23/05/2026
বিস্তারিত কমেন্ট
শুধু পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নয়, এটি বাংলাদেশের জনগণে কল্যাণ, দাবি ও বাস্তবতার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।
PBS COP
Polli Biddyut Corlan Porishod
Polli Biddyut Samity
23/05/2026
বিস্তারিত কমেন্ট
19/05/2026
পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের সাথে অসদাচরণ নয় — সচেতন হোন, সহযোগিতা করুন
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন জীবনের উন্নয়নে গ্রামীণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আজ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই সেবাকে সচল রাখতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা প্রত্যেক গ্রাহকের দায়িত্ব।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক সময় বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায় করতে গেলে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের সাথে কিছু গ্রাহক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। কোথাও কোথাও গালিগালাজ, হুমকি এমনকি শারীরিক আঘাতের ঘটনাও ঘটে। যা শুধু অনৈতিক নয়, আইনত দণ্ডনীয় অপরাধও।
মনে রাখতে হবে, বকেয়া বিল আদায় বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কার্যক্রম কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়। এটি সরকারের নীতিমালা ও বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত একটি প্রশাসনিক কার্যক্রম। মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কেবল তাদের দায়িত্ব পালন করেন। তাই তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা মানে একজন দায়িত্বশীল কর্মচারীর প্রতি অন্যায় আচরণ করা।
একজন লাইনম্যান বা বিদ্যুৎ কর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন কাজ করেন, যাতে গ্রামাঞ্চলের মানুষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা পায়। ঝড়-বৃষ্টি কিংবা দুর্যোগেও তারা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখতে নিরলস পরিশ্রম করেন। সেই কর্মীদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতা প্রদর্শন করা নাগরিক দায়িত্ব।
বিদ্যুৎ বিল সময়মতো পরিশোধ করলে যেমন হয়রানি কমবে, তেমনি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও আরও উন্নত হবে।
কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে তা আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কিংবা কর্মীদের ওপর হামলা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
সচেতন সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের সম্মান করুন, নিয়ম মেনে চলুন, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তুলুন।
19/05/2026
আইন নিজের হাতে নয়, ন্যায়বিচার হোক রাষ্ট্রের মাধ্যমে-
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে অপরাধ দমন ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংবিধান, আদালত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিদ্যমান। সমাজের যেকোনো স্থানে—হোক তা মাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা সাধারণ জনপদ—কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার নেই। আবেগ, ক্ষোভ বা ব্যক্তিগত মতভেদের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া, হামলা চালানো বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা সভ্য সমাজ ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে অরাজকতা ও সহিংসতা বৃদ্ধি করে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলে।
তবে যদি কোথাও অপরাধের বিচার না হয়, তদন্তে গাফিলতি দেখা যায় কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠে, তাহলে নাগরিকরা গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রতিবাদ জানাতে পারে। মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বা জনমত গঠন—এসব সাংবিধানিক অধিকার এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার বৈধ মাধ্যম।
রাষ্ট্রের উচিত নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা, আর নাগরিকদের উচিত ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। কারণ আইন হাতে তুলে নেওয়া কখনো সমস্যার সমাধান নয়; বরং ন্যায়বিচার ও শান্তিপূর্ণ সামাজিক ব্যবস্থা বজায় রাখাই একটি সভ্য রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।
বগুড়া সদরের গোকুল পলাশবাড়ী তারাপাড়া গ্রামে নিজের ইজিবাইকে চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে আবু বক্কর সিদ্দিক নামের এক অটো চালকের মৃত্যু।
12/05/2026
06/05/2026
গাজীপুরের কালীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে সড়কে পড়ে দুর্ঘটনায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও দুজন।
নিম্নমানের সরঞ্জাম ও দীর্ঘদিনের অবহেলার কারণে এমন ঘটনা বারবার ঘটছে—এবার সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় নতুন সরকার।
#বিদ্যুতের_দাম_বৃদ্ধি #নতুন_সরকার
ঘন ঘন লাইন ট্রিপের পেছনে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা আছে—এটা স্বীকার করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মানুষের ভোগান্তি গুরুত্ব দিলেই সমাধান সম্ভব।
05/05/2026
ঘন ঘন লাইন ট্রিপ: দায় স্বীকার করে কার্যকর পদক্ষেপের নেওয়ার দাবি।
ভারতে বিদ্যুৎ বিল বেশি আশায় মিটার সুরেমেরে প্রতিবাদ।