02/03/2019
বাণিজ্য মেলা চলতেছে দিনাজপুরে।
nature of real village
02/03/2019
বাণিজ্য মেলা চলতেছে দিনাজপুরে।
29/06/2018
18/04/2018
গুরুত্বপূর্ণ বলেই পোস্ট দিলাম,
সবার জানাটা খুব জরুরী, দুর্ঘটনা কখনও বলে কয়ে আসে না।
হঠাৎ আপনি আর আপনার পাশের কেউ দুর্ঘটনায় পড়তে পারেন। কয়েকদিন আগেই বাসের চাপায় এক ছাত্র হাত হারিয়েছে, এসব জানা থাকলে হয়তো তাকে হাতটা হারাতে হতোনা!
অনেক সময়ই দেখা যায় রোড এক্সিডেন্ট, মেশিনে বা ধারালো কিছুর আঘাতে আমাদের হাতের আঙুল বা পুরো হাতটাই কেটে পড়ে যায়। পা এর ক্ষেত্রেও হতে পারে।
হসপিটালে নিয়ে আসার পর কাটা জায়গা সেলাই করা সম্ভব হলেও শরীরের হারানো অংশ আর ফিরে পাওয়া যায় না।
অনেকে কাটা আঙুল বা অন্য অংশ সাথে করে নিয়ে আসেন জোড়া লাগিয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা পারি না কারন নিয়ম মেনে না নিয়ে আসায় সেটা নষ্ট হয়ে যায়।
আমরা আজ শিখবো কিভাবে এক্সিডেন্ট হলে শরীরের বিচ্ছিন্ন অংশ সাথে করে নিয়ে আসতে হবে জোড়া লাগানোর জন্য।
পদ্ধতিটি কিন্তু খুব সহজ।
প্রথমে পার্শ্ববর্তী কোন ওষুধের দোকান থেকে একটা জোড়া গ্লাভস, একটা নরমাল স্যালাইন এর বোতল আর কিছু গজ ব্যান্ডেজ কিনুন। দুইটা পলিথিন জোগাড় করুন আর কিছু আইস বা বরফ।
প্রথমে গ্লাভস পড়ে নিয়ে নরমাল স্যালাইনের প্লাস্টিকের বোতল কেটে শরীরের বিচ্ছিন্ন অংশটুকু ধুয়ে নিন। তারপর গজ ব্যান্ডেজ সেই নরমাল পানিতে ভিজিয়ে কাটা অংশটা গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে জড়িয়ে নিন। তারপর একে পলিথিনের প্যাকেটে ঢুকান। এবার একটা পলিথিনে পানি নিয়ে তার ভিতর আইস দিন। আইস ভর্তি প্যাকেটে এবার আগের পলিথিনটি ঢুকান। শেষ, এবার পরিবহন করুন।
মনে রাখবেন ডাইরেক্ট আইসের ভিতর কাটা অংশ দিবেন না। আমাদের প্রয়োজন ঠান্ডা পানির সংস্পর্শ, আইসের নয়।
যদি এতকিছুর ব্যবস্থা না করতে পারেন অন্তত কাটা অংশটুকু ভালো পানি বা বাজারের মিনারেল ওয়াটার দিয়ে ধুয়ে তা একটা ভেজা কাপড় এর টুকরা দিয়ে জড়িয়ে নিন। এবার ঠান্ডা পানির প্যাকেট দিয়ে একে জড়িয়ে নিয়ে চলে আসুন।
এইভাবে একটা কাটা আঙুল ১২ ঘণ্টা আর কাটা হাত ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভালো থাকতে পারে। একে বলে Cold ischaemic time. আর দেশের যে কোন ভালো সেন্টারে এই সময়ের ভিতর যাওয়া যায়।
তবে নিয়ে গেলেই যে ডাক্তার আপনার কাটা অংশটুকু জোড়া লাগাতে পারবেন তা কিন্তু নয়। প্রথমে সেই সেন্টারে অর্থোপেডিক মাইক্রোসার্জারী বা প্লাস্টিক সার্জারি এর ব্যবস্থা থাকতে হবে। এখন দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ বা স্পেশালাইজড হসপিটালে এইসব ব্যবস্থা আছে।
শুধু ব্যবস্থা থাকলেই হবে না। আপনার কাটা অংশটুকু জোড়া লাগানোর উপযুক্ত কিনা সেটা বড় ফ্যাক্টর। বেশিরভাগ সময়ই কাটা অংশটা এমনভাবে থেঁতলে যায় বা কেটে যায় যে সেটা পুনরায় ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। তাই ডাক্তারের সিদ্ধান্তই এখানে চূড়ান্ত।
সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পরিবহন করুন। অন্যদের জানান, শেয়ার করুন। নিজে আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে Replantation লিখে গুগলে সার্চ দিন।
অজ্ঞতা যেন আমাদের নিজের, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী থেকে শুরু করে রাস্তার অপরিচিত লোকটির জীবনেও বাঁধা হয়ে না দাঁড়ায়।
সবকিছু জোড়া লাগুক, কাটা আঙুল থেকে ভাঙ্গা মনও 😊
(কালেক্টেড)
03/06/2017
স্বেচ্ছা রক্ত দানের ৭টি উপকারিতা
ইংরেজ চিকিৎসক ডাঃ উইলিয়াম হার্ভে ১৬১৬ সালে গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে মানবদেহের আভ্যন্তরে রক্ত প্রবাহিত হয়। এর অনেক পরে ডাঃ জেমস ব্লান্ডেল নামে একজন ইংরেজ ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ ১৮১৮ সালে রক্ত পরিসঞ্চালনের জন্য একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা দিয়ে সর্বপ্রথম সফলভাবে একজন সুস্থ মানুষের দেহ থেকে আরেকজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের দেহে রক্ত পরিসঞ্চালন করে তাকে বাঁচিয়ে তোলা হয়।
এভাবেই মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ার শুরু এবং এরপর থেকেই মানুষের দেহে রক্ত পরিসঞ্চালনের মাধ্যমে অসংখ্য অসংখ্য মানুষকে মৃত্যুর পথ থেকে ফিরিয়ে সুস্থ করা হয়ে আসছে।
#কারা_রক্ত_দানের_জন্য_উপযুক্তঃ
১৮-৬০ বছরের সুস্থ সবল যে কোন ব্যাক্তির ওজন যদি ন্যুনতম ৪৮ কেজি হয় তবে তিনি রক্ত দানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হন।
#রক্ত_দিলে_শারীরিক_কোন_ক্ষতি_হয়_কি?
রক্তদানে শরীরের কোন ক্ষতি হয়না। ছেলেদের শরীরে ওজনের কেজিপ্রতি ৭৬ মিলিলিটার আর মেয়েদের শরীরে ওজনের ৬৬ মিলিলিটার করে রক্ত থাকে এবং সবারই কেজিপ্রতি ৫০ মিলিলিটার রক্ত সংবহনের জন্য প্রয়োজন হয়, বাকিটা থাকে উদ্বৃত্ত। অর্থাৎ ছেলেদের ওজনের কেজিপ্রতি ২৬ মিলিলিটার আর মেয়েদের ওজনের কেজিপ্রতি ১৬ মিলিলিটার রক্ত থাকে উদ্বৃত্ত। ফলে ৫০ কেজি ওজনের একটি ছেলের শরীরে উদ্বৃত্ত রক্তের পরিমাণ ৫০x২৬=১৩০০ মিলিলিটার আর একই ওজনের একজন মেয়ের শরীরে উদ্বৃত্ত রক্তের পরিমাণ ৫০x১৬=৮০০ মিলিলিটার । আর স্বেচ্ছা রক্তদানে একজন রক্ত দাতার কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ থেকে ৪০০ মিলিলিটার রক্ত সংগ্রহ করা হয়। তাই রক্তদানে শারীরিক কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনাই নেই। আর একজন সুস্থ লোক প্রতি চারমাস পরপর রক্ত দান করতে পারেন। মানুষের শরীররে রক্ত উপাদান গুলি প্রতি চার মাস পর এমনিতেই নষ্ট হয়ে নতুন রক্ত উৎপাদিত হয়। তাই রক্ত দান করলে শরীরের ক্ষতি তো হয়ইনা বরং আছে অনেক উপকার।
#স্বেচ্ছা_রক্ত_দানের_মানসিক_ভাবেও_আছে_অনেক_উপকার_এবং_ধর্মীয়_দিক_থেকে_অত্যন্ত_পুন্যের।
#শারীরিক_উপকারিতাঃ
বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল এটাই যে রক্ত নিয়মিত রক্ত দান স্বাস্থের জন্যে শুধু উপকারিই নয় বরং নিয়মিত রক্ত দিলে একজন মানুষ মুক্ত থাকতে পারেন বেশ কয়েকটি মারাত্মক রোগের ঝুঁকি থেকে।
#ক্যান্সারের_ঝুঁকি_কমেঃ
মিলার-কিস্টোন ব্লাড সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত রক্ত দিলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে ফুসফুস, লিভার, কোলন, পাকস্থলী ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়মিত রক্ত দাতাদের ক্ষেত্রে অন্যান্য দের চেয়ে অনেক কম থাকে।
#হৃদরোগ_এবং_হার্ট_অ্যাটাকের_ঝুঁকি_কমেঃ
নিয়মিত রক্তদানে হৃদযন্ত্রের সামগ্রিক উন্নতি হয়। রক্তে যদি লৌহের পরিমাণ বেশি থাকে তাহলে তাহলে কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনের পরিমাণ বেড়ে যায়, ধমনী ক্ষতিগ্রস্থ হয়, ফলাফল হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত রক্ত দিলে দেহে লৌহের পরিমাণ কমে যায় যা, হৃদ রোগের ঝুঁকিকেও কমিয়ে দেয় কার্যকর ভাবে।
যারা নিয়মিত রক্তদেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে ৮৮ ভাগ কমে যায় এবং স্ট্রোক সহ অন্যান্য হৃদ রোগের ঝুঁকি কমে যায় ৩৩ ভাগ।
#অতিরিক্ত_ক্যালরি_ক্ষয়ঃ
নিয়মিত রক্তদানে শারীরিক ফিটনেস বাড়ে। ৪৫০ মিলিলিটার রক্ত দান করলে রক্ত দাতার দেহ থেকে ৬৫০ ক্যালরি পুড়ে। তাতে রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে এবং ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমে যায়।
এছাড়াও নিয়মিত রক্ত দান করলে কোন দুরারোগ্য ব্যাধি শরীরে দানা বাঁধতে পারে না তাই উচ্চরক্তচাপ সহ যে কোন কঠিন রোগ থেকে থাকা যায় নিরাপদ।
#প্রাণবন্ততা_এবং_কর্মক্ষমতা_বৃদ্ধিঃ
রক্ত দান করার সাথে সাথে আমাদের শরীরের ব্যোন ম্যারো নতুন কনিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্ত দান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। আর লোহিত কনিকার ঘাটতি পূরণ হয়ে যায় ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই। আর এই প্রক্রিয়া আমাদের শরীরের সার্বিক সুস্থতা ও কর্মক্ষমতা কেই বাড়িয়ে দেয়।
#নিজের_সুস্থতা_পরীক্ষাঃ
রক্ত দান করার মাধ্যমে একজন রক্ত দাতা তার সার্বিক সুস্থটাকে যাচাই করে নিতে পারেন । হেপাটাইটিস বি, সি, সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং এইডস এই পাঁচটি রোগের স্ক্রিনিং রিপোর্ট পাওয়া যাবে বিনামুল্যে যা করতে যে কোন সাধারণ মানের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কমপক্ষে কয়েক হাজার টাকা খরচ হবে। এভাবে বছরে তিনবার রক্তদান আপনার সার্বিক সুস্থতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
রক্ত শারীরিক উপকার ছাড়াও আছে মানসিক উপকার ও অত্যন্ত পুন্যের কাজ
ারজন_রোগীর_জীবন_দানঃ
রক্তের অপরিহার্য চারটি উপাদান হচ্ছে লোহিত কনিকা, শ্বেতকনিকা ,অণুচক্রিকা ও প্ল্যাটিলেট। একজন রক্তদাতার দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহের পর এই চারটি উপাদান পৃথক করে চারজন রোগীকে প্রদানের মাধ্যমে চারজন রোগীর প্রান রক্ষা করা হয়।
#অত্যন্ত_পুন্যের_কাজঃ
রক্ত দান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুন্য বা সওয়াবের । পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে “ যে ব্যাক্তি একজন মানুষের জীবন রক্ষা করল সে যেন সমগ্র মানব জাতির জীবন রক্ষা করল” ( সূরা মায়েদাঃ ৩২)।
মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন একজন খারাপ মহিলাকে শুধুমাত্র পিপাসারত মৃত্যু পথযাত্রী কুকুরকে পানি পান করানোর মাধ্যমে প্রান রক্ষা করার জন্য ক্ষমা ও জান্নাত দান করতে পারে তবে, রক্তদানের মাধ্যমে চারজন মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য আপনাকে আমাকে আরো বড় পুরস্কার অবশ্যই দিতে পারেন।
আপনি কি জানেন, প্রতি বছর আমাদের দেশে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী যত সু্স্থ সমর্থ মানুষ আছেন, তারা যদি শুধু জন্মদিনেই রক্ত দেন, তাহলেই আমাদের দেশের পুরো রক্তের চাহিদা স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব। তাই আপনার প্রতিটি জন্মদিন বরণ করুন রক্তদান করে। পৃথিবীতে আপনার আগমনের এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখুন আরো ৪ টি প্রাণ বাঁচানোর মাধ্যমে। নিজ পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উদ্বুদ্ধ করুন রক্তদানের মাধ্যমে আপনার শুভ জন্মদিনকে উদযাপন করতে।
09/04/2017
30/03/2017
হরহামেসাই এটি আমাদের চোখে পড়ে । সুবাসবিহীন কিন্তু নজর কাড়ে। বলতে পারেন কি নাম এর।
30/03/2017
এই পুকুর টির নাম বাঘমই।কথিত আছে এই পুকুর বাঘ পানি খেতে এসে মারা পড়েছিল। আপনিও পারেন আপনার এলাকার পুকুরের ছবি পাঠাতে।
27/03/2017
জানেন তো শুধুমাএ দিনাজপুর সদর এর মধ্যেই ইজি বাইক কিংবা রিক্সা যাতায়াত এর প্রধান মাধম,কিন্তু সদর থেকে বাহিরে এই ভ্যানই একমাএ ভরসা।
25/03/2017
বলুনতো এটা কোন নদী???
25/03/2017
এটা সম্পর্কে আর নতুন করে বলার কিচুই নাই। ছবি ঃ নীহার চন্দ্র রায়।
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |