09/04/2026
হাম নিয়ে আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে আজ ৯ এপ্রিল এক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ‘হামের কারণে শিশুমৃত্যুর খবর বাইরে না দিতে প্রত্যেক জেলা, উপজেলা আর শহরের হাসপাতাল ক্লিনিকে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। প্রকৃত মৃত শিশুর সংখ্যা কতো?’
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, সরকার এমন কোনো নির্দেশনা দেয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে নিয়মিত সারা বাংলাদেশ ও বিভাগভিত্তিক হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যা, মোট সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ও নতুন ভর্তি, মোট ছাড়প্রাপ্ত রোগীর তথ্যাদি প্রেস রিলিজ আকারে প্রকাশ করা হয়।
09/04/2026
আওয়ামী লীগ আমলের দুর্নীতি-পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া ৫০ হাজার কোটি টাকা
দেশের একটি জাতীয় গণমাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ‘দেশী বিদেশী কোম্পানিগুলোর সরকারের কাছে বিদ্যুত বিক্রির বকেয়া ৫০ হাজার কোটি টাকা’- এমন শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তবে দেশের বিদ্যুৎ খাতে এত টাকা বকেয়া থাকার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের কোনো দায় নেই। মূলত, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামল থেকেই থেকেই এই বকেয়া সমস্যা বড় আকার ধারণ করে। অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তীতে এসব বকেয়ার টাকা পরিশোধের চেষ্টা করলেও এই বকেয়ার বৃহৎ অংশ শোধ হয়নি। বর্তমান বিএনপি সরকার এই বকেয়া শোধের চেষ্টা করছে। তারই অংশ হিসেবে এই সরকার বিদ্যুৎ খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন গমণমাধ্যমে ‘দেশী বিদেশী কোম্পানিগুলোর সরকারের কাছে বিদ্যুত বিক্রির বকেয়া ৫০ হাজার কোটি টাকা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামল থেকেই থেকেই এই বকেয়া সমস্যা সৃষ্টির কথা বলা হলেও দলটির সংঘঠিত সিন্ডিকেট ও পারিবারিক সংশ্লিষ্টতার কারণে এখনো হাজার হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকার তথ্য সমূহ উল্লেখ করেনি। প্রতিবেদনগুলোতে আরও উল্লেখ আছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের মে মাসে বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া বিল ৫৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।
দেশে গত ১৫ বছরের অর্থনীতির ফিরিস্তি নিয়ে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশের অর্থনীতির শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অন্তত ৬০০ কোটি ডলার নয়ছয় হয়। যা প্রায় ৭২ হাজার কোটি টাকা (১ ডলার সমান ১২০ টাকা ধরে)। এর মধ্যে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ দিতে কমিশন হিসেবে লুটপাট হয়েছে ৩০০ কোটি ডলার। আর বিদ্যুৎকেন্দ্র না চালিয়ে কেন্দ্রভাড়া ও অতিরিক্ত মুনাফা হিসেবে বেসরকারি খাত নিয়ে যায় বাড়তি ৩০০ কোটি ডলার।
দৈনিক সমকালে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠনের সময় খুচরায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় দাম ছিল ৩ টাকা ৭৩ পয়সা। বর্তমানে (রিপোর্ট প্রকাশের সময় পর্যন্ত) গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৮ টাকা ৯৫ পয়সা। সাড়ে ১৫ বছরে খুচরায় বিদ্যুতের দাম বাড়ে ১৪২ শতাংশ।
দেশের বিদ্যুৎ ঘাটতিকে পুঁজি করে দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বিশেষ বিধান পাস করা হয় ২০১০ সালে। এই আইনে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া হয়। এর পর দেশের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ চাহিদার অবাস্তব প্রাক্কলন করে একের পর এক ব্যয়বহুল প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রয়োজন না থাকলেও অনেক প্রকল্প দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাকসহ প্রায় দুই ডজন সংসদ সদস্য সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ নানা প্রকল্পের কাজ পান।
সামিট, ইউনাইটেড পাওয়ার, বাংলাক্যাট, মোহাম্মদী গ্রুপ, ডরিন, বারাক, সিনহাসহ বেশ কিছু কোম্পানি একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে। যদিও এত বেশি কেন্দ্রের প্রয়োজন ছিল না বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন। ফলে অনেক কেন্দ্রই নামমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন করে শত শত কোটি টাকা আয় করে সেই আমলে।
দৈনিক আমার দেশে আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এখনো বিদ্যুৎ খাতের মিটার ও ট্রান্সফরমারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কেনাকাটা ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের আমলের সময় সংঘঠিত সিন্ডিকেটের হাতেই আছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমটিকে জানান, আওয়ামী সরকারের আমলে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটই বিদ্যুৎ খাতের পুরো কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ করছে। আর এ সিন্ডিকেটের নেপথ্যে রয়েছেন সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি।
তবে দেখা গিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিদ্যুৎ খাতের ৫৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া বিল পরিশোধের চেষ্টা করে। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক বছরে প্রায় ১৮ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা বৈদেশিক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে।
বর্তমান বিএনপি সরকারও বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া পরিশোধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। দৈনিক কালবেলায় গত ৩০ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লি. (বিসিপিসিএল) ও বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লি. (বিআইএফপিসিএল)-এর বিদ্যুৎ ক্রয়ের বিপরীতে জমে থাকা বিশাল অংকের বকেয়া ভর্তুকির দুই দফায় মোট ৫ হাজার ৪৯৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা পরিশোষ করেছে বর্তমান সরকার।
জাগোনিউজ টুয়েন্টিফোরে আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, অপচয় ও লুটপাটের মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম।
অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, ‘জ্বালানি খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের ‘জ্বালানি অপরাধী’ হিসেবে চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়ক হিসেবে কাজ না করে উল্টো কোম্পানিগুলোর পরিচালনায় যুক্ত হয়ে পড়েছে। এতে করে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মধ্যে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত আমলারা বিভিন্ন কোম্পানির চেয়ারম্যান বা সদস্য হয়ে কার্যত মালিকের ভূমিকায় চলে যাচ্ছেন।’
09/04/2026
বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে জাল ভোট দেওয়ার দাবিতে ভিডিওটি ছড়ালেও, এটি মূলত ব্যালট পেপারে নির্বাচনী কর্মকর্তার সিলের ঘটনা।
08/04/2026
দেশের ৩০% এলপিজি স্টেশন বন্ধের দাবি করে কালের কণ্ঠের ভিত্তিহীন প্রতিবেদন
দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতায় আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) ‘৩০% এলপিজি স্টেশন বন্ধ’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরবরাহ ঘাটতির কারণে দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
তবে, দেশে ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের বিষয়ে কোনো প্রকার সূত্র ছাড়াই দৈনিক কালের কণ্ঠ বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করেছে। এই বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো সূত্র অথবা ‘বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ এর পক্ষ থেকে বন্ধের কোন তথ্য বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
দেশে ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের বিষয়ে ‘বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’ এর অফিস সচিব মোঃ মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দেশে ৯৮৮ টি এলপিজি ফিলিং স্টেশন চালু থাকার তথ্য আমাদের কাছে আছে। তবে এই মূহুর্তে কোন স্টেশন বন্ধ হয়েছে কিনা সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। সংগঠনে কেউ এখনো পর্যন্ত জানায়নি।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বলেন, ‘দেশে সাময়িক বা পুরোপুরি ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের বিষয়ে আমাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই।’
অর্থাৎ, দৈনিক কালের কণ্ঠের এই প্রতিবেনটি সরকারকে বিব্রত করার অপচেষ্টা মাত্র।
08/04/2026
কালের কণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৮ এপ্রিলের ছাপা ও অনলাইন সংস্করণ বাংলাদশের প্রবাসী আয় নিয়ে সম্পূর্ণ ভুল শিরোনাম প্রকাশ করেছে। ‘যুদ্ধে রেমিট্যান্স নিয়ে উদ্বেগ’শিরোনাম বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানের সাথেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়াও পত্রিকাটি ফেব্রুয়ারি মাসের তথ্য দিয়ে যুদ্ধকালীন উদ্বেগ বিশ্লেষণ করতে চেয়েছে, অথচ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরুই হয়েছে মার্চ থেকে। কালের কণ্ঠের বিভ্রান্তিকর শিরোনামের খবর হুবহু ছেপেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।
২০২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ৩.০১ বিলিয়ন ডলার। মার্চ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের এক মাসে এই বৃদ্ধির হার ২৪.৬%। আবার গত বছরের মার্চের তুলনায় এ বছর মার্চ মাসে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৩.৯% (সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)। গত বছর জুলাইয়ের তুলনায় ফেব্রুয়ারি ও মার্চে এই বৃদ্ধি যথাক্রমে ২১.৮৭% ও ৫১.৫৪% ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকেও যুদ্ধকালে রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। গত বছর জুলাইয়ে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ২.৪৭ বিলিয়ন ডলার, সেই তুলনায়ও ফেব্রুয়ারি-মার্চে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রেমিট্যান্স বেড়েছে।
ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হতে থাকায় কম রেমিট্যান্স আসা দেশগুলিতেও পরিস্থিতির উন্নতির যৌক্তিক সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে সেসব দেশে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের জন্যও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বাড়তি রেমিট্যান্স আসার সম্ভাবনাও জোরদার। তাহলে কালের কণ্ঠের উদ্বেগের কারণটা কোথায়?
পত্রিকা দুটিতে মধ্যপ্রাচ্যের সবেচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের উৎস ৮ দেশের তথ্য দেখানো হয়েছে। এতে উদ্বেগের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, গত বছর জুলাইয়ের তুলনায় এ বছর ফেব্রুয়ারিতে বাহরাইন, জর্দান, ও ইরাক থেকে রেমিট্যান্স কমেছে। তবে তাদের দেওয়া একই পরিসংখ্যান বলছে, বাকি ৫ দেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারিতে এই ৮ দেশ থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৭%।
২০২৬ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করে। মূলত এরপর, অর্থাৎ মার্চ মাস থেকে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। এক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারি মাসের উপাত্ত দিয়ে ’যুদ্ধের কারণে রেমিট্যান্স নিয়ে উদ্বেগ’ বলাটা যৌক্তিক নয়। দ্বিতীয়ত, মার্চ মাসের তথ্যও কালের কণ্ঠের উদ্বেগের বিপরীত চিত্রই হাজির করে।
05/04/2026
গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দৈনিক কালের কণ্ঠ তাদের ফেসবুক পেজে ‘কবরস্থান থেকে উদ্ধার হল ৪১৪ গ্যাস সিলিন্ডার, আটক ১০' - এমন শিরোনামে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে। প্রায় একই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে আরটিভি, চ্যানেল ২৪, নিউজ ২৪, ঢাকা প্রকাশ।
মূলত, ঘটনাটি ভারতের হায়দরাবাদ শহরের। ঘটনাস্থল ‘ভারত’ উল্লেখ না করায় গণমাধ্যমের এমন শিরোনাম পাঠকমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
05/04/2026
গত ৩ এপ্রিল (শুক্রবার) নরসিংদী শহরের ভেলানগরের জেলখানার মোড় এলাকার মাদ্রাসাতুল আবরার আরাবিয়াহ মাদ্রাসায় গোসল করতে না চাওয়ায় মুজাহিদুল (৭) নামের একজন শিক্ষার্থীকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে নাজমুস সাকিব নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
এরই প্রেক্ষিতে, একজন হুজুর কর্তৃক এক ছাত্র পিটুনির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে এটি নরসিংদীর মাদরাসা ছাত্র পিটুনির ঘটনার দৃশ্য।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, এটি নরসিংদীর মাদরাসা ছাত্র পিটুনির ঘটনার দৃশ্য নয়। বরং, ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের একটি মাদ্রাসায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার দৃশ্য এটি।