Voice of Mizan

Voice of Mizan

Share

সত‌্যকে কখনও মিথ‌্যা দিয়ে ঢাকা যায় না।

28/11/2025

"অবিচল দেশনেত্রী ম‌্যাডাম খালেদা জিয়া - আমার স্মৃতির আলো, ফ্যাসিজমের প্রতিরোধের প্রতীক"

১৯৮৯ সাল, আমি তখন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি। দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন চলছে সৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে। সেই উত্তাল সময়েই ম‌্যাডাম খালেদা জিয়া কুষ্টিয়ায় এলেন জনসভায় যোগ দিতে। জিকে কলোনির গেস্টহাউজে তিনি অবস্থান করছিলেন।

জনসভা শেষে পরদিন আমি তৎকালীন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রশিদ ভাই ও সোহরাব ভাইকে প্রায় অনুরোধের শেষ সীমায় নিয়ে গেলাম, ম্যাডামকে অবশ্যই পলিটেকনিক ক্যাম্পাসে আনতে হবে। প্রথমে তারা দ্বিধায় ছিলেন। অথচ তখন কুষ্টিয়ায় এরশাদবিরোধী আন্দোলনের প্রধান শক্তি ছিল পলিটেকনিকের ছাত্রদলই।

অবশেষে রশিদ ভাইয়ের চেষ্টায় সন্ধ্যার পর ম্যাডামকে আমরা ক্যাম্পাসে আনতে সক্ষম হই। কোনো মাইক নেই, কোনো প্রচারণা নেই, তবু মুহূর্তের মধ্যে পলিটেকনিকের বিশাল খেলার মাঠসহ আশপাশের সব রাস্তা হাজারো মানুষের ঢলে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। যেন বাতাসও সেদিন আন্দোলনমুখর ছিল। আর সেদিন ম্যাডামের কাছ থেকে পাওয়া স্নেহ, দোয়া ও মমতার স্পর্শ আমার সারাজীবনের পাথেয় হয়ে আছে।

১৯৯০ সালের ১৭ অক্টোবর, ডাকসুর উদ্যোগে সারা দেশের ছাত্র সংসদ প্রতিনিধিদের ঐতিহাসিক ছাত্র কনভেনশন। সেদিনই রচিত হয়েছিল এরশাদ পতনের রূপরেখা। সেখানে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রতিনিধি হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার।

কনভেনশন শেষে রাতেই ধানমন্ডিতে বিএনপি কার্যালয়ে ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। প্রায় রাত ১১টার দিকে দেখা মিললো। ম‌্যাডাম তার বাম হাত দিয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে এমন এক আদরভরা দোয়া দিলেন, যা আজও মনে হলে বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে। সেই দোয়ার ভার আমি পুরোপুরি বহন করতে পারিনি, জীবনের সংগ্রাম, সংসারের দায়-দায়িত্ব, অভাবের টানাপোড়েনে কিছুটা হলেও সেই পথ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম।

সর্বশেষ ২০১৭ সালে, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে ম্যাডামের গুলশান কার্যালয়ে আধা ঘণ্টার একটি মিটিং, এটাই ছিল তাঁর সঙ্গে আমার শেষ সাক্ষাৎ। মহান আল্লাহর প্রতি তাঁর অবিচল আস্থা, আপোষহীন দৃঢ়তা, নিজের শক্তির প্রতি অবিশ্বাস্য আত্মবিশ্বাস, দেশপ্রেম আর নিপীড়িত কর্মীদের প্রতি সীমাহীন ভালবাসা, সেদিন তার প্রতিটি কথা আমাকে যেন ভিতর থেকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।

ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে ম্যাডাম ছিলেন ইস্পাত কঠিন। তবু মিথ্যা মামলায় তাঁকে জেলে নিল ফ‌্যাসিস্ট হাসিনা। উদ্দেশ্য ছিল ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া, স্লো পয়জনিং। যা তারা শেষ পর্যন্ত করেছে। আজ ম্যাডাম মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়ছেন। হাসিনা পালিয়ে বাঁচতে চেয়েছে, কিন্তু ম্যাডাম আজও হাসপাতালের বেডে থেকেও সংগ্রামের মধ্যে অটল।

বেদনাদায়ক সত্য হলো, যে ফ্যাসিস্ট শক্তি তাকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, সেই শক্তির ভোটের আশায় বিএনপির ভেতরেই এখন চলছে ফ‌্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রতিযোগিতা। যার প্রতিটি পদক্ষেপ ম্যাডামের আদর্শ, ইমান, রক্ত ও ত্যাগের সাথে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।

ম্যাডাম শুধু একজন নেতা নন, তিনি আপোষহীন, গণতন্ত্রের মা, তিনি দেশনেত্রী। তিনি জাতীয় ঐক্যের প‌্রতিক। তিনি আমাদের ইতিহাস, সংগ্রাম, সাহস ও প্রতিরোধের অগ্নি মশাল। তাঁর এই অসীম ত্যাগের সামনে আমরা সবাই ঋণী।
゚viralシfypシ゚viralシalシ

11/08/2025

দলকে জনবিচ্ছিন্ন করতে হাবিবের মত নেতারাই যথেষ্ট ...

15/07/2025

ফিরে দেখা - ১৫ জুলাই , ২০২৪

"আমরা ফুঁ দিলে পাঁচ মিনিটও কেউ টিকতে পারবে না"
কোটার সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও ছাত্রলীগ, ঢাবি ক্যাম্পাস রণক্ষেত্র....

#কোটা #ঢাবি

11/07/2025

বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজনৈতিক অপরিপক্বতা ও দূরদর্শিতার অভাবে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দলটি ক্ষমতায় না থেকেও জনবিচ্ছিন্নের পথে...

06/07/2025

শুভ জন্মদিন অন্ধকারে দীপ্ত এক শিখা, সাহসী কলমের অতন্দ্র প্রহরী, দেশান্তরী সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান।

যখন জাতির বিবেক বলে পরিচিত অনেকেই ছিল নিশ্চুপ, যখন চেতনার মুখোশধারীরা জালিমের দরবারে মাথা নিচু করে দাঁড়ায় , তখন একজন মানুষ নিজের প্রাণকে তুচ্ছ করে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিলেন , তিনিই মাহমুদুর রহমান।

তিনি ছিলেন সেই দুর্জয় পুরুষ, যিনি সরকারের অনিয়ম, দুর্নীতি ও বিচার ব্যবস্থার রাজনীতিকীকরণের বিরুদ্ধে ছিলেন অকুতোভয়। ভয় পাননি কারাগারের অন্ধকার, রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা, কিংবা দেশান্তর।

তিনি কলমের লড়াকু সৈনিক, যিনি হেঁটেছেন রক্তাক্ত পথ বেয়ে, কিন্তু কখনো মাথা নত করেননি। তার মত সাহসী পুরুষরা জাতির জন্য আশীর্বাদ,ভবিষ্যতের প্রেরণা।

আজ মাহমুদুর রহমানের জন্মদিন, এই দিনে তার প্রতি আমাদের অন্তর থেকে সালাম, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

শুভ জন্মদিন সাহসের প্রতিমূর্তি, সত্যের আলোকবর্তিকা মাহমুদুর রহমান। আপনার দীপ্ত কণ্ঠ, নির্ভীক কলম আর দেশের প্রতি আপনার প্রেম হোক আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণা। আপনি বেঁচে থাকুন ইতিহাস হয়ে, প্রতিবাদ হয়ে, চেতনার আগুন হয়ে।

#মাহমুদুররহমান #সততা #ন‌্যায়বিচার
#সাংবাদিক

05/07/2025

দৌলতপুরের মাটি ও গণমানুষের ভালোবাসার নাম - রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা ভাই।

তিনি শুধুই একজন রাজনীতিক নন , তিনি দৌলতপুরের প্রতিটি গলির, প্রতিটি কর্মীর, প্রতিটি নিঃস্ব স্বপ্নের নাম।
যার চিন্তা শুধু সংগঠন, তৃণমুল কর্মীর ভাবনা শুধু তার হৃদয়ে...

দল যখন দুর্দিনে, তখনও যিনি মাঠে-মাঠে, ঘরে-ঘরে কর্মীদের পাশে থেকেছেন, তিনিই আজ আবারও জনগণের রায়ের প্রতীক হয়ে উঠে এসেছেন।

সংগঠনটা তার নিপুণ কারিগরি স্পর্শে প্রাণ পেয়েছে। ১৪টি ইউনিয়ন, ১২৬টি ওয়ার্ড , সবখানেই তার প্রভাব, নেতৃত্ব, ভালোবাসা ছড়িয়ে আছে।

এই নেতৃত্বেই উদিত হয়েছেন আরেক জননন্দিত নেতা -- আলহাজ্ব বেলাল হোসেন ভাই (চেয়ারম্যান)। বাচ্চু ভাইয়ের হাতে তৈরি হওয়া, তার আশীর্বাদ ও ভালোবাসায় বড় হয়ে ওঠা একজন নিখাদ কর্মীবান্ধব মানুষ, আজ দৌলতপুর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কর্মীদের ভালবাসায়, বিশ্বাসে, নিরঙ্কুশ ভোটে।

আর এক গর্বের নাম - শের আলী ভাই।
দৌলতপুর বিএনপির কান্ডারী। সাবেক মন্ত্রী পচা মোল্লা চাচার স্নেহভাজন ও বর্তমান সভাপতি বাচ্চু ভাইয়ের আস্থার প্রতীক। প্রচণ্ড জনপ্রিয়, অসংখ্য কর্মীর নির্ভরতার আশ্রয় , সেই শের আলী ভাই আজ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে প্রমাণ করেছেন, ভালোবাসার কোনও বিকল্প হয় না।

এই বিজয় শুধু ব্যক্তির নয় , এটি তৃণমূলের বিজয়, এটি ভালোবাসার বিজয়, এটি সংগঠনের প্রতি আত্মনিবেদিত কর্মীদের বিজয়।

সবাইকে জানাই হৃদয়ের গভীর থেকে অভিনন্দন, ভালবাসা ও দোয়া।
আমরা ছিলাম, আছি এবং থাকব - ইনশাআল্লাহ, আরও শক্তভাবে, আরও একতাবদ্ধ হয়ে।

দৌলতপুর বিএনপি এগিয়ে চলুক বিশ্বাসের আলোয়।
#বিএনপি #দৌলতপুর #তৃণমূল

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka