13/06/2017
চলুন দেখে অাসি বাংলাদেশের কিছু সুন্দর সুন্দর স্থান ও বাংলার সংস্কৃতি।
দেখতে ভিজিট করুন নিচের লিংকে..
প্রথমেই মৌলভীবাজার।
এর দিনাজপুর
https://www.youtube.com/watch?v=R7fmOLG6rEI&feature=share
Kantajew Temple is located at Kantanagar of Dinajpur district of Bangladesh. It is 12 miles north o
13/06/2017
চলুন দেখে অাসি বাংলাদেশের কিছু সুন্দর সুন্দর স্থান ও বাংলার সংস্কৃতি।
দেখতে ভিজিট করুন নিচের লিংকে..
প্রথমেই মৌলভীবাজার।
এর দিনাজপুর
https://www.youtube.com/watch?v=R7fmOLG6rEI&feature=share
20/12/2016
14/10/2016
কান্তজী সেতু....
যা ঢেপা নদীর উপর দিয়ে কান্তজী মন্দিরে যাওয়া যায়...
08/08/2016
Amazing Dinajpur পেইজ কে নিয়ে অসাধারণ একটি নিউজ প্রকাশ করেছে....
নিউজ টি সকলকে দেখার জন্য অনুরোধ রইল...
সারা বিশ্বে দিনাজপুরকে তুলে ধরছে ফেসবুক পেজ ‘Amazing Dinajpur’ - Micronews24.com সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দিনাজপুর সম্পর্কিত অন্যতম একটি জনপ্রিয় পেজ “Amazing Dinajpur” দিনাজপুরের প্রতিনয়ত শিক্ষা, সাহিত্য, অর্থনীতি, রাজনীতি, সংবাদ, চিত্র সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রযুক্তিমেধা সম্পন্ন তরুণেরা।দিনাজপুর সম্পর্কিত শীর্ষস্থানীয় জনপ্রিয় এই পেজটি যাত্রা শুরু করে ২০১২ সালের ডিসেম্বর...
30/07/2016
সকলের কাছে অনুরোধ কুড়িগ্রামের বানভাসি মানুষদের পাশে দাড়ান প্লিজ...
স্মরন কালের ভয়াবহ বন্যা কুড়িগ্রামে চলতেছে..
যদিও বা কিছু অঞ্চলের পানি কমতে শুরু করেছে।কিন্তু পুরো পানি কমতে প্রায় আরো কয়েক দিন লেগে যাবে।
কষ্টের কথা হলো, পানি কমার পরেই আসল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সময় আসবে এই বানভাসি মানুষদের।বিভিন্ন রোগ ব্যাধীর পাশাপাশি খাদ্য ও আবাসন সংকট টা বেশী হবে...
আরো নানা সমস্যা থাকবে।সমস্যা গুলো সমাধানে লেগে যাবে বহুদিন...
সেদিন পর্যন্ত সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সকল হৃদয়বান ব্যক্তি ও বিভিন্ন সেবা মুলোক প্রতিষ্ঠান গুলোকে কুড়িগ্রামের এই অসহায় বানভাসিদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার জন্য বিনীত আহবান থাকলো...
গত শুক্রবার ১২০পরিবার কে ত্রান দিতে গিয়েছিলাম আমরা ৬জনের একজন টিম...
আগামী ৫ই আগষ্ট আমারা আবারো বের হব ত্রান দিতে তাই যে যা পারেন কুড়িগ্রাম এর এই বন্যার্ত দের পাশে সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব দাঁড়াই...
অনুদান পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশ: 01714638630 (personal)
শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন
23/04/2016
পঞ্চাশ ফুট বর্গাকৃতির ত্রিতল বিশিষ্ট ইটের তৈরি এ
মন্দিরটি একটি উচু মঞ্চের উপর নির্মিত..
শুরুতে
মন্দিরের চূঁড়ার উচ্চতা ছিলো ৭০ ফুট। এটি নবরত্ন
মন্দির নামেও পরিচিত কারণ তিনতলাবিশিষ্ট এই মন্দিরের
নয়টি চূড়া বা রত্ন ছিলো, তাই এ নাম দেয়া হয়েছিল।
মন্দিরের নিচতলার ছাদ ও দ্বিতলের ছাদের
চারকোনে চারটি করে আটটি অলংকৃত চুড়া বা রত্ন
এবং ত্রিতলের ছাদের মধ্যস্থলে আছে
বৃহদাকারের কেন্দ্রীয় চুড়ার ধ্বংসাবশেষ। ১৮৯৭
সালের ভূমিকম্পে মন্দিরটির চূড়াগুলো ভেঙে
যায়। পরে মহারাজা গিরিজানাথ মন্দিরের ব্যাপক সংস্কার
করলেও মন্দিরের চূড়াগুলো আর সংস্কার করা হয়নি।
মন্দিরের বাহিরে পোড়ামাটির উৎকৃষ্ট ফলকচিত্রের
অলংকরনে সুশোভিত। এ সমস্ত ফলকচিত্রে উদ্ভিদ
ও প্রানীর জ্যামেতিক নকশা ও রামায়ন ও মহাভারতের
পৌরানিক দৃশ্যবলী এবং তদানীন্তন সামাজিক ও অবসর
বিনোদনের চমৎকার দৃশ্য খচিত রয়েছে। পুরো
মন্দিরে প্রায় ১৫,০০০-এর মতো পোড়ামাটির
(টেরাকোটা) টালি রয়েছে। উপরের দিকে তিন
ধাপে উঠে গেছে মন্দিরটি।
মন্দিরের চারদিকের সবগুলো খিলান দিয়েই
ভেতরের দেবমূর্তি দেখা যায়। মন্দির প্রাঙ্গণ
আয়তাকার হলেও, পাথরের ভিত্তির উপরে দাঁড়ানো
৫০ফুট উচ্চতার মন্দিরটি বর্গাকার। নিচতলার সব
প্রবেশপথে বহু খাঁজযুক্ত খিলান রয়েছে। দুটো
ইটের স্তম্ভ দিয়ে খিলানগুলো আলাদা করা
হয়েছে, স্তম্ভ দুটো খুবই সুন্দর এবং সমৃদ্ধ
অলংকরণযুক্ত। মন্দিরের পশ্চিম দিকের দ্বিতীয়
বারান্দা থেকে সিঁড়ি উপরের দিকে উঠে গেছে।
মন্দিরের নিচতলায় ২১টি এবং দ্বিতীয় তলায় ২৭টি দরজা-
খিলান রয়েছে, তবে তৃতীয় তলায় রয়েছে মাত্র
৩টি করে।
মন্দিরের
উত্তর
দিকের
ভিত্তিবেদীর
শিলালিপি
থেকে
জানা যায়,
তৎকালীন
দিনাজপুরের
প্রখ্যাত
জমিদার মহারাজা জমিদার প্রাণনাথ রায় তাঁর শেষ বয়সে
মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন ১৭০৪ খৃষ্টাব্দে।
১৭২২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর শেষ ইচ্ছা
অনুযায়ী তাঁর পোষ্যপুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭৫২
খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। ১৯৬০
সালে সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত প্রাচীনকীর্তি হিসাবে
ঘোষনা করা হয়।
রামায়ণ-মহাভারতের কাহিনী ও মধ্যযুগের বাংলার
ইতিহাসের বহু ঘটনাই ফুটে উঠেছে এই মন্দিরের
দেয়ালে দেয়ালে। টেরাকোটার ফলকচিত্রের
মাধ্যমে যে কতো উন্নত শিল্পবোধের পরিচয়
দেওয়া যায় তা এখানে না এলে বোঝা কঠিন...
17/02/2016
নকশা...
18/12/2015
Main gate kantoji temple...
16/12/2015
আচার খেতে ভালবাসেন কে কে???