25/05/2026
একটি শিশুর স্বপ্ন বাঁচানোর গল্প
২৪ মে ২০২৬ তারিখে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এ একটি জরুরি তথ্য আসে যে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার একটি গ্রামে প্রায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছে।
তথ্য পাওয়ার সাথে সাথেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ কর্তৃপক্ষ। তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মেলান্দহকে অবহিত করা হয় এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের নির্দেশনায় শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটির পরিবারের সাথে আলোচনা করা হয়। কথা বলে জানা যায়, “নিহা” (ছদ্মনাম) নামের কিশোরীটি এখনও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায়, নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে চায়। কিন্তু পারিবারিক ও সামাজিক চাপে তার বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।
শিশুটির মনের ভাষা, তার ভবিষ্যৎ এবং বাল্যবিবাহের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে পরিবারকে সচেতন করা হয়। একইসাথে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের পূর্বে মেয়ের বিয়ে দেওয়া আইনত দণ্ডনীয়— বিষয়টি পরিবারকে অবহিত করা হয়।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হয়। শিশুটির বাবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সম্মুখে লিখিত মুচলেকা প্রদান করেন যে, মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিবাহ দেওয়া হবে না।
চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ বিশ্বাস করে—
প্রতিটি শিশুর হাসি, শিক্ষা ও স্বপ্ন সুরক্ষিত রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপই পারে একটি শিশুকে ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে নিরাপদ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে।
শিশু সুরক্ষা, সহায়তা ও জরুরি সেবার জন্য কল করুন — ১০৯৮ (টোল ফ্রি)
ধন্যবাদান্তে,
চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ টিম
22/05/2026
নোটিশ
সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যান্ত্রিক ত্রুটি ও নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার কারণে হেল্পলাইনের সেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বিধায়, আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।।
21/05/2026
১০৯৮ চাইল্ড হেল্পলাইন: নির্যাতনের বিরুদ্ধে এক সফল উদ্যোগ
একটি ফোন কল, আর একটি পরিবারের মুখে হাসি! 📞
একটি শিশুর কান্না এবং একজন অসহায় মায়ের আকুতি কীভাবে একটি তাৎক্ষণিক ও কার্যকরী পদক্ষেপে রূপ নিল ১০৯৮
অসহায় এক শিশুর মা ১০৯৮ (চাইল্ড হেল্পলাইন) নম্বরে ফোন করে জরুরি সহায়তা চান। তিনি জানান, তার ৩য় শ্রেণীতে পড়ুয়া সন্তানকে স্কুলের শিক্ষক হাত দিয়ে মেরে চোখে আঘাত করেছেন। এতে শিশুটির চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশুটি প্রচণ্ড ব্যথায় ছটফট করছিল এবং কান্নাকাটি করছিল।
নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা যখন স্কুলের শিক্ষকদের সাথে কথা বলতে যান, তখন শিক্ষকরা উল্টো তাকেই ধমক দিয়ে বিদায় করে দেন।
এর পর যা ঘটে :
ঘটনার দুই দিন পর টিভিতে ১০৯৮ হেল্পলাইনের প্রচার দেখে শিশুটির মা আশার আলো পান এবং সাথে সাথে ১০৯৮ নম্বরে ফোন করে বিস্তারিত তথ্য জানান।
১০৯৮ টিম তথ্যটি পাওয়া মাত্রই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে এবং স্থানীয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজকর্মী / সমাজসেবা অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করে তথ্য প্রেরণ করে।
তথ্য পাওয়ার পর সমাজসেবা অফিসার দ্রুত সরজমিনে (সরাসরি) ওই স্কুলে তদন্তে যান।
সেখানে গিয়ে ভুক্তভোগী শিশু এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে বিষয়টি আমলে নিয়ে শিশু ও শিক্ষক সংক্রান্ত বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির চিন্তা করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট শিশুর মা এবং শিক্ষক মহাশয় পারস্পরিক আলোচনার লক্ষ্যে একত্রে বসেন। শুনানিতে শিশুর মা তাঁর বক্তব্য পেশ করেন এবং অনুরোধ জানান যেন ভবিষ্যতে কোন শিশুকে কোনো প্রকার মারধর বা শারীরিক নিগ্রহ করা না হয়।
পরবর্তীতে, উপস্থিত গণ্যমান্য সমাজসেবক ও শিক্ষক মহাশয় যৌথ আলোচনার মাধ্যমে এবং একটি অঙ্গীকারনামা স্বাক্ষরের ভিত্তিতে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে সমাধান করেন।
তবে পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং শিশুর সার্বিক সুরক্ষার স্বার্থে বিষয়টি 'শিশু কল্যাণ বোর্ডে' (Child Welfare Board) একটি মিটিংয়ের মাধ্যমে অবহিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
শিশুর মা ১০৯৮ ফোন করে তার অনুভূতি ব্যাক্ত করে বলেন, ১০৯৮ ফোন করে মনের সমস্ত দুশ্চিন্তা ও ক্ষোভ দূর করা যায়। তিনি ১০৯৮ এর টিমের আন্তরিকতার সেবায় মুগ্ধ হয়ে ধন্যবাদ ও সেলুট জানান।
প্রতিবেদকারী
নুরানী বেগম
প্যারা কাউন্সিলর।
13/05/2026
"বিদেশে অবস্থানরত এক মায়ের উদ্বেগ, অসহায়ত্ব আর সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা"
“শিহা” (ছদ্মনাম, ১৫) দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জটিলতা, মানসিক চাপ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মধ্যে ছিল। শিহার বয়স যখন প্রায় ৫ বছর, তখন তার বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর সে বাবার সঙ্গে বসবাস করতে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, তার বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন, যা শিহার মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল।
প্রায় ১০ বছর আগে বিদেশে পাড়ি জমানো শিহার মা ইউরোপের একটি দেশ থেকে বাংলাদেশ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এর ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করেন এবং মেয়ের নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সহায়তা চান।
এই ঘটনাটি দেখায়, দেশের বাইরে অবস্থান করেও বাংলাদেশি শিশুদের সুরক্ষা ও সহায়তার জন্য চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব। পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে শিশু সুরক্ষা, মানসিক সহায়তা কিংবা জরুরি সহযোগিতার প্রয়োজন হলে ১০৯৮ পাশে থাকার চেষ্টা করে।
অভিযোগ পাওয়ার পর চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ দ্রুত স্থানীয় সমাজসেবা কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরাসরি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন।
এসময় শিহার মামা ও ফুপিরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা শিশুটির নিরাপত্তা, মানসিক সহায়তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে পাশে দাঁড়ান এবং সমন্বিতভাবে সহযোগিতা করেন।
পরবর্তীতে সবাই মিলে শিহাকে একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করান। বর্তমানে সে ভালো আছে, নিয়মিত পড়াশোনা করছে এবং মায়ের সাথেও যোগাযোগ বজায় রাখছে।
শিহার মা চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮, স্থানীয় সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং সহযোগিতাকারী পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শিশুর সুরক্ষা, মানসিক সহায়তা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ সবসময় পাশে আছে।
ধন্যবাদান্তে,
চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ টিম
13/05/2026
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়,
মিজ্ ফারজানা শারমীন, এমপি মহোদয় আজ সকালে বাংলাদেশ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ এ আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন।
পরিদর্শন চলাকালে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে বাংলাদেশ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এর সেবা প্রদান কার্যক্রম, কল রিসিভিং ও রেফারেল মেকানিজম, জরুরি শিশু সুরক্ষা সহায়তা, মনোসামাজিক কাউন্সেলিং এবং সিএসপিবি প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পরিচালিত শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।
তিনি ১০৯৮-এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং শিশু সুরক্ষা সেবা আরও কার্যকর, সময়োপযোগী ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—
• জনাব শাহ মোহাম্মদ মাহ্বুব
মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), সমাজসেবা অধিদপ্তর।
• জনাব মোঃ ওয়াহেদুর রহমান
জাতীয় প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব), সিএসপিবি প্রকল্প।
• জনাব আয়েশা আক্তার
পরিচালক (যুগ্ম সচিব), বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়, ঢাকা।
• জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম
পরিচালক (উপসচিব), প্রশাসন ও অর্থ, সমাজসেবা অধিদপ্তর।
এছাড়াও সমাজসেবা অধিদপ্তর, সিএসপিবি প্রকল্প এবং বাংলাদেশ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ শিশুদের সুরক্ষা, মানসিক সহায়তা, জরুরি উদ্ধার, আইনি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবা প্রদানের মাধ্যমে শিশুবান্ধব বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
09/05/2026
শিশুর পরিবারের সন্ধান প্রয়োজন
শিশুর নাম সীমা। সে বাবা-মায়ের নাম বলতে পারে না। কথায় জড়তা থাকার কারণে তার কথা স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না। বয়স আনুমানিক ১৩ বছর। সে শুধু বলতে পারে তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে এবং তার বোনের নাম লিমা।
গত ০৭ মে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮:৩০ ঘটিকায় হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার স্বজন গ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পাশের নৌকা ঘাট এলাকা থেকে তাকে পাওয়া গেছে। বর্তমানে লাখাই, হবিগঞ্জ এর উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড এর সহায়তায় তাকে নিরাপদে সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র (বালিকা ইউনিট), সিলেটে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
মেয়েটির পরিবারের সন্ধান পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। কেউ যদি শিশুটির বিষয়ে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, অনুগ্রহ করে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
-child
08/05/2026
নিখোঁজের অন্ধকার পেরিয়ে মায়ের বুকে ফিরে এলো ১৩ বছরের শিশু
গত ২ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ১৩ বছর বয়সী শিশু “রাহাত” (ছদ্মনাম) খিচুড়ি কেনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়। পরিবারের ধারণা ছিল, কিছুক্ষণের মধ্যেই সে ফিরে আসবে। কিন্তু দোকান থেকে বের হওয়ার পর এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি তাকে একটি ঠিকানা পড়তে বলেন। ঠিকানাটি পড়তে গিয়েই শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরপর কী ঘটেছিল, সে নিজেও আর কিছু মনে করতে পারেনি।
দীর্ঘ সময় সন্তান বাসায় ফিরে না আসায় পরিবার চরম উদ্বেগে পড়ে এবং বরিশাল কাউনিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে এবং শিশুর ছবি ও তথ্যসহ চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এর ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা হয়। একইসাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সমাজকর্মীদের ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ নেটওয়ার্কেও তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে দ্রুত শিশুটিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
বরিশাল কাউনিয়া থানার শিশু বিষয়ক পুলিশ অফিসার এবং শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মী (CPSW) টিমের সমন্বয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। CPSW টিম শিশুর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মনোসামাজিক সহায়তা প্রদান করে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়া মাকে সাহস ও সমর্থন দেয়।
অবশেষে আশার খবর আসে কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা থেকে। স্থানীয় কিছু সচেতন মানুষ রাস্তায় ঘোরাফেরা করা অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পেয়ে থানায় নিয়ে যান। পরে তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটাই সেই নিখোঁজ শিশু “রাহাত”।
চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ ও CPSW টিম শিশুটিকে কেস ম্যানেজমেন্টের আওতায় নিয়ে প্রয়োজনীয় সেবা ও নিয়মিত ফলোআপ কার্যক্রম শুরু করে। বরিশাল কাউনিয়া থানা ও পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সহযোগিতায় শিশুটিকে তার মায়ের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দীর্ঘ উৎকণ্ঠা আর অপেক্ষার পর সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরা সেই মায়ের অশ্রু যেন স্বস্তি, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতার এক অনন্য প্রকাশ।
এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করে— কোনো শিশু নিখোঁজ হলে দ্রুত জিডি, তথ্য প্রচার, সমন্বিত উদ্যোগ, পুলিশ প্রশাসন, চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ এবং শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা একটি শিশুকে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
📞 কোনো শিশু ঝুঁকিতে থাকলে বা নিখোঁজ হলে যোগাযোগ করুন — চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮
ধন্যবাদান্তে
চাইল্ড হেল্পলাইন টিম
06/05/2026
জরুরি নিখোঁজ শিশু সংক্রান্ত বার্তা
একটি শিশু গত পরশু দিন থেকে নিখোঁজ রয়েছে। শিশুটির নাম আরিয়ান আহমেদ আয়াস, বয়স ৮ বছর। সে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এলাকা থেকে হারিয়ে গেছে। শিশুটি তার ফুফুর বাসায় থেকে মাদরাসায় পড়াশোনা করত।
পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি বাড়িতে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু তাকে ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, সে একা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে পথিমধ্যে হারিয়ে গেছে।
শিশুর বাবা ইতোমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় জিডি করেছেন এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।
📍 ঠিকানা: কুঠির বাজার, দক্ষিণ কামালপুর, নরসিংদী
👤 পিতা: শরিফ খান
👤 মাতা: রুনা আক্তার
👉 যদি কেউ শিশুটির সন্ধান পেয়ে থাকেন বা কোনো তথ্য জানেন, অনুগ্রহ করে দ্রুত ১০৯৮ (চাইল্ড হেল্পলাইন)-এ যোগাযোগ করুন।
একটি শেয়ারই শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারে।