Nawabganj National park/নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান

Nawabganj National park/নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান

Share

Shopnopuri. That's page just know that Nawabganj National park & update news of Dinajpur Eco-tourism.

05/04/2026
21/03/2026

Eid mubarak planet 🌙🤍

16/03/2026

উত্তরের আমাজনের পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা

Photos from Nawabganj National park/নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান's post 10/03/2026

আজ থেকে ১০ বছর আগে সীতাকোট বিহারে গিয়ে দিনাজপুর মিউজিয়ামের কথা জানতে পারি। কিন্তু সেবার অলরেডি দিনাজপুর ত্যাগ করে বিরামপুর এসেছিলাম বলে মিস হয়ে গিয়েছিলো। তারপর গত ১০ বছরে আরো অন্তত ৩/৪ বার দিনাজপুর যাওয়া সত্বেও টাইমিং না মেলার কারণে দিনাজপুর মিউজিয়ামটা দেখা হয়ে উঠছিলোনা। আজ শেষ পর্যন্ত এক দশকের অপেক্ষার অবসান হলো।

দিনাজপুর মিউজিয়াম আমার হিসেবে বরেন্দ্র জাদুঘরের পরেই অন্যতম সমৃদ্ধ মিউজিয়াম। একটা হলরুমে সীমাবদ্ধ মিউজিয়ামকে কেন আমি এতোটা গুরুত্ব দিচ্ছি তার পেছনে দুইটা কারণ। এক এটি জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার কীর্তি; ঠিক উনার আরেক মহান কীর্তি সীতাকোট বিহার আবিষ্কারের মতোই। দ্বিতীয়ত প্রতিটি পুরাকীর্তির সোর্স ও উদ্ধারের পেছনের কাহিনী সংযোজন!

আমার খুব অবাক লাগে একজন বুরোক্রেট হওয়া সত্বেও জনাব আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া কিভাবে বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার দিকপাল হয়ে গেলেন। উনার বই বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ তো বাংলাদেশের আর্কিওলজি গবেষণার বাইবেল হিসেবে স্বীকৃত!

১৯৪৭ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগ দেয়া র আগে শিক্ষকতাও করেছেন৷ বাইরের ডিগ্রী নিয়েছেন৷ ইউএস সিটিজেনশিপ ত্যাগ করে দেশে ফিরেছেন। তারপর কত গুরুত্বপূর্ণ পদে যে কাজ করেছেন সে আলোচনায় নাইই গেলাম তবে বাংলার ইতিহাসে তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন তার শৌখিন কার্যকলাপের কারণে। এসব শৌখিন কার্যকলাপের কারণেই আজ বাংলাদেশের পুরাতত্ত্বের ইতিহাসে সীতাকোট বিহার নামটি যুক্ত হয়েছে। তারই প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম জাদুঘর দিনাজপুর মিউজিয়াম। তারই ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগৃহীত হয়েছে প্রাচীন দুর্লভ অনেক পুথিঁ। এছাড়াও রেখে গেছেন নিজের এক বিপুল সংগ্রহশালা, যেখানে স্থান পেয়েছে অনেক দুর্লভ পুস্তকসহ নানান প্রত্নসামগ্রী।

জনাব যাকারিয়া ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে বাংলাদেশে ফেরত এসে যোগ দেন দিনাজপুরে যুগ্ম সহকারী কমিশনার (রেভেনিউ) পদে। এ কাজেই তিনি একদিন নবাবগঞ্জ যান। সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রাম ফতেপুর মারাজে গিয়ে তিনি অদ্ভুত এক জায়গার দেখা পান। এই জায়গাটিকে ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের তদানিন্তন জেলা প্রশাসক এফ ডব্লিউ স্ট্রং স্থানীয় লোকশ্রুতির উপর ভিত্তি করে জেলা গেজেটিয়ারে 'রামায়ণে উল্লেখিত সীতার দ্বিতীয় বনবাসস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ১৮৭৪ সালের দিনাজপুরের প্রশাসক ও পুরাতাত্ত্বিক ওয়েস্টমেকট (এই ভদ্রলোকের নামে খুলনা শহরে একটা রাস্তা আছে) এই জায়গাটিকে মনে করেছিলেন বাঁধানো পুকুর। কিন্তু তিনি এদেঁর কারো কথাই মানতে পারলেন না। তিনি বললেন আপনি এটা একটা বৌদ্ধবিহার। তখন ছোট পদে থাকায় ইনভলভ হতে না পারলেও নয় বছর পর ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে দিনাজপুরে ডিসি হিসেবে বদলি হয়ে এসেই সিদ্ধান্ত নিলেন জায়গাটা খুঁড়ে দেখবেন। কিন্তু এ ধরণের বড় স্কেলের পুরাতাত্ত্বিক খননের জন্য যে পরিমাণ অর্থের দরকার হয় তা ছিলোনা। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। তদবির করে জেলা বোর্ডকে দশ হাজার টাকা দেবার জন্য রাজি করালেন আর কারিগরি সহায়তার জন্য রাজি করালেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে। প্রয়োজনীয় কর্মীবাহিনীসহ নিকটস্থ ডাকবাংলোতে ক্যাম্প স্থাপন করে শুরু হলো খননকাজ। খননকাজ শেষে মাটির গভীর থেকে বিহারের প্রবেশপথ আর ছাত্রাবাসসহ পুরো কাঠামোটার যে রূপ বেরিয়ে এলো তা ১৯৫৮ সালে তাঁর আঁকা আনুমানিক নকশার সাথে হুবহু মিলে গেলো।

অনেকে বিহারটিকে সপ্তম শতকের বলতে চাইলে তিনি তা নাকচ করে দেন। তাঁর বিশ্বাস ছিলো মাৎস্যন্যায়ের যুগে এত বড় বিহার কিছুতেই তৈরি হতে পারে না, তাছাড়া পরবর্তীকালের বিহারগুলোর মতো এখানে কোনো কেন্দ্রীয় মন্দির ছিলোনা তাই তিনি অভিমত দিলেন এটি পঞ্চম বা ষষ্ঠ শতকের বিহার। তার কথাই পরে সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছিলো।

সীতাকোট বিহার আবিষ্কার তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। এনার তিনি প্রাচীন প্রত্নসম্পদ খোঁজার কাজে পূর্ণ মনোনিবেশ করেন। এজন্য তিনি পুরো উত্তরবঙ্গের গ্রামে গ্রামে চষে বেড়িয়েছেন। যেমন খবর পেলেন নবাবগঞ্জে খ্রিষ্টান মিশনারিদের কুষ্ঠ হাসপাতালে প্রত্যন্ত গ্রামে কুড়িয়ে পাওয়া প্রাচীন একটি মূর্তি রয়েছে। তিনি বুঝিয়ে-শুনিয়ে তা হস্তগত করেন।

এভাবেই ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় কয়েক শ অমূল্য আর দুষ্প্রাপ্য প্রত্নসামগ্রী যোগাড় করলেন তিনি। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পার হয়ে এইসব সংগ্রহকে পুজিঁ করে ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন দিনাজপুর মিউজিয়াম। নিজের সংগৃহীত দুষ্প্রাপ্য মূর্তি, মুদ্রা, শিলালিপিসহ সব প্রত্নসামগ্রী দান করে দিলেন জাদুঘরে। তাঁর প্রচারণায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে বহুজন নিজেদের সংগ্রহে থাকা প্রত্নবস্তু দান করে জাদুঘরটিকে সমৃদ্ধ করলেন। এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেই ক্ষান্ত হোননি তিনি, সংগ্রহ করা সকল প্রত্নসামগ্রীর বিস্তারিত পরিচিতিসহ একটি তালিকাও প্রস্তুত করেন, যা পরে বই আকারে বের হয়। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের হিসাবে জাদুঘরটিতে প্রায় ৮০০ প্রত্নবস্তু ছিলো। এখন এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম প্রাচীন নিদর্শনের সংগ্রহশালা।

আমি উনার ব্যাপারে যখন প্রথম জেনেছিলাম তখন ভেবেছিলাম তিনি বেঁচে নাই। পরে ২০১৮ সালে উনার জন্মশতবার্ষিকীর সময় উনার কন্যা আরেক বুরোক্রেট জনাবা সুফিয়া যাকারিয়ার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ হলো। জানলাম উনি মাত্র দুই বছর আগে গত হয়েছেন। তারচেয়েও আফসোস ২০১৪-১৫ সালের পুরো সময়টায় আমি ঠিক উনার লেকসার্কাসের পাশের বাসায় বসবাস করে গেছি উনার ব্যাপারে না জেনেই!

btw আজকে স্বাধীনতা পুরষ্কার ঘোষিত হলো। কোন একবার জনাব যাকারিয়া পেলে ভালো লাগতো! না পেলেই বা কী! এই মানুষগুলো যেকোন পুরষ্কারের চেয়েও বড়!
Apu Nazrul vai

15/01/2026

সমাজের কিছু পোকামাকড় বিতাড়িত করা হোক প্রতিটি বনকর্মীর মূল উদ্দেশ্য।

Photos from Nawabganj National park/নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান's post 05/01/2026

প্রত্নসম্পদ নিয়ে কাজের লোক একজনই ছিলেন আবুল কালাম মোহাম্মদ জাকারিয়া ( আকামো জাকারিয়া)। একজন সরকারি আমলা ও শখের ইতিহাসবিদ হয়ে ভদ্রলোক যে অসম্ভব কাজ সাধন করেছেন, তার প্রমাণ স্বাধীন দেশের ৫০ বছর হওয়ার পরও সবাই তার লেখা ও কাজই নকল করছে। দিনাজপুরে কর্মরত থাকা অবস্থায় উনার উদ্যোগে খনব শুরু হয় সীতাকোট বিহারে, এবং এই অনন্য ইতিহাস বর্ণিত জায়গাটি নিয়ে তিনি লিখেছিলেন 'বাংলাদেশের প্রাচীন কীর্তি'(বাংলাদেশের প্রত্ন সম্পদ) বইতে।

'সীতাকোট বিহার'

চরকাই, বিরামপুর অঞ্চল সম্বন্ধে তার কথা শেষ করে আলতাফ সাহেব ছেলেকে বললেন, আমরা এখন যাব সীতাকোট বিহারে। সেখানে যাওয়ার দুটি পথ আছে। নওয়াবগঞ্জ-বিরামপুর পাকা সড়ক ছাড়াও চোর চক্রবর্তী থেকে সীতাকোট পর্যন্ত প্রাচীন করতোয়ার ডান (দক্ষিণ) পাড়ের উপর দিয়ে একটি রাস্তা ছিল। সেই রাস্তা ধরে চোর চক্রবর্তী ও সীতাকোট এই দুই বিহারের ভিক্ষুরা যাতায়াত করতেন। সেই রাস্তাটি খুব খারাপ অবস্থায় আছে। সময় বাঁচাবার জন্য আমরা পাকা সড়ক পথেই যাব। বিরামপুর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে নওয়াবগঞ্জ উপজেলার অধীনস্থ ফতেপুরমাড়াশ গ্রামে সীতাকোট বিহার অবস্থিত। ১৮৭৪ সালে দিনাজপুরের তদানীন্তন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও বিখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ মি. ওয়েস্টমেকট এ স্থান দেখে বলেছিলেন যে, এটি একটি বাঁধানো পুকুর। আর জনসাধারণের বিশ্বাস ছিল যে, রামের স্ত্রী সীতা দেবী তাঁর দ্বিতীয়বার বনবাসের সময়ে বাল্মীকি মুনির আশ্রয়ে এখানে বসবাসরত ছিলেন বলে এই স্থানের নাম সীতাকোট। আর ১৯৬৮ সালে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে এই স্থান উৎখননের ফলে বাংলাদেশে আবিষ্কৃত প্রাচীনতম বিহারগুলির মধ্যে অন্যতম হলেও সীতাদেবীকে এই বিহারের নাম থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা যায়নি।

বিহারের পশ্চিম পাশে দাঁড়িয়ে আলতাফ সাহেব ছেলেকে বললেন, পূর্ব-পশ্চিমে কিঞ্চিৎ লম্বা এই বিহারের আয়তন হচ্ছে ৬৪.৮৪ মিটার × ৬৪.২৪ মিটার (২১৪′ × ২১২')। বিহারের উত্তর দেয়ালের মধ্যবর্তী স্থানে ১.৮১ মিটার চওড়া প্রধান তোরণ। প্রবেশ পথের সামনেই আছে একটি উদ্‌গত (projected) অংশ এবং তাতে আছে পর পর দুটি প্রবেশপথ। এই উদ্‌গত অংশের দুই পাশে আছে একটি করে কক্ষ। প্রবেশপথহীন এই কক্ষ দুটি কী উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল তা জানা যায় নি।

সমগ্র বিহারে সর্বমোট ৪১টি কামরা আছে। সর্বোচ্চ ৬.৬৭ মি × ৩.৩৪ মিটার থেকে সর্বনিম্ন ৩.৩৮ মিটার × ৩.৩৪ মিটার আয়তনের কক্ষ এখানে আছে। কক্ষগুলির পিছনে ২.৫৭ মিটার চওড়া যে টানা দেয়াল তাতে দরজা বা জানালার অস্তিত্ব নেই। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এসব দেয়ালের বাইরের দিকে কিছু কিছু উদ্‌গত (offset) অংশ ছিল। ধ্বংসপ্রাপ্ত বিহারটির বাইরের এই দেয়ালের উচ্চতা ১.২১ মিটার থেকে ৩.৬৩ মিটার (৪' থেকে ১২') পর্যন্ত উচ্চতা পাওয়া গেছে। এই পিছনের দেয়াল থেকে ভিন্ন ভিন্ন দেয়াল সৃষ্টি করে বিহারের কক্ষগুলি সারিবদ্ধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। সেসব দেয়ালের কোনোটি ৩.৯৩ (১৩) চওড়া। আবার কোনোটি ১.২১ মিটার থেকে ১.৫১ মিটার (৪' থেকে ৫') চওড়া। কক্ষগুলির সামনের দেয়াল ১.৫১ মিটার চওড়া। প্রত্যেক কক্ষে একটি করে প্রবেশপথ ছিল। সামনের দেয়ালে অবস্থিত প্রবেশ পথগুলি ০.৯০৩ মিটার থেকে ১.৫১ মিটার চওড়া ছিল।

বিহারের প্রত্যেক কামরার মেঝে চুনসুরকি দ্বারা শক্তভাবে পাকা করা ছিল। কক্ষগুলির সামনের দেয়াল ছাড়া বাকি তিন দেয়ালে কুলঙ্গি (niche) ছিল।

দিনাজপুর জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তায়, তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের প্রত্নতত্ত্ব দফতরের সহযোগিতায় ও দিনাজপুরের জেলা প্রশাসনের দায়িত্বে নিযুক্ত গ্রন্থাকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১৯৬৮ সালে প্রথমে এই আধা-সরকারি উৎখনন কাজ করা হয়। পরে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক এখানে সরকারিভাবে উৎখনন করা হয়।

বিহারের ভিতরের আঙ্গিনার আয়তন ছিল ৪২.২১ মিটার × ৪১.০৬ মিটার (১৩৯′ × ১৩৫.৫′)। সমগ্র আঙ্গিনা চুনসুরকি দ্বারা শক্তভাবে পাকা করা ছিল। এই খোলা আঙ্গিনায় কোনো কেন্দ্রীয় মন্দির (central shrine) বা অন্য কোনো ইমারত ছিল না।

এই আঙ্গিনার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে চাকের তৈরি একটি কুয়া ছিল। অনেক গভীরে খননের ফলেও কুয়ার ভিতরে মৃৎপাত্রের ভগ্নাংশ ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায় নি। তাতে মনে হয় যে, এটি ছিল একটি পরিত্যক্ত কূপ এবং বিহার নির্মাণের প্রথমদিকেই এটি নির্মিত হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় উপাসনালয়ের পরিবর্তে পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্ব বাহুর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি করে কক্ষে বেদীর অস্তিত্ব দেখে ধারণা করা যায় যে, এগুলি উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত হত। তবে পূর্ব ও পশ্চিম বাহুর কক্ষ দুটি ছিল অপেক্ষাকৃত ছোট। দক্ষিণ বাহুর কেন্দ্রস্থলে বেশ বড় কক্ষটি (ভূমি পরিকল্পনা দ্রষ্টব্য) সেটিই বোধ হয় কেন্দ্রীয় উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত হত।

অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র এই বিহারে দুটি নির্মাণ যুগের সন্ধান পাওয়া গেছে। অর্থাৎ প্রথম নির্মাণের পরে বিহারটিকে আরও একবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছিল। তখন দক্ষিণ ব্লকের উপাসনালয়টি এমনভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল যে, সেটির স্বরূপ উদ্ধার করা যায় নি। এর সামনে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ও ১৪.৮৪ মিটার × ৮.১৮ মিটার (৪৯' × ২৭′) আয়তনের একটি মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল এবং ১২টি স্তম্ভের উপর সেই মঞ্চের ছাদ নির্মাণ করা হয়েছিল।

উৎখননের পরে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিহারের ছাদের সামান্য অংশ ছাড়া ছাদের আর কিছুই পাওয়া যায় নি। এর জমাট সুরকির তৈরি ছাদের বিভিন্ন অংশ বিহারের ধ্বংসাবশেষের মধ্যেও পাওয়া গেছে। ধ্বংসাবশেষ দেখে মনে হয় না যে, বিহারটি একাধিক তলাবিশিষ্ট ছিল। স্বাভাবিক কারণে বিহারটি পরিত্যক্ত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এ কারণে দুটি ছোট ব্রোঞ্জ মূর্তি ছাড়া এখানে আর কোনো মূল্যবান প্রত্নবস্তু পাওয়া যায় নি। লোকেশ্বর পদ্মপাণি ও মঞ্জুশ্রীর বলে শনাক্তকৃত মূর্তি দুটি দিনাজপুর মিউজিয়ামে রক্ষিত থাকাকালে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় হানাদার পাকবাহিনী কর্তৃক লুণ্ঠিত হয়েছিল।

বিশ্ব পরিব্রাজক Onu Tareq ভাইয়ের ওয়াল থেকে।

24/12/2025

হানাদাররা খুলে নিয়ে গিয়েছে রাস্তার ইটও!
আক্ষেপ সাংবাদিক হাছান মিজবাহ'র।

23/12/2025

হারিয়ে গেছে প্রানচাঞ্চল্য, পুরো নবাবগঞ্জবাসীকে ঠকিয়েছে একদল লোক

18/12/2025

নবাবগঞ্জে জাতীয় উদ্যান নিয়ে কাজ করবে ইউএনও মহোদয়

17/11/2025

নতুন আঙ্গিকে " আমরা ফরেস্টার "

কথা ও সুর - আমিরুল হাছান
কন্ঠ ও সঙ্গীত - কাজী সায়ক
লেভেল - গান কবিতা

Want your business to be the top-listed Government Service in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Nawabganj
Dinajpur
5280