Pally City Development Foundation

Pally City Development Foundation

Share

"Pally City Development Foundation" is a Bangladesh Government registrar organisation .its Always work for the poor people.please join this NGO.

PCDF communities, wherever individuals square measure ready to influence and take action on the selections that have an effect on their lives. PCDF is that the leading national organisation in community development and engagement. We square measure obsessed on empowering communities wherever native individuals square measure at the centre of amendment. We have distinctive experience in operating a

19/06/2024

অনেক দিন পর ফিরে আসলাম!

শ-শ-শ্...চুপ! 04/10/2017

আমাদের নিউজ সাইটির খবর পড়া ও শয়ার করার জন্য সকলকে অনুরোধ করছি,

শ-শ-শ্...চুপ! দাম্পত্য জীবনে রোজ দুজনার কত কথাই না হয়। কথাগুলোর কোনোটা মিষ্টি, কোনোটা বা তেতো। কথায় কথায় কুরুক্ষেত্র বেধে যেতে পারে।...

বিভাগীয় প্রতিনিধি / সমন্নয়ক আবশ্যক | কাওরানবাজার 01/10/2017

বিভাগীয় প্রতিনিধি / সমন্নয়ক আবশ্যক | কাওরানবাজার সরকার অনুমদিত ”পল্লীসিটি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন”এর প্রজেক্টের কাজ প্রতিটি বিভাগ,জেলা,থানা,ইউনিয়ন ও গ্রামে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে বিভাগীয় প্রতিনিধি/...

Photos from Pally City Development Foundation's post 18/09/2017

ব্যতিক্রমী স্লোগান। আপকা ভালা, সবকা ভালা। এ স্লোগানে মাতোয়ারা এখন ভারতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলো। রাস্তায় রাস্তায় বিজ্ঞাপনে দৃষ্টি কাড়ে সবার। এমনই একটি বিজ্ঞাপন কলকাতার স্কাই লাইনেও। যে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেটি হলো বন্ধন ব্যাংকের বিজ্ঞাপন। স্বাধীন ভারতে, বিশেষ করে পূর্বাঞ্চলে এটি বাঙালি মালিকানার প্রথম ব্যাংক এবং একমাত্র ব্যাংক। আবার সেই মালিক বাংলাদেশের এক যুবক। যিনি বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ও আশার কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে গড়ে তোলেন এই ব্যাংক। আদতে বৃহত্তর ত্রিপুরায় জন্ম হলেও যুবক চন্দ্রশেখর ঘোষ বাংলাদেশেরই মানুষ। রাশিবিজ্ঞান নিয়ে মাস্টার্স করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্নাতকোত্তর পাস করে ব্র্যাকে চাকরিও করেছেন। ১৯৭০ সালে তার পরিবার চলে এসেছিলেন কলকাতায়। তবে চন্দ্রশেখর কলকাতায় আসেন ১৯৯৭ সালে। প্রথমে কিছুদিন নানা রোজগারের চেষ্টা করার পর ঠিক করেন নিজেই শুরু করবেন মাইক্রো ফিন্যান্সিংয়ের ব্যবসা। মহিলাদের স্বাবলম্বনের লক্ষ্যে সামান্য পুঁজি নিয়ে ২০০১ সালে শুরু করেছিলেন এই মাইক্রো ফিন্যান্সিংয়ের ব্যবসা। মাত্র পনেরো বছরে সেই ব্যবসার সাফল্য ও ব্যবসায়িক স্বচ্ছতার কারণে সারা ভারতে প্রথম তাঁর মাইক্রোফিন্যান্স কোম্পানিকে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া পরিপূর্ণ ব্যাংক খোলার অনুমতি দেয়। শিল্পগ্রুপ আম্বানি ও বিড়লাদের হারিয়ে ব্যাংক তৈরির সুযোগ তিনিই পেয়েছিলেন। আর এখন ভারতের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বন্ধন ব্যাংক একটি অন্যতম নাম। বর্তমানে এটি একটি পরিপূর্ণ ব্যাংক। এর মূল মন্ত্র, আপকা ভালা, সবকা ভালাই অর্থাৎ আপনার ভালো, সবার ভালো। রিজার্ভ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পেয়ে ২০১৫ সালে ব্যাংক হিসেবে এটি যাত্রা শুরু করেছিল। জন্মলগ্নে গোটা দেশে এটির মোট শাখা ছিল ৫০১টি। বর্তমানে মোট শাখার সংখ্যা ৮৪০। শুরুতে ৫০টি এটিএম কাউন্টার থাকলেও ধীরে ধীরে দেশ জুড়ে বন্ধন ব্যাংক তাদের এটিএম কাউন্টারের সংখ্যা বাড়িয়েছে। কিছু দিন আগেই এক কোটি গ্রাহক হওয়ার সাফল্যকে উদযাপনও করেছে। বর্তমানে ব্যাংকে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ১কাটি ১০ লাখের কাছাকাছি। চলতি অর্থ বছরের ব্যাংকের ত্রৈমাসিক আর্থিক অবস্থা পেশ করতে গিয়ে ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর ঘোষ জানিয়েছেন, এই ত্রৈমাসিকের হিসাবে ব্যাংক মুনাফা করেছে ৩২৭ কোটি টাকা। তিনি জানিয়েছেন, এবার মিউচুয়্যাল ফান্ড এবং জেনারেল ইনসিওরেন্স ব্যবসায় নামতে চলেছে বন্ধন ব্যাংক। সেপ্টেম্বর মাস থেকেই এই পরিষেবা চালু করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে চালু হবে আবাসনের জন্য ঋণপ্রদান ব্যবস্থাও। ঘোষ আরো জানিয়েছেন, ছোট এবং মাঝারি শিল্পে আমরা বিনিয়োগের ওপর জোর দিচ্ছি। ছোট এবং মাঝারি শিল্পে ১ থকে ১০ লাখ পর্যন্ত ঋণদানে ব্যাংক কোনো ‘সিকিউরিটি’ না নিয়ে নজির গড়তে চলেছে।

বন্ধন ব্যাংকের গোড়ার কথা
চন্দ্র শেখর ঘোষ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ১৯৮৪ সালে পরিসংখ্যান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। কাজ করেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে। তাও প্রায় একযুগ। পরিবার আগেই থিতু হয়েছিল আগরতলায়। ১৯৯৭ সালে চন্দ্র শেখর পাড়ি জমান কলকাতায়। কি করবেন এমন চিন্তা মাথায় নিয়ে ঘুরছিলেন। দরিদ্র্যতার কশাঘাত তখন পরিবারের পিছু ছুটছে। ঘরে নিয়মিত খাওয়া জুটতো না। কিন্তু চন্দ্র শেখর ঘোষ মুষড়ে পরেননি। এমনও হয়েছে শুধু সেদ্ধ ভাত খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে। কিভাবে বদল ঘটলো সেই দিনের? ১৯৯৭ থেকে ২০১৭। দুই দশক। চন্দ্র শেখর ঘোষের পুঁজি ছিল সততা, পরিশ্রম আর বুদ্ধিমত্তা। তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘বন্ধন’ বইতে সেইদিনগুলোর উল্লেখ আছে এভাবেই। উত্তর কলকাতার শুভাবাজার এলাকায় একটি ছোট্ট কক্ষে চারজন মানুষ কিছু সুতা নিয়ে পোশাক তৈরির কাজ শুরু করেন। প্রথমদিকে এ থেকে আয় হয়েছিল দৈনিক ১০০ থেকে ২০০ রুপি। পরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাগুলো নিয়ে সেখানেই হোসিয়ারি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর এর সঙ্গে যুক্ত হয় দারিদ্র্য দূরীকরণ ও চিকিৎসা সেবা নিয়ে কাজ। একদিন সুভাবাজার এলাকায় সবজিবাজারে কিছু নারীর ঋণ নিয়ে সবজি কেনাবেচার অভিজ্ঞতা শুনে বদল ঘটে চিন্তার। যারা অধিক সুদে ঋণ নিয়ে প্রতিদিন ফেরত দিত মহাজনকে। পরে কিভাবে এইসব দরিদ্র মানুষদের বিনা জামানতে অল্প সুদে ঋণ দেয়া যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করেন চন্দ্র শেখর ঘোষ। টার্নিং পয়েন্ট এখানেই। আজ থেকে দেড়দশক আগে ২০০১ সালে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা বন্ধন পথচলা শুরু করে। হাওড়ার বাগনানে এর সূচনা। মাত্র তিনজন কর্মী নিয়ে একটি ভাড়া বাড়িতে। সেখানে বর্তমানে বন্ধন ব্যাংকে কাজ করছে ১৯,৫০০ মানুষ। ভারতের ২৭টি রাজ্যে ৮৪০ শাখা আর ২৫০টি এটিএম বুথের মাধ্যমে প্রতিনিয়িত সেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে বন্ধন। চন্দ্র শেখর ঘোষ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রতিবছর ৩০ শতাংশ হারে ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বন্ধন। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য বায়োমেট্রিক (বুড়ো আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে) পদ্ধতিতে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি চালু করবে বন্ধন। এ জন্য ব্যাংকের শাখায় শাখায় ছোটছোট যন্ত্র রাখা হবে। সেখানেই আঙুলের টিপ ছাপ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে লেনদেন করা যাবে। ব্যাংক শুরু করতে যেখানে ন্যূনতম ৫০০ কোটি টাকা মূলধনের প্রয়োজন সে তুলনায় অনেক বেশি ৩,২০০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে বন্ধন ব্যাংক যাত্রা শুরু করেছে। যেহেতু রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে, কাজ শুরুর তিন বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে শেয়ারবাজারে নথিভুক্ত করার সুযোগ আসবে তাই তখনই সুবিধা মতো সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চান চন্দ্র শেখর ঘোষ। ব্যাংকের লাইসেন্স পাওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৮,০০০ নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে, যার মধ্য একেবারে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে আনা হয়েছে প্রায় ৮৫০ জনকে। এছাড়া ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা হিসেবে সারা দেশে বন্ধনের ওই ২০২২ শাখাকেও ব্যাংকিং পরিষেবায় শামিল করা হবে। নতুন ব্যবস্থায় ওই সব শাখা ক্ষুদ্রঋণ দেয়া ছাড়াও ছোট অংকের আমানত সংগ্রহ, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় টাকা হস্তান্তর করা (রেমিট্যান্স), বীমা প্রকল্প বিক্রিসহ আরো কিছু কাজ করবে। নতুন ব্যাংক চালুর ব্যাপারে বন্ধনকে বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে সারা দেশে তাদের ক্ষুদ্রঋণ পরিষেবার অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে সহায়ক হয়েছে। বন্ধন পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে ক্ষুদ্রঋণ পরিষেবাও বন্ধন চালু রাখতে চায়। বর্তমানে সারা দেশে বন্ধনের ৬৬ লাখ ক্ষুদ্রঋণ গ্রাহক তাদের একইসঙ্গে ব্যাংকেরই অ্যাকাউন্ট হোল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। প্রথম সূচনা বক্তব্যে চন্দ্র শেখর ঘোষ সাধারণ ঘোষণায় বলেছেন, ব্যাংকিং হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার। কাজেই বন্ধনের কাছ থেকে কেউ যেন মুখ ফিরিয়ে না নেয় তা নিয়ে কাজ করছে বন্ধন। বিনা জামানতে ব্যবসায়ীদের দশ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে পুরো ভারতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চন্দ্র শেখর ঘোষ। একজন বাংলাদেশির এই সাফল্য যে দেশপ্রেমি মানুষের জন্য সত্যিই গৌরবের। যা দেশের বাইরে কলকাতায় বসে বারবার মনে হয়েছে। চলার পথে বন্ধন ব্যাংকের সাইনবোর্ড, বন্ধন ব্যাংকের শাখা দেখলে মনে হয়েছে এ ব্যাংকের রূপকার একজন বাংলাদেশি।

Photos from Pally City Development Foundation's post 18/09/2017

ওরা চার জন। কিশোর কুমার দাস, নাফিজ চৌধুরী, ফারুক আহমেদ ও শিপরা দাস। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কিছু করার ইচ্ছা তাদের মনে। এ নিয়ে ভাবতে থাকেন দিনের পর দিন। প্রথমেই সিদ্ধান্ত নেন, সবার আগে প্রয়োজন শিক্ষা। যারা শিক্ষার আলো থেকে দূরে তাদের নিয়ে গড়বেন স্কুল। দেবেন কাগজে কলমে শিক্ষা। তাদের নিয়ে যাবেন শিক্ষার উচ্চ শিখরে। যেই ভাবনা, সেই কাজ। গড়ে তুলেন বিদ্যানন্দ সংগঠন। পড়বো, খেলবো, শিখবো- এ স্লোগানকে ধারণ করে তাদের পথচলা। দিনটি ২০১৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম কিশোর কুমার দাসের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সাতবীর গ্রামে। সেই গ্রাম থেকেই যাত্রা শুরু। কিশোর তার নিজ বাড়ির একটি ঘরে ২২ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে নিয়ে শুরু করেন কাজ। সেই থেকে স্বপ্নযাত্রা বিদ্যানন্দের। ধীরে ধীরে তাদের চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসতে থাকে। শিক্ষার এ ব্যবস্থাকে নিয়ে যাওয়ার সংকল্প করেন একেবারে পথশিশুদের মধ্যে। যারা একেবারেই সুবিধাবঞ্চিত। এ জন্য তারা টার্গেট করেন রাজধানীর বস্তি, কমলাপুর রেলস্টেশন, বিভিন্ন বাস স্টেশনে বসবাস করা পথশিশুদের। চলে যান তাদের কাছে। প্রথমেই কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে পথশিশুদের নিয়ে বসে যান প্ল্যাটফরমের এক কোণে। তাদের হাতে কলমে শিক্ষা দিতে থাকেন। কিন্তু একদিন, দুইদিন এভাবে এক সপ্তাহ পর দেখতে পান তাদের আগ্রহ নেই। মনোযোগ অন্যদিকে। খতিয়ে দেখেন পেটে ক্ষুধা নিয়ে তারা পড়তে আসেন। এ কারণে তারা পড়ায় মনোযোগী হতে পারছেন না। এরপর উদ্যোক্তারা দ্রুত বৈঠকে বসেন। সিদ্ধান্ত তাদের খাবার দিতে হবে। তবে এর জন্য অর্থের দরকার। বিনা পয়সায় লেখাপড়া করানো যাবে। কিন্তু খাবার কোত্থেকে আসবে? শেষ পর্যন্ত তারা সিদ্ধান্ত নেন তারা খাবার দেবেন তবে তা বিনা পয়সায় নয়। এক টাকার বিনিময়ে খাবার দেবেন। সঙ্গে বিনা খরচায় লেখাপড়া করাবেন। প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম কিশোর কুমার নিজে উদ্যোগী হয়ে ফেসবুকে একটি পেজ খুলেন। এর মাধ্যমে তাদের সঙ্গে আস্তে আস্তে যোগ দিতে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, চাকরিজীবী, ব্যাংকার, আইনজীবীসহ অনেকেই। যারা ভলান্টিয়ার হিসেবে বিদ্যানন্দের সঙ্গে যুক্ত হন। তারা এখন আর চার জন নন। তাদের সংখ্যা এখন তিন শতাধিক। যারা নিজেরাই অর্থ দেন, নিজেরাই পড়ান। এক টাকার বিনিময়ে খাবার দেন কখনো খিচুড়ি, কখনো ভাত। প্রথমে অবশ্য শুকনো খাবার দেয়া হতো। এরমধ্যে অন্যতম ছিল- বিস্কুট, রুটি, কলা ইত্যাদি। সে সময় মাসে একবার ভাত দেয়া হতো। পরে তা প্রতিদিন করা হয়। তাদের নিজস্ব কার্যালয়ে শিক্ষা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বেশিরভাগ দিনই সবজি খিচুড়ির ব্যবস্থা করা হয়। বিনিময়ে নেয়া হয় এক টাকা। এ প্রসঙ্গে কিশোর কুমার বলেন, এক টাকা নেয়া হয়, এ কারণে যে তারা যেন ভাবতে না পারে- এটা তাদের প্রতি দয়া দেখানো হচ্ছে। তারা যেন বুক ফুলিয়ে বলতে পারে যা খাচ্ছি নিজের টাকায় খাচ্ছি। কোনো অভুক্ত মানুষ যেন এটা না ভাবে যে, তারা কারোর দান গ্রহণ করছেন বা ফ্রিতে খাবার খাচ্ছেন। এই জন্যই তারা এক টাকার বিনিময়ে খাবার বিতরণ শুরু করেন। বিদ্যানন্দ এখন ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রাজবাড়ী, রংপুর, রামু ও ময়মনসিংহে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণত প্রতিদিন তারা কমপক্ষে ৩০০০ প্যাকেট খাবার বিতরণ করেন। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করতে তাদের একটি দল টেকনাফ ও উখিয়ায় অবস্থান করছেন। সেখানে প্রতিদিন ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার খাবার প্যাকেট বিতরণ করছেন তারা। বিদ্যানন্দ সংগঠনের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ মানবজমিনকে জানান, তাদের কোনো নির্দিষ্ট দাতা সংস্থা নেই। প্রায় তিন লাখের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনুগামীবৃন্দের মাধ্যমেই অর্থের যোগান হয়। ইতিমধ্যেই তারা রাজবাড়ী জেলা ও রামুতে বিদ্যা অনাথালয় নামে দুটি শিক্ষাশ্রম খুলেছে। যেখানে প্রায় ১৩০ জন দরিদ্র শিশুদের বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া ও পড়ালেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক টাকায় খাবার বিতরণ ও পড়ালেখা ছাড়াও তারা দরিদ্র শিশুদের জন্য এক টাকায় চিকিৎসা এবং এক টাকায় আইনি সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। বিদ্যানন্দের প্রধান কার্যালয় মিরপুর সাড়ে এগারোতে। তাদের কাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে অনেকেই নিজের ইচ্ছায় গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

