Department of Economics-HSTU

Department of Economics-HSTU

Share

its educational page

09/04/2026

- ৪৭ তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছ তাদের জন্য শুভকামনা । অর্থনীতিতে অল্প সময়ে বিসিএস এর ভাইভা প্রস্তুতি নেওয়া অনেক জটিল ও কষ্টসাধ্য। ভাইভার ব্যাপারে নোট বা যে কোন প্রকার সাহায্য লাগলে কোন দ্বিধা ছাড়াই আমার সাথে যোগাযোগ করবা। ইনশাআল্লাহ, আমি কাজের ফাঁকেও তোমাদের সময় ও গাইডলাইন দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
---------------------
মোঃ মাহামুদুল হাসান
অর্থনীতি ১ম ব্যাচ
বিসিএস শিক্ষা
(৪৩ বিসিএস)
হোয়াটসঅ্যাপঃ ০১৭০৪২৪৯৪৬২

Photos from Department of Economics-HSTU's post 07/04/2026

Reception 2026 batch...🥰🥰

02/04/2026

অর্থনীতি থেকে বুয়েটে মাস্টার্স



সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টির নির্দিষ্ট কিছু সাবজেক্ট থেকে আবেদন করতে পারবে BUET এর Urban & Regional Planning ডিপার্টমেন্টে।

#আবেদন_যোগ্যতা:

-
Ssc 3.50
hsc 3.50
- Bachelor-2.50

- Ssc বা Hsc দুটোর যে কোন একটায় ৩.৫০ থাকতে হবে।

আরেকটায় ২.০০ লাগবে।

- ডিপ্লোমা/দাখিল/আলিম হলেও একই।

- ডিগ্রি পাশ হলে মাস্টার্সে- ৩.০০ লাগবে।

- এপ্লিকেশন ফি- ৫০০/=

- মাস্টার্সে ভর্তি সহ পুরো ডিগ্রি খরচ ৮-১০ হাজার টাকা

- সিট: ৪০ টি।

#সোশ্যাল সায়েন্স:

* অর্থনীতি
*স্ট্যাটিস্টিক্স
*সোশিওলজি
*সোশ্যাল ওয়ার্ক
*সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার

*পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন

#সায়েন্স,

* সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

* আর্কিটেকচার

*ইইই/সিএসই

* ম্যাথমেটিকস/এপ্লাইড ম্যাথ

*ফিজিক্স

কেমিস্ট্রি/বায়োকেমিস্ট্রি

* জিওগ্রাফি

* জিওলজি
* ইউআরপি

* এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স

*এগ্রিকালচারাল ইকোনোমিকস

* ইঞ্জিনিয়ারিং রিলেটেড সাবজেক্ট।

#সার্কুলার

সার্কুলারের তারিখ: ১৫ জুন ১৫ জুলাই (সম্ভাব্য)

রিটেন এক্সাম: জুলাই (সম্ভাব্য)

ভর্তি: আগস্ট (সম্ভাব্য)

ক্লাস শুরু: আগস্ট শেষ সপ্তাহ (সম্ভাব্য)

#সুবিধা

- মাস্টার্স থিসিস ফেলোশিপ- ৩০০০০/=

- PhD ফেলোশিপ-৪৫০০০/=

- ৯ম গ্রেড স্কেলে TA বা RA হওয়ার সুযোগ।

- বুয়েটে আবাসিক হল (ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যে)

BUET, MURP এডমিশনের জন্যে Syllabus ও Previous

Year Question, Marks Distribution, Guidelines,

Circular Update সম্পর্কে ধারণা লাগলে জানাবেন।

19/03/2026

😝😝

14/03/2026

জ্বালানি সাশ্রয়ে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখায় ২০২২ সনে লোডশেডিং শুরু হয়। তখন আমি মালীবাগে থাকতাম। ১ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকতো, আরেকঘন্টা থাকতো না। এই ঘটনা সবার মনে আছে। সেই সরকার তখন স্ট্যাবল সরকার ছিলো। তারা তখন প্রায় ১২-১৩ বছর ধরে ক্ষমতায়।

১২ই ফেব্রুয়ারি দেশে নির্বাচন হইছে। ১৭ই ফেব্রুয়ারি শপয পড়ে সরকার। সরকার আসার সাথে সাথে শুরু হলো ইরান, আমেরিকা, ইজরাইল যুদ্ধ। যোগ হলো মধ্যপ্রাচা। অথচ এখান থেকে তেলের মূল চাহিদা পূরণ করা হয়। হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ রুট বন্ধ। সারাবিশ্বে হু হু করে তেলের দাম বাড়তে লাগলো।

এখন পর্যন্ত ৮৫+ দেশে তেলের দাম বেড়েছে। আপনার পরিচিত কেউ ইউরোপ বা আমেরিকা থাকলে নক দিলেই জানতে পারবেন। অথচ কাগজে কলমে একমাস বয়স না হওয়া একটা সরকার এখন পর্যন্ত ১টা তেলের দাম বাড়ায়নি।

কাতার থেকে তেলের বড় চালান আসে। সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আজ তেলের দাম ও টাকা বাড়াইলে কাল প্রত্যেক জিনিসের দাম ১৫ টাকা বাড়বে। সরকার সেই দিক বিবেচনা করে এক্সট্রা ভর্তুকি দিয়ে স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে তেল কিনতেছে ২০ কোটি মানুষের কথা চিন্তা করে।

সরকার প্রতিদিন বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতদের সাথে কথা বলতেছে তেলের জন্য। এটা একটা মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। পুরো বিশ্ব এফেক্টেড। এমন সময় সম্পূর্ণ বিদেশী নির্ভর একটি রাষ্ট্র এখনও তেলের দাম ১ পয়সা বাড়য়নি। সরকার যে এখন পর্যন্ত যে এসব ট্যাকাল দিচ্ছে এর জন্য কি সরকার একটা বাহবা পায় बा?

আজ সকালে পে স্কেলের টাকা ভর্তুকিতে খরচ করতেছে সরকার এমন খবরে হৈ চৈ শুরু হয়। পে স্কেল সময়ের দাবী। সরকার সেটা দিবে এটা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে আছে। ইউনুস সরকার যেই পে স্কেল সুপারিশ করছে সেটার অন্য অর্থনৈতিক সামর্থ্য যাচাই করা হবে বলে ফেব্রুয়ারিতেই অর্থমন্ত্রী বলেছেন।

কাগজে কলমে ৬ মাসের কম বয়সের কোনো সরকার অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই যারা পে স্কেল দিবেনা। কিন্তু ইউনুস সরকারের রেখে যাওয়া ৪০ হাজার কোটি টাকা কেনো সরকার অন্য খাতে ব্যায় করতেছে সেটা নিয়ে নানান প্রশ্ন। বরং এটা নিয়ে সরকারকে বাহবা দেয়ার কথা। কোনো সরকার তার কর্মকর্তার চেয়ে জনগনকে গুরুত্ব দিয়েছে বেশি। সরকার ৪০ হাজারের ২৮ হাজার বায় করতেছে তেল ক্রয় করতে। অথচ ফ্যামেলি কার্ডে ৪০ হাজারের ০.১% ব্যায় দেখে সেটা হাইলাইটস করা হলো। কিন্তু এটা একদম প্রান্তিক লেভেলের নারীদের দেয়া হইছে। কৃষকের মুনাফা পরিশোধ করছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত সহ সকল ধর্মগুরুদের সম্মানী দিচ্ছে।

সরকারের আয় ট্যাক্সা। সরকার কর্মকর্তাদের বেতন দেয় ট্যাক্স থেকে। এগুলি জনগনের ই টাকা। সরকার আলাদা টাকা বানায়া বেতন দেয় না। সরকারের জনগন যদি স্ট্যাবল না থাকে, ট্যারা কে দিবে? সুতরাং ক্রাইসিস পিরিয়ডে ২৮ হাজার কোটি টাকা দিয়ে তেল কিনে ২০ কোটি মানুষের বাজার ব্যবস্থা সস্ট্যাবল রাখা কি সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত? ঠিকই যদি তেলের দাম বাড়ানো হত, তখন বলা হতো, তেলের দাম বাড়লো কেনো, তারেক রহমান জবাব দে।

বাংলাদেশের বর্তমান বাজারে ৫০ হাজার টাকা স্যালারিতে হবেনা। এটাই বাস্তব। সেটার জন্য জরুরী কাজ করতে হবে। পাশাপাশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের বিষয় বিবেচনা করতে হবে। কিন্তু তার জন্য সময় প্রয়োজন। অর্থনৈতিক সক্ষমতা প্রয়োজন। ছুট করে ২২ হাজারকে ৫০ হাজার করলে পরেরদিন বাজার ব্যবস্থা কই যাবে সেটাও বিচার করতে হবে। সরকার সে পরিমান ট্যাক্স আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে। ইউনুস সরকার তো পরের সরকারকে বিপদে ফেলতে ৪০ হাজার কোটি টাকা রেখে ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকার সুপারিশ করে গেছে। যেনো সরকার এসেই বিপদে পড়ে।
পে স্কেল সময়ের দাবী। বাক্সবায়ন চাই। এর জন্য এখন ক্রাইসিস মোমেন্টে সবার ধৈর্য্য ধরা প্রয়োজন।

ধন্যবাদ।

লেখকঃ
রিয়াদ মজুমদার

Photos from Department of Economics-HSTU's post 14/03/2026

খেজুরে আলাপ

আপনাদের নির্ঘাত মনে থাকিবার কথা কয়েক বৎসরকাল পূর্বে কোন এক মহান মনীষী- যিনি আবার সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন, ইফতারে খেজুরের পরিবর্তে বরই খাইবার মন্ত্রণা দিয়াছিলেন। বলিবার অপেক্ষা রাখে না উনি দীন দুঃখী মানুষের জন্যই এই সৎ পরামর্শ প্রদান করিয়াছিলেন। অংগুর-খুরমা-খেজুর বড়লোকি খানা, উহা গলধঃকরণ করিলে গরিব প্রজাদের পেটে গোলযোগ বাধিতে পারে, এমন সৎ ভাবনা বঙ্গ দেশের রাজা উজির বৃন্দ ছাড়া কে আর ভাবিবে? এই মূল্যবান ফল গরিবের উদরে সহিবে না এই চিন্তা না করিয়াই সৌদি আরবের সরকার "King Salman Humanitarian Aid and Relief Center" এর মাধ্যমে দীন দুঃখী মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য কিছু বাকস খেজুর ফল পাঠাইয়া দিয়াছেন। সরকারের উজিরবৃন্দ তাহা বিলিবন্টক করিয়া দিয়াছেন বিভিন্ন অঞ্চলে।

কিন্তু প্যাঁচ লাগিয়াছে অন্য জায়গায়। নিকট অতীতে বঙ্গদেশে পুরাতন রাজা উজির উৎখাত হইয়াছে। নতুন নতুন রাজা উজিরের আগমন ঘটিয়াছে। তন্মধ্যে একজন হইয়াছেন জনাব আবুল হাসনাত। উনি রাখ ঢাক রাখিয়া কথা কহেন না, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশের সাতবোন কে নিজের বোন বানাইয়া ফেলেন আবেগে। উনি উনার প্রজাদের মধ্যে খেজুর বিলাইয়া দিয়া তাহার হিসাব প্রকাশ করিয়া দিতেই অন্য রাজার প্রজারা চিল্লাইয়া একাকার করিতেছে আমিও তো গরিব দীন দুঃখী, তবে আমার খেজুর কই?

সেই দেশের উত্তরাঞ্চলের একজন অর্থশাস্ত্রের মাষ্টারমশাই ভাবিলেন আসলেও তো, এই খেজুর তো দেশের গরিবের মাঝেই যাওয়ার কথা। কতখানি যাইতেছে? উনি গণনা যন্ত্রে তথ্য উপাত্ত প্রবেশ করাইয়া দিয়া কিছুক্ষণ চুপ মারিয়া বসিয়া রহিলেন। কারণ ফলাফল ভয়াবহ। বিভিন্ন জেলায় খেজুর বিতরণে দারিদ্র্যকে মোটেই আমলে নেয়া হয় নাই।

নেয়া হইয়াছে জনসংখ্যা। তবুও তাহা সঠিক ভাবে নহে। জনাব আবুল হাসনাত ছাহেবের কুমিল্লা প্রথম হইয়াছে খেজুরের বাকস বরাদ্দে। যদিও কুমিল্লায় দারিদ্র্যের হার মাত্র ১৩.৪ শতাংশ, এবং জনসংখ্যার দিক দিয়া তৃতীয় বৃহত্তম। সর্বশেষ ২০২২ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বাধিক দরিদ্র জেলা মাদারীপুর, সেখানকার ৫৪.৪ শতাংশ মানুষ দরিদ্র, তাহারা পাইয়াছে মোট বরাদ্দের ১.৩ শতাংশ বা ১৫৭বাক্স। যদি দারিদ্র্যের হার অনুযায়ী বরাদ্দ হইত তাহলে মাদারীপুর পাইতো প্রায় ৪৮৭ বাক্স আর কুমিল্লা পাইতো ১২০ বাক্স। সরকার বাহাদুরকে কে বুঝাইতে যাইবে আঞ্চলিক দারিদ্র্যকে অস্বীকার করিয়া জনকল্যাণ সম্ভব নহে এবং ছোট ছোট নীতি নির্ধারণে এইসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করিলে দ্রুত জন উন্নয়ন সাধন হয়।

আপনারা কি বুঝিলেন? যাহা খুশি তাহা বুঝিতে পারেন কিন্তু উজির নাজির বৃন্দ ঠিকই আপনাদের ওকাত বুঝেন। উনারা