আমরা মানুষ,সৃষ্টির সেরা জীব। আশরাফুল মাকলুখাত, মহান আল্লাহ অসংখ্য ছোট-বড় সৃষ্টির মধ্যে একমাত্র মানুষকেই সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সব সৃষ্টিকেই তিনি একটি নিয়মের অধীন করে দিয়েছেন। কিন্তু মানুষকে তিনি ইচ্ছার স্বাধীনতা দিয়েছেন। মানুষ যা চায় তাই করতে পারে। এত বড় মর্যাদার সাথে তিনি মানুষকে করেছেন খলীফা বা প্রতিনিধি
। মানুষ সৃষ্টির আগে তিনি ফেরেশতাদের ডেকে বললেন,‘‘আমি পৃথিবীতে আমার খলীফা বা প্রতিনিধি প্রেরণ করব”। (সূরা বাকারা-৩০) খলীফার কাজ হচ্ছে মনিবের প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা এবং পরে যার প্রতিনিধি তাঁর কাছে হিসেব দেয়া।
জীবন বিধান ইসলাম
আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠালেন। সাথে দিলেন তাঁর পক্ষ থেকে হেদায়াত। মানুষ যখনই তাঁর দেয়া হেদায়াত ভুলে পথভ্রষ্ট হয়েছে তখনই আল্লাহ তা’য়ালা পাঠিয়েছেন নবী বা রাসূল। সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। তিনি খাতামুন্নাবিয়ীন, সাইয়্যেদুল মুরসালীন। তাঁর পর আর কোন নবী আসবেন না। তিনি মানুষের কাছে নিয়ে এসেছেন হেদায়াত গ্রন্থ আল-কুরআন। আল্লাহর মনোনীত একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ইসলামকে তার মাধ্যমে পরিপূর্ণতা দান করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘‘ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং আমার নিয়ামত তোমাদের প্রতি সম্পূর্ণ করলাম”। (সূরা মায়েদা-৩)
মুসলমানের পরিচয়
ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ। তাই মানুষের মধ্যে যারা এ ইসলামকে কবুল করে বা আল্লাহর কাছে সম্পূর্ণরুপে নিজেদের আত্মসমর্পণ করে তাদের বলা হয় ‘মুসলিম’। কেবল মুসলমানের ঘরে জন্ম হলেই কেউ মুসলমান হয়না, বরং কাফের মুশরিকদের ঘরে জন্ম নিয়েও কেউ যদি ঈমান আনে এবং ইসলামের সব বিধি-বিধান মেনে চলে তবে সেও মুসলিম। মানুষের মধ্যে মুসলিমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি। কুরআনের ভাষায়, “তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা সৎ কাজের আদেশ দাও আর অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখ।“(সূরা- আলে ইমরান-১১০)
অন্য স্থানে বলা হয়েছে, “তোমাদেরকে মধ্যমপন্থি জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন তোমরা মানুষের জন্য সত্যের সাক্ষ্য হতে পার।“ (সূরা-বাকারা-১৪৩)
কিন্তু
আজ মানুষ ভুলে গেছে তার পরিচয়। মুসলমান বিস্মৃত হয়েছে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে। ফলে জলে-স্থলে সর্বত্র চলছে অনাচার, অবিচার ও অশান্তির প্রবল স্রোত। মানুষে মানুষে চলছে হানাহানি, কাটাকাটি, হিংসা-বিদ্বেষ, অসাম্য ও দূর্ভোগ। অসংখ্য বনী আদম অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে। অথচ লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য সমুদ্রে ফেলে নষ্ট করা হচ্ছে, পারমানবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ব্যয় হচ্ছে কোটি কোটি ডলার। যাদের মুখে শোনা যায় শান্তির ললিত বাণী তারাই আবার অপরকে দেয় পারমাণবিক বোমার হুমকি। অসহায় মানুষ আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছে মুক্তির জন্য। মুসলমানদের অবস্থাতো আরো করুণ; আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, কাশ্মীরসহ বিশ্বের অনেক স্থানে মুসলমানদের রক্ত নিয়ে হোলি খেলছে বেদ্বীনরা। ইরাকের মুসলমানদের উপর চলছে ইহুদীবাদের ক্রীড়নক মার্কিনীদের নেতৃত্বে বিশ্ব ইসলাম বিরোধী শক্তির ভয়াবহ নিষ্ঠুর নির্যাতন। এ ব্যাপারে মুসলমানদের কোন ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নেই, নেই কোন কার্যকর পদক্ষেপ। তাই মুসলমানদের বিরুদ্ধে দিন দিন ষড়যন্ত্র তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। অবশ্য ইসলামের বিজয়ের সম্ভাবনাও দিন দিন বাস্তবরূপ লাভ করছে।
একদিন...
সব মানুষকেই মরতে হবে। ফিরে যেতে হবে মহান স্রষ্টার কাছে। কিয়ামাতের প্রবল প্রলয়ে সমস্ত কিছু ধ্বংসের পর মানুষের ভাল-মন্দের বিচারের সময় এসে যাবে। সেদিন যাদের ভাল কাজের পরিমাণ বেশী হবে তারাই মুক্তি পাবে, পুরস্কার হিসেবে পাবে চির শান্তির জান্নাত। আর যাদের মন্দ কাজের পাল্লা ভারী হবে তারা পাবে অবর্ণনীয় আযাবে ভরপুর চির দুঃখের জাহান্নাম। যে যেখানেই যাবে সেখানেই থাকবে চিরদিন, অনন্তকাল। সেদিন অবশ্যই সকলকে দুনিয়ার বর্তমান অবস্থায় তার ভূমিকা ও কাজ সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে।
তাই
আল্লাহ নিজেই সেদিনের মুক্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। তাঁর কালামের ভাষায়, ‘‘তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে লড়াই কর। এটিই হবে তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝ। তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করা হবে, আর তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে; যার তলদেশে আছে ঝর্ণাধারা।“ (সূরা আস্ সফ-১১-১২)
সুতরাং
আজকের এই অবস্থায় আমাদের উচিৎ ইসলাম সম্পর্কে জানা, কুরআন-হাদীস পড়া এবং মানুষের মুক্তির জন্য আল্লাহর পথে প্রাণান্ত প্রচেষ্টা চালানো, সৎ কাজের আদেশ দেয়া ও অসৎ কাজ হতে বিরত রাখা। কিন্তু এ কাজটি একা একা করা যায়না। এজন্য প্রয়োজন সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা। হযরত উমর রাঃ তাই বলেছেন, ‘‘দল ছাড়া ইসলাম হয় না।“ আমাদের দেশের অবস্থা বড়ই নাজুক। পৃথিবীর অন্যতম একটি দরিদ্র জনপদ এই দেশ। শতকরা ৪৯ জন মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বাস করছে। মানুষের জীবনে নেই সুখ, নেই শান্তি, নেই কোন আদর্শের ছবি। শিশু কিশোররাও বেড়ে উঠছে অনৈতিকতার মধ্য দিয়ে। এ অবস্থা চলতে দিলে জাতির ভবিষ্যত গাঢ় অন্ধকারময়। এর হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন একদল সচেতন লোকের। তাই এখানেও আল্লাহর পথে তরুণদের ডাকার জন্য, দেশের ভবিষ্যত নাগরিকদের আদর্শ ও চরিত্রবানরূপে গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরুণ ও মেধাবী ছাত্রদের সংগঠণ- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
শিবিরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল সাঃ প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূণর্বিন্যাস সাধন করে আল্লাহর সন্তোষ অর্জন।
কর্মসূচীঃ
উল্লেখিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবির প্রণয়ন করেছে বিজ্ঞানসম্মত পাঁচ দফা কর্মসূচী:
এক. দাওয়াত : তরুণ ছাত্রসমাজের কাছে ইসলামের আহবান পৌঁছিয়ে তাদের মাঝে ইসলামী জ্ঞানার্জন এবং বাস্তব জীবনে ইসলামের পূর্ণ অনুশীলনের দায়িত্বানুভূতি জাগ্রত করা।
দুই. সংগঠন : যেসব ছাত্র ইসলামী জীবন বিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিতে প্রস্তুত, তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা।
তিন. প্রশিক্ষণঃ এই সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ ছাত্রদেরকে ইসলামী জ্ঞান প্রদান এবং আদর্শ চরিত্রবানরূপে গড়ে তুলে জাহেলিয়াতের সমস্ত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করা।
চার. ইসলামী শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্যা: আদর্শ নাগরিক তৈরির উদ্দেশ্যে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন সাধনের দাবিতে সংগ্রাম এবং ছাত্রসমাজের প্রকৃত সমস্যা সমাধানের সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদান।
পাঁচ. ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ : অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং সাংস্কৃতিক গোলামী হতে মানবতার মুক্তির জন্য ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।
দেশের প্রতিটি জনপদ জুড়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কাজ করে যাচ্ছে তার বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে। শিবির একজন তরুণকে একই সাথে একজন ভাল ছাত্র ও একজন ভাল মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করছে। ব্যক্তিগত রিপোর্টে পাঠ্য বই পড়ার ও ক্লাসে উপস্থিতির হিসেব রাখার ব্যবস্থা করে শিবির তার কর্মীদের ভাল ছাত্র হতে আগ্রহী করে তোলে।
ইসলাম যেমন সকল মানুষের কল্যাণের জন্য তেমনি ইসলামী ছাত্রশিবিরও মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবার কাছে ইসলামকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার কর্মসূচী নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই এই সুন্দর কর্মসূচী ও চরিত্রবান কর্মীদের প্রতি দিন দিন জনসমর্থন বাড়ছে। আসুন, আপনিও শিবিরের পতাকাতলে সমবেত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলুন সুন্দর ও যোগ্যতম ব্যক্তি হিসেবে। শরিক হোন ইহকাল ও পরকালের মুক্তিকামী মানুষের এই কাফেলায়।
31/05/2026
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কর্মচারীদের মাঝে গোশত বিতরণের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি হাফেজ দেলোয়ার হোসাইন
28/05/2026
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার আয়োজনে জুলাই অভুত্থানের সোহরাওয়ার্দী কলেজের ২ জন শহীদের (শহীদ হাসান মেহেদী, শহীদ আবদুল্লাহ) পক্ষ থেকে কুরবানী দেয়া হয়েছে।
28/05/2026
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা সভাপতি মো. রাজিব হোসেন এর শুভেচ্ছা বাণী
27/05/2026
ঈদ মুবারক!
অতপর আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন আর কুরবানি করুন।
সুরা কাউসার: ২
সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকার সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীসহ সমগ্র দেশবাসীকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আহযার শুভেচ্ছা-
ঈদ মুবারক
تَقَبَّلَ اللّٰهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ صَالِحُ الأَعْمَالِ
এই গ্রাফিতিগুলো মুছে ফেলার মূল কারণ একটাই— এগুলো ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনতাকে সচেতন ও জাগ্রত করেছে।
যারা জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় বেনিফিশিয়ারি, আজ তারাই জুলাইয়ের চেতনার সঙ্গে বেঈমানি করে গাদ্দারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।
নূরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
16/05/2026
সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি কাওসার আলী ভাইয়ের ৯ মাস বয়সী নিষ্পাপ শিশু সন্তান হামে আক্রান্ত হয়ে গত পরশু ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আজ শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নিতে এবং মরহুমের কবর জিয়ারত করতে উপস্থিত হন— সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাজিব হোসেন ও সেক্রেটারী জীবন মাহমুদ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র অধিকার পরিষদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার সভাপতি আকবর হোসেন।
মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ, তিনি যেন শিশুটিকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করেন এবং কাওসার ভাইয়ের পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দেন। আমিন।
12/05/2026
Al-Biruni
MATH OLYMPIAD
◼️ Section
A: Class 6-8
B: Class 9-10
C: Class 11-12
⭕ Registration Deadline: 05 June, 2026
👕 Attractive T-SHIRT for every registration participant.
🔘 Registration link: Check the comment box.
10/05/2026
ছাত্রশিবির আয়োজিত
🎬 জুলাই জাগরণ ডকুফিল্ম প্রতিযোগিতা ২০২৬
⏰ সময়সূচি:
📝 আবেদন প্রক্রিয়া চলমান থাকবে :
১০ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত
🎥 ফিল্ম জমা :
৩০ জুন এর মধ্যে ফিল্ম জমা দিতে হবে
📌 অংশগ্রহণের নিয়মাবলি :
১. প্রতিযোগিতাটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
২. ডকুফিল্মের দৈর্ঘ্য ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে হতে হবে।
৩. ভিডিও অবশ্যই 4K রেজুলেশনে জমা দিতে হবে।
৪. ভিডিওতে ইংরেজি সাবটাইটেল সংযুক্ত থাকতে হবে।
৫. ভিডিওতে কোনো প্রকার লোগো ব্যবহার করা যাবে না।
৬. প্রতিযোগিতার কনটেন্ট অবশ্যই কপিরাইটমুক্ত হতে হবে।
৭. জমাকৃত ডকুফিল্ম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা যাবে না।
৮. পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা ডকুফিল্মের
স্বত্বাধিকার ইসলামী ছাত্রশিবিরের অধীনে সংরক্ষিত থাকবে।
৯. কনটেন্ট অবশ্যই সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে নির্মিত হতে হবে।
১০. জমাকৃত কনটেন্ট এর বিষয়বস্তু অবশ্যই জুলাই কেন্দ্রীক হতে হবে।
১১. কোনো প্রকার বিতর্কিত বিষয় বা ইস্যু উপস্থাপন করা যাবে না।
১২. বিচারকার্যে বিচারকদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
🏆 পুরস্কার:
🥇 ১ম পুরস্কার — নগদ ২ লক্ষ টাকা + সনদ ও ক্রেস্ট
🥈 ২য় পুরস্কার — নগদ ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা + সনদ ও ক্রেস্ট
🥉 ৩য় পুরস্কার — নগদ ১ লক্ষ টাকা + সনদ ও ক্রেস্ট
🏅 ৪র্থ ও ৫ম — নগদ ৫০ হাজার টাকা + সনদ ও ক্রেস্ট
🏅 ৬ষ্ঠ-১৫তম — ৩০ হাজার টাকা + সনদ ও ক্রেস্ট
সাইয়েদ আহমাদ শহীদ ১৭৮৬ সালে ভারতের অযোধ্যায় জন্মগ্রহণ করেন এবং শাহ আব্দুল আযীযের কাছে দীক্ষা নেন। তিনি ভারত থেকে বিধর্মীদের হটাতে জিহাদি আন্দোলন গড়ে তোলেন এবং হাজার হাজার মানুষ তাঁর হাতে বায়আত গ্রহণ করেন। হজ্জ সফরে হুদায়বিয়ায় সাথীদের কাছ থেকে জিহাদের বায়আত নিয়ে তিনি সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেন। আফগানিস্তানকে যুদ্ধকেন্দ্র বানিয়ে তিনি শিখদের বিরুদ্ধে সফলভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। পেশোয়ারে শিখদের ষড়যন্ত্রে মুসলিম কর্মচারীদের গণহত্যার পর তিনি কাশ্মীরে নতুন ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা নেন। কাশ্মীর যাত্রাপথে বালাকোটকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে বেছে নেন এবং ১৮৩১ সালের ১৭ এপ্রিল সেখানে প্রবেশ করেন। শিখ সেনাপতি শের সিং মেটিকোট পর্বত দখল করে নিলে মুজাহিদ বাহিনীর পরাজয় অনিবার্য হয়ে পড়ে। তবুও সাইয়েদ আহমাদ পলায়ন না করে বীরত্বের সাথে চূড়ান্ত যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং শাহাদত বরণ করেন।