30/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর
টাঙ্গাইল,৩০ মে, ২০২৬
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সোলার প্যানেল স্থাপনের আগ পর্যন্ত মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটরের বিল ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করা হবে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
মন্ত্রী বলেন, হাসপাতলে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না। জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দেশের অন্যতম মডেল হাসপাতাল এ পরিণত করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ফকির মাহবুব আনাম আরো বলেন, সরকার জনগণের দৌড়গোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাই ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি শিশু রোগীদের সঙ্গেও কিছু সময় কাটান। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার সেমিনার কক্ষে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
সভায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মধুপুর, ধনবাড়ী, গোপালপুর ছাড়াও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, জামালপুরের সরিষাবাড়ী ও ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রোগীরাও এ হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। ফলে প্রতিদিন বিপুল রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে হাসপাতালটিকে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ২০২০ সালে হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও এখনো প্রয়োজনীয় রাজস্বখাতের জনবল সৃষ্টি হয়নি। একই সঙ্গে এমএসআর, বিদ্যুৎ বিল, পৌরকর ও ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সীমিত জনবল দিয়েই ১০০ শয্যার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের অতিরিক্ত চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ ১০০ শয্যার হাসপাতাল পরিচালনার জন্য নতুন স্টোর ভবন, সীমানা প্রাচীর, সোলার প্যানেল, সাবমারসিবল মোটর ও পানির লাইন, পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পিট, চিকিৎসকদের ডরমিটরি এবং কর্মচারীদের কোয়ার্টার নির্মাণের দাবি জানায়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র সরবরাহের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্ত্রী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থ বরাদ্দের অভাবে এখনো পূর্ণাঙ্গ সেবা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি।
পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মো. জুবায়ের হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সুরুজ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম ফজলুল হক, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদিন খান বাবলু, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি এম রতন হায়দার, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সজিব কান্তি পালসহ চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
25/05/2026
আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা
ঢাকা, ২৫ মে ২০২৬
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা (৬৪৯২)।
আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারিকৃত ০৫.০০.০০০০.০০০.১৩০.১৯.০০০২.২৬.৬০০ নম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
বিসিএস ১৮ ব্যাচের কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা আইসিটি বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ লাভ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
23/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মে ২০২৬ মাসের আরএডিপি (RADP) পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ২৩ মে ২০২৬
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে মে ২০২৬ মাসের আরএডিপি (RADP) পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি।
সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় প্রকল্প পরিচালকরা প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি দেশের প্রযুক্তিগত রূপান্তর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রী উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বারোপ করার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে সভায় বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিসহ প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দীন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
21/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ডিজিটাল সেবায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকারঃ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম
ঢাকা, ২১ মে ২০২৬:
ডিজিটাল সেবায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। আজ গ্লোবাল অ্যাক্সেসিবিলিটি অ্যাওয়ারনেস ডে ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিডা অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি।
মন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে এই নীতিকে সামনে রেখে অভিগম্য ওয়েবসাইট ও অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়েই এখন থেকে সব ডিজিটাল সেবার নকশা করা হবে। কারণ, এটি দয়ার বিষয় নয়; আমরা এটিকে তাদের অধিকার হিসেবে দেখি। প্রযুক্তিকে মানুষের প্রয়োজন, সক্ষমতা ও বৈচিত্র্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।’
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, ‘নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা তাদের সমাজের মূলধারায় আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে চাই। দেশের প্রতিবন্ধী সন্তানদের আমরা সম্পদে পরিণত করতে চাই। প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে আইসিটি বিভাগ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ডিজিটাল অভিগম্যতায় অবদান রাখা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর বিকাশে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে। সবার জন্য বাংলাদেশ গড়তে সার্বজনীন অভিগম্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সব নাগরিক যেন সহজে ডিজিটাল সেবা নিতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
সভাপতির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন প্রতিটি নাগরিক মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সমতার সঙ্গে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন, প্রযুক্তি উদ্ভাবক ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে পাঁচটি উদ্যোগকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এগুলো হলো, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের থেরাপি সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট এবং ডিজেবিলিটি ইনফরমেশন সিস্টেম, বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সার্ভিস, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপি’র গ্রাম আদালত মোবাইল অ্যাপ এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ইবিএল স্কাইব্যাংকিং উদ্যোগ।
এছাড়াও প্রতিবন্ধীবান্ধব উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করে স্থাপিত উদ্ভাবকদের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। পরিদর্শন শেষে উদ্ভাবনগুলো দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী এবং সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের সদিচ্ছা ও অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। এ সময় অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর মে মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়। এর লক্ষ্য হলো ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সফটওয়্যার ও ডিজিটাল সেবাগুলোকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য ও অভিগম্য করে তোলা। বাংলাদেশ জাতিসংঘের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদ এবং মারাকেশ চুক্তির স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাঃ আব্দুর রফিক, সঞ্চালনা করেন হেড অব প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম এবং আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাক্সেসিবিলিটি কনসালট্যান্ট দৃষ্টিজয়ী ভাস্কর ভট্টাচার্য। এছাড়া অনুষ্ঠানে সাইটসেভার্সের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও, ফ্রেন্ডশিপের ইনক্লুসিভ সিটিজেন সেক্টরের ঊর্ধ্বতন পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান আয়েশা তাসিন খান, সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি অ্যান টেইলর উপস্থিত ছিলেন।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
16/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার ----ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের টেলিকম খাতকে আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করে গড়ে তুলতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বৈষম্য দূর করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফ্রি ওয়াইফাই জোন স্থাপন, টেলিকম অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
আজ রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল, শাহবাগে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত “টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে?” শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার টেলিকম খাতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ৫জি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইওটি ও ক্লাউডভিত্তিক সেবার প্রসারে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধি এবং গ্রাহকবান্ধব ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট, উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল সেবার বিস্তার নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশের টেলিকম খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ৫-জি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গ্রামীণ পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এই খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আগামী ৫ বছরে আইসিটি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, দেশের জিডিপিতে আইসিটি খাতের অবদান ভবিষ্যতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, স্থিতিশীল করব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু স্পেকট্রাম থেকে রাজস্ব আয় নয়; বরং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। সাশ্রয়ী স্মার্টফোন, ৫জি, ডাটা সেন্টার, এআই ও সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সঠিক নীতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে প্রযুক্তিখাত দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
গোলটেবিল আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবি’র হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স জনাব সাহেদ আলম।
আলোচনায় অংশ নেন লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, মহাসচিব, এমটব। নুরুল কবীর, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। খালেদ আবু নাসের, বাংলাদেশ কম্পিটিশন কমিশনের সাবেক পরিচালক। নুরুল মাবুদ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। তাইমুর রহমান, হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স, বাংলালিংক। ড. লুৎফা আক্তার, অধ্যাপক বুয়েট ও টেলিকম বিশেষজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবি। গোলটেবিল আলোচনায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি’র সভাপতি সমীর কুমার দে।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
০১৫৫০১৫৩২৫১
11/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে বর্তমান সরকার— আইসিটি মন্ত্রী
ঢাকা, ১১ মে ২০২৬ঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।
আজ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen) এর নেতৃত্বে চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ কোম্পানির প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা প্রতিষ্ঠানসমূহ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
মন্ত্রী বাংলাদেশে এআই ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে তরুণ-তরুণীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও AI বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। যার মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়ে দেশের তরুন সমাজ তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের অংশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবে।
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, বাংলাদেশ সবসময় বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে বিশ্বাস করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত তিন থেকে চার দশক ধরে চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি এবং তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধার আওতায় এসেছে। এছাড়া এই বিনিয়োগের মাধ্যমে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় মোবাইল ফোন উৎপাদন কারখানা স্থাপিত হয়েছে এবং প্রতিবছর প্রায় ৮ মিলিয়নের বেশি মোবাইল ডিভাইস বাজারজাত হচ্ছে। জাতীয় আইসিটি নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, জাতীয় ডাটা সেন্টার নির্মাণ এবং ডিজিটাল কানেক্টিভিটি প্রকল্প বাস্তবায়নেও চীনা প্রতিষ্ঠানসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশে Artificial Intelligence (AI) খাতের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া ভবিষ্যতে 5G নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (ITU) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ, বিশেষ করে World Radiocommunication Conference 2027 (WRC-27) সাংহাইয়ে আয়োজন এবং ITU Council ও Radio Regulations Board-এ চীনের প্রার্থিতার বিষয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, দূতাবাসের তৃতীয় সচিব ঝাং পেংফেই, বাই ঝাওশি, হুয়াওয়ের মা বেন এবং জেডটিই এর মাও ইয়ংজুন সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
09/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ক্যাবল অপারেটরদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানের সরকার পাশে থাকবে---- আইসিটি মন্ত্রী
ঢাকা, ৯ মে ২০২৬:
ক্যাবল অপারেটর, আইএসপি এবং সম্প্রচার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে জড়িত। তাই এ খাতকে টিকিয়ে রাখা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা সরকারের দায়িত্ব। পাশাপাশি ক্যাবল অপারেটরদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানের সরকার পাশে থাকবে।
আজ রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা-এ অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্যাবল টিভি, ব্রডকাস্টিং এন্ড কমিউনিকেশন (ICBC) এক্সপো ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ক্যাবল টেলিভিশন, সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ খাত এখন প্রযুক্তিগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। স্মার্ট প্রযুক্তি, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক, আইপি টিভি এবং ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবস্থার বিস্তারের ফলে এ খাত জাতীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকার এ খাতের আধুনিকায়নে অবকাঠামো উন্নয়ন, নীতিগত সহায়তা, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্যাবল অপারেটরদের দীর্ঘদিনের অবদান দেশের তথ্য ও বিনোদন খাতকে শক্তিশালী করেছে এবং ভবিষ্যতেও সরকার তাদের পাশে থাকবে।
মন্ত্রী প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা, গ্রাহকের তথ্য নিরাপত্তা এবং মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং স্থানীয় কনটেন্ট উৎপাদনকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ৭ মে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই এক্সপো আজ ৯ মে সমাপ্ত হয়। এক্সপোতে দেশি-বিদেশি ৬৭ টি প্রতিষ্ঠান তাদের সর্বাধুনিক ক্যাবল টিভি, ব্রডকাস্টিং ও কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ও সেবা প্রদর্শন করে।
ক্যাবল অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর সভাপতি এ বি এম সাইফুল হোসেন সোহেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম, এটকোর সাধারণ সম্পাদক এবং একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ কোয়াব এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
06/05/2026
শোক বার্তা
ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা এর মৃত্যুতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ০৬ মে ২০২৬ ইং
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছার মৃত্যুতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোকবার্তায় মন্ত্রী মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, বেগম জেবুন্নেছা আজ ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
স্বাক্ষরিত/-
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
06/05/2026
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগে মিনি কনফারেন্স রুমে জাইকা প্রতিনিধি দল ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এর সাথে সাক্ষাৎ করে। আইসিটি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।