31/05/2015
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় দর্শক সারিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মঞ্চে আলোচকগণ।
Bangladesh Jatiotabadi Chatra Dal (Bengali: জাতীয়তাবাদী ছাত্রদ? The 19-point program of action has been its legit motif.
The main objectives of the party have been, in the words of its founder, the economic development, democratic advancement, national unity on the basis of Bangladeshi nationalism and generation of a spirit of self-reliance in the people. The four fundamental principles of State policy i.e. the principles of absolute trust and faith in the Almighty Allah, nationalism, democracy, and socialism meanin
31/05/2015
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় দর্শক সারিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মঞ্চে আলোচকগণ।
31/05/2015
We can't forget you .
Honorable Martyr President Ziaur Rahman
31/05/2015
27/03/2015
***মা তুমি সত্যিই দেশমাতা, তোমার কোনো তুলনা হয়না***
চলমান আন্দোলনে সক্রিয় ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের তালিকা তৈরি করছে বিএনপি। বিগত সময়ে এ ধরনের নেতাকর্মী যথাযথ মূল্যায়ন না পেলেও এবার সুদিন ফিরলে তালিকা অনুযায়ী 'দুর্যোগের বীর'দের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের হাইকমান্ড।
আদালত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে বিভিন্ন জেলার নেতার সঙ্গে কথা বলে নিজেই তাদের সুবিধা-অসুবিধার খবর নিচ্ছেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ ছাড়া সিনিয়র নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, আন্দোলনের কারণে নির্যাতিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার পাশাপাশি পরিবার-পরিজনেরও খোঁজখবর নেয়ার।
জানা গেছে, নিজের গ্রেপ্তার নিয়ে খালেদা জিয়া চিন্তিত নন। দীর্ঘ আন্দোলনে নেতাকর্মীদের ক্লান্তি দূর করে আন্দোলন কিভাবে আরো বেগবান করা যায় তা নিয়েই ভাবছেন তিনি। নিজে গ্রেপ্তার হলে তার অনুপস্থিতিতে যাতে নেতাকর্মীদের অনেক বেশি প্রতিকূলতার মধ্যে পড়তে না হয় সেসব বিষয়েও একটি কর্মপন্থা ঠিক করেছেন। আন্দোলনে কে কিভাবে ভূমিকা রাখছেন তারও একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সূত্রে জানা যায়, আন্দোলনে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী কার কি ভূমিকা এবং আন্দোলন বেগবানে কার কি প্রয়োজন সেসব বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। আস্থাভাজনদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে। বিএনপির তথ্য অনুযায়ী, চলমান আন্দোলনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৯ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হাজারের অধিক মামলায় দেড় লাখের বেশি আসামি করা হয়েছে। এ জন্যই গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি পরিবার পরিজনের খোঁজ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সঠিকভাবে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছ কিনা তা নিজেই তদারকি করছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া
21/02/2015
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ বছর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না গেলেও নিজের কার্যালয়ে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
আজ শনিবার আসরের নামাজের পর গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
ওই কার্যালয়ে অবস্থানরত বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রথম আলোকে বলেন, বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান। খালেদা জিয়া কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলা থেকে মোনাজাতে অংশ নেন। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খানসহ কার্যালয়ে অবস্থানকারী সবাই মোনাজাতে অংশ নেন। শায়রুল কবির অভিযোগ করেন, কার্যালয়ের সামনের সড়কের দুই মাথায় পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রাখায় এবং কার্যালয়ে ঢুকতে বাধা থাকায় বাইরের কেউ মোনাজাতে অংশ নিতে পারেননি।
এর আগে আজ সকালে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি দল বিএনপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
=========১২ ঘন্টা বিদ্দ্যুতহীন অবস্থায় বাংলাদেশ =====
বাংলার ইতিহাসে এমন কলঙ্ক জনক অধ্যায় আর রচিত হয়েছে কিনা আমি জানিনা ,তবে মনে হয় হয়নি , হলে জানতাম। একটি দেশ ১২ ঘন্টা অন্ধকারে ছিল বিদ্দ্যুত হীন হয়ে। এটা কি করে সম্ভব ? আমার জানা নেই এরকমটা পৃথিবীতে অন্য কোনো দেশে আর কখনো কোনো দিন হয়েছে কিনা , তবে না হলেও এটা যে বাংলাদেশে হতে পারে এতে হয়তো কারো কোনো সন্দেহ হবেনা। এই বিদ্দুত হীন অবস্থাটা একটি জেলার নয় , একটি বিভাগের ও নয়, এটা সম্পূর্ণ একটি দেশের বেপার, আমরা বিশ্বের দরবারে দাবি করি বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং আমাদের বর্তমান সরকার দাবি করে এটা আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ , তাহলে এই কি তার নমুনা ?
যে একটি দেশ ১২ ঘন্টা বিদ্দুত হীন অবস্থায় থাকবে ?
আমাদের দেশের প্রশাসনিক কাঠামো কি এতটাই দুর্বল যে বিদ্দুতের সমাধান করতে ১২ ঘন্টা লেগে যায় ?
তাহলে কোথায় আমাদের সেই ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ার ?
কোথায় আমাদের সেই অভিজ্ঞ জনবল বা ডিজিটাল বোদ্ধারা , তারা কেন এখন পর্যন্ত এটার পূর্ণ সমাধান করতে পারলনা ?
১২ ঘন্টা একটি দেশে বিদ্দুত না থাকা এটা একটি দেশের জন্য অনেক লজ্জার, সেই দায়ভার মাথায় নিয়ে ডিজিটাল নামক অবৈধ সরকারের পদত্যাগ করা উচিৎ ।
ছিঃ ছিঃ ছিঃ