বেকার জীবন থেকে মুক্তির উপায়

বেকার জীবন থেকে মুক্তির উপায়

Share

চাকরির খবর,হেলথ টিপস,খেলাধূলা,বেকারত?

10/10/2020

মাশরুমের ওষুধীগুণ :
১. মাশরুম নিম্নোক্ত উপাদান নিয়ে গঠিত যেমন-আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেল। যা শরীরের 'ইমুন সিস্টেম'কে উন্নত করে। ফলে গর্ভবতী মা ও শিশুরা নিয়মিত মাশরুম খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
২. মাশরুমে চর্বি ও শর্করা কম থাকায় এবং আশঁ বেশি থাকায় এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী ও একটি আদর্শ খাবার।
৩.মাশরুমে আছে শরীরের কোলেস্টরল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভষ্টটিন এবং এনটাডেনিন। তাই নিয়মিত মাশরুম খেলে হূদরোগ ও উচ্চরক্তচাপ নিরাময় করা সহজ হয়।
৪. মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন ডি, যা শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে অত্যন্ত সহায়ক।
৫. মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড ও লৌহ। ফলে মাশরুম খেলে রক্তশূণ্যতা দূর হয়। এছাড়া লিংকজাই-৮ পদার্থ থাকায় হেপাটাইটিস বি জন্ডিসের প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে।
৬. মাশরুমে আছে বি-ডি গন্ডুকেন, ল্যাম্পট্রোল, টারপিনওয়েড ও বেনজোপাইরিন, যা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৭. মাশরুমে ট্রাইটারপিন থাকাতে, বর্তমানে এটি বিশ্বে এইডস প্রতিরোধ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৮. মাশরুমে ইলুডিন এম এবং এস থাকাতে আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারি।
৯. মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে গন্ডাইকোজেন থাকাতে শক্তিবর্ধন হিসেবে কাজ করে। তাই যৌন অক্ষম রোগীদের জন্য মাশরুম একটি উপকারী ওষুধ হিসাবে কাজ করে।
১০. মাশরুমে স্ফিঙ্গলিপিড এবং ভিটামিন বি-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপারটেনশন দূর হয় এবং মেরুদন্ড দৃঢ় রাখতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখে।
১১. মাশরুমে আছে প্রচুর পরিমানে এনজাইম, যা হজমে সহায়ক রুচি বর্ধক ও পেটের পীড়া নিরাময়ক।
১২. মাশরুমে নিউক্লিক এসিড এবং এন্টি-এলার্জেন থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে।

04/10/2020

কেমন আছেন ভাই ও বোনেরা।
আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আপনারা যারা নতুন খামারী -( তাদের জন্য আমরা প্রতি নিয়িতো খামার করার সঠিক পরামর্শ দিয়ে থাকি
যে ভাই ও বোনেরা খামার করতে ইচ্ছুক বা খামার করছেন কিন্তু খামার কি ভাবে উন্নত করবেন বুঝতে পারছেনা তারা আমার কথা গুলো ফলো করবেন তাতে লাভবান হবেন।
প্রথম ধাপ -( আপনারা যখন গাভী কিনবেন কোন জাতের গাভী কালেকশন করবেন। সেটা হলো-(১ নাম্বার -হলেষ্টার ফিজিয়ান) ( ২ নাম্বার - মিনি জার্সি)-(৩ নাম্বার - ফিজিয়ান) -(৪ নাম্বার - মুন্ডি) (৫ নাম্বার - অষ্টলিয়ান) এই জাতের গাভীগুলো কিনবেন
কেন না এই গাভীগুলো দুধ বেশি দেয় এবং খামার উপযোগী গাভী এগুলো।
২ নাম্বার ধাপ -( আপনারা যখন গাভী কিনবেন খিয়াল রাখতে হবে গাভী প্রথম অথবা দ্বিতীয় বিয়ানের গাভী কালেকশন করবেন। যাতে আপনার ফার্মে এসে সর্বনিম্ন ৬ টা বাচ্চা দেয়। এটা খিয়াল রাখতে হবে।
এক কথায় - জুয়ান গাভী কিনবেন।
আর দাত দেখবেন - ২ দাত -৪ দাত - ৬ দাত এগুলো কিনবেন। তাতে লাভবান হবেন।
৩ নাম্বার ধাপ -( আপনারা যখন গাভী কিনবেন খিয়াল রাখতে হবে। গাভীর সাথে মেয়ে বাচ্চা যেনো থাকে।
তাহলে আপনার খামার অল্পদিনে বড় হবে।
৪ নাম্বার ধাপ -( গাভী যখন কিনবেন তখন অবশ্যাই ৪ টা বাট এবং উলান ঠিক আছে কি না খিয়াল করবেন।
৫ নাম্বার ধাপ -( আপনার নতুন খামারী যারা তার প্রথম অবস্হায় ২ থেকে ৪ টা গাভী দিয়ে খামার শুরো করবেন।কেননা আপনারা নতুন এভাবে খামার চালাতে চালাতে আপনার অভিগতা বারবে তখন আপনি যে কয়টা ইচ্ছা গাভী লালন পালন সম্পকে আইডি চলে আসবে। তাতে লাভবান হবেন।
নতুন খামারী ভাই ও বোনেরা আপনারা অবশ্যাই অভিগো খামারীদের কাছ থেকে গাভী কিনবেন।
তাতে লাভবান হবেন।
আপনাদের জন্য সব সময় আমরা খামার বিষয়ে সু পরামশ পাবেন আমাদের থেকে।

01/08/2020

কুরবানী করতে গেলে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী । ভিডিও টি দেখুন সবাইকে সতর্ক করুন ।

28/07/2020

Daser bazar, MATLAB uttar chandpur.

26/07/2020

বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় প্রায় প্রতিটি পরিবার দেশী #মুরগি #পালন করে থাকে। এদের উৎপাদন ক্ষমতা বিদেশী মুরগির চেয়ে কম। উৎপাদন ব্যয়ও অতি নগণ্য। এটি অধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন। এদের #মাংস ও ডিমের মূল্য বিদেশী মুরগীর তুলনায় দ্বিগুণ, এর চাহিদাও খুবই বেশী। দেশী মুরগির মৃত্যুহার বাচ্চা বয়সে অধিক এবং অপুষ্টিজনিত কারনে উৎপাদন আশানুরূপ নয়।

বাচ্চা বয়সে দেশী মোরগ-মুরগির মৃত্যুহার কমিয়ে এনে সম্পূরক খাদ্যের ব্যবস্থা করলে দেশী মুরগি থেকে অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদন করা সম্ভব । মুরগি পালন হচ্ছে এমন একটি ব্যবসা যেখানে অল্প দিনে ভালো আয় করা সম্ভব। মুরগির ডিম ও গোশত শুধু সুস্বাদু নয় আমিষ সমৃদ্ধ খাদ্য। মুরগি পালন করলে পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
কেন মুরগি পালন ( murgi palon ) করবেন : মুরগির ডিম ও গোশত পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। অল্প টাকা বিনিয়োগ করে অধিক আয় করা যায়। মুরগির বিষ্ঠা জৈব সারের একটি ভালো উৎস। বিচরণের সময় মুরগি পোকা-মাকড় খেয়ে তা দমন করতে সহায়তা করে। বাজার সম্ভাব স্থানীয় বাজার ছাড়াও বড় বড় হাট-বাজারে মুরগি বিক্রি করা যায়। মুরগির ডিম প্রতিবেশীদের কাছে, স্থানীয় দোকানে বা বাজারে পাইকারি বা খুচরা বিক্রি করা যায়। এছাড়া থানা সদরের হোটেলগুলোতেও ডিম বিক্রি করা যায়।

#জাত নির্বাচন : প্রথমে আসি মুরগির জাতে। #ব্রয়লার খামারের #হাইব্রিড মুরগি উঠোনে ছেড়ে পালন করা যায় না। তাই খাঁটি জাতগুলোকে বাছতে হবে। যেমন, রোড আইল্যান্ড রেড (আরআইআর) বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প। ইদানীং বনরাজা, গিরিরাজা, গ্রামরপ্রিয়া ইত্যাদি জাত কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়েছে।

ঘর তৈরি : মুরগির জন্য খোলামেলা ঘর হতে হবে। ১.৫ মিটার (৫ ফুট) লম্বা X ১.২ মিটার (৪ ফুট) চওড়া এবং ১ মিটার (৩.৫ ফুট) উঁচু ঘর তৈরি করতে হবে। ঘরের বেড়া বাঁশের তরজা বা কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি করতে হবে। এছাড়া মাটির দেয়ালও তৈরি করা যাবে। বেড়া বা দেওয়ালে আলো বাতাস চলাচলের জন্য ছিদ্র থাকতে হবে। ঘরের চাল খড়, টিন বা বাঁশের তরজার সাথে পলিথিন ব্যবহার করে তৈরি করা যাবে। প্রতি ১০-১৫টি মুরগির জন্য এইরকম একটি করে ঘর তৈরী করতে হবে ।

#খাবার : বাড়ির প্রতিদিনের বাড়তি বা বাসী খাদ্য যেমন ফেলে দেওয়া এঁটোভাত, তরকারি, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গম, ধান, পোকামাকড়, শাক সবজির ফেলে দেওয়া অংশ, ঘাস, লাতা পাতা, কাঁকর, পাথর কুচি ইত্যাদি মুরগি কুড়িয়ে খায়।

পরিচর্যা করা : ছেড়ে পালন পদ্ধতিতে মুরগি পরিচর্যার জন্য সময় বা লোকজনের তেমন দরকার পড়ে না। তারপরও কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। সকালে মুরগির ঘর খুলে কিছু খাবার দিতে হবে। সন্ধ্যায় মুরগি ঘরে ওঠার আগে আবার কিছু খাবার দিতে হবে। ঘরে উঠলে দরজা বন্ধ করে দিতে হবে।মুরগির পায়খানা ঘরের মেঝেতে যেন লেপ্টে না যায় সেজন্য ঘরের মেঝেতে ধানের তুষ, করাতের গুঁড়া ২.৫ সে.মি. (১ ইঞ্চি) পুরু করে বিছাতে হবে। পায়খানা জমতে জমতে শক্ত জমাট বেঁধে গেলে বারবার তা উলট-পালট করে দিতে হবে এবং কিছুদিন পর পর পরিষ্কার করতে হবে। এ পদ্ধতিতে দেশি মোরগ পালন করা গেলে প্রায় তেমন কোন খরচ ছাড়াই ভাল একটা মুনাফা পাওয়া যাবে।

প্রতিবন্ধকতা ও সমাধান : মুরগি পালনে প্রধান প্রতিবন্ধকতা রাণীক্ষেত রোগ, এ রোগের প্রচলিত নাম চুনা মল ত্যাগ। পাখি হা করে ঠোঁট তুলে শ্বাস নেয়। ঝিমুনী ও ধীরে ধীরে পক্ষাঘাত হয়। বড় মুরগির নাকে শব্দ হয়। ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত এই রোগটি মুরগির শ্বসনতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের উপর বিশেষ আক্রমণ করে।

#রাণীক্ষেত রোগের লক্ষণ সমূহ;-

মুরগী খাওয়া বন্ধ করে দেয়।
মাথা নিচু ও চোখ বন্ধ করে ঝিমাতে থাকে।
সাদা চুনের মত পাতলা মল ত্যাগ করে।
নাক দিয়ে সর্দি ও মুখ দিয়ে লালা ঝরে।
শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় এবং হা করে নিঃশ্বাস নেয়।
ঘাড় বেঁকে যায়, কখনও কখনও একই স্থানে দাঁড়িয়ে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে।
মুরগী দূর্বল হয়ে ঠোঁট ও বুক মাটিতে লাগিয়ে বসে পড়ে।
রাণীক্ষেত রোগের প্রতিরোধ ও চিকিতসা :

#প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ এ রোগের হাত থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।
রোগাক্রান্ত মোরগ-মুরগীর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য উচচক্ষমতা সম্পন্ন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে।
আক্রান্ত মুরগীকে অবশ্যই অন্যান্য মুরগীর সংস্পর্ষ থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। মরে যাওয়া মুরগী ২-৩ হাত মাটির নীচে পুঁতে ফেলতে হবে।

17/07/2020

যারা নতুন টার্কি খামার করতে চান তাদের জন্য......!

তথ্য-নিজ অভিজ্ঞতা এবং ইন্টারনেট নির্ভর।
------------------------------
পরিচিতিঃ- টার্কি এক সময়ের বন্য পাখী হলেও এখন
একটি গৃহ পালিত বড় আকারের পাখী । এটি গৃহে পালন
শুরু হয় উত্তর আমেরিকায় । কিন্ত বর্তমানে
ইউরোপ সহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশে এই পাখী কম – বেশী
পালন করা হয় ।
কেনো পালন করবেনঃ- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টার্কি
পাখির মাংস খুবই জনপ্রিয় । টার্কি বর্তমানে মাংসের
প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন দেশের
অর্থনীতিতে অবদান রাখছে । এর মাংসে প্রোটিন
বেশী , চর্বি কম এবং আন্যান্য পাখীর মাংসের চেয়ে
বেশী পুষ্টিকর ।পশ্চিমা দেশগুলোতে টার্কি ভীষণ
জনপ্রিয় ।
তাই সবচেয়ে বেশী টার্কি পালন হয় মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স,ইতালি,ন
েদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশে ।
বর্তমানে দেশে পাঁচ শতাধিক ছোট -বড় খামার রয়েছে।
যেটা আমাদের জন্য সুখবর। এবং বেকার যুবকদের টার্কি
পালনে আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আশা করা
যায়, আগামী কয়েক বছরে এটা ব্যাপক ভাবে বিস্তার
লাভ করবে ।
টার্কি পালনের সুবিধাসমুহ ---
১। মাংস উদপাদন ক্ষমতা ব্যাপক ।
২। এটা ঝামেলাহীন ভাবে দেশী মুরগীর মত পালন করা
যায় ।
৩। টার্কি ব্রয়লার মুরগীর চেয়ে আনুপাতিক হারে দ্রুত
বাড়ে ।
৪। টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ অনেক কম, কারন এরা
দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস,লতাপাতা,পোকা -
মাকড় খেতে বেশী পছন্দ করে ।
৫। টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভা বর্ধন করে ।
৬। টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশী, চর্বি
০.৯৩% যেখানে গরু বা ছাগলে ২০% এর বেশি কিংবা
খাসীর মাংসের বিকল্প হতে পারে ।
৭। টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ,
পটাশিয়াম, বি৬ ও ফসফরাস থাকে । এ উপাদান গুলো
মানব শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী এবং নিয়মিত এই
মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায় ।
৮। টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন
অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস খেলে শরীরে রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ।
৯। টার্কির মাংসে ভিটামিন -ই অধিক পরিমাণে থাকে

টার্কি গ্রোথ বৈশিষ্ট ----
১। ডিম দেয়া শুরুর বয়স = ৩০ সপ্তাহ
৩। বছরে গড় ডিম = ১০০– ১৩০ টি ।
৪। ডিম ফুটে বাচ্চা বেড় হয় = ২৮ দিনে ।
৫। ২০ সপ্তাহে গড় ওজন পুরুষ পাখী = ৭ –৮ কেজি ।
স্ত্রী পাখী = ৪ – ৫ কেজি ।
৬। বাজারজাত করনের সঠিক সময় পুরুষ =১৮ – ২০সপ্তাহ ।
৭। উপযুক্ত ওজন পুরুষ পাখী = ৭ – ৮ কেজি ।
স্ত্রী পাখী = ৫ – ৬ কেজি ।
টার্কি পালন পদ্ধতি –
মুক্ত অবস্থায় ও আবদ্ধ অবস্থায় পালন করা যায় । বাড়ির
ছাদেও টার্কি পালন সম্ভব। টার্কি যথেষ্ট গরম বা শীত
সহ্য করতে পারে যা আমাদের দেশের সাথে মানানসই।
দেশি মুরগীর মতই মা-বোনেরা এটা পালন করতে
পারেন।
লিটার ব্যাবস্থাপনাঃ
এই পদ্ধতিতে টার্কির জন্য সহজলভ্য দ্রব্য ব্যাবহার করা
যায় । যেমন নারিকেলের ছোবড়া, কাঠের গুরা, তুষ,
বালি । প্রথমে ২ ইঞ্চি পুরু লিটার
তৈরি করতে হয় । পরে আস্তে আস্তে আরো উপাদান
যোগ করে ৩ - ৪ ইঞ্চি
করলে ভালো হয় । লিটারে সব সময় শুকনো দ্রব্য ব্যাবহার
করতে হবে ।
ভিজা লিটার তুলে সেখানে আবার শুকনো লিটার দিয়ে
পূর্ণ করতে
হবে । আমার পরামর্শ সব থেকে কম খরচের জন্য মেয়ে
পাকা না করে ধুলাবালি দিয়ে ভরাট করে তার উপরই
টার্কি পালন করলে লিটার পরিবর্তনের খরচ বেচে
যাবে। তবে এক্ষেত্রে ২০দিন পরপর মেঝেতে গুড়াচুন
এবং জীবানুনাশক ব্যবহার করতে হবে।
* খাবার –
টার্কির খাবার সরবরাহের জন্য দুইটি পদ্ধতি ব্যাবহার
করা যায় । যেমন
ম্যাশ ফিডিং ও পিলেট ফিডিং । একটি আদর্শ খাদ্য
তালিকা নিচে দেয়া হলো –
ধান --------------- ২০%
গম ---------------- ২০%
ভুট্টা --------------- ২৫%
সয়াবিন মিল ------- ১০%
ঘাসের বীজ -------- ৮%
সূর্যমুখী বীজ ------- ১০%
ঝিনুক গুড়া -------- ৭%
মোট = ১০০%
ঝামেলা এড়াতে বাজার থেকে লেয়ার ফিডও কিনে
খাওতে পারেন।
* সতর্কতা –
অন্যান্য পাখির তুলনায় টার্কির জন্য বেশী ভিটামিন,
প্রোটিন, আমিষ, মিনারেলস দিতে হয় । কোন ভাবেই
মাটিতে খাবার সরবরাহ করা যাবে না । সব সময়
পরিষ্কার পানি দিতে হবে ।
* সবুজ খাবার –
সব সময় মোট খাবারের সঙ্গে ৪০-৫০% সবুজ ঘাস খেতে
দেয়া ভালো । সে
ক্ষেত্রে নরম জাতীয় যে কোন ঘাস দেয়া যেতে পারে ।
যেমন – কলমি,
হেলেঞ্চা, কচুরিপানা, ইত্যাদি । আমার ব্যক্তিগত
পরামর্শ নিয়োমিত কিছুপরিমাণ দুবলা ঘাস এবং নিম
পাতা খাওয়াবেন। একটি পূর্ণ বয়স্ক টার্কির দিনে ১৪০
– ১৫০ গ্রাম খাবার দরকার হয় । যেখানে ৪৪০০ – ৪৫০০
ক্যালোরি নিশ্চিত করতে হবে।
* প্রজনন ব্যাবস্থা –
একটি টার্কি মুরগীর জন্য ২ – ৩ বর্গ ফুট জায়গা নিশ্চিত
করতে হবে । ঘরে
পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের ব্যাবস্থা থাকতে হবে । ঘর
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে । একটি মোরগের সঙ্গে
৩ বা ৪ টি মুরগী রাখা যেতে পারে । ডিম সংগ্রহ
করে আলাদা জায়গায় রখতে হবে সরাসরি হাতের স্পর্শ
ছাড়া। ডিম প্রদান কালীন সময়ে টার্কিকে আদর্শ
খাবার এবং বেশী পানি দিতে হবে ।
* বাচ্চা ফুটানো –
টার্কি নিজেই ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় । তবে
দেশী মুরগী অথবা ইনকিউবেটর দিয়ে বাচ্চা ফুটালে ফল
ভালো পাওয়া যায় কিন্তু নতুনরা অবশ্যই মুরগী দিয়ে
ডিম ফুটাবেন, এতে মুরগীই বাচ্চার যত্ন নিবে। তাছাড়া
বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সময় নষ্ট না হওয়ার কারণে
টার্কিও ডিম উৎপাদন বেশী করে ।
* রোগ বালাই –
পক্স, সালমোনেলোসিস, কলেরা, মাইটস ও এভিয়ান
ইনফুলেঞ্জা বেশী
দেখা যায় । পরিবেশ ও খমার অব্যাবস্থাপনার কারণে
অনেক রোগ
সংক্রমণ হতে পারে । পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকলে রোগ
হয়না বললেই চলে।
* টিকা প্রদান----
১ম দিন ---------- এন ডি ( বি১স্টেরেইন ) ।
৪ ও ৫ সপ্তাহে ---- ফাউল পক্স ।
৬ সপ্তাহে ---------- এন ডি ।
৮ – ১০ সপ্তাহে –- ফাউল কলেরা ।
সতর্কতাঃ-- কোন অবস্থায় রোগাক্রান্ত পাখিকে
টিকা দেয়া যাবে না। টিকা প্রয়োগ করার পূর্বে
টিকার গায়ে দেয়া তারিখ দেখে নিবেন।
* বাজার সম্ভবনা –
• টার্কির মাংস পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় এটি খাদ্য
তালিকার একটি আদর্শ মাংস হতে পারে। পাশাপাশি
দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মাংসের চাহিদা
মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে । যাদের
অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত
মাংস খাওয়া নিষেধ অথবা যারা নিজেরাই এড়িয়ে
চলেন, কিংবা
যারা গরু / খাসীর মাংস খায়না , টার্কি তাদের জন্য
হতে পারে প্রিয়
একটি বিকল্প ।
*বর্তমানে ছোট আকারের খামার করার যে চাহিদা
দেশ ব্যাপী তৈরি হয়েছে, তাতে আগামী ৩/৪ বছরে
কয়েক লাখ টার্কির প্রয়োজন হবে এবং সে ক্ষেত্রে
দাম ও বেশী পাওয়া যাচ্ছে । ৩০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা
পর্যন্ত বয়স ও রং ভেদে টার্কির জোড়া কেনা – বেচা
চলছে ।
আপনি কেন টার্কির খামার করবেন ??
• যারা বেকার বসে আছেন * যারা নতুন কিছু শুরু করতে
চান * পোল্ট্রি
ব্যবসা করে যারা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন এবং
আপনার স্থাপনা এখন কোন কাজে আসছে না।
* যারা কম ঝামেলা পূর্ণ কাজ পছন্দ করেন এবং ভালো
আয়ের উৎস খুজছেন
* যারা অল্প পুঁজি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা খুজছেন,
টার্কির খামার তাদের জন্য আদর্শের ।
কারন হিসেবে আমার অভিমত – ১। একটি আদর্শ টার্কি
খামার করতে খুব বেশী পুঁজির প্রয়োজন হয় না ।
২। অন্যান্য পাখীর তুলনায় এর রোগ বালাই কম এবং কিছু
নিয়ম মেনে চললে এই খামারে ঝুঁকি অনেক কম ।
৩। যেহেতু ৫০% পর্যন্ত ঘাস দেয়া যায়, তাই খবারে খরচ
কম ।
৪। বাজার চাহিদা প্রচুর ।
৫। উচ্চ মুল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশী ।
আমার নিজ অভিজ্ঞতাঃ
৩মাস পূর্বে বন্ধু এবং ফেসবুকের বন্ধুদের দেখে সিদ্ধান্ত
নেই টার্কি খামার করার। এ বিষয়ে আরও জানতে ২০০০
টাকা যাতায়ত ভাড়া খরচ করে প্রায় ১২টা টার্কি
খামারে ২ সপ্তাহ সময় নিয়ে ভ্রমণ করি। এরপর ১০ হাত
প্রস্থ এবং ১৫ হাত দৈর্ঘ্য এর একটি হাফ ওয়াল করে টিন
ও নেট দিয়ে খামার ঘর করি। এতে খরচ হয় ২০,০০০টাকা।
এরপর মোট ২৫,০০০ টাকা দিয়ে ১টা মেল, ৩টা এডাল্ট
মুরগী, ১২ পিস ৭দিন বয়সী বাচ্চা এবং ১০টা ডিম ক্রয়
করি। ঔষধ ক্রয় করি আরো ১০০০ টাকার। শুরুতে সব
মিলিয়ে ৫০,০০০টাকা খরচ হয়।এই মাসেই ৪টা মুরগীর তা
থেকে ৩৫+ বাচ্চা ফুটবে আশা রাখি। যথেষ্ট ভালো
অবস্থানে আছে আমার খামারটি। আমার চাকুরীর
ব্যস্ততার কারণে আম্মুই দেখাশোনা করেন আমার
খামারের।
বি :দ্র : খামার করতে আগ্রহী হলে বাজার থেকে বা
আমদানী করা বড়
বা বাচ্চা পাখী ক্রয় করবেন না । অবশ্যই প্রকৃত
খামারিদের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০জোড়া পাখী
সংগ্রহ করবেন । একমাস লালনপালন শেষে আপনার
অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রয়োজন মতো পালন করুন। মনে
রাখবেন, খামার করতে গেলে সুস্থ্য, রোগ মুক্ত পাখী
সংগ্রহ করতে পারলে আপনার সফলতার হার বেড়ে যাবে,
সকলের জন্য শুভ কামনা করছি। ভুলত্রুটি মার্জনীয়। যে
কোন মতামত কমেন্টে জানাবেন।
Image may contain: outdoor and nature

25/06/2020

গ্রামে ইনকাম বৃদ্ধির উপায় :

কচুর ঢোগা,লতি যেমন মাছ দিয়ে খাওয়া যায় , ঠিক তেমনি কচুর পাতা ও শাখ হিসেবে খাওয়া যায়। সুতরাং কচুর কিছুই ফালানো যায় না। যদি আপনার বাড়ির পাশে এমন জমি থাকে যেখানে কোন ফসল হয় না, বা ফসল হলেও পরিশ্রমের তুলনায় উৎপাদন অতি নগণ্য , তাহলে আপনি কচু চাষ করতে পারেন। যদি নিজের জমি না থাকে , তাহলে 3-5 শতাংশ জমি বছরে 1-দের হাজার টাকা দিয়ে পোষানী রেখেও আপনি খুব সহজেই কচু চাষ করতে পারেন। কচু গাছের তেমন কোন যত্ন নিতে হয় না, শুধু একবার চারা লাগিয়ে দিতে পারলেই হলো।বর্ষার সময়ে যদি জমি পানিতে তলিয়েও যায় তাতেও কোন সমস্যা নেই।কারন কচু পানিতে আরো দিগুন ভাবে বেড়ে উঠে।নিজেরা খাওয়ার সাথে সাথে আপনি বিক্রিও করতে পারবেন। কিছু জাতের কচু আছে যাদের মূল অনেক বড় হয়, ভয়ের কোন কারন নেই মূল ও খাওয়া যায়।

পুই শাখ: কচু গাছ লাগানোর সাথে সাথে আপনি আরো তিন ধরনের শবজি চাষ করতে পারেন। যেমন পুই শাখ , কলমি শাখ,মিষ্টি আলু শাক । ছোট ছোট ঝার করে ও আপনি এগুলো করতে পারেন। যদি জমির পাশে কোন গাছ লাগানো থাকে তাহলে ঔ গাছেও আপনি এগুলোর লতা পেচিয়ে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে গাছের মধ্যেই বেড়ে উঠবে শাখ । নিজেরদের চাহিদার সাথে সাথে বিক্রি করেও কমবেশি ইনকাম করতে পারবেন। গ্রামে আপনি যদি কোন চাকরি করেন তাহলে ঔ চাকরির পাশা পাশি এ স্বল্প পরিশ্রমের কাজ করেও পরিবারকে সার্পোট দিতে পারেন। এই রকম আরো তথ্য জানতে আমাদের পেজটি লাইক দিন।

ধন্যবাদ

18/11/2017
Photos 17/04/2017
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Dhaka
1000