Official page of Bangladesh Jatiyotabadi Prottagoto Probasee Dol(বাংলাদেশ ?
আত্মপ্রকাশ
বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী, মা-মাটি
ও মানুষের রাজনীতির পথিকৃত, বার বার হোঁচট খাওয়া গণতন্ত্রের পুনঃ প্রতিষ্ঠায় আপোষহীণ নেত্রী,
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের মূর্তপ্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের
প্রতি অবিচল আস্থা রেখে জাতীয়তাবাদী
চেতনায় উজ্জীবিত প্রবাস ফেরত বি.এন.পি নেত্রীবৃন্দের
সমন্বয়ে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রত্যাগত প্রবাসী দল” গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়েছে। যার প্রধান উদ্দেশ্য তাবৎ প্রবাস ফেরত বাংলাদেশীদের জাতীয়তাবাদী দলের পতাকা তলে
ঐক্যবদ্ধ করে নব্য স্বৈরাচারী, সামরাজ্যবাদের তলপিবাহক, বাকশাল পুনঃপ্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা,
বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপর হয়রানি, গুম, হত্যা, জেল, জুলুম, হামলা ও মামলা
সর্বোপরি দূর্নীতিবাজ সরকারের অপশাসনের বির“দ্ধে চলমান আন্দোলনে সংঘবদ্ধ অংশগ্রহণ
নিশ্চিত করা। যার জন্য গত ১৩/০৮/২০১৩ ইং তারিখে আত্মপ্রকাশের পর হইতে আজ পর্যন্ত আমরা শত
বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে নিরলসভাবে আন্দোলন করে যা”িছ এবং আগামীতেও এই চলমান
আন্দোলন উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পাইবে ইন্শাআল্লাহ্।
প্রবাসী জনগোষ্ঠীর প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রা জাতীয় অর্থনীতিতে এক বিশেষ
ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতীয় পর্যায়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফান্ডের একটি বৃহৎ অংশই
আসে প্রবাসীদের অর্জিত টাকা থেকে। বাংলাদেশের অন্তত ১ কোটি পরিবার নির্ভরশীল প্রায় ১
কোটিরও অধিক প্রবাসীদের উপার্জিত অর্থের উপর। শিক্ষা-দীক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্যে, হাটে-
বাজারে, ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠায় তথা দেশের সার্বিক অবকাঠামো পরিবর্তনে
প্রবাসীদের ভূমিকা নির্দ্বিধায় যে কোন প্রতিষ্ঠিত গোষ্ঠীর চেয়েও কম নয়। তাছাড়া বিগত
অন্তত দুই যুগ ধরে প্রবাসীদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড কোন অংশেই দেশের মূলধারার রাজনীতি
থেকে পিছিয়ে নেই। জাতীয় মূলধারার রাজনীতির সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিটি কর্মকান্ডে
প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সর্বো”চ নীতি নির্ধারণী
পর্যায়ে স্বীকৃত বলেই আমাদের বিশ্বাস। উদাহরণস্বরূপ, ১/১১ পট-পরিবর্তনের পর জাতীয় নেত
ৃবৃন্দ যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ়, সেই মূহুর্তে প্রবাসীরাই তুলেছিল সর্বপ্রথম প্রতিবাদের
ঝড়। যাহা শক্তি ও সাহস জুগিয়েছিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। প্রবাসীরাই প্রথম
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে টেলিফোনিক কনফারেন্স করে ওনাকে সাহস, উৎসাহ ও প্রেরণা
জুগিয়েছিল এবং প্রবাসের বিভিন্ন দূতাবাসগুলোতে মঈন উদ্দিন ও ফখর“দ্দিনের তত্ত্বাধায়ক
সরকারের বির“দ্ধে স্মারক লিপি প্রদান করেছিল। যাহা মনোবল জুগিয়েছিল দেশে অবস্থানরত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে, মঈন উদ্দিন ও ফখর“দ্দিনের
বির“দ্ধে দুর্বার আন্দোলন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। যার ফলশ্র“তিতে দেশে আজ আংশিক গণতন্ত্রের
প্রতিষ্ঠা। এখানে উল্লেখ্য যে, জাতীয়তাবাদী মনা দেশ প্রেমিক কানাডীয় একটি প্রবাসী
সংগঠনের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই আজ বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে।
প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা, পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে নিজেদের
অভিভাবকীয় অবস্থানের কথা মাথায় রেখেই আমরা একটি সুদূর প্রসারী চেতনা নিয়ে এগিয়ে
যেতে চাই এবং সমস্ত প্রত্যাগত প্রবাসীদের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত
করতে চাই যা জাতীয় রাজনীতিতে অবশ্যই সুফল বয়ে আনবে। আর এ কর্মকান্ডকে সুনিশ্চিতভাবে
উৎসাহিত করবে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রত্যাগত প্রবাসী দল”। তাই এই দলের আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে এটাই আমাদের প্রত্যয়।
তাই আসুন, আমরা প্রবাস ফেরত সমস্ত বাংলাদেশী জনতা আজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে আরো শক্তিশালী
করি এবং ইসলাম বিরোধী অপশক্তিকে এদেশ থেকে চিরতরে উৎখাত করে ইসলামী মূল্যবোধের সরকার
প্রতিষ্ঠায় বদ্ধ পরিকর হই।
জাতীয়তাবাদী মনা দেশের প্রতিটি নাগরিককে এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ ও বহুদলীয়
গণতন্ত্রের রূপকার শহীদ জিয়া আদর্শে গড়া দেশের প্রতিটি সৈনিককে আমাদের এই মহান
উদ্যোগের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করা জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তেঃ
প্রতিষ্ঠাতা,
এস এম সোহরাব হোসেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রত্যাগত প্রবাসী দল