07/01/2023
একটি শীতের সকাল
০৭.০১.২০২৩....
Join Bangladesh University Chatro League
07/01/2023
একটি শীতের সকাল
০৭.০১.২০২৩....
11/07/2020
আমার প্রিয় বন্ধু দীর্ঘদিনের রাজপথের সহযোদ্ধা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি শাখার সাবেক সভাপতি শাহিনুর আলমের
বাবা,আমাদের শ্রদ্ধেয় চাচা ইন্তেকাল করিয়াছেন(ইন্না লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
মহান আল্লাহ পাক চাচা কে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন আমিন।।
03/11/2016
জাতীয় ৪ নেতার সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি
সৈয়দ নজরুল ইসলাম(১৯২৫-১৯৭৫)
- ১৯২৫ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার যমোদল দামপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৭ সালে এমএ এবং ১৯৫৩ সালে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৭ সালে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৬৪ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন ।
- ১৯৬৬-৬৯ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গ্রেফতারের পর সৈয়দ নজরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদে শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় সৈয়দ নজরুল ইসলামকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
সংগ্রহঃ uttarannews.net
21/07/2016
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সম্মিলিত বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা একটি সাংগঠনিক জেলা ইউনিট এর মর্যাদাপ্রাপ্ত।সুতরাং, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর গঠনতন্ত্র অনুসারে এর তদারকি করার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এর।সকল সম্মিলিত বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর কমিটি প্রদানের ক্ষমতা একমাত্র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ এর পরামর্শক্রমে সম্মিলিত বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি তানভীর রাহমান জয় এবং বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক সরকার রেফাত সঞ্জয় ভাই ছাড়া কেউ কমিটি দেয়ার ক্ষমতা রাখে না।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর কমিটি গঠন হয় ১৪/১২/২০১৪ ইং সালে,,,,,,,,, যা এখনো চলোমান রয়েছে,,,,,,,,,, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর কমিটি দিতে হলে অবশ্যই চলমান কমিটি বিলুপ্ত করে তারপর নতুন কমিটি করতে হবে,,,,,এই কারনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় এর সকল এর কাছে অনুরোধ,,,,,,,,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর কমিটি নিয়ে সবাই অযথা বিচলিত হবেন না,,,,,,,,,,,,,, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর কমিটি দেয়ার ইখতিয়ার শুধু মাত্র সম্মিলিত বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ নাজমুল আহসান (রাজিব)
সহ-সম্পাদক,
ঢাকা মহানগর (উত্তর) ছাত্রলীগ
যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আ'লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে অনেক অনেক অভিনন্দন ও মুজিবীয় শুভেচ্ছা ।
ঢাকা মহানগর উত্তর :
সভাপতি : এ কে এম রহমতউল্লাহ
সাধারন সম্পাদক : সাদেক খান
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ :
সভাপতি : আবুল হাসনাত
সাধারন সম্পাদক : শাহে আলম মুরাদ
06/04/2016
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা একটি সাংগঠনিক জেলা ইউনিট এর মর্যাদাপ্রাপ্ত।সুতরাং, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর গঠনতন্ত্র অনুসারে এর তদারকি করার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এর।সকল বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর কমিটি প্রদানের ক্ষমতা একমাত্র কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ এর পরামর্শক্রমে বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি তানভীর রাহমান জয় এবং বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক সরকার রেফাত সঞ্জয় ভাই ছাড়া কেউ কমিটি দেয়ার ক্ষমতা রাখে না।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ নাজমুল আহসান (রাজিব)
সদস্য,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
25/02/2016
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব''''''''''''''''''''' সাইফুর রাহমান সোহাগ ভাই্ এর একান্ত আস্থাভাজন আনন্দ সাহা পার্থ কে দেয়ায় সাইফুর রাহমান সোহাগ ভাই কে অসংখ্য ধন্যবাদ........................আপনার হাত ধরে এ
গিয়ে যাক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে মুজিবীও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ নাজমুল আহসান (রাজিব)
সদস্য,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বে- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
08/02/2016
ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক কে জানাই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে মুজিবিয় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ নাজমুল আহসান (রাজিব)
সদস্য,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বে- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
16/01/2016
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলা এবং বাঙ্গালীর ছয় দশকের সংগ্রাম স্বপ্ন এবং সাহসের সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশের ইতিহাস আর ঐতিহ্যের গর্বিত অংশীদার এই ছাত্র সংগঠনটি। জাতির ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে ছাত্রলীগের প্রত্যক্ষ ভূমিকা। বাঙ্গালী জাতি হিসেবে জন্ম গ্রহণের আতুর ঘর থেকে শুরু করে আজ অবধি স্বাধীনতা, সংগ্রাম আর শিক্ষার নিশ্চয়তার ছাত্রসমাজের তথা দেশবাসীর জন্য অতন্দ্র প্রহরী ছাত্রলীগ।
ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের সময় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র। তিনি ছিলেন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ বিভাজনের পর বাঙ্গালীরা নতুন ভাবে শোষণের যাঁতাকলে পড়ে। যাকে শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন ”এক শকুনির হাত থেকে অন্য শকুনির হাত বদল মাত্র ”। তাই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের সরকার প্রথমে আঘাত হানে আমাদের মায়ের ভাষা বাংলার উপর। শেখ মুজিব তখনই অনুভব করলেন শোষণের কালো দাঁত ভাঙ্গার একমাত্র হাতিয়ার ছাত্র সমাজ। তাই তৎকালীন পাকিস্তান সরকার কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া উর্দু ভাষার বিরুদ্ধে ইস্পাত কঠিন প্রতিরোধ তৈরির জন্য ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি তৎকালীন প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা সম্পন্ন ছাত্র নেতা বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন ‘পাকিস্তান ছাত্রলীগ’।বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগের যাত্রা শুরু। প্রথমে এর নাম ছিল ‘পাকিস্তান ছাত্রলীগ’। সংগঠনটির প্রথম আহবায়ক ছিলেন নাঈমউদ্দিন আহমেদ। ছাত্রলীগ সাংগঠনিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করলে এর সভাপতি মনোনীত হন দবিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন খালেক নেওয়াজ খান। ৬৮ বছর পর আজ এই বৃহৎ,ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনটির তিন তারকা খচিত শিৰা সন্ন্যাসী ও প্রগতির গৌরবের পতাকা সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের হাতে।
ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার এক বছর পর ১৯৪৯ সালে এই ছাত্র সংগঠনটির হাত ধরেই তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগে’র। যা পরে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করে এ দেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের শাসন শোষণ আর বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। জন্মের পর থেকে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন পর্যায়ে জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জাতীয় রাজনীতিতেও নেতৃত্ব দিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতা কর্মী যুদ্ধের ময়দানে জীবন উৎসর্গ করেছেন। রণাঙ্গনে শহীদ হয়েছেন ছাত্রলীগের ১৭ হাজার সাহসী বীর সৈনিক। বর্তমান জাতীয় রাজনীতির অনেক শীর্ষ নেতার রাজনীতিতে হাতেখড়িও ছাত্রলীগ থেকেই। ১৯৪৮ সালেই মাতৃভাষার পক্ষে ছাত্রলীগ আপোষহীন অবস্থান তৈরি করে। ১১ মার্চ ছাত্রলীগ উর্দুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট পালন করে।ওই ধর্মঘটের পিকেটিং থেকেই গ্রেফতার হন রাজনীতির মাঠের জ্বলজ্বল করে থাকা তারকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র, বাঙ্গালীর রাজনীতির রাখাল রাজা,ছাত্রনেতা শেখ মুজিব ও তার সহযোগীরা। ছাত্রলীগই প্রথম বাংলাভাষার জন্য ১০ দফা দাবিনামা পেশ করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ ও আন্দোলন জোরালো করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয় নিশান উড়ানোর নেপথ্যের কারিগরও ছিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ১৯৫৬ সালের বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়,৫৭’র শিক্ষক ধর্মঘট এবং ৬২’র শিক্ষা আন্দোলনের পালে সমীরণ প্রবাহ করে ছাত্রলীগ। ১৯৬৬ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রচলন হয় বাংলা স্পতস্নেহের । বাঙ্গালীর মুক্তির ছয় দফা হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ আন্দোলনে রাজপথের প্রথম সারিতে অবস্থান ছিল ছাত্রলীগের। এসময় নিজেদের ১১ দফার মাধ্যমে ছাত্রসমাজের রক্তে প্রবাহ সঞ্চার করে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নেতৃত্বেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ছাত্র-গণ আন্দোলন থেকে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। গণজাগরণের ৭০’র নির্বাচনে মুক্তির সনদ ছয় দফাকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এক দফার গণভোটে রূপ দেয়। এরপর ৭১’র ত্রিশ লাখ মুক্তিযোদ্ধার আত্মত্যাগ আর দুই লাখ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলার আকাশে যে রক্ত স্নাত লাল সূর্যোদয় হয় তাতে পরিসংখ্যানের হিসেবে বিশ্বের বৃহৎ. ও সংগ্রামী সংগঠন ছাত্রলীগের আত্মত্যাগী নেতাকর্মীদের সংখ্যা ছিল ১৭০০০ (সতের হাজার)।
১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ কাল-পূর্বে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ গঠনের সংগ্রাম ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। ১৯৭৫ সারে জাতির পিতা ও তার পরিবারে সদস্যদের নির্মম ভাবে হত্যার পর বাঙ্গালীর জাতির ভাগ্যকালে আবার কালো গ্রাস করে নেয়। শৈরশাসক মেজর জিয়া ও তৎপরবর্তী রাজনীতির মাঠে সামরিক চাষবাসের তিক্ত ফসল বাঙ্গালীদের অতিষ্ঠ করে তোলে। যা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে রাজপথে রক্ত দিতে হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। সামরিক শাসনের মধ্যেও ১৯৮৩ সালে শিক্ষা আন্দোলন ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দশ দফা তৈরিতে নেতৃত্ব দেয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। শিক্ষার অধিকার প্রসারে শামসুল হক ও অধ্যাপক কবির চৌধুরীর কমিশনে রিপোর্ট তৈরিতে ছাত্রসমাজের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ।
এরপর একটি সফল গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচনে দীর্ঘ একুশ বছর পর সরকার গঠন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছাত্রলীগ মহিয়সী নেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক নির্দেশ প্রতিপালন করেছে। ১৯৯৮ সালের বন্যা মোকাবেলায় কিছু অদূরদর্শী ব্যক্তির দুর্ভিক্ষের আশংকাকে ভুল প্রমাণ করেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিন শিফটে রুটি তৈরি করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। তৈরি করেছে দুর্যোগপূর্ণ এলাকার মানুষের জন্য খাবার স্যালাইন। দুঃসময়ে দুর্গত এলাকায় রুটি ও স্যালাইন বিতরণ করে মানুষের জীবন রক্ষা করেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। যার মাধ্যমে হতাশা ও প্রজ্ঞা-হীন ব্যক্তিদের আশংকার জবাব দিয়েছে ছাত্রলীগ। ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদী আন্দোলনে ছাত্রলীগ ছিল আপোষহীন। নিরক্ষরতা মুক্ত,পোলিও মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বিশ্বের উন্নয়ন কমাতে প্রতিটি জেলায় জেলায় কাজ করেছে ছাত্রলীগ। ২০০১ লর নির্বাচন পরবর্তী বিএনপি জামায়াত জোটের সহিংসতা এবং দেশব্যাপী সাংগঠনিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ প্রতিরোধ রচনা করেছে। পাক আত্মনির্ভর বিএনপি জামায় জোটের হাতে এদেশের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধেও জোড়ালো প্রতিবাদ করেছে ছাত্রলীগ। ২০০১ সালের পর বিএনপি জামায়াত জোটের প্রত্যক্ষ মদদে সর্বনিম্ন এই ভূখণ্ডে জঙ্গিবাদের উত্থান হলে ছাত্রলীগ তার বিরুদ্ধে রাজপথে কঠোর প্রতিবাদ রচনা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় অধ্যাপক ড.হুমায়ুন আজাদের উপর মৌলবাদী হামলার প্রতিবাদেও রাজপথে ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরপর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাষ্ট্রীয় মদদে স্মরণ কালের সবচেয়ে পৈশাচিক গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে বাংলার মানুষের চির আস্থার ঠিকানা আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জীবন নাশের হামালা জোড়ালো প্রতিবাদ জানায় ছাত্রলীগ। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আমাদের প্রিয় নেত্রী বাংলার দু:খি মানুষের একমাত্র আস্থার ঠিকানা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে সামরিক কায়দায় আটকের পর সামরিক বাহিনীর রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজপথে প্রথম প্রতিবাদ রচনা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বিতর্কিত সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে গ্রেফতার হয়ে উনিশ মাস কারাবরণ করেন ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সহ অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা । তবুও প্রাণাধিক প্রিয় নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন থেকে ছাত্রলীগকে পশ্চাতে হঠাতে পারেনি শাসক শ্রেণী। সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রধর্মঘট পালন করে ছাত্রলীগ প্রিয় নেত্রীর মুক্তির অদম্য আন্দোলন রচনা করে। এরপর ২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিজয় নিশ্চিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি মুজিব সৈনিক। এরপর পর বাংলাদেশের সরকার গঠন করে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। দেশে জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে শুরু হয় দিন বদলের সরকারের পথ চলা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক সভানেত্রীর পদ থেকে হারাতে হয় আমাদের প্রিয় নেত্রীকে। এরপর ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই গণতন্ত্রের মানসকন্যা গণতন্ত্র-প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য মেধাবী ও প্রজ্ঞাও দূরদর্শিতা সম্পন্ন ছাত্রনেতাদের হাতে ছাত্ররাজনীতি তুলে দিতে ছাত্রলীগের নেতা নির্বাচন করা হয় প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে। সারা দেশের ১০১টি সাংগঠনিক জেলার কাউন্সিলররা তাদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মোঃ সাইফুর রহমান সোহাগ ও এস এম জাকির হোসাইন কে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করেন।
২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে একাত্তরের পরাজিত শক্তি, সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী-জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর হাতে দেশ জিম্মি থাকার প্রেক্ষাপটে ২০০৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করেছিল সাতটি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ),বাংলাদেশ ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় ছাত্র ঐক্য, বাংলাদেশ ছাত্র সমিতি ও জাতীয় ছাত্র ফোরাম সমন্বয়ে গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। বর্তমানে এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে এই ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রাজপথে আন্দোলনে করে যাচ্ছে সম্মিলিত ভাবে যার নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
গাজী ফয়সাল ইসলাম
আইন বিষয়ক সম্পাদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
বে-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা,
সাধারন সম্পাদক
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
03/01/2016
এসো নবীন দলে দলে, ছাত্রলীগ এর পতাকা তলে.......................... গুণীজনরা বলে সময়ের সাহসী ছেলেরা ছাত্রলীগ করে ।
"শিক্ষার মশাল জ্বেলে
শান্তির পতাকা উড়িয়ে
জয় বাংলার শ্লোগানে
আমরা এগিয়ে যাব প্রগতির পথে"
-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হতে যাচ্ছে।। এই উপলক্ষে মোহাম্মাদপুর এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় এর আসে পাশে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এর পোস্টার লাগানোর সময় আমরা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর নেতা কর্মীরা....................................।।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ নাজমুল আহসান (রাজিব)
সদস্য,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বে- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
02/01/2016
"শিক্ষার মশাল জ্বেলে
শান্তির পতাকা উড়িয়ে
জয় বাংলার শ্লোগানে
আমরা এগিয়ে যাব প্রগতির পথে"
-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আগামী ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৬৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হতে যাচ্ছে।।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
ধন্যবাদান্তেঃ
মোঃ নাজমুল আহসান (রাজিব)
সদস্য,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বে- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক,
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।