নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ
নিউমার্কেট থানা আওয়ামীলীগ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ঢাকা মহানগর অংশ।
The oldest and largest political party of Bangladesh, Awami League began its journey as a mighty political expression of the thitherto suppressed hopes and aspirations of the people living on the Padma- Meghna- Jamuna delta. It is the party that steered the nation through post-partition quagmires, voiced the demands and aspirations of the people of this delta and finally led the Liberation War aga
27/09/2017
২৮ সেপ্টেম্বার জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ এর পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন আমাদের নেত্রীকে দীর্ঘায়ু প্রদান করুন, সকল ষড়যন্ত্র শক্ত হাতে মোকাবেলার তৌফিক দান করুন। আমিন।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ এর পূর্নাংগ কমিটি
১। সভাপতিঃ জনাব জসিমউদ্দিন আহমেদ
২। সহ-সভাপতিঃ মোঃ মোখলেসুর রহমান
৩। সহ-সভাপতিঃ মোঃ বদিউজ্জামান বাবুল
৪। সহ-সভাপতিঃ জনাব আ স ম ফেরদৌস আলম
৫। সহ-সভাপতিঃ মোঃ এনায়েত করিম
৬। সহ-সভাপতিঃ আব্দুল ওয়াদুদ
৭। সহ-সভাপতিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম চিশতী
৮। সহ-সভাপতিঃ মোঃ আমির হোসেন
৯। সাধারন সম্পাদকঃ জনাব মোঃ হানিফ
১০। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ মোঃ হেমায়েত হোসেন চুন্নু
১১। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ শেখ মোঃ দুলাল
১২। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ মোঃ শাহাব উদ্দিন
১৩। সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মোঃ জুলহাস উদ্দিন
১৪। সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মোঃ এনামুল হক রিপন
১৫। সাংগঠনিক সম্পাদকঃ মোঃ ইব্রাহিম
১৬। আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ মিজানুর মোল্লা
১৭। কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম পাঠান
১৮। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকঃ মোজাম্মেল হক স্বপন
১৯। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ জুলফিকার মজুমদার দুলু
২০। দপ্তর সম্পাদকঃ মোঃ হাবিবুর রহমান
২১। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ ক্বারী মোঃ আবু তাহের
২২। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ মোঃ একরামুল হক রিজভী
২৩। বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ জহিরউদ্দিন ভূঁইয়া
২৪। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকঃ এ.কে.এম. শামসুজ্জামান
২৫। মহিলা বিষয়ক সম্পাদকঃ বেগম কল্পনা আক্তার ফয়েজ
২৬। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদকঃ সোলাইমান আক্তার মনু
২৭। যুব ও ক্রীড়া সম্পাদকঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান
২৮। শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন পলাশ
২৯। শ্রম বিষয়ক সম্পাদকঃ আব্দুল মালেক
৩০। সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ জি.এম. রেজা ফারুক
৩১। স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকঃ ডাঃ হেদায়েত হোসেন খান
৩২। সহ-দপ্তর সম্পাদকঃ মোঃ শামিম চৌধরী কামাল
৩৩। সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ শেখ কামরুল হাসান
৩৪। কোষাধ্যক্ষঃ মোঃ আব্দুল হাই আনা
সদস্যবৃন্দঃ
৩৫। ইসমত কাদির গামা
৩৬। শাহে আলম মুরাদ
৩৭। মোঃ ফজলে রফিক
৩৮। বাবুল সরকার
৩৯। গোলাম মোঃ জাকারিয়া
৪০। তৌফিক এহসান
৪১। শাহেদ মান্নান
৪২। মোস্তাইন বিল্লাল মুকিম
৪৩। মোঃ আব্দুল মান্নাফ
৪৪। মোঃ মকবুল হোসেন খান
৪৫। গোলাম মাহবুব মিলু
৪৬। আব্দুস সামাদ
৪৭। মোঃ আবুল বাশার
৪৮। মোঃ আলাউদ্দিন সাগর
৪৯। গোলাম মোস্তফা
৫০। মোঃ হারুন উর রশিদ
৫১। মোঃ আফসার উদ্দিন নান্না
৫২। মোখলেসুর রহমান খান
৫৩। মোঃ ইব্রাহিম আশিক
৫৪। মোঃ বাবুল মোল্লা
৫৫। মোঃ সিদ্দিকুর রহমান
৫৬। মোঃ আব্দুল বারেক
৫৭। মোঃ ইউনুস মিয়া
৫৮। মোঃ শামিম আশরাফ
৫৯। মোঃ মকবুল
৬০। মোঃ ইশতিয়াক আহমেদ আরজু
৬১। মোঃ আমিনুল হক
৬২। এ.কে.এস.এস. তোফাজ্জল হক
৬৩। এ.বি.এম. মফিহুর রহমান
৬৪। গাজী বাবুল হোসেন
৬৫। মোঃ সামাদ শাহ
৬৬। এম.এ. ইসলাম নুরু
৬৭। মোঃ দেলোয়ার হোসেন
27/04/2017
"মনে রাখবেন, জনগণের পয়সায় আমাদের-আপনাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। আমরা সকলেই জনগণের সেবক। সেই জনগণ যেন কোনভাবেই নিগৃহীত না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।"
- র্যাব ফোর্সেস’র ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
শেখ জামালের জন্মদিন
আগামী ২৮ এপ্রিল ২০১৭ শুক্রবার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মেঝ ছেলে মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের ৬৪তম জন্মদিন। এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন উপলক্ষে সকাল ৭টা ৩০মিনিটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বনানীস্থ শেখ জামালের কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও তাঁর পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
চিনা মাত্র ফোন করুন।
10/01/2016
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ২৮ মার্চ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম ত্রিবার্ষিক জাতীয় কাউন্সিল আগামী ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সম্মেলনের এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সভা শেষে সাংবাদিকদের এই কথা জানিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ১৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়েছিল ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর। ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ওই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়।
শেষ সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সেই সময় দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আসন্ন জাতীয় সম্মেলনে সভাপতির পদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার থাকাটা এক প্রকার নিশ্চিত হলেও সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
09/01/2016
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২।
09/01/2016
আগামীকাল ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পলাশির প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতা অস্তমিত যাওয়ার দীর্ঘ ১৯০ বছর পর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত দুটি রাষ্ট্র নতুনভাবে পথচলা শুরু করে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান নামে বাংলাদেশের পথচলা প্রথম থেকেই বাংলার জনগণ মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। যার ফলে ১৯৫২ সালের মায়ের ভাষা রক্ষা করার জন্য প্রাণ দিয়েছে বাঙালিরা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নিদের্শনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ মায়ের ভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। সালাম, বরকত, রফিকের জীবনের বিনিময়ে আমরা ফিরে পাই রাষ্ট্রভাষা বাংলা। এর পরবর্তীতে’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮-এর আইয়ুব খানের মার্শাল’ল বিরোধী আন্দোলন’৬২-এর কুখ্যাত হামুদুর রহমানের শিক্ষানীতি বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সারা বাংলার জনগণকে পাকিস্তানীদের শোষণ-নির্যাতন-নিপীড়ন-এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মনস্থির করতে সাহস যুগিয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই কারণে তিনি ঐতিহাসিক ছয় দফা বাংলার জনগণের কাছে পৌঁছে দেন। ছয় দফার প্রতিটি দফায় তিনি বাঙালিদের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য উদ্ধুদ্ধ করেন। সেই ছয় দফা গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় এমনভাবে তিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন যে বাংলার জনগণ এটাকে মুক্তির সনদ হিসেবে হৃদয়ে ধারণ করেছিল। ’৬৯-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ রাজবন্দিদের মুক্ত করা, সর্বোপরি ’৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার ফলেই বাঙালিরা বাংলার স্বাধীনতার চূড়ান্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দেখতে শুরু করেছিলেন। ’৭০-এর নির্বাচনের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে পাকিস্তানীরা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব প্রদান করতে যখনই গড়িমসি শুরু করলো, তখনই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৭ মার্চে দিক-নির্দেশনামূলক, কর্মপরিকল্পনার সমন্বয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে পাকিস্তানীদের প্রতিহত করার লক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে লাখো জনতার সামনে যে বক্তব্য তিনি দিয়েছিলেন, বাংলার জনগণ স্বাধীনতা সংগ্রামের শ্রেষ্ঠ নির্দেশনা হিসেবে তা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে”। বাংলার জনগণ ঠিকই তা করেছিলেন। জাতির পিতার নির্দেশ পালন করেছিলেন। ’৭১-এর ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে হঠাৎ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র, ঘুমন্ত বাঙালির উপর অতর্কিত হামলা চালায়। চালানো হয় মুহূমুহু গুলি। হাজারো মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয় পবিত্র বাংলার মাটি। জাতির পিতাকে ঐ রাতেই গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগারে। গ্রেফতারের পূর্বেই তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য বাংলার জনগণকে আহবান জানিয়ে একটি বার্তা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কাছে পাঠান-যা চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হান্নানের চট্টগ্রাম বেতারের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে পাঠ করে দেশবাসীকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। জাতির পিতার অবর্তমানে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনাসহ দেশের সার্বিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। জাতির পিতার অবর্তমানে জাতীয় চারনেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানসহ আওয়ামী লীগের সকল নেতবৃন্দ বাংলাদেশে বিভিন্ন এলাকাকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সামরিক বেসামরিক ব্যক্তিবর্গকে দায়িত্ব প্রদান করেন। বীর বাঙালিরা ত্রিশ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়ে এবং বীরঙ্গণাদের মধ্যে দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। পাকিস্তানের কারাগারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে অসংখ্যবার হত্যার উদ্দেশ্যে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি শুধু বলেছিলেন, ‘‘আমাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করলে আপত্তি নেই, কিন্তু তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ আমার মরদেহটা আমার বাংলার মানুষের কাছে পাঠিয়ে দিও”। ইস্পাত কঠিন মনোবল ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তানীরা জাতির পিতাকে হত্যা করতে সাহস পায়নি। বাংলার দামাল ছেলেরা যুদ্ধ করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে বাংলার স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার পর ১৯৭২ সালের এইদিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন। সেই থেকে সারা বাংলার জনগণ দিবসটিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। সারা বাংলার জনগণের সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস
১০ জানুয়ারি ২০১৬ রবিবার
সকাল ৬.৩০ মিনিট:দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন।
সকাল ৭:০০ টায়:বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন।
১১ জানুয়ারি ২০১৬ সোমবার
দুপুর ২:৩০ মি.: জনসভা। স্থান: ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
সভাপতিত্ব করবেন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখবেন : জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীগণ।
এছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা পর্যায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের উদ্যোগে পালিত হবে।
সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি’র আহ্বান
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি সংগঠনের সকল শাখাকে আগামীকাল ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে জনসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থকসহ সকল শ্রেণী-পেশা এবং সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা
তারিখ: ৯ জানুয়ারি ২০১৬
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
07/01/2016
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জনসভা ১১ জানুয়ারি।
আসুন সবাই দলে দলে যোগ দিয়ে জনসভা সফল করি।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
05/01/2016
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Website
Address
Newmarket
Dhaka
1205
