্যাপারে ‘উহ-আহ’ কোরো না, তাদের ধমক দিও না বা অবজ্ঞা কোরো না, তাদের সাথে আদবের সাথে কথা বলো। শ্রদ্ধাভরা দৃষ্টিতে মমতার ডানা মেলে ছায়ার মতো আগলে রাখো এবং সবসময় তাদের জন্যে দোয়া করো : ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার মা-বাবা শৈশবে যে মমতায় আমাকে লালন করেছেন, তুমিও তাদের ওপর সে-রূপ করুণাবর্ষণ করো।’

চলুন জেনে আসা যাক কীভাবে মা-বাবা ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আচরণ করবেন...

> মা-বাবা ও মুরুব্বি/ গুরুজনদের সাথে দেখা হলে আগে সালাম দিন। হাসিমুখে কুশল জিজ্ঞেস করুন।

> যত ব্যস্তই হোন, দিনের কিছুটা সময় তাদের জন্যে রাখুন। আপনার সঙ্গ তাদের আনন্দ দেবে।

> ঘরে ফিরে আগে মা-বাবার সাথে কুশল বিনিময় করুন। তাদের সাথে গল্প করুন, সারাদিন কী কী উল্লেখযোগ্য ও মজার ঘটনা ঘটেছে তা বলুন এবং তাদের কাছ থেকেও শুনুন।

> বাইরে বেরোনোর সময় কোথায় যাচ্ছেন বলে যান এবং কোনোকিছুর প্রয়োজন আছে কিনা, কিছু আনতে হবে কিনা বা বিশেষ কিছু খেতে ইচ্ছে করছে কিনা তা জেনে নিন।

> বাসায় ফেরার সময় সম্ভব হলে তাদের জন্যে কিছু একটা নিয়ে আসুন। না চাইতে পাওয়ায় তারা খুশি হবেন।

> নিয়মিত তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিন। অসুস্থ হলে সুচিকিৎসা ও সেবার ব্যবস্থা করুন।

> উপার্জন-অক্ষম মা ও বাবাকে বিনয়ের সাথে নিয়মিত হাতখরচ দিন। এ নিয়ে কখনোই খোঁটা দেবেন না। হিসাব চাইবেন না।

> মা-বাবার যুক্তিসঙ্গত যে-কোনো ইচ্ছাপূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।

> গুরুত্বপূর্ণ বা পারিবারিক বিষয়ে তাদের সাথে আলাপকালে আগে তাদের কথা শুনুন, তারপর নিজের কথা বলুন।

> বড় যে-কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে মা-বাবাকে জানান। তাদের পরামর্শ ও দোয়া নিন।

> বাইরে থাকলেও দিনে অন্তত একবার ফোন করে খোঁজখবর নিন।

> রাতে নিজেরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাদের ঘুমানোর ব্যবস্থা করুন।

> সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আপনার ব্যক্তিগত কাজের ফাঁকে তাদের জন্যে সময় রাখুন।

> মা-বাবাকে উদ্বুদ্ধ করুন বাসায় একাকী অলস সময় না কাটিয়ে সবার সাথে মিলেমিশে আত্ম উন্নয়নমূলক ও সেবা-কাজে শরিক হতে। তাহলে তারা প্রফুল্ল থাকবেন।

> মা-বাবার বিশেষ দিনগুলোতে তাদের আন্তরিক সময় দিন।

> মা-বাবার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সবসময় প্রার্থনা করুন।

> তাদেরকে নিয়ে সুযোগ করে আত্মীয়দের বাড়িতে বেড়াতে যান। দূরে কোথাও গেলে তাদের যেন কোনো অসুবিধা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন।

> মা-বাবার ডায়েরি অথবা মোবাইল ফোন অনুমতি ছাড়া ধরবেন না।

> মা-বাবার মানিব্যাগ বা পার্স থেকে বিনা অনুমতিতে কখনো টাকা নেবেন না।

> মতের অমিল হলেও মা-বাবার সাথে তর্ক করবেন না। বিনয়ের সাথে নিজের অভিমত তুলে ধরুন।

> কোনো অন্যায় বা ভুল করতে দেখলে বিনয়ের সাথে তা বুঝিয়ে বলুন, তাদেরকে শুধরে নিতে সাহায্য করুন।

> তাদের বার্ধক্যজনিত কোনো শারীরিক বা মানসিক অপারগতা/ অক্ষমতাকে বার বার মনে করিয়ে দেবেন না।

> বার্ধক্যে মানুষ দ্বিতীয় শৈশবে চলে যায়। তাদের শিশুসুলভ আচরণে অসহিষ্ণু বা ক্ষুব্ধ হবেন না। এসময় তাদের প্রতি আরো সহনশীল ও সমমর্মী হোন।
> মুরুব্বিদের সিদ্ধান্ত উপদেশ নির্দেশ আপাতত অপছন্দনীয় হলেও তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ বা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবেন না।

> মুরুব্বিদের কখনোই ‘বুড়ো/ বুড়ি’ বলে সম্বোধন করবেন না। পঙ্গুত্ব বা শারীরিক অক্ষমতার জন্যে খোঁটা দেবেন না।

> বাসার কারো আচরণে বা কথায় যেন তারা কখনো মনে না করেন যে, বৃদ্ধ হয়েছেন বলে সংসারে তারা এখন অপাঙ্‌ক্তেয়, বোঝা।

> বয়োজ্যেষ্ঠদের মতামতকে গুরুত্ব দিন। সবসময় মনে রাখুন− আপনার ধ্যানধারণা সমকালীন হলেও জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তারা আপনার চেয়ে অভিজ্ঞ।

> আপনার জীবনে মা ও বাবার অবদানের জন্যে সবসময় তাদের প্রতি বিনীত, কৃতজ্ঞ ও শ্রদ্ধাশীল থাকুন। তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন আর সম্মান-ভালবাসা জানানো শুধু তথাকথিত ‘বাবা/ মা দিবসে’ সীমাবদ্ধ করে ফেলবেন না।

> জীবনসায়াহ্নে সন্তানের কাছে থাকার আকুতি মা-বাবার মাঝে সবচেয়ে বেশি থাকে। এসময় তাদেরকে গ্রামে বা নিজের থেকে দূরে শুধু গৃহকর্মী পরিবেষ্টিত করে রাখবেন না। যেভাবে তারা আপনাকে শিশুবয়সে আগলে রেখেছিলেন, একইভাবে তাদের শেষ বয়সে আপনিও তাদের আগলে রাখুন।
> তাদের সাথে মতের অমিল হলে বা তাদেরকে বোঝা মনে করে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর কথা ভুলেও চিন্তা করবেন না। তাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠালে আপনার বার্ধক্যেও একই পরিণতির জন্যে তৈরি থাকুন।

> বয়োবৃদ্ধ মা-বাবার যত্ন নিন। বার্ধক্যে আপনিও যত্নে থাকবেন। স্ত্রী/ স্বামী বিরোধিতা করলে কুশলী হোন। আপনি তা-ই করুন, যা মা-বাবার প্রতি সন্তান হিসেবে আপনার কর্তব্য।

> জীবন যেমন স্বাভাবিক, মৃত্যুও তেমনি স্বাভাবিক। জীবন যেমন সম্মানজনক, মৃত্যুও তেমনি সম্মানজনক হওয়া উচিত। তাই মৃত্যুপথযাত্রী মা-বাবাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ নামক ‘নির্জন সেলে’ একাকী ফেলে রেখে অসম্মান করবেন না। তাদের জন্যে সবচেয়ে সম্মানজনক মৃত্যু হচ্ছে−আপনার কোলে মাথা রেখে, আপনার হাতে হাত রেখে পরম প্রভুর নাম নিতে নিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা।

> আপনার বেড়ে ওঠায় মা-বাবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করুন। আর সন্তান হিসেবে মনে রাখুন− মায়ের পায়ের নিচে আপনার বেহেশত।

> মা-বাবা কিংবা ঘনিষ্ঠ অভিভাবক পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে থাকলে তাদের মাগফেরাত বা অনন্ত প্রশান্তি কামনা করে সৎকর্মে অংশ নিন, সাধ্যমতো দান করুন। সামর্থ্য থাকলে তাদের নামে একজন এতিমকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিন। পারলৌকিক মুক্তির নিয়তে আল কোরআন বাংলা মর্মবাণী বিতরণ করুন।

লেখাটি শহীদ আল বোখারী মহাজাতক- এর "শুদ্ধাচার" বই থেকে নেওয়া

01/04/2023

ফোন ব্যবহার করলে শিশুদের যে সমস্যা হয়...
অভিভাবকদের অনেকেই খাবার খাওয়ানোর সময় শিশুদের হাতে ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ধরিয়ে দেন। শুধু তা–ই নয়, বিভিন্ন কাজ করার সময় ফোনে গান, কার্টুন বা মজার ভিডিও চালিয়ে দিয়ে শিশুদের ব্যস্তও রাখেন কেউ কেউ। সাময়িকভাবে উপকার পাওয়া গেলেও এর মাধ্যমে শিশুদের মেজাজ খিটখিটে হওয়ার পাশাপাশি তাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্পেনের নিউরোসাইকোলজিস্ট ড. আলভারো বিলবাও। সমস্যা সমাধানে ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার থেকে দূরে রাখা উচিত বলেও মনে করেন তিনি। নিজের লেখা ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইয়োর চাইল্ডস ব্রেইন’ বইয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস হাসপাতালের সাবেক এই মনোবিজ্ঞানী।
আলভারো বিলবাওয়ের তথ্যমতে, যেসব শিশু নিয়মিত ফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার করে, তাদের তুলনায় অন্য শিশুদের মেজাজ ভালো হয়ে থাকে। এমনকি তাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তিও ভালো হয়। শুধু তা–ই নয়, শিশুরা ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহারেও আসক্ত হয়ে পড়ায় অন্যান্য সাধারণ কার্যক্রমে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে, যা তাদের মেধার বিকাশের জন্য খুবই প্রয়োজন। আর শিশুদের মস্তিষ্ক বিকশিত হওয়ার পরই তাদের হাতে ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার দেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের দিনে এক ঘণ্টার বেশি ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত নয়। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহার বন্ধেরও সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
সূত্র: ডেইলি মেইল ।
সংগ্রহিতঃ দৈনিক প্রথম আলো।

07/05/2022

The National Helpline ‘333’ has heard voices of 73 million citizens, providing necessary assistance and services including redressing social challenges, stopping child marriages, providing food relief, and telehealth services during the pandemic.


#333

11/05/2021

জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দেওয়ার পূর্বে যা খেয়াল রাখা দরকার :

সাধারণ জনগণকে সেবা প্রদান প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজতর করতে বাংলাদেশ সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে জরুরি সেবা ৯৯৯। যে কোনো মোবাইল নম্বর থেকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি কল করে বাংলাদেশের নাগরিকরা জরুরি মুহূর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেয়ে থাকেন। ৯৯৯ সার্ভিসের প্রশিক্ষিত এজেন্টরা জরুরি মুহুর্তে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারীর সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিয়ে থাকেন।

বিভিন্ন ধরণের কল ও জরুরি সেবা প্রদানের জন্য ন্যাশনাল হেল্পডেস্ক-৯৯৯ এর অপারেটরদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সঠিক ও মান সম্মত সেবা প্রদানের জন্য এই সকল এজেন্টরা কিছু প্রযুক্তিগত সহায়তা পেয়ে থাকেন। তবুও যখন কোন নাগরিক ৯৯৯ এ কল করবেন তখন নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা বাঞ্ছনীয়।
ঠিকানা প্রদান : জরুরি সেবা পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য হল সাহায্য প্রার্থীর লোকেশন বা ঠিকানা জানা। অপারেটকে (এজেন্ট) যতটা সম্ভব আপনার সঠিক অবস্থান বলুন, এক্ষেত্রে জেলা বা উপজেলার নামও বলতে হবে। আপনার সঠিক অবস্থান জানা না থাকলে পার্শ্ববর্তী বড় রাস্তা, বাজার বা হাইওয়ের নাম উল্লেখ করতে পারেন।

প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান : আপনাকে সঠিক সেবা প্রদানের জন্য অপারেটর বা জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এক্ষেত্রে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ) আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবেন যাতে তারা যথাযথ কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার প্রয়োজন জানাতে পারেন। অথবা আপনাকে জীবন রক্ষাকারী কিছু পরামর্শ বা করণীয় যেমন সম্পর্কে জানাতে পারেন। এ ধরণের প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করে অপারেটরকে সহায়তা করুন। অবশ্য আপনার প্রয়োজনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে হয়তো একই প্রশ্নের উত্তর একাধিকবার দেয়া লাগতে পারে; বিশেষ করে ৯৯৯ থেকে কল ট্রান্সফার হয়ে পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিস বা হাসপাতালে পাঠানো হলে এমনটা হতে পারে।

ধৈর্য্যশীল থাকা : কলের সময় শান্ত থাকুন এবং আপনার সমস্যা বিস্তারিত তুলে ধরুন। অনেক সময় দেখা যায়, নাগরিক তার সমস্যার কথা জানাতে গিয়ে ভাবাবেগে আক্রান্ত হয়ে অপ্রয়োজনীয় কথা বলে থাকেন। এমনটা করা উচিত নয়। এর ফলে অপারেটরের মূল সমস্যাটা ধরতে ও প্রকৃত সাহায্য করতে অসুবিধা হয়। মনে রাখবেন, আপনি যত শান্ত থাকবেন, আপনি তত বিশদভাবে আপনার ঘটনার বর্ণনা দিতে পারবেন এবং অপারেটরও আপনাকে তত ভালভাবে সেবা প্রদান করতে পারবেন।
আপনার জরুরি পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করুন : জরুরি পরিস্থিতি ব্যাখ্যার সময় কয়েকটি বিষয়ে সতর্কতার সাথে তথ্য দিন। আপনি নিজে নাকি আপনার কাছের কেউ সমস্যায় পড়েছেন? কিভাবে হল? আপনার কোন ধরণের জরুরি সেবা প্রয়োজন – অ্যাম্বুলেন্স? পুলিশ? নাকি অন্য জরুরি সেবা? কেউ আহত হলে তার পরিস্থিতি পরিষ্কারভাবে বলার চেষ্টা করুন – আহত ব্যক্তির অবস্থা কি খুবই আশঙ্কাজনক? তার চেতনা আছে কি? তিনি কি শ্বাস নিতে পারছেন? তার শরীর থেকে কি রক্ত বের হচ্ছে? আপনার সাধ্যমত রোগীর অবস্থা বলার চেষ্টা করুন, আপনার কথা বলতে অসুবিধা হলে পাশের কাউকে দিয়ে বলাতে পারেন, কল না কেটে লাইনে থাকুন।

অ্যাম্বুলেন্স সেবা চাইতে এই বিষয়টি মনে রাখুন : ৯৯৯ সার্ভিসের মাধ্যমে যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হয়, তা কিন্তু বিনামূল্যে নয়। বস্তুত বাংলাদেশের কোন কর্তৃপক্ষই বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদান করে না। আর ৯৯৯ যেভাবে কাজ করে, নাগরিকের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। ফলে অ্যাম্বুলেন্সের ধরণ, গন্তব্যস্থল ইত্যাদি অনুযায়ী ভাড়ার পরিমাণ নির্ধারিত হয়। তাই অ্যাম্বুলেন্স সেবা চাইতে এই সকল তথ্য অপারেটরকে সঠিক ভাবে প্রদান করুন। মনে রাখা প্রয়োজন, ৯৯৯ থেকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হয় না।

ফায়ার সার্ভিসের সেবা চাইতে এই বিষয়টি মনে রাখুন : শুধু মাত্র অগ্নিকাণ্ড নয়, ফায়ার সার্ভিস আরো নানা ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে। যেমন সড়ক দুর্ঘটনা, নৌ দুর্ঘটনা, আটকে পড়া মানুষ বা পশু, পাখি উদ্ধার ইত্যাদি। ফলে এই ধরনের সেবার প্রয়োজন হলে ৯৯৯ এ ফোন করুন। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত সাহায্য পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অপারেটরকে সহায়তা করুন। চলন্ত অবস্থায় এমন ঘটনা দেখলে নিশ্চিত হবার চেষ্টা করুন, আপনার ফোন করার পূর্বেই ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশের কোন ইউনিট সেখানে পৌঁছেছে কিনা।

পুলিশের সেবা চাইতে এই বিষয়টি মনে রাখুন : জরুরি পুলিশী সেবার ক্ষেত্রে ৯৯৯ অপারেটর আপনাকে নিকটস্থ থানার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেবে। আপনি সেখানে আপনার অভিযোগটি জানাতে পারবেন। যেহেতু রেফারেন্সের জন্য ৯৯৯ এ কল রেকর্ড করা হয়ে থাকে, তাই পুলিশের সাথে কথা বলার জন্য সঠিক তথ্য প্রদান করুন। শত্রুতাবশত কাউকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে ৯৯৯ এ ফোন করলে আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে । পুলিশী সাহায্যের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ই নিকটস্থ থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে হয়। কারণ লিখিত অভিযোগ ছাড়া অনেকেক্ষেত্রে পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে না। ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে আপনার করনীয় সম্পর্কে জেনে নিন।

অপরাধীর বর্ণনা দিন : আপনি যদি কোন অপরাধ ঘটতে দেখেন তাহলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে পৌঁছান। যত দ্রুত সম্ভব ৯৯৯ এ কল করুন। আপনি অপরাধীকে চিনে থাকলে তা জানান কিংবা কাউকে সন্দেহ করেন কিনা তাও জানান। অপরাধীর হাতে অস্ত্র ছিল কিনা জানান। অপরাধী দেখতে কেমন? তার ধর্ম? আনুমানিক বয়স, উচ্চতা, ওজন, কাপড়ের রঙ প্রভৃতি তথ্য দিন। অপরাধী এখন কোথায়? তারা কি পালিয়েছে? কোন দিকে গেছে? তাদের সাথে কোন গাড়ি ছিল কিনা? কি গাড়ি? গাড়ির মডেল, রঙ এবং গাড়ির সাইজ কতটুকু? এমনকি গাড়ির নাম্বারের অংশবিশেষ প্রভৃতি তথ্য দিন।

ফোন খোলা রাখুন : আপনি যদি কোন মোবাইল ফোন থেকে কল করে থাকেন তাহলে আপনার নাম্বারটি খোলা রাখুন, যাতে অপারেটর যেকোন মুহূর্তে আপনার সাথে পুনরায় যোগাযোগ করতে পারে। এর বাইরে আপনার চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বা এ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষও আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

সচেতনতা তৈরি করুন : ৯৯৯ ইমাজেন্সি সার্ভিসে বিনা কারণে প্রতিদিন প্রচুর শিশু ফোন করে থাকে। এর ফলে প্রকৃত বিপদগ্রস্থরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। সময় ও সুযোগ করে আপনার সন্তানদের শেখান কিভাবে এবং কখন ৯৯৯ এ ফোন করতে হবে। কখন ফোন করবে না সেটিও শোখান।

প্রতিটি কলই গুরুত্বপূর্ণ : প্রতিটি কলই গুরুত্বপূর্ণ সেটা ফলস কলই হোক আর প্রাঙ্ক কল হোক। যদিও এসব কল প্রকৃত জরুরি সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করে।

৯৯৯ এর অতিরিক্ত ডি আই জি জানান : ফলস কল অথবা প্রাঙ্ক কল বার বার করলে ওই নম্বরটি থেকে দুই-তিন মাসের জন্য ৯৯৯ এ কল করা ব্লক করে দেয়া হয়। তাই, আপনার অসতর্কতার কারণে যাতে ৯৯৯ কল না যায় সেজন্য আপনার মোবাইলটি লক করে রাখুন।

ডিএমপি নিউজ থেকে
প্রচার: কালের কণ্ঠ।

05/05/2021

বজ্রপাতে করণীয়

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো-
১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।

২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।

৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।

৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।

৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।

৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।

৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।

৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।

১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।

১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।

১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।

১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।

১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।

১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।

১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।

১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।

সংগ্রহীত: কালের কণ্ঠ

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Kendua Bazar/কেন্দুয়া বাজার, Tarakandi Dhanbari Road
Dhaka
2050