HelloDoridro.com

HelloDoridro.com

Share

This is Official Fan Page™
Visit to Listen Now- https://www.facebook.com/hellodoridro.com
Like thi

13/05/2021

ঈদ মুবারাক🌙

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

30/10/2020
ঘরে না কবরে থাকবেন সিদ্ধান্ত আপনার: বেনজীর আহমেদ 13/04/2020

ঘরে না কবরে থাকবেন সিদ্ধান্ত আপনার।

ঘরে না কবরে থাকবেন সিদ্ধান্ত আপনার: বেনজীর আহমেদ পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে বারবার শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা ব.....

07/03/2020

তখন ১ টাকায় ৪টা চকলেট পাওয়া যেতো। হসপিটালে গেলে ফ্রি ফ্রি চুলকানির ওষুধ পাওয়া যেত। ব্রিজের উপর থেকে ঝাপ দিলে ঘন্টা দুয়েক পর নাকের নিচে কাদার গোফ পাওয়া যেত। কিন্তু হাজার খুঁজলেও এখনকার মত পকেট ভর্তি ইয়াবা আর ফোন ভর্তি পর্ণ পাওয়া যেত না। ও হ্যা, আমরা মাছ ধরতাম। ঠ্যালা জাল চেনো? তিনকোণা নীল রঙা জাল। তখন পুটি মাছ পেয়ে যেন ইলিশের আনন্দ নিতাম। সন্ধ্যে হওয়ার আগেই বাসাই ফিরতে হত রোজ হারিকেন টা মুছে তৈল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার দ্বায়িত্ব টা আমার উপর ছিল,একসাথে চাটায়ে বসে পড়তে বসতাম ভাই বোন মিলে। আর সন্ধ্যায় যখন আশেপাশে কেউ থাকতো না, তখন বইয়ের ভেতরের ময়ূর বের করে মাপতাম। এরপর তাকে চকের গুঁড়ো খেতে দিয়ে আবার যথাস্থানে রেখে দিতাম। আমরা ভাবতাম ময়ূর বড় হয়। যার কাছে যত ময়ূর তাকে ততো সমীহ করে চলতাম যদি সে দয়া করে একটা ময়ূরের বাচ্চা দেয়! এভাবেই আমাদের গল্পে ময়ূর আর চকের গুঁড়ো মিশে আছে যার গন্ধ আমরা এখনো পাই প্রতিটা বইয়ের পাতায়। তোমরা যখন চিনি দেখলে কোকেন বলে মনে কর, আমরা ৯০ এর দশকের ছেলেরা প্রথমে তাকে চকের গুঁড়ো ভাবি। এটাই আমাদের সরলতা। রাত পেরিয়ে সকাল হলে দল বেধে যেতাম মক্তবে, কোরআন শিক্ষা টা যথাযথ ভাবে নিতে। দিন হলে বা দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা হলে আমরা পলিথিন জোগাড় করতাম। আগুন জ্বালাবার জন্য। মা বলতো উলের সোয়েটারে নাকি আগুন লাগে তাই সোয়েটার খুলে আমরা আগুনের কাছে যেতাম। আগুনের ভেতর থেকে হাত পা ঘুরিয়ে আনা আর সুচ দিয়ে আঙুল এর চামড়া ফুটো করে গেথে রাখা ছিল তৎকালীন সময়ে স্মার্টনেসের সর্বোচ্চ নিদর্শন। আগুন জ্বালালে তাতে নষ্ট কলম পোড়ানো ছিল ট্রেন্ড। এই জেনারেশন কখনওই জানবে না পলিথিন আর কলম পোড়ার গন্ধ, কিভাবে চামড়ায় সুচ আটকে রাখা যায় তা তারা শিখে নিতে পারবে কিন্তু রোমাঞ্চকর কোন অনুভূতি পাবেনা। কারণ তারা এখন রোমাঞ্চ পায় ইরোটিক ক্লিপ আর সবজী লাল পানি খাওয়াতেই। আমরা দেখেছি কিভাবে কেরোসিন আনার জন্য কাচের স্প্রাইটের বোতলের মাথায় দড়ি বাধা হতো। আস্তে আস্তে কিভাবে দড়ি কালো হয়ে যেত আর বোতলের গায়ে ময়লার আবরণ পড়তো। ডাংগুলি খেলা তো এখনকার জেনারেশন চিনে কিনা সন্দেহ আছে। কত যে রোমাঞ্চকর ছিল পরিবেশ টা জায়গাই জায়গাই, মারবেল খেলা,সিগারেটের পেকেট এর নকল টাকা দিয়ে কত রকম যে খেলা ছিল। ২০০০ সাল কখনওই জানবে না ষ্টোভ নেভানোর পর কেরোসিন পুড়ে কেমন সুঘ্রাণ বের হয়, সন্ধ্যাবেলায় প্রতিটা বাড়ি থেকে কিভাবে এক এক্কে এক, দুই এক্কে দুই পড়ার আওয়াজ ব্যাঙ এর ঘেঙর ঘেঙরকে হার মানায়, এরা কখনওই ধারাপাত বই চিনবে না। এরা জানে ইউটিউবের টিউটোরিয়াল, সারাদিনের স্কুলে পরে থাকা মোজার গন্ধ আর বিদেশী রাইটারের বই।

সময় পাল্টেছে, আমি যুগের দোষ দেবোনা, সময়ের দোষ দেব না, এই জেনারেশনের দোষ দেব না। দোষ দেব আমাদের, দোষ দেব এই ৯০ এর দশককে। কেন তারা এত সুন্দর ছিল যে পরবর্তী দিনগুলোকে তাদের ধারে কাছেও আসতে দিল না? সেই দিনগুলো ফেসবুক ইউটিউবে বন্দী ছিল না তাই আমাদের শৈশব কেটেছে মাঠেঘাটে, হাওড় বাওড়ে, আগুনে পানিতে, জলাজঙ্গলে। তোমরা তোমাদের গেম অফ থ্রোনস, ইউটিউব আর ফেসবুক দিয়ে আমাদের ম্যাকগাইভার, আলিফ লায়লা আর নতুন কুঁড়িকে চাপা দিতে পারবা কখনো? কি মনে হয়? পারবা?

(সংগৃহিত)

25/02/2020

মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেবে সরকার। প্রতিটি বাড়িতে খরচ হবে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা। চলতি ও আগামি অর্থবছর এসব বাড়ি নির্মাণ করা হবে। এজন্য দুই বছরে বরাদ্দ প্রয়োজন ২ হাজার ৪০ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ টাকা।
চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির বিশেষ বরাদ্দ বাতিল করে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণ খাতে ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা স্থানান্তরের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
এ প্রস্তাবে বলা হয়, মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রামে একটি করে মোট ৬৮ হাজার ৩৮টি দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দুস্থ ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সচিব বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টিআর-কাবিটা কর্মসূচির বিশেষ খাতের অর্থ দিয়ে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও দুর্যোগে ঝুঁকি হ্রাসকল্পে গৃহহীন পরিবারের মাঝে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ অনুযায়ী প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, এর ধারাবাহিকতায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে এ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি গ্রামে গৃহহীনদের মধ্য থেকে একটি পরিবারকে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দেয়া হবে। তাই ৬৮ হাজার ৩৮টি বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সভায় অতিরিক্ত সচিব (ত্রাণ) বলেন, বাংলাদেশে অতি দরিদ্রতার হার যখন ক্রমশ নিম্নমুখী তখন ভিজিএফের সাহায্য ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে হবে, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী করবে এবং আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে।
তিনি আরও বলেন, চলতি (২০১৯-২০) এর সংশোধিত বাজেটে ভিজিএফের অব্যয়িত অর্থ থেকে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় অর্থ সংকুলান রেখে অবশিষ্ট অর্থ মুজিববর্ষ উপলক্ষে নির্মিতব্য বাড়িতে স্থানান্তর করার বিষয়ে তার অভিমত ব্যক্ত করেন। উপস্থিত সব অনুবিভাগ প্রধান এ বিষয়ে অতিরিক্ত সচিবের (ত্রাণ) সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেন।
এ প্রসঙ্গে সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (বাজেট) বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত অনুমোদিত কর্মসূচির আওতায় স্কিম চিহ্নিতকরণ, প্রণয়ন, যাচাই, সংশোধন, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি শীর্ষক পরিপত্র প্রতিপালন সাপেক্ষে, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী টিআর-কাবিটা কর্মসূচির বিশেষ খাতের বরাদ্দ দ্বারা গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় গৃহনির্মাণের সারসংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন।
একইভাবে ভিজিএফ কর্মসূচির ২০১৯-২০ সংশোধিত বাজেট এবং ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মুজিববর্ষ উপলক্ষে নির্মিতব্য দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণে ব্যয়ের জন্য অর্থ বিভাগের সম্মতি সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।
সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে পরিচালন/বিশেষ কার্যক্রম হতে উন্নয়ন ব্যয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ৩০ হাজার বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রতিটি বাড়ি ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা হিসাবে মোট ৮৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

01/02/2020

মাহফিল বন্ধ করে বেইমান হবেন না M***i Amir Hamza and Mizanur Rahman Azhari

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka