04/06/2026
প্রেস ব্রিফিং:
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আজ সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
বর্তমান সময়ে প্রায়ই দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বুঝে/ না বুঝে বিভিন্ন অপতথ্য ছড়ানো হয়। সেসময় আপনারা মূল ধারার গনমাধ্যমের সদস্যগন সেখান থেকে সত্য ঘটনা উন্মোচন করে থাকেন। আপনাদের সহযোগিতার জন্য আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আমরা তাৎক্ষনিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করার নির্দেশ প্রদান করি। বিমানবন্দরের বডি অন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তদন্ত প্রতিবেদন কয়েক ঘন্টার মধ্যে আমার কাছে পাঠায় কর্তৃপক্ষ।
উক্ত ফ্লাইটে আসা ৮৩৬ পিস লাগেজের মধ্যে ২১ টি ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পেয়েছেন বলে কর্তব্যরত গ্রাউন্ড স্টাফদের নিকট মৌখিকভাবে জানান।
নিয়ম অনুযায়ী কোনো হাজি বা যাত্রী মূল চেক ইন লাগেজের ভেতরে কোনো অবস্থাতেই জমজমের পানি বা যথাযথভাবে সিলগালা না করা প্রসাধনি সামগ্রী বহন করতে পারবেন না। লাগেজ স্ক্যানিংয়ের সময় ধরা পড়লে নিয়ম অনুযায়ী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ লাগেজ কেটে বা খুলে তা বাজেয়াপ্ত করে থাকে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ডিক্লারেশন ব্যতিত নগদ টাকা বা ম্যানিব্যাগ বুকিং লাগেজে দেয়া নিষিদ্ধ। ঢাকা বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে কোনো ধরনের মিসহ্যান্ডলিং এর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আপনারা এরকম পদক্ষেপ নেয়ার কারনে আমরা ভবিষ্যতে অধিকতর সতর্ক হতে পারবো। এখন গনমাধ্যম যে আসলেই স্বাধীন তা আপনাদের কাজে পরিলক্ষিত হয়। তবে সমালোচনা গঠনমূলক হওয়া দরকার। বর্তমান সরকার সকল স্তরে সার্ভিস উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আপনারা যাচাই করলে জানবেন যে, গতকালকের ঘটনাটি অসত্য। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করা আপনাদের দায়িত্ব। আমাদের তরফ থেকে সম্মানিত যাত্রীগণের যাত্রা নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সকলকে ধন্যবাদ।
03/06/2026
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
প্রেস রিলিজ
“লাগেজ কেটে উপহার-সামগ্রী চুরি যাওয়া একজন হাজির সন্তান” মর্মে ভাইরাল হওয়া ফেসবুক পোস্টের প্রেক্ষিতে তদন্ত প্রতিবেদন (সুত্রঃ https://www.facebook.com/share/1EtEcR7K8t/)
আজ ০৩ জুন ২০২৬ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “লাগেজ কেটে উপহার-সামগ্রী চুরি যাওয়া একজন হাজির সন্তান” মর্মে একটি ভাইরাল হওয়া ফেসবুক পোস্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে জানানো যাচ্ছে যে, পোস্টটিতে যাত্রীর মালামাল চুরির ঘটনাটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নির্দেশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাৎক্ষণিকভাবে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনা করে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃক প্রেরিত তদন্ত রিপোর্টে জানা যায় যে, গত ২ জুন, ২০২৬ তারিখে জেদ্দা থেকে ৪৯১ জন সম্মানিত হাজি নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ হজ ফ্লাইট BG 3104 ঢাকা অবতরণ করে। পরবর্তীতে ‘মোখতার কামাল পলাশ’ নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে দাবি করা হয় যে, প্রায় ১৫০ জনের লাগেজ কেটে মালামাল বের করে নিয়েছে ঢাকা বিমানবন্দরের ইমানদার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যা সম্পূর্ণ ভুল।
রিপোর্টে প্রেরিত তথ্যানুসারে, উক্ত ফ্লাইটে আসা ৮৩০ পিস লাগেজের মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী তাদের ব্যাগ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পেয়েছেন বলে কর্তব্যরত গ্রাউন্ড স্টাফদের নিকট মৌখিকভাবে জানান। আগত যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উক্ত লাগেজগুলোর ভেতরে জমজমের পানি, বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী (শ্যাম্পু ও লোশন) এবং খেজুর ছিল। সম্মানিত যাত্রীদের ব্যাগ থেকে কোনো মূল্যবান সামগ্রী খোয়া যায়নি। তবে একজন যাত্রী তার ব্যাগের ভেতর থেকে একটি সিগারেট হারানোর কথা মৌখিকভাবে উল্লেখ করেন।
কর্তব্যরত বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং স্টাফরা উক্ত যাত্রীগণকে বিমানবন্দরের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড (LL Desk)-এ গিয়ে অফিসিয়াল লিখিত অভিযোগ (Property Irregularity Report - PIR) দায়ের করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু সম্মানিত যাত্রীরা কোনো প্রকার লিখিত অভিযোগ দায়ের না করেই বিমানবন্দরের এলাকা ত্যাগ করেন।
সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী কোনো হাজি বা যাত্রী মূল চেক ইন লাগেজের ভেতরে কোনো অবস্থাতেই জমজমের পানি বা যথাযথভাবে সিলগালা না করা প্রসাধনি সামগ্রী বহন করতে পারবেন না। জেদ্দা বিমানবন্দরে লাগেজ স্ক্যানিংয়ের সময় ধরা পড়লে নিয়ম অনুযায়ী সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ লাগেজ কেটে বা খুলে তা বাজেয়াপ্ত করে থাকে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ডিক্লারেশন ব্যতিত নগদ টাকা বা ম্যানিব্যাগ বুকিং লাগেজে দেয়া নিষিদ্ধ। ঢাকা বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে কোনো ধরনের মিসহ্যান্ডলিং এর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্মানিত হাজিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সম্মানিত যাত্রীগণের মালামাল নিরাপদে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে মাননীয় মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম বিদেশ থেকে মুঠোফোনে সম্পূর্ণ ঘটনার খোজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
তরিকুল ইসলাম
তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
23/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিতে হবে– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম
২৩ মে, ২০২৬ (শনিবার), বাংলাদেশ সচিবালয়
আজ সকাল ১১ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এপ্রিল ২০২৬ মাসের আরএডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি বলেন, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী চলমান প্রকল্পসমূহের অবশিষ্ট কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যতে নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে এর আর্থিক সক্ষমতা (Financial Feasibility) যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো অবকাঠামো বা সুবিধা নির্মাণের আগে সুপরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা থাকা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি ঠিকাদারদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মন্ত্রী জানান, জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল যেন প্রকৃত অর্থে জনগণের কাছেই ফিরে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বদা সজাগ ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে সকল পর্যায়ে কঠোর নজরদারি বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, এনডিসি এঁর সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকসহ মন্ত্রণালয় ও বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকগণ।
স্বাক্ষরিত
তরিকুল ইসলাম
তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
21/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আজ সকাল ১০ টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি এঁর সঙ্গে মন্ত্রীর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত H.E. Abdulla Ali Abdulla Alhmoudi।
আলোচনায় বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি দেশের বিমান ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বিশদ আলোচনা হয়।
রাষ্ট্রদূত Hazrat Shahjalal International Airport-এর তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে dnata-এর আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে জানান যে, টার্মিনালটির ORAT কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে শুরু হওয়ার পর এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করবে।
এছাড়া মন্ত্রী জানান যে, বিমানবন্দরে সেবার মান বৃদ্ধিতে সরকার সকল ধরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে সদা প্রস্তুত। এসময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্বাক্ষরিত
তরিকুল ইসলাম
তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
18/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত এর সৌজন্য সাক্ষাৎ
১৮ মে, ২০২৬ (সোমবার), বাংলাদেশ সচিবালয়
আজ দুপুর ২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূত Derek Loh Eu-Tse।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিমানবন্দর সেবার আধুনিকায়নে Advanced Passenger Information System (APIS) এবং Aeronautical Revenue Management System উন্নয়নে সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Crimson ও Enterprise-এর আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।
মন্ত্রী দেশের বিমান খাতের উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি পর্যটন খাতের উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে সহযোগিতার বিষয়েও উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।
স্বাক্ষরিত
তরিকুল ইসলাম
তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
18/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
পর্যটন হবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি: প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
১৭ মে, ২০২৬ (রবিবার)
আজ সন্ধ্যা ৭টায় বনানীর Sheraton Dhaka-এ Tour Operators Association of Bangladesh (TOAB) কর্তৃক “TOAB International Tourism Award 2026” অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সরকার পর্যটনকে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবেই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করে। এ লক্ষ্যে দেশের ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী এ সময় দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংশোধনী আনয়নের লক্ষ্যে TOAB-এর পক্ষ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ শতাংশ হলেও অদূর ভবিষ্যতে এ হার ৮–৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে, “TITA 2026”-এ পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা পদক প্রদান করেন প্রতিমন্ত্রী।
স্বাক্ষরিত
তরিকুল ইসলাম
তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
17/05/2026
আজ বিকাল ০৫:৩৪ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে কাতারের শ্রমমন্ত্রী Dr Ali bin Saeed bin Samikh Al Marri পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাননীয় শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, এমপি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
17/05/2026
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন
ঢাকা, ৩ জ্যৈষ্ঠ (১৭ মে):
আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানম। এসময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন।
এ সম্পর্কিত প্রেস ব্রিফিংয়ে আফরোজা খানম বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ‘সবার জন্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির আলোকে বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ডিজিটাল সেবা প্রদান করছে। আশা করছি আমরা থার্ড টার্মিনালও দ্রুত উদ্বোধন করতে সক্ষম হবো এবং সেটা হবে আমাদের জন্য গুরুত্বপুর্ণ মাইলফলক।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, একসঙ্গে ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টাকে তাঁর এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য যে, বিমানবন্দরের প্রায় ৯৪,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত। এর আওতায় রয়েছে-টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি টার্মিনাল, ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং এলাকা। এই বিস্তৃত কভারেজের ফলে বিমানবন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ অংশেই যাত্রীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। সেবাটির জন্য আধুনিক নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে-২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্ট (Access Points/APs), ৪৮ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ও ইথারনেট কেবল স্থাপন, এবং ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ। এই শক্তিশালী প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর মাধ্যমে বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত ও স্থিতিশীল ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট একসাথে সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে সক্ষম। সে অনুযায়ী ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্ট (AP) ব্যবহার করে একই সময়ে প্রায় ৩৭,৫০০ জন ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। সম্পূর্ণ সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ Gbps ব্যান্ডউইথ ক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, যা পুরো কভারেজ এলাকাজুড়ে দ্রুতগতির ও স্থিতিশীল ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করবে।