04/06/2026
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণ অনুষ্ঠান:
আগামিকাল ৫ জুন ২০২৬, বিকাল ৫.০০ টা।
Bangladesh Shilpakala Academy is the national institute of fine and performing Arts.
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman established "Shilpakala Academy" on 19th February 1974 with the national interest in developing a creative humanitarian nation. Bangladesh Shilpakala Academy is the only national institute for the development of art and culture. Under the law of National Parliament, Shilpakala Academy was recognized for the purpose of creating a cultural impact by preserving and m
04/06/2026
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণ অনুষ্ঠান:
আগামিকাল ৫ জুন ২০২৬, বিকাল ৫.০০ টা।
04/06/2026
৫ জুন ২০২৬
বিকাল ৪.০০ টা।
সকলের জন্য উন্মুক্ত।
31/05/2026
সকলে আমন্ত্রিত।
ঈদ মোবারক। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহা'র শুভেচ্ছা।
24/05/2026
২৪ মে ২০২৬
বছরজুড়ে “নজরুল বর্ষ” উদযাপনের প্রতিশ্রুতিতে পর্দা নামলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ৩ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে । আজ রোববার ২৪ মে ২০২৬ বিকেলে জাতীয় পর্যায়ে চলা ‘দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি’ আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে। এ দিনের পরিবেশনায় ছিলো কবির কালজয়ী সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই সমবেত নজরুল সংগীত “মধুকর মঞ্জুরী” পরিবেশন করে সরকারী সঙ্গীত কলেজ। এরপর ছন্দা চক্রবর্তী পরিবেশন করে “আমার কোন কূলে আজ ভিড়লো তরী”। এরপর আবৃত্তি পরিবেশন করে ফারজানা এ্যালী। সমবেত নৃত্য “পদ্মার ঢেউরে” পরিবেশন করে নৃত্যনন্দন । নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন শর্মিলা বন্দোপাধ্যায়। এরপর একক সঙ্গীত ”এ কোন মায়ায় ফেলিলে আমায়” পরিবেশন করেন মোনালীন আজাদ।
কয়েকটি নজরুল পরিবেশনার পরই শুরু হয় আলোচনা পর্ব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বক্তব্যে তিনি বলেন- “আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ এর মে মাস থেকে ২০২৭ এর মে মাস পর্যন্ত নজরুল বর্ষ ঘোষনা করেছেন। এই বছরব্যাপী আমরা নানা রকম কর্মসূচী পালন করবো সারা দেশে। আমাদের দেশের শিশু, কিশোর এবং তরুন প্রজন্মদের কাছে নজরুল যে প্রাসঙ্গিক, তার পরিচিতি এবং সামগ্রিক কর্মকান্ড তুলে ধরবো। সংগীতের এমন কোন শাখা নেই যেখানে নজরুল যাননি। নজরুলের উচ্চাঙ্গ সংগীত, শ্যামা সংগীত, কীত্তন, প্রেমের গান এবং বিদ্রোহের গান সব কিছু মিলিয়ে নজরুল যুগ- শ্রেষ্ঠ কবি। শুধু নজরুল নয় সবদিকেই আমাদের সংস্কৃতিকে, জাতীয় ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং সংস্কৃতিকে সামনে তুলে আনতে চাই “
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব কানিজ মওলা। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর আবহ্বায়ক জনাব হেলাল খান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। তিনি বলেন -"নজরুল বর্ষ জুড়ে আমরা নজরুলের নাটক, তার গান, কবিতা, নৃত্য, বাশিঁ এবং তাঁর সকল সৃষ্টি কর্মকে উদযাপন করবো।
সারা বাংলাদেশ থেকে নজরুল প্রতিভা অন্বেষণ করার বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন "সকল বিভাগ থেকে সেরা ১০ আমরা নির্বাচন করবো।আমাদের জাতীয় জীবনে নজরুলের যে প্রভাব, যে অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন করতে চাই তার মূল দর্শন আমরা নজরুলের কাছ থেকে পেয়েছি। তিনি কৃষক, শ্রমিক, মজুর সকলের কবি। শুধুমাত্র অভিজাত শ্রেণির কবি নজরুল নন।"
এরপর আবার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।২য় পর্বে শুরুতেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ সমবেত নৃত্য ‘শঙ্কাশূন্য লক্ষ কন্ঠে’ পরিবেশন করেন। সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী মাহবুবা আখন্দ মিনু । ‘কামাল পাশা’ এর সাথে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যালোক সাংস্কৃতিক সংগঠন, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন কবিরুল ইসলাম রতন। এরপর নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন পারভীন সুলতানা। সমবেত সংগীত ‘বল্ নাহি ভয় নাহি ভয়’ পরিবেশন করেন কবি নজরুল ইনস্টিটিউট-এর শিল্পীবৃন্দ। সমবেত নৃত্য ‘রাঙামাটির পথে লো’ পরিবেশন করে নুপুরধ্বনি এর শিল্পীবৃন্দ, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন নুসাইবা রহমান এবং ‘কারার ঐ লৌহকপাট’ পরিবেশন করেন নান্দনিক নৃত্য সংগঠন, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন নীলুফার আহমেদ পাপড়ি।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন ফারজানা এ্যালী এবং এনামুল হক জুয়েল। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী অলোক সেন ও পান্না দত্ত। বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ এর পরিচালনায় রেওয়াজ পারফরমার্স স্কুল-এর নৃত্যশিল্পীবৃন্দ ‘মম মায়াময় স্বপনে’ গানের সাথে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ ‘নারী’ কবিতার সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা। জাতীয় কবি রচিত ‘কামাল পাশা (অংশ বিশেষ)’ কবিতা আবৃত্তি করেন সীমা ইসলাম। পরপর দুটি নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী বর্ণালী সরকার ও বিশিষ্ট নজরুলসংগীত শিল্পী ইয়াকুব আলী খান। নৃত্যশিল্পী মুফাসসাল আলিফ এর পরিচালনায় সমবেত নৃত্য ‘মোরা ঝঞ্জার মত উদ্যাম’ পরিবেশন করেন এ্যলিফিয়া ডান্স এটেলিয়ার শিল্পীবৃন্দ।
সবশেষে বাঁশরী রেপার্টরি থিয়েটার মঞ্চায়ন করে নাটক ‘বনের মেয়ে পাখি’। এছাড়া দেশের সকল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় কবির স্মরণে আলোচনা ও তাঁর সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানান অনুষ্ঠানমালা পরিবেশিত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানমালা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে (shilpakalachannel)-এ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে।
23/05/2026
২৩ মে ২০২৬
নারী জাগরণ, অন্যায়ের প্রতিবাদ- “বিদ্রোহী কবির” বার্তা ছড়িয়ে ২য় দিনে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন : আগামীকাল ২৪ মে সমাপনী
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিবস ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৮ - ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩/ ২২ - ২৪ মে ২০২৬ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে চলছে ৩ দিনব্যাপী আয়োজন ‘দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি’। আজ ২৩ মে ২য় দিনের পরিবেশনায় ছিলো কবির কালজয়ী সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় শনিবার বিকেলে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ১ম পর্বের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা দেশব্যাপী একটা সাংস্কৃতিক জাগরণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে তিনি একটা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। আর সেই নির্দেশনার আলোকে প্রত্যেকটা অনুষ্ঠান আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব এ. কে. এম. আবদুল্লাহ খান বলেন, “শুধু জন্ম কিংবা মৃত্যু দিবস নয়, কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ বিশ্বস্বীকৃত বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের নিয়ে তাদের কৃতকর্ম নিয়ে প্রতিমাসে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা যায়। তাদের নিয়ে অনেক জানার, অনেক বোঝার আছে এবং আমাদের জাতি গঠনের ক্ষেত্রেও তারা , গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি প্রস্তাব করবো- শুধু কাজী নজরুল ইসলামকেই নয়, আরো অন্যদের নিয়ে প্রোগ্রাম ক্যালেন্ডার তৈরি করে সারা বছরের সুচি হিসেবে জনগণকে জানিয়ে দিতে পারি। এটা বাস্তবায়ন হলে এ জাতি আরো সু-শৃঙ্খল, আরো মেধাবী হবে।”
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জনাব আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইনস্টিটিউট-এর সাবেক নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ জাকীর হোসেন। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক জনাব মেহজাবীন রহমান।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই সমবেত সংগীত ‘দাও শৌর্য, দাও ধৈর্য্য’ও ‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও সৃজনী এর কণ্ঠশিল্পীবৃন্দ । এরপর নৃত্য পরিচালক সাজু আহমেদ এর পরিচালনায় সমবেত নৃত্য ‘চোখ গেলো চোখ-গেলো’ পরিবেশন করে কত্থক নৃত্য সম্প্রদায়। একক সংগীত ‘সুরে ও বানীর মালা গেঁথে’ পরিবেশন করেন শহীদ কবির পলাশ এবং ‘পরদেশী মেঘ’ পরিবেশন করেন অগ্নিতা শিকদার মুগ্ধ। সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ। আইরিন পারভিন এর পরিচালনায় ‘তুমি কি দখিনা পবন’ গানের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নাচঘর।
এরপর নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীতশিল্পী সুজিত মোস্তফা, সেলিনা রহমান, পুষ্পিতা বণিক ও প্রিয়াংকা গোপ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ সমবেত কণ্ঠে নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন। ‘তোমার বিনা-তারের গীতি’ গানের সাথে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে আরাধনা, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়াংকা সাহা। কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তি করেন ইকবাল আহমেদ। এরপর নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মৃদুলা সমদ্দার এবং শিল্পী ড. নাশিদ কামাল। কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত কবিতা ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ আবৃত্তি করেন ফারহানা তৃণা। সবশেষ নৃত্য পরিচালক দীপা খন্দকার এর পরিচালনায় সমবেত নৃত্য ‘এসো হে সজল শ্যাম’ পরিবেশন করে দীব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ।
সমাপনী দিন ২৪ মে ২০২৬, বিকাল ৫:৩০ টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ডাঃ জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। এদিন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।
এছাড়া দেশের সকল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় কবির স্মরণে আলোচনা ও তাঁর সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানান অনুষ্ঠানমালা পরিবেশিত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানমালা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে (shilpakalachannel)-এ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে।
22/05/2026
পর্দা ওঠলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপনের
জাতীয় পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা চলবে ২৪ মে পর্যন্ত
নারী জাগরণে- "জাগো নারী জাগো বহ্নিশিখা", কবির অনুভুতি প্রকাশে-"বুলবুলি তুই ফুলশাখাতে দিস নে আজি দোল"
শোষকের বিরুদ্ধে হুঙ্কার "বল বীর -বিদ্রোহী" কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সব সৃষ্টকর্মের পরিবেশনায় শুরু হলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে আজ ৮ - ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩/ ২২ - ২৪ মে ২০২৬ জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
21/05/2026
21/05/2026
সকলের জন্য উন্মুক্ত।
২১ মে ২০২৬
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
১. অনুষ্ঠান/কর্মসূচি : নাটক ‘দ্যা সি অব সাইলেন্স’
স্থান : এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হল
সময়: সন্ধ্যা ৬:৩০ টা
আয়োজনে: থেসপিয়ান্স দ্যা ঢাকা
২. অনুষ্ঠান/কর্মসূচি: নাটক ‘হেলেন কেলার’
স্থান : স্টুডিও থিয়েটার হল
সময়: সন্ধ্যা ৬:৩০ টা
আয়োজনে: স্বপ্নদল
৩. অনুষ্ঠান/কর্মসূচি: ‘রবির চিত্র চিত্রের রবী’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনী
স্থান: জাতীয় চিত্রশালা ভবন, গ্যালারি-২
সময়: সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮টা
আয়োজন: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
সহযোগিতায়: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 15:00 - 22:00 |
| Saturday | 15:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |