চরম জোকস।।।
টিচার- "হোমওয়ার্ক করোনি কেন?"
গজা- "স্যার, লোডশেডিং ছিলো।"
টিচার- "তা মোমবাতি জ্বালিয়ে
নিতে।"
গজা- "স্যার, দেশলাই ছিলো না।"
টিচার- "দেশলাই ছিলো না কেন?"
গজা- "ঠাকুরঘরে রাখা ছিলো
স্যার।"
টিচার- "আচ্ছা, ঠাকুরঘর থেকে
নিলে না
কেনো?"
গজা- "স্নান করিনি, ঠাকুরঘরে
ঢুকবো কি
করে?"
টিচার- "ওফ! তা স্নান করতে কে
বারণ
করেছিলো?"
গজা- "জল ছিলো না স্যার।"
টিচার- "জল কেন ছিলো না?"
গজা- "পাম্পের মোটর চলছিলো না
স্যার।"
টিচার- এবারে ধৈর্য্যের শেষ
সীমায়
পৌঁছে
গিয়ে, দাঁত কিড়মিড় করে
বললেন,"আরে
উল্লুক- মোটরটা কেন চলছিলো না?"
গজা- "স্যার, আপনাকে তো প্রথমেই
বললাম
যে লোডশেডিং ছিলো!.......
মানিকগঞ্জের মেয়েরা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মানিকগঞ্জের মেয়েরা, Public & Government Service, Dhaka.
---মহিলারা নিজেদের যে কি মনে করে -----
----মুরুব্বি দেখলে সালাম ত দুরের কথা ----
---পাশ দিয়া পাছা নেরে যায় -----
----হা --হা ---হা
(প্রমানিত)
বলতে পারেন বাংলাদেশে
সবচেয়ে কম বেতনে চাকরী করে কারা ?
আমি বলে দিচ্ছি মসজিদের হুজুররা ।
এখনো এমন মসজিদ আছে যার হুজুরের মাসিক বেতন ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা।
যেখানে একটা রিক্সাওয়ালা বা গার্মেন্টস কর্মীর বেতন তার ডাবল।
তারপরেও দেখবেন সে কারো কাছে খুব সহজে ধার করে না, চেয়েও খায় না।
মনে হয় পৃথিবীর সবচাইতে সুখী মানুষ তিনি।
তাদেরও সমালোচনা হয় না , তা কিন্তু নয়।
হুজুরেরা জোরে হাটলে মানুষ বলে, আজকে মনে হুজুরের বিরাট দাওয়াত আছে।
আস্তে আস্তে হাটলে বলে, হুজুরের খাওয়াটা মনে হয় চরম হইছে। খাওয়ার ঠ্যালায় দেখ হাটতে পারছে না।
আর স্বাভাবিক হাটলেও নিস্তার নাই, খাওন ভালা হয় নাই দেইখা হুজুর উদাসভাবে হাটতেছে।
এই হল সমাজের চিন্তাধারা।
এ ছাড়াও অন্যান্য অভিযোগ তো আছেই।
যেমন মিলাদ পড়লে সে হুজুর বেদাতী, তাবলীগের হুজুরের পেছনে নামাজ পড়া যাবে না, হুজুর জামায়াত ইসলাম করে তাই রাজাকার - তার পিছে নামাজ হবে না, হুজুর জুমুয়ার নামাজে খুতবা ভাল দেয় না ইত্যাদি নানান অভিযোগ।
আপনাকে যদি আমি ২৫০০ টাকা দিয়ে বলি আপনি আপনার স্ত্রী সংসার নিয়ে চলবেন এক মাস ।
পারবেন চলতে ?
- অসম্ভব।
তারপরেও হুজুরের পেটটা দেখলে মনে হয় তিনি পৃথিবীর সেরা সুখী মানুষ। আর তার রাতের শান্তির ঘুম সে যেন জান্নাতের এক অপার সৌন্দর্য।
আল্লাহ তোমার দ্বীনের খেদমতে যে হুজুররা কাজ করে যাচ্ছেন তাদেরকে তুমি হায়াত দান করো, তাদেরকে জান্নাতবাসী করো মৃত্যুর পর্.
আমিন.?
পোষ্ট:কাজী মোহাঃ আবদুল কাইউম(বাবু)
হে আল্লাহ তুমি আমার জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দাও......................
আপুদের জন্য বিশেষ পোস্ট
●স্বামীর রচনা●
ভুমিকাঃ
স্বামী একটি গৃহপালিত ও স্ত্রীভক্ত
প্রাণী। পুরুষমানুষ বিয়ের মাধ্যমে
স্বামীতে রূপান্তরিত হয়ে থাকে।
এদের সঠিকভাবে পোষমানালে ঘর
ও
বাইরের সমস্তরকম কাজে ব্যবহার
করা
যায়।
খাদ্যঃ
এরা সর্বভুক প্রাণী হলেও চুমু ও আদর
খেতে খুব পছন্দ করে। অনেক
ক্ষেত্রে
এরা স্ত্রীর সযত্নে তৈরী করা ‘ঢপ’
ও
‘বার’ সানন্দে ও তৃপ্তি সহকারে
খেয়ে হজম করে।
আকৃতিঃ
এদের সাধারণত একটি ভুঁড়ি, শক্ত
ঘাড়,
দুর্বল মেরুদণ্ড এবং টুপি পরবার
উপযোগী মাপসই একটি মাথা
থাকে।
প্রকৃতিঃ
এরা সাধারণতঃ নিরীহ,
শান্তিপ্রিয়
ও ঝগড়াঝাঁটীতে অপটু হয়ে থাকে।
বিয়ের আগে এদের স্বভাবে
সিংহের বল থাকলেও বিয়ের পর
সেই
সিংহ দুর্গারূপিণী স্ত্রীর বাহনে
পরিনত হয়। তাই এরা স্ত্রী-প্রভুর
অবাধ্য
হয়ে চরম অশান্তি ভোগের আশঙ্কায়
চীরকাল মিনমিনে স্বভাবের
মিনসে
হয়ে থাকে।
এরা পুরনো কথার দিন-ক্ষণ, নাড়ি-
নক্ষত্র সেভাবে মনে রাখতে
পারেনা বলে ঝগড়া বা বিতর্কে
প্রায়শই পরাজিত হয়। সাধারণত
নারিদের প্রতি এদের একটু
দুর্বলতা দেখতে পাওয়া যায়। কোন
মহিলার অনুরোধ বা আব্দার এরা
সহজে ফেলতে পারে না।
উপকারিতাঃ
স্বামী উপকারী ও ভীষণভাবে
নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি প্রাণী।
এরা ছুটির দিনে সংসারের
নানাবিধ কাজ, যেমন প্যান
পরিস্কার, ফ্যান পরিষ্কার প্রভৃতি
করে থাকে।
এছাড়া এরা স্ত্রীর চোখে
আইলাইনার, আইশ্যাডো প্রভৃতি
লাগিয়ে দিয়ে, শাড়ির কুঁচি ধরে
স্ত্রীকে রূপচর্চাতে সাহায্য করে।
এরা ভ্রমণের সময়ে কুলীরূপ ধারণ
করে ভারী ব্যাগ বহন করে, কখন বা
এরা ড্রাইভার রূপ ধারণ করে
স্ত্রীকে
লং ড্রাইভে নিয়ে যায়।
এদেরকে বিবাহ করে অনেক অতি
সাধারণ নারী বিদেশভ্রমণ ও
বসবাসের সুযোগ পায়।
কর্মক্ষেত্রে অবসরের পর এদেরকে
নাতি-নাতনি প্রতিপালন, ঘর
পাহারা, বারবার দোকানে
গিয়ে
প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিস
কিনে আনা – এই ধরনের গৃহস্থালির
কাজে ব্যভহার করা হয়ে থাকে।
অপকারিতাঃ
অনেক প্রকার স্বামী অফিসের
কাজে অধিকাংশ দিন রাতকরে
বাড়ী ফেরে। অনেকে আবার
বাড়ীতে অফিসের কাজও নিয়ে
আসে। তাই এরা স্ত্রীকে তাদের
চাহিদামতো সময় দিতে পারে
না।
অধিকাংশ স্বামীই স্ত্রীকে
শপিং-
এ নিয়ে গিয়ে ধৈর্য হারিয়ে
ফেলে। তাদের শাড়ী, গয়না
কেনার
যথাযথ সঙ্গী হতে পারে না।
উপসংহারঃ
গৃহপালিত প্রাণীদের মধ্যে
সংসারে
স্বামীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রাণী
বিরল।
যে আবিষ্কারক ‘স্ত্রী’ নামক ‘দামি’
পোষমানানোর ‘যন্তর’-টি
আবিষ্কার
করেছিলেন, তাঁর কাছে
পৃথিবীবাসি চির-কৃতজ্ঞ থাকবে।
একটি ছেলে এটা মেয়েকে
অনেক
ভালোবাসতো,
।
ছেলেটা মেয়েটাকে জড়িয়ে
বলতোঃ
তোমাকে জরিয়ে ধরলে এতো
ভাল লাগে কেন ?
।
মেয়েটা হাঁসতে হাঁসতে
ছেলেটাকে
বলতোঃ আমার হৃদয়
টা যে তোমার
বুকে গাঁথা।
।
দুজনের দিন বেশ
কাটছিলো,
হঠাৎ
ছেলে টা একদিন শুনলো
মেয়েটা
অন্য
একটা ছেলেকে বিয়ে করছে ।
।
মেয়েটার
বিয়ের
দিন ছেলেটার এক
বন্ধু একটা সুন্দর
গিফ্ট
নিয়ে মেয়েটার কাছে গেলো,
মেয়েটাকে
কিছু
না বলে গিফ্ট
টা মেয়েটার
হাতে দিয়ে চলে এলো ।
।
ছেলেটা চলে যাবার
পর মেয়েটা গিফ্ট খুললো,
দেখলো
একটা
তাজা হৃৎপিন্ড,
তখনো রক্ত
পড়ছিলো ।
।
গিফ্ট টার ভেতর
একটা চিঠিও ছিলো,
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাতে
চিঠি টা
খুললো,
।"তুমি বলতে না তোমার
হৃদয় টা আমার বুকে গাঁথা?
তাই ফিরিয়ে দিলাম ।
।
কারন, তোমার হৃদয়
যদি আমার কাছে থাকে তুমি
তাহলে অন্য
কাউকে ভালোবাসবে কি
করে ?
।
তাই তোমার জিনিস তোমায়
ফিরিয়ে দিলাম,,,,,,,
আজকের ভালবাসা
একটি রাতের লোভনীয় আনন্দ,
ক্ষুধার্ত কামনার কাম পিপাসা,
কিছু মুহুর্তের উপভোগের বস্তু।
....এই আজকের ভালবাসা?
পুজোর মন্ডপ ছেড়ে, তপস্যার পিড়ি ছেড়ে,
আজ ভালবাসা নেমেছে পথের ধুলোতে।
গলির আনাচকানাচে, অন্ধকার রাস্তার পাশে,
লাজ লজ্জার মাথা কেটে পার্কে, ঘন জংগলে,
ওখানেই জমে উঠেছে আজকের ভালবাসা,
.....ভালবাসার আনন্দ মহল।।
এক ঝাক যৌন কর্মী,তৃষ্ণিত ক্ষুদার্ত কিছু দেহ,
কিছু লোভী আত্মা,কিছু বাধ্যবাধকতা।
ঘৃণিত জীবনের জঘন্য ডায়রী খুলতে,
এক ঝাক তরুণ তরুনীর পদযাত্রা।।
ওরা ক্রমশ হিংস্র হয়ে উঠেছে,
পৃথিবীর বাতাস টা ক্রমশ বিষাক্ত করে তুলছে,
ওরা অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে,
ওরা হারিয়ে যাচ্ছে।।
তবে পৃথিবীর জন্য এ কোন সুভবার্তা নয়,
ধংসের পথে এক নতুন উদ্দিপনা,
যা শুধু জন্ম দেবে পাপ পংকিলতা,
এযে পৃথিবী ধসের আগাম বার্তা।।
এরজন্যে যারা বেশি দায়ী, ওরা ঘরে বন্দী নেই,
ওরা মিশে গেছে রাজ পথের আনাচকানাচে,
নিজেকে লোভলীয় করছে কত শত
পোশাকের ঢংএ।।
ওরা শুধু আলেয়া নয়, আরো অনেক নাম ধারী,
তবুও ওদের আরো নতুন নাম চাই।
ওরা উগ্র আধুনিকা , ওরা অগ্নিফুলিংগা।
ওরা জ্বালীয়ে পুরিরে ছাই করবে পৃথিবীকে।।
কে থামাবে এদের,
......যার থামানোর কথা ছিল সে নেই।
যারা আছে,
.....তারা চুর হয়ে আছে তাদেরই নেশায়,
আর কেউ লুকিয়ে আছে সামান্য তম লজ্জায়।
প্রতিবাদ করবে কে, সত্য যে অসহায়।
সত্য আজ পরাজিত হয়ে মিথ্যার কাছে,
সত্য নিজেকে দিয়েছে নির্বাসনে।।
12/11/2014
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
10