15/09/2017

@@ [0:[665520116988637:1:visite]]Allseba

Photos 26/08/2017

"Pallycity Development Foundation"এর
প্রজেক্টে অনলাইন ও অফলাইনে কাজ করতে আগ্রহী পূরুষ/মহিলা আবশ্যক।
পদ:বিভাগীয় উদ্যোক্তা সমন্নয়ক/প্রতিনিধি
সম্মাণী:৩৩০০০/-(আলোচনা সাপেক্ষে)
আগ্রহী প্রার্থীগন। শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা সহ যোগাযোগ করুন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নুন্যতম বিিএ ( বেসিক ইন্টারনেট ব্যবহার জ্ঞান ও একটি এনড্রয়ড মোবাইল থাকতে হবে)
More: www.allseba.com
Send CV@ [email protected] or call:01772-319646

Photos 26/08/2017

"Pallycity Development Foundation"এর
প্রজেক্টে অনলাইন ও অফলাইনে কাজ করতে আগ্রহী পূরুষ/মহিলা আবশ্যক।

Photos 26/08/2017

আবশ্যক,
পদ:বিভাগীয় উদ্যোক্তা সমন্নয়ক/প্রতিনিধি

Photos from Pally City Development Foundation's post 20/08/2017

সহজ কথা: বন্যা ও আমি আমরা সবাই মিলে যা করতি পারি…
আমার লেখা হযতো কেও পরবেন না ..পড়লেও গুরুত্ত দিবেন না… কেও হাসবেন এও জানি কেও কমেন্ট করবেন ..নিজে আগে করেন ..
আমি হয়তো কিছুই করতে পারবা না …কিন্তু চেষ্টা করতে দোষ কোথায়…কিছু লিখে তো কিছু মানুষকে সাহায্যর হাত বাড়ানোর জন্য অনুপ্রানীত করার চেষ্টা করছি..
(শুধু লাইক বা কমেন্ট করবেন না ..দয়া করে শেয়ার করুন, আর আপনারো কেও এ রকম কোন উদ্ধেগ নিলে তা গনমাধ্যম ও সোসাল মাধ্যমে প্রচার করুন..মানুষকে অনুপ্রানীত করুন..)
৮৮ বন্যা আমি ও আমরা অনেকে দেখিনি…শুধু শুনেছি …এবারের বন্যা তার থেকেও ভয়াবাহ ..আমরা যারা বন্যা থেকে মুক্ত তারা সংবাদ ও পত্র পত্রিকায় দেখছি..হায় হায় করছি…তেমন কিছু করছি না ..বা অনেকের কিছু করার সুযোগ কম কিন্তু আমরা সকলে মিলে কিছু তো করতে পারি …
সরকারি সাহায্য ও নেতা নেত্রীদের ত্রানের দিকে না তাকিয়ে থেকে ..
আমরা যা করতে পারি ..
আমরা কিছু বন্ধু বান্ধবী একত্রে ১ বা ২ দিনের হাত খরচ ও মোবাইল কমিয়ে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিতে পারি ..
অফিস/প্রতিষ্টানের সবাই মিলে আমরা একদিনের বেতন নগদ টাকা বা ত্রান কিনে বন্যা কবলিত এলাকাতে পাঠাতে পারি …
স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা টাকা বা ত্রান সংগ্রহের ক্ষেত্রে কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে …
পাড়া মহল্লার ছেলে মেয়ে ও ক্লাব ও সংগঠন গুলো বাড়ি বাড়ি ঘুরে নগদ টাকা না হোক চাল ডাল তেল লবন ও সুকনা খাবার তো সংগ্রহ করা যেতে পারে …
মসজিদের ইমাম সাহেবরা কাল বন্যা কবলীত মানুষের জন্য দোয়ার পাশাপাশি ..সাধারন মানুষকে উদ্ধুদ্ব করুন …নিজে উদ্ধেগ নিয়ে অর্থ বা ত্রান সংগ্রহ করতে পারেন …
এভাবে আমরা টাকা বা সংগৃহীত ত্রান দিয়ে ১০ টা পরিবারের জন্য ১০ টা প্যাকেট তৈরী করতে পারি । প্রতিটা প্যাকেটের মূল্য ৫০০ টাকার মধ্যেই হবে আশা করা যায় । প্যাকেটে যা যা থাকবে: ৫ কেজি মোটা চাল হাফ কেজি ডাল হাফ লিটার তেল ৩ কেজি আলু ৩ কেজি মুড়ি/চিড়া ৫ টা মোমবাতি ২ টা দেয়াশলাই ১ পাতা প্যারাসিটেমল, ১ পাতা ম্যাট্রিল, ৫ টা সেলাইন। পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট ১ পাতা এই সব গুলো খাবার একটা প্যাকেট করবেন। এভাবে মোট ১০ টা প্যাকেট করবেন। ১০ প্যাকেট খাবার ১ সপ্তাহ ১০ টা পরিবারের জীবন বাচাবে।
বেশী দূর যাওয়ার দরকার নাই। সারা দেশেই বন্যা। আগে নিজের এলাকার মানুষদের বাচান। এভাবে প্রতি ১০ জনের বন্ধু গ্রুপ যদি ১০ টা পরিবারের দায়িত্ব নেন তাহলে অনেক পরিবার এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে।..মানুষের জীবন বাচবে ,..এবং সৃষ্টিকর্তার দৃষ্টিগোচর হবে নিশ্চই…।
তাইলে আর দেরী কেনো, আজই বন্ধুদের ফোন দিয়ে গ্রুপ করে ফেলুন।

Photos 20/08/2017

‘ভালো মানুষ হতে পারলে সাফল্য পেছনে ঘুরবে’
২৭ জুলাই। গুলশান ক্লাবে অনুষ্ঠানটি তখনো শুরু হয়নি। শান্ত ভঙ্গিতে কক্ষে এসে ঢুকলেন সাদা শার্ট, জিনস ও কালো কোটি পরা একজন। মুখে সাদা খোঁচা খোঁচা দাড়ি। হাতে বন্ধুপত্নীকে উপহার দেওয়ার জন্য আনা শাড়ি। উঠে দাঁড়ালেন হলভরা লোকজন। জানলাম, ইনিই অধ্যাপক অচ্যুত সামন্ত। তাঁকে সম্মানিত করতেই এই অনুষ্ঠান।

হতদরিদ্র ঘরে জন্ম নেওয়া অকৃতদার এই অধ্যাপক ভারতের ওডিশায় একদম একা হাতে গড়ে তুলেছেন দুটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়। কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি (কিট) ও কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল সায়েন্স (কিস)। কিট একটি পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, যার বার্ষিক আয় ৩০০ কোটি রুপির ওপরে। কিন্তু যে কারণটি অধ্যাপক সামন্তকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায়, তা হলো কিস। শিক্ষা দিয়ে দারিদ্র্যকে জয় করার এক ‘মেগা প্রজেক্ট’ হাতে নিয়েছেন তিনি। এখানে ১৫ হাজারের বেশি আদিবাসী শিক্ষার্থী একদম বিনা মূল্যে পড়ছেন স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত। শুধু পড়ালেখা নয়, কিসের সব ছাত্রছাত্রীর জন্য থাকা, খাওয়া, বিনোদন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসেবা—সবকিছুই বিনা মূল্যে। কিটের আয়ের কিছু অংশ এখানে ব্যয় হয়। কিসের শিক্ষার্থীদের তিন বেলা খাওয়ার দৃশ্য নিয়েই তৈরি হয়েছে অনেক তথ্যচিত্র। সে এক এলাহি ব্যাপার, কেউ কেউ এটিকেই ভারতের বৃহত্তম রান্নাঘর আখ্যা দিয়েছেন। বিশ্বের বরেণ্য লোকজন এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে কেউ তাকে আখ্যা দিয়েছেন ঈশ্বরের আশ্চর্য সৃষ্টি, কেউ বলেছেন বাতিঘর। কেউবা এ প্রতিষ্ঠানকে আখ্যা দিয়েছেন ভারততীর্থ নামে।

সেই অধ্যাপক সামন্ত এসেছিলেন ঢাকায়। গত ২৭ জুলাই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এক চুক্তি করতে। ড্যাফোডিলের মাধ্যমে ঢাকাতেও বিস্তৃত হচ্ছে কিসের কার্যক্রম।

গত বৃহস্পতিবার গুলশান ক্লাবে তাঁর সম্মানে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল ড্যাফোডিল। সেখানেই কথা হয় অধ্যাপক সামন্তের সঙ্গে।

কথা শুরু হওয়ার পরপর বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের দেখিয়ে ভাঙা বাংলায় বললেন, ‘আমি হান্ড্রেডস অব ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছি। তারা খুবই সম্ভাবনাময়, মেধাবী ও ভালো শিখছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তারা যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে কি না। আমি বলব, ঢাকায় তারা অনেক যত্ন পাচ্ছে।’ জানতে চাইলাম, শিক্ষার লক্ষ্যটা কী? অধ্যাপক বললেন, ‘একজন সফল মানুষ হওয়ার চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া বেশি জরুরি। ভালো মানুষ হতে পারলে সাফল্য তার পেছনে ঘুরবে। আমরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আরও অনেক কিছুই শেখাই। যাতে তারা ভবিষ্যতে ভালো মানুষ ও দায়িত্ববান নাগরিক হতে পারে। এসবের জন্য আমি আমার জীবনটা তাদের জন্য উৎসর্গ করেছি।’

কিস পরিদর্শনের পর ভুটানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিওনচেন জিগমি ওয়াই থিনলে লিখেছেন, ‘এখানে শিক্ষার্থীদের সবকিছু বিনা মূল্যে। কিন্তু কোনো কিছুই বিনা মূল্যে নয়, শিক্ষার্থীদের সেই মূল্য দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।’

কী হতে পারে সেই মূল্য, জানতে চাইলে অচ্যুত সামন্ত বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে কোনো মূল্য প্রত্যাশা করি না। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানটি তাদের একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে, সম্মানজনক জীবন দিচ্ছে তার প্রতি, সেই সমাজের শিক্ষার্থীদের কর্তব্য রয়েছে, দায় রয়েছে।’

ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার ভালো-মন্দটা জায়গাভেদে নির্ভর করে। ভারত সরকার এখন ভোকেশনাল শিক্ষার বিষয়ে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে, অনেক কিছু করছে। যার কারণে এই শিক্ষার দৃশ্যমান প্রসার ঘটছে। আমি আশা করব, বাংলাদেশেও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটবে।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশেও অনেক নামী বিশ্ববিদ্যালয় আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে পুরোনো ও বড়। এখানে বেসরকারি পর্যায়েও অনেকগুলো ভালো বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। কারণ, এক্সিলেন্স এক দিনে অর্জিত হয় না। এ জন্য সময় লাগবে।

‘তবে যা-ই হোক না কেন, শিক্ষা হতে হবে মানবিক ও মানসম্মত। আমার বিবেচনায় শিক্ষাহীনতার চেয়ে অর্ধেক শিক্ষা ক্ষতিকর।’

ছেলেমেয়েদের অস্থিরতা, উগ্রপন্থায় যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে এই অধ্যাপক বলেন, শিক্ষায় নৈতিকতা থাকতে হবে অবশ্যই। তাতে তারা ইতিবাচক ও সৃষ্টিশীল হয়। শিক্ষিত খারাপ মানুষ খুব ক্ষতির কারণ হতে পারেন। নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও সম্মানজনক জীবনের নিশ্চয়তা থাকাটাও বড় বিষয়। এ বিষয়গুলো ঠিক থাকলে অন্তত শিক্ষার্থীর মধ্যে হতাশা থাকবে না। তারা বিপথে যাবে না।

খুব অল্প সময়ের মধ্যে কয়েকবারই বলেছেন, ‘যত কিছুই বলুন, পড়ার কোনো বিকল্প নেই। এ অভ্যাস গড়তে হবেই। অনেক কিছুর সমাধান আছে এখানেই।’

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka
8001