Engr. Azimuddin

Call Directions Website Contact the organization

Engr. Azimuddin Maintenance Engineer

16/05/2025

I gained 1,256 followers, created 31 posts and received 76 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

Celebrating my 6th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
16/05/2025

Celebrating my 6th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে অন্যতম । ২৪শে এপ্রিল বঙ...
29/04/2025

১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে অন্যতম । ২৪শে এপ্রিল বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট বিশাল এলাকা জুড়ে উৎপন্ন এই ঘূর্ণিঝড়টি ধীরে ধীরে তীব্রতর হয়ে ২৮শে এপ্রিল উত্তর-পূর্ব দিকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং ২৯শে এপ্রিল বাংলাদেশের উপকূলের কাছে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের শক্তিতে পরিণত হয় । ঘূর্ণীজড় চলাকালীন চট্টগ্রাম জেলায় উপর দিয়ে প্রায় ২৫০ কিমি/ঘণ্টা (১৫৫ মাইল) বেগে বাতাস বইতে থাকে থাকে এবং এর প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬.১ মিটার (২০ ফুট) উচ্চতার জোয়ার সৃষ্টি হয় যা উপকূলীয় এলাকাসমূহ প্লাবিত করে যার ফলে প্রায় ১,৪০,০০০/- মানুষ মৃত্যুবরণ করে।
ঝড়ের আঘাতে চট্রগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনার কংক্রিট বাঁধটি ভেঙ্গে পুরো উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। এ সময় প্রচুর নৌকা এবং ছোট জাহাজ ডুবে যায়। বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনী উভয়েরই চট্টগ্রামে ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পতেঙ্গায় অবস্থিত ঈশা খাঁ নৌঘাঁটি প্লাবিত হয় এবং জাহাজগুলির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। বিমান বাহিনীর বেশিরভাগ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় উভয়চর জাহাজসহ ১৫টি জাহাজ এবং ৩০০০ নাবিক নিয়ে গঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উভচর টাস্ক-ফোর্স আমেরিকার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জজ ডব্লিউ বুশ-এর নির্দেশে বঙ্গোপসাগরে অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল পরিচালনার জন্য আসে। উক্ত অপারেশন পরিচালনার মাধ্যমে অসংখ্য মৃত মানুষকে উদ্ধার এবং বেঁচে যাওয়া আনুমানিক ১৭ লক্ষ মানুষকে ত্রাণ সরবরাহ করা হয়। উক্ত কার্যক্রমে যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং জাপানও অংশগ্রহণ করেছিল। বিদ্যুত ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সে সময় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় ঘূর্ণীঝড়ের আঘাতের ফলে ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা দেখতে গিয়ে পেট্রিক মুর নামের একজন আমেরিকান সাংবাদিকের সাথে স্বাক্ষাতে বিধ্বস্থ উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি এবং অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে পেরেছিলাম । এ সময় তাঁর কাছ থেকে পাওয়া ত্রাণ হিসেবে বিতরনের জন্য আমারেকান সরকার কর্তৃক প্রদত্ত একটি বিস্কুট খাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই বিস্কুটি দূর্যোগপূর্ণ এলাকার মানুষের জন্য বিশেষভাবে তৈরী যা খাওয়ার পর দীর্ঘসময় ক্ষুধা নিবারনে ভূমিকা রাখে ।
সে সময়ে চট্রগ্রামের বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী হালিশহরের বাসিন্দা হিসেবে স্ব-পরিবারে ভয়ংকর একটি নির্ঘুম রাতে ঘূর্ণীঝড়টির আঘাতে সৃষ্ট ধ্বংসলীলার কালের স্বাক্ষী হয়ে রইলাম।

বাদশাহ ফাহাদ কোরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স তথা পবিত্র কোরআন সার্ভিসেস সেন্টার  সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত একটি কুরআন ছাপাখানা। ...
17/04/2025

বাদশাহ ফাহাদ কোরআন মুদ্রণ কমপ্লেক্স তথা পবিত্র কোরআন সার্ভিসেস সেন্টার সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত একটি কুরআন ছাপাখানা। এই ছাপাখানা বছরে প্রায় ১ মিলিয়ন কপি কোরআন মুদ্রন করে থাকে। এখানে এই কাজে প্রায় ১১০০ জন কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় কুরআনের বিভিন্ন ধরণের অনুবাদ প্রকাশ করে থাকে। এই ছাপাখানায় ১৯৮২ সাল থেকে কোরআন ছাপার কার্যক্রম অব্যাহত আছে যা ইসলাম প্রসারে ব্যাপকভাবে ভূমিকা রেখে চলেছে।

14/04/2025
30/03/2025

Eid Mubarak

30/03/2025

تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
উচ্চারণ : ‘তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ তাআলা আমাদের নেক আমল তথা ভাল কাজগুলো কবুল করুন।’

Send a message to learn more

হলুদ রং এর ভবনটির স্থানে রাসূল (স:) এর বসতবাড়ী ছিল বলে ধারণা করা হয় । ১৩৭০ হিজরিতে এ বাড়িটিতে মক্কা আল মোকাররমা নামে এক...
30/03/2025

হলুদ রং এর ভবনটির স্থানে রাসূল (স:) এর বসতবাড়ী ছিল বলে ধারণা করা হয় । ১৩৭০ হিজরিতে এ বাড়িটিতে মক্কা আল মোকাররমা নামে একটি লাইব্রেরি স্থাপিত হয়। ইসলামের সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (স:) মক্কার জন্মগ্রহণ করার পর থেকে প্রথম ৫৩ বছর (আনু. ৫৭০ - ৬৩২ খ্রি.) মদিনায় হিজরত করা পর্যন্ত মক্কায় জীবনযাপন করেন। তাঁর জীবনের এই সময়কালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে তার নবুয়ত প্রাপ্তি। মুহাম্মাদ (স:) এর পিতা আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব তার জন্মের পূর্বেই ইন্তেকাল করেন। তাঁর মাতা আমিনা তাকে ছয় বছর বয়স পর্যন্ত লালন-পালন করে আনুমানিক ৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে আবওয়াতে ইন্তেকাল করেন। পরবর্তীতে তিনি দাদা আবদুল মুত্তালিব ও চাচা আবু তালিবের পরিচর্যায় বেড়ে উঠেন।
মুহাম্মাদ (স:) ৬১০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ওহী পেয়েছিলেন। নিজ গোত্রের নেতৃবর্গ আর আবু লাহাবের মত তাঁর কিছু আত্মীয়সহ বেশিরভাগই মুহাম্মদ (স:) এর বিরোধিতা করা করতে থাকেন। এমনকি একপর্যায়ে তাঁর গোত্র বনু হাশিমকেও মক্কার লোকেরা বয়কট শুরু করেছিলেন। মুহাম্মদ (স:) এর সাথীরা হয়রানীর শিকার ও লাঞ্ছিত হচ্ছিলেন। ৬২০ খ্রিস্টাব্দে মিরাজের ঘটনার পর মদিনার (তৎকালীন ইয়াসরিব) লোকদের একটি অংশ ইসলাম গ্রহণ করে। আকাবায় তাদের দুটি গোত্র (আউস এবং খাযরাজ) তাঁকে প্রতিরক্ষার ওয়াদা করেন। তখন মুহাম্মাদ (স:) তার অনুসারীদের ধীরে ধীরে মদিনায় স্থানান্তরিত হবার নির্দেশ দেন। সর্বশেষ ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহান আল্লাহতায়ালার নির্দেশে তিনি নিজেও মদিনায় হিজরত করেন।

উহুদ পর্বত সৌদি আরবের মদিনা শহরের উত্তরে অবস্থিত। এর উচ্চতা ১,০৭৭ মিটার (৩,৫৩৩ ফুট) এবং লম্বা্য় ৭.৫ কিলোমিটার। এটি মদিন...
29/03/2025

উহুদ পর্বত সৌদি আরবের মদিনা শহরের উত্তরে অবস্থিত। এর উচ্চতা ১,০৭৭ মিটার (৩,৫৩৩ ফুট) এবং লম্বা্য় ৭.৫ কিলোমিটার। এটি মদিনার সবচেয়ে বড় ও উঁচু পর্বত। মক্কার কুরাইশ ও মদিনার মুসলিমদের মধ্যকার উহুদের যুদ্ধ এই পর্বত সংলগ্ন স্থানে সংঘটিত হয়েছিল।
উহুদ প্রান্তরে কোরায়েশরা নির্মমভাবে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর দাঁত মোবারক শহিদ করেছিল, তাঁকে আহত করেছিল। এই রণক্ষেত্রে নবী করিম (সা.)-এর চাচা মহাবীর হজরত হামজা (রা.) এবং হজরতআকিল ইবনে উমাইয়া (রা.)সহ সত্তরজন সাহাবা শহিদ হয়েছিলেন। হজরত আমির হামজা (রা.) ও হজরত আকিল (রা.) কে একই কবরে দাফন করা হয়। পরে উহুদ প্রান্তরে এখন একটি সুদৃশ্য মসজিদ নিমাণ করা হয়েছে। মসজিদের সামনে উহুদ যুদ্ধের শহিদদের কবরস্থান।
উহুদ প্রান্তরের কবরগুলো পার হয়ে সামনে এগুলে ছোট্ট একটি পাহাড়। এ পাহাড়কে অনেকেই রুমার পাহাড় বলে থাকেন। তবে এর আসল নাম জাবালে রুমাত। উহুদ যুদ্ধের সঙ্গে এই পাহাড়ের স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

হেরা বা হেরা গুহা সৌদি আরবের মক্কায় জাবালে নূর পর্বতে অবস্থিত একটি গুহা।সর্বপ্রথম কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার স্থান হিসেবে এই ...
27/03/2025

হেরা বা হেরা গুহা সৌদি আরবের মক্কায় জাবালে নূর পর্বতে অবস্থিত একটি গুহা।
সর্বপ্রথম কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার স্থান হিসেবে এই গুহা প্রসিদ্ধ। হেরা গুহা লম্বায় প্রায় ৩.৭ মিটার (১২ ফুট) এবং প্রস্থে ১.৬০ মিটার (৫ ফুট ৩ ইঞ্চি) এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৭০ মিটার (৮৯০ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত। এই স্থানেই লাইলাতুল কদর (শবে কদর) -এর রাতে, ফেরেশতা জিব্রাইল (আ:) -এর মাধ্যমে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) -এর উপর কোরআনের প্রথম ওহী নাজিল হয়েছিল ।
মহানবী (সাঃ) -এর উপর প্রথম ওহী নাজিলের পূর্বে, তিনি আধ্যাত্মিক স্বপ্ন দেখতেন। এই স্বপ্নগুলোতে এমন সব ইঙ্গিত ছিল যে তাঁর নবুয়ত শুরু হয়েছে এবং মক্কার পাথরগুলো তাঁকে সালাম দিয়ে অভ্যর্থনা জানাবে। এই স্বপ্নগুলো রাসূল (স:) প্রায় ছয় মাস ধরে দেখছিলেন।
একাকিত্বের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনের তাগিদে মহানবী (সাঃ) মক্কার পার্শ্ববর্তী পাথুরে পাহাড়ে নির্জনতা এবং ধ্যান (মুরাকাবা) করার জন্য স্থান খুঁজছিলেন। তিনি প্রতি বছর এক মাসের জন্য এই গুহায় নির্জনতা (তাহান্নুছ) অবলম্বন করতেন।

হযরত আবু বকর (রাঃ) মসজিদ কাবা প্রাঙ্গণেই নামাজ আদায়ের জন্য একটি মসজিদ । হযরত আবু বকর (রাঃ) ছিলেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (...
26/03/2025

হযরত আবু বকর (রাঃ) মসজিদ কাবা প্রাঙ্গণেই নামাজ আদায়ের জন্য একটি মসজিদ । হযরত আবু বকর (রাঃ) ছিলেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)-এর একাধারে শ্বশুর, আয়েশা সিদ্দিকীর (রা.) বাবা এবং চার খলিফার প্রথম খলিফা। হযরত আবু বকর (রা) -এর বাসভূমিতে গড়ে উঠেছে এ মসজিদ।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাবা শরীফ প্রাঙ্গণে বহুতল ভবনের চতুর্থ তলায় বিশাল এলাকা জুড়ে আবু বকর মসজিদ। মসজিদের পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। পুরো মসজিদ সবুজ ও হলুদ রঙের কার্পেটে মোড়ানো। মসজিদের ভেতরে একাধিক কাঠের সেলফে কোরআন শরীফ সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

জান্নাতুল বাকি আরবীতে বলা হয়- বাকিউল গারকাদ বা মাকবারাতুল বাকি। সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত একটি কবরস্থান। এটি মসজিদে নব...
26/03/2025

জান্নাতুল বাকি আরবীতে বলা হয়- বাকিউল গারকাদ বা মাকবারাতুল বাকি। সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত একটি কবরস্থান। এটি মসজিদে নববির দক্ষিণ পূর্ব দিকে অবস্থিত। ইমাম মালিকের বর্ণনামতে জান্নাতুল বাকিতে অন্তত দশ হাজার সাহাবার কবর রয়েছে। এই কবরস্থানটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর অনেক আত্মীয় ও সাহাবিকে দাফন করা হয়েছে। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এই কবরস্থানে বেশ কয়েকবার এসেছেন।
মুহাম্মাদ এর স্ত্রী আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘হজরত রাসূলুল্লাহ (স:) শেষ রাতে জান্নাতুল বাকির দিকে বেরিয়ে যেতেন এবং বলতেন, ‘হে কবরবাসীগণ তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, তোমাদের নিকট যা এসেছে তা তোমাদেরকে ওয়াদা দেওয়া হয়েছিল, কাল কিয়ামত পর্যন্ত এটি অবশিষ্ট থাকবে এবং ইনশাআল্লাহ নিশ্চয়ই আমরাও তোমাদের সঙ্গে মিলিত হবো। হে আল্লাহ! তুমি বাকিউল গারদবাসীদের ক্ষমা করে দাও।’

Address

Totthya Bhaban (Ground Floor), 112 Circuit House Road, Ramna
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr. Azimuddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Engr. Azimuddin:

Shortcuts

Share