We May Die,But Our Ting-Tong Will Never Die

We May Die,But Our Ting-Tong Will Never Die

Share

07/04/2016

ডায়রীটি পড়ে তৌকির আজ দ্বিতীয়বারের মত কাঁদতেছে।
প্রথমবার কেঁদেছিল তৌকিরের বড়বোনের কিডনী
অপারেশনের দিন। দুইটি কিডনীই যখন ডেমেজ হয়ে
গিয়েছিল চারিদিকে যখন কান্নার রোল পড়ে গেল, তৌকির
তখন টাকা নিয়ে কিডনী খোজেছিল। যখন কোথাও
পাচ্ছিলনা, তখন একটি মেয়ে কিডনী দিতে রাজি হল।
মেয়েটিকে তৌকির চিনে তবে কোনদিন কথা হয়নি। শেষ
পর্যন্ত যখন সফল অপারেশনে তৌকিরের বোন সুস্থ্য
হয়েছিল তখন ঐ মেয়েটিকে আর বাঁচানো যায়নি। সেদিন
সত্যিই তৌকির অনেক কেঁদেছিল, নিজের কাছে মনে
হয়েছিল সোমা নামের সেই মেয়েটির জন্য তৌকিরই
দায়ী ছিল।

তৌকির বড় বোন আর ছোট বোনকে সাথে নিয়ে আজ
আরেকবার এল সোমাদের বাড়ি। এর আগেও বহুবার
এসেছিল। তৌকিরের বড় বোন সোমার মাকে মা বলেই
ডাকে। সোমার একটি ভাই আছে, নবম শ্রেনীতে
পড়ে। তৌকির আর তার বড় বোন সোমার ভাইকেও নিজের
ভাইয়ের মতই আদর করে। তৌকিরের চোখে যেন এখনও
নিষ্পাপ সেই সোমার চেহারাটি ভেসে ওঠে। কোন কিছুর
বিনিময়ে নয়, কোন আত্মীয়ের জন্য নয়, বিনা স্বার্থে
মেয়েটি তার জীবন দিয়ে তৌকিরের বড় বোনকে
বাঁচিয়ে দিয়ে গেল।
তৌকির পায়চারী করতে করতে সোমার রুমে এসে তার
রেখে যাওয়া জিনিসগুলো দেখতেছে। একটা ছোট্ট
পুতুলও ছিল সোমার। এখন আর কেউ পুতুলটিকে আদর
করেনা। তৌকির পুতুলটিকে কোলে নিয়ে সোমার পড়ার
টেবিলে বসল। কিছু ধূলো এসে জমা পড়েছে খাতা
বইগুলোতে। একটু পরিষ্কার করা দরকার। সেই ভেবে
পুরোনো কাপড় নিয়ে পরিষ্কার করতে লাগল তৌকির। এরই
মধ্যে কালো মলাটের একটি ডায়রী খোজে পেল
তৌকির। কৌতূহলবশত ডায়রীর প্রথম পৃষ্টা ওল্টাতে গিয়ে তৌকির
যেন আকাশ থেকে পড়ল। যেখানে লেখা ছিল,,,,,,
" তৌকির আমার সুখের স্বপ্ন
দুই চোখের পাতায়,
তৌকির আমার ভালবাসা
জীবনের প্রতিটি কবিতায়।"

তারাহুড়া করে তৌকির আরো পাতা উল্টাতে লাগল। প্রতিটি পাতায়
এমন চার লাইন আট লাইন করে তৌকিরকে নিয়ে ছন্দ লেখা।
সোমা তাকে নিয়ে কেন লিখবে ভেবে পাচ্ছেনা তৌকির।
পৃষ্টা ওল্টাতে গিয়ে শেষের দিকে দেখল পড় একটি
লেখা। তৌকির চোখ বড় বড় করে মনোযোগ দিয়ে
পড়তেছে.......

★ হয়তো ডায়রীতে আর লিখার সুযোগ পাবনা। এই
ডায়রীতে আজো পর্যন্ত নিজের কথা কিছুই লিখিনি। সবই
আমার তৌকিরকে নিয়ে লেখা। আগামী ২ রা এপ্রিল আমার
অপারেশন। শুধু আমার অপারেশন নয় আমার ভালবাসার মানুষ
তৌকিরের বড় বোনেরও অপারেশন। তৌকিরের বড়
বোনের দুইটি কিডনীই নষ্ট হয়ে গেছে, তাকে
বাঁচাতে একটি কিডনী খুব প্রয়োজন। ঐ দিন ছোট ভাই
শাকিল এসে বলছে তৌকির ভাই অনেক কান্না করতেছে,
ওনার বোনকে মনে হয় বাঁচাতে পারবেনা। হাসপাতালে
দেখতে গিয়েছিলাম, তৌকিরের বড় বোন আমার হাতটি ধরে
কেঁদে কেঁদে বলেছিল বলেছিল, তোরা আমার জন্য
দোয়া করিস, আমি আর বাঁচবনা, আমাকে বাঁচাতে পারবেনা।
কোথাও কিডনী নেই।
আমি ওনার কান্না দেখে কি মনে করে যেন কথা দিয়ে
ফেলেছি আপু আমি তোমাকে একটি কিডনী দিব। ওনি কথাটা
শোনা মাত্র শোয়া থেকে বসতে চাইল, চোখে জল
আর মুখে রাজ্য জয়ের হাসি। সত্যি বোন তুই আমাকে
কিডনী দিবি? আমি সত্যিই বাঁচব? আমি বলেছি হ্যাঁ আপু তুমি
অবশ্যই সুস্থ হবে।বিদায় নিয়ে আসার পথে তৌকিরের সাথে
দেখা হয়েছিল, আমার তাকিয়ে ছিল অনেকক্ষন, মনে হয়
আমাকে চিনতে পারেনি। মাঝে মাঝেই দেখা হত, তবে
মনে হয় মনে করতে পারেনা আমাকে।
কিন্তু আমি?

তৌকির মনেই করতে পারেনা, আমি ভুলতেই পারিনা। ষষ্ঠ
শ্রেনী থেকে একই স্কুলে পড়তাম। স্কুলের
বেশীরভাগ সময়টা কাটত তাকে দেখেই। এজন্য ক্লাসে
ঠিকমত মনোযোগ দিতে পারিনি। সবাই যখন এ+ এর চিন্তা করত,
আর আমি দোয়া করতাম টেনে টুনে যেন উপরের
ক্লাসে ওঠতে পারি, তাহলেই তৌকিরকে আবার দেখতে
পাব। আমি তৌকিরকে কতটা ভালবাসি তা কেবল আমিই জানি আর
দ্বিতীয় কেউ জানেনা। কোনদিন সাহস করে কথাও
বলতে পারিনি, এতটাই লাজুক আমি। কোন দিন তৌকিরকে
জানাতেও পারিনি আমি তাকে কতটা ভালবাসি।
কিভাবে জানাব, আয়নায় যখন নিজের চেহারটা দেখি তখন আর
সাহস হয়না ভালবাসার দাবী নিয়ে তৌকিরের সামনে যেতে।
দুজনেই কলেজে ভর্তি হলাম। তখনই হঠাৎ একদিন জানতে
পারলাম তৌকির আমার বান্ধবী সুরভীকে ভালবাসে। আমার
সামনে দিয়েই হাসতে হাসতে হেটে যাচ্ছে দুইজন। মাথাটা
খুব ঘুরতেছিল। চোখের মনে হয় অন্ধকার
দেখতেছিলাম। কোথায় তাকিয়ে হাটছিলাম মনে নেই,
তবে যখন জ্ঞান ফিরেছিল আমি হাসপাতালে। ট্রাক আমাকে
ধাক্কা মেরেছিল। অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলাম।
তবে আমার মেরুদন্ড ভেঙ্গে গিয়েছে। এখনো
পর্যন্ত আমার মেরুদন্ড ঠিক হয়নি।

মা খুব কান্না করছিল আমাকে জড়িয়ে ধরে, আমার মা জানত
আমি তৌকিরকে ভালবাসি। কিন্তু তৌকির আমাকে নয় ভালবাসে
আমার বান্ধবী সুরভীকে। মাকে কিছুতেই যখন রাজী
করতে পারছিলামনা তখন মায়ের পায়ে ধরে কান্না জুড়ে
দিয়েছি। মাগো তুমিতো জানো আমি তৌকিরকে কত ভালবাসি।
তৌকিরের বড় বোন কিডনীর অভাবে মরে যাবে, ও খুব
কান্না করতেছে মা। মা তুমিতো জানো আমার মেরুদন্ড
ভাঙ্গা, কোনদিন ভারী কোন কাজ করতে পারবনা। সেজন্য
আমাকে বিয়েও দেয়া যাবেনা, কেউতো আমাকে বিয়ে
করে বসিয়ে খাওয়াবেনা, তোমরা খাওয়াবে। আমি একটি
কিডনী নিয়ে বাঁচতে পারব, কিন্তু তৌকিরের বোন কিডনী
ছাড়া বাঁচবেনা।
মা আমার কান্না দেখে রাজী হয়ে বুকে জড়িয়ে
নিয়েছিল।
২ রা এপ্রিল কবে যে আসবে, কবে আমি আমার তৌকিরের
মুখে হাসি দেখব। ওকে হাসতে দেখলে আমার মন
জুড়িয়ে যায়। এটাকেই বুঝি ভালবাসা বলে, প্রিয়জনের
হাসিতে হাসতে ভাললাগে আর দুঃখে কেঁদে ওঠে হৃদয়।
আমার চেহারাটা আরেকটু সুন্দর হলেই তৌকিরকে বলতাম আমি
কত্ত ভালবাসি। এখন সেটাও সম্ভবনা, সুরভীকে আর
তৌকিরকে খুব ভাল মানিয়েছে, ওদের ঐ হাসিখুশিটা সারাটি
জীবন থাকুক। আমি শুধু আমার তৌকিরকে ভালবাসব আমার
ডায়রীর পাতায় আর রুমের দরজা জানালা বন্ধ করে হাত দুটি দুই
দিকে মেলে ধরে চিৎকার করে বলব তৌকির আমি
তোমাকে এত্তগুলা ভালবাসি। ★★★

তৌকির ডায়রীটা বুকে নিয়েই কাঁদতেছে, আর বলতেছে
হায়রে পাগলী, একটা দিন হায় হ্যালো ও বললিনা অথচ তোর
বুকের ভিতর আমার জন্য এত ভালবাসা জমিয়ে রেখেছিলি?
তোকে কে বলল আমি সুরভীকে ভালবাসি? ওতো শুধু
আমার বন্ধু। আর বন্ধুর সাথে হাসি ঠাট্টা করা যায়না? একটিবার তুই
আমাকে বলতি ভালবাসিস, একটিবার।
এখন আমি যখন জানলাম তুই আর পৃথিবীতেই নেই।
জীবনটাও দিয়ে গেলি আমারি জন্য, আমি নিজেকে ক্ষমা
করব কিভাবে বলতে পারিস? আমাকে ক্ষমা করিস সোমা,
আমি কেন তোর ঐ তাকিয়ে থাকার ভাষা বুঝতে পারিনি।
যেখানেই থাকিস, ভাল থাকিস.......

লেখনীর শেষ প্রান্তে,,,,,,
,,,,, ওমর ফারুক শ্রাবন

Photos 25/12/2015

:v আর কে আছেন এই রকম অবস্থা নিয়া? :3

Photos 25/12/2015

:v

Photos 13/12/2015

কার কার মোবাইল এ এই ক্ষমতা টি রয়েছে?? :v

Photos 11/12/2015

হ্যা/না উত্তর দিয়ে যান??? :v

27/11/2015

সিগারেট টানছিলাম, পাশে কেউগেঞ্জি ধরে টানলো। ঘুড়ে দেখলামএক ৭-৮ বছরের একটা মেয়ে।-ভাই ৫ টাকা দেন না।-৫ টাকায় কি হবে ?-ভাত খাবো।-৫ টাকায় ভাত হয় ??-অল্প করে খাবো।-(speechless !!) কত টাকা হলে বেশি করেখাওয়া হবে ?-৫০ টাকা। ভাত ১০ আর তরকারি ৪০।দিবেন ?-হুম দিতে পারবো।-এত টাকা দিবেন !! (চোখে মুখেবিস্ময়) তয় ভাত কিইনা দেওনলাগবোনা,একটা উপকার করেন।-কি উপকার ?-ঐ টাকার চাউল কিনে দেন। বাসায়নিয়ে যাবো। মা সহ খাবো।-বাসায় কে কে আছে আর তোমার ?-মা বুইন আর একটা ভাই। মা হাটবারপারেনা। বুবু কাজ করে। বড় ভাই চা এরদোকানে থাকে। আমি ভিক্ষা করি।- তোমার বাবা ?-ছাইড়া গেছে অনেক আগে, মনে নাই।-হুম। পড়াশোনা কর না ?-পড়লে ভিক্ষা করতাম কখন ? খাওনজুটবোনা।১ কেজি চাউল আর কিছু ডিম কিনেদিয়ে বিদায় নিলাম। ৪ জনেরসংসারে একদিন চলে যাবে।-খুব অদ্ভুত ভাবে বেড়ে উঠে ওরা। খুবঅল্প বয়সেই জীবনকে বুঝে নিতেশেখে।৭ বছরে যথসম্ভব আমি “কেজি/ওয়ান” এপড়তাম। এই বিকাল টাইম টাই Drawingকরতাম। অবসরে ওটাই শখ ছিল।নিশ্চিন্তে Drawing করতাম। খাওন জুটবেকই থেকে এই চিন্তা অন্তঃত ছিলনা।“পড়লে খাওয়োন জুটবো কই থেকে” এইধরণের প্রশ্নও মাথায় আসেনাই। এগুলোচন্তার জন্য বাবা-মাছিল।->> ৫ টাকায় আমি তো ছোটবেলায় কলমকিনেছি। আমার শিক্ষার উপকরণ। সে৫ টাকায় ভাত খুজে। তার বেচেথাকার উপকরণ। বর্তমানে আমাকেঅফিস থেকে কলম দেওয়া হয়, যার দাম১৯০ টাকা। আর যেই সিগারেট টাখাচ্ছিলাম তার দাম ১০ টাকা।-পথের ধুলোয় অদ্ভুত ভাবে বেড়ে উঠারমাঝেও তাদের মধ্যে বিবেকবোধতৈরীহয়েছে। ৫০ টাকা্য হোটেল থেকেভাত-তরকারি কিনে খাওয়ার থেকেবাসায় পঙ্গু মা আর ভাই বোন কে নিয়েখাওয়া বেশি তৃপ্তিজনক সেই বোধও এই৭-৮ বছরের অশিক্ষিত মেয়ের মাঝেতৈরী হয়েছে। # শিক্ষায়_শুধুমাত্র_বিবেক_বোধ_শেখায়নাএর বয়সে রোজ সকালে আমি ভাবতামআজ স্কুলে যেয়ে টিফিনে কি খেলব,কার পাশে বসবো, স্যারের কোনহোমওয়ার্ক আছে কিনা।আর এই মেয়েটা ভাবে রোজ সকালে“কোন রাস্তায় ভিক্ষা করলে বেশিটাকা পাবে” আর ৫০ টাকা আমাদেরএকদিন মোবাইলে খরচ যায় আর ওদেরসবাই মিলে এক বেলা খাওয়া হয়েযায়।-একই স্রষ্টার স্রিষ্টি আমরা দুইজনই।দুইজনই দুইজনের বাবা-মা এর সন্তান।স্রষ্টা চাইলে আমার আর স্থান টাওউল্টো হতে পারতো। আমরা ভুলে যাইসব। অনেক অহংকার আমাদের। গরীবদেরমানুষ ভাবিনা। কখনও তাদেরগায়ে হাত তুলি। কাছে আসলে রুমালনাকে দিই।আমাদের ভাব ভঙ্গি এমনযে আজ আমাদের যা ভালো পজিশন এরক্রেডিট আমাদের।অথচ স্রষ্টা চাইলে আজ সে চা খাইতোআর আমি গেঞ্জি টেনে ৫ টাকাচাইতাম অল্প করে ভাত খাওয়ার জন্য।ভালো রেখেছেন স্রষ্টা সত্যিইঅনেক।নিম্নবিত্ত এই মানুষ গুলোর জীবনবৈচিত্রের সাথে তুলনা না দেওয়াপর্যন্ত সত্যিই বুঝিনাআমি কতটা সুখে আছি, কতটা ভালআছি…………তাই কখোনো এই সব ছোট পথ শিশুদেরগায়ে হাত তুলবেন না, নাকে রুমালদিয়ে তাদের কে তাড়িয়ে দিবেননা, তাদেরই সমবয়সী আমাদের ও আছেভাই বোন, আজকে এই পথ শিশুর জায়গায়আপনার ছোট ভাই বা বোন থাকলেআপনি কি করতেন ?নাকে রুমাল দিয়ে তাড়িয়েদিতেন ??..

25/11/2015

"সরি পাগলী"

বাসার ড্রয়িং রুমের ডাইনিং টেবিলের উপরে বসে আছে অলিন। বসে
বসে গভীরভাবে কিছু একটা ভাবছে আর মাঝে মাঝে তার চোখ
থেকে অঝোরে জল বেরিয়ে যাচ্ছে। আবার মাঝে মাঝে আর
বেরুচ্ছে না। ঠিক বর্ষাকালে এই রোদ এই বৃষ্টির মতো।

একমাস আগে তো সে এরকম ছিলো না? তবে সে এরকম হয়ে
গেলো কেনো? নাকি পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে? কিছুটা আনমনে
ভাবছে অলিন।

একমাস আগে,

রাতে খুব ক্লান্ত শরীর নিয়ে অফিস থেকে ফিরলো অলিন। দরজাতে
টোক দিতেই পাচঁ মিনিট পর দরজা খুললো নীলিমা।
>কি হলো এতো দেরী হলো কেনো? (অলিন)
>আসতে আসতে দেরী তো হবেই আমি কি প্লেন নাকি? (নীলিমা)
>নীলিমা প্লিজ এখন ঝগড়া করবা না ভালো লাগছে না।
>ওওও আমি এখন ঝগড়া করি তাই নাহ?
>নীলিমা Stop! Too Much.
>হুম এখন তো আমি অতিরিক্তই করি। পুরোনো হয়ে গেছি
সেইজন্য।
>ওই তোমারে কইছি না মেজাজ খারাপ করবা না। ক্ষুদা লাগছে খাবার দাও।
>পারবো না বেড়ে খাও। (নীলিমা)
>আচ্ছা খেয়ে নিবো এখন সামনে থেকে যাও। Get Lost.

বিছানায় শুয়ে নিজে নিজে কাদঁছে নীলিমা। অলিন দিন দিন কিরকম
যেনো হয়ে যাচ্ছে। আগের মতো তাকে ভালবাসে না। বরং
বিরক্তিভাব প্রকাশ করে। আজ অলিনের আচরনে কষ্ট পেয়েছে।
Get Lost বলাতে খুব কষ্ট পেয়েছে।

ক্লান্ত অবস্থায় সোফায় বসে অলিন ভাবতে লাগলো নীলিমা দিন দিন
এমন হয়ে যাচ্ছে কেনো? ওর কথা বুঝতেই চায়। শুধু ভূল বুঝে।
মেয়েটাতো আগে এরকম ছিলো না এখন কেনো এরকম হয়ে
গেলো? ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত শরীরে একসময় ঘুমিয়ে পড়লো
অলিন।

রাতে ঠান্ডা পড়ায় নীলিমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো, পাশে দেখলো
অলিন নেই। রান্নাঘরে গিয়ে দেখলো অলিন ভাত খায় নি, ঢাকনা দিয়ে
রেখেছে। ডাইনিং রুমের সোফায় শুয়ে ঠান্ডায় থর থর করে কাপঁছে
অলিন। ঘুমের মধ্যে তাকে খুব নিষ্পাপ লাগে। এই নিষ্পাপ মুখটার জন্য
নীলিমা সবকিছু করতে রাজী আছে। কিন্তু অলিন তো তাকে এখন চায়
না। সে নীলিমার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে। হয়তো তাকে আর চায় না।
"ঠিক আছে অলিন আমি চলে যাবো আর আসবো না তোমায় বিরক্ত
করতে" ভাবতে ভাবতে ঢুকরে ঢুকরে কেদেঁ উঠলো নীলিমা। রুম
থেকে একটা কাথা এনে অলিনের গায়ে জড়িয়ে দিয়ে চলে
গেলো নীলিমা।

সকাল ঘুম থেকে উঠে নাস্তা তৈরী করে রেখে দিলো নীলিমা।
আজ থেকে সে আর বিরক্ত করবে না অলিনকে। আজ অনেকক্ষন
ধরে যত্ন করে অলিনের জন্য পিঠা বানিয়েছে সে। ছেলেটা পিঠা
খেতে ভালবাসে। হয়তো আজ থেকে নীলিমাকে আর পিঠা তৈরী
করতে হবে না। রেডী হয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে
পড়লো নীলিমা।
আসার সময় অলিনের নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে এক গাল হেসে
বেড়িয়ে পড়লো এখানে আর থাকা যাবে না নয়তো মায়ায় পড়ে যাবে
নীলিমা।

ঘুম থেকে উঠে অলিন দেখলো দরজা খোলা বাসায় নীলিমা নেই।
টেবিলে দেখতে পেলো তার জন্য নাস্তা তৈরী করা। তার পাশে
একটা চিঠি,

~আমি তোমার জনূয বোঝা হয়ে থাকতে চাইনি। জানি না তুমি আমার প্রতি
বিরক্তি কেনো? তবে আমি চাই তুমি সব সময় ভাল থাকো। তাই নিজে
থেকেই চলে আসলাম।
-ইতি তোমার নীলিমা (হয়তো আজ থেকে নেই)

চিঠিটা পড়ে প্রায় পাগলের মতো হয়ে গেলো অলিন। রাস্তায় রাস্তায়
দৌড়াতে থাকলো সে আর নীলিমা বলে চিৎকার করতে লাগলো সে।
অঝোরে কাদঁতে লাগলো সে। মেয়েটাতো তার কাছে কিছু চায় নি।
শুধু চেয়েছিলো একটু সময়। সেটাও দিতে পারলাম না বরং তার সাথে
কঠোর আচরন করলাম। একসময় রাস্তায় বসে পড়লো অলিন আর
প্রচন্ড চিৎকারে কিদঁতে থাকলো সে। রাস্তার মানুষজন তারদিকে
তাকিয়ে আছে অথচ সে দিকে তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।

বাসা থেকে আসার পর একটু ও ভাল লাগছে না নীলিমার। বারবৃর অলিনের
নিষ্পাপ ঘুমন্ত মুখটা বারবার চোখে ভাসছে। হঠাৎ নীলিমার মনে হলো
সে ছাড়া তো নীলিমার আপন কেউ নেই।
মুহূর্তেই নীলিমা কেদেঁ উঠলো। রওনা দিলো বাসার দিকে কেননা
তার পরিচয় বাবার বাড়ি নয়, স্বামীর বাড়ি।

বাসায় ফেরার পথে রাস্তায় একটা টুলে বসে থাকা ছেলের দিকে লক্ষ্য
করলো নীলিমা। ছেলেটা কাদঁছে। ছেলেটা আর কেউ নয় স্বয়ং
অলিন। তাড়াতাড়ি সি.এন.জি থেকে নেমে এক দৌড়ে চলে গেলো
অলিনের কাছে। কিছুটা অবাক হলো অলিন। মূহূর্তেই নীলিমা তাকে
জড়িয়ে ধরলো। সরি অলিন আমি খুবি সরি। প্লিজ আমায় ক্ষমা করে দাও।
-সরি পাগলী (ছোট্ট স্বরে একবার বললো অলিন)

[ কোনো সম্পর্ক এর মাঝে কখনো কখনো সমস্যা থাকেই সেজন্য
ছেড়ে যাওয়া উচিৎ নয়, দুজন দুজনকে বুঝা উচিৎ ]

>>অলিন মজুমদার

22/11/2015

>_<

:3



:3
ami ki page chalaii etaaa!!!!
matro 31tah :3
onekk gulaaa miss kortechii amar ager + like er page ta k :'( :(

18/11/2015

আজকের ফেইসবুক টারে কবরস্থান মনে হচ্ছে :'( :'( [[f9.cry]]
জীবিত রা সাড়া :D :p 3:) [[f9.giggle]]
দিনআড্ডা হবে. (y) [[f9.laugh]]

Photos 09/11/2015

এক জমিদার বাড়িতে চুরি হয়েছে ।
জমিদার গেছে থানায় জি.ডি করতে ।
পুলিশঃ কিভাবে বাড়িতে চুরি হল ?
জমিদারঃ Cuting the বাঁশের বেড়া ঢুকিং the চোর
taking the আসবাবপত্র ভাগিং the door.
পুলিশঃ What is the বাঁশের বেড়া ?
জমিদারঃ Some bamboo খাঁড়া খাঁড়া other bamboo
পাতাল পাড়া ,তার উপর পেরেক মারা that is called
বাঁশের বেড়া ।
পুলিশঃ অজ্ঞান !! :v :p

Photos 09/11/2015

একচোর একবার এক বাড়িতে ঢুকল,সবাই ঘুমাচ্ছিল শুধু
বাড়ির বল্টু জেগে ছিল.
চোর চুরি করে যাওয়ার সময়
বল্টু বলল"অই মিয়া আমার স্কুল ব্যাগ
নিয়া যাও,নইলে সবাইরে জাগায়া দিমু"

07/11/2015

Inbox ..
N share Your Ideas :p

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Mirpur
Dhaka
1200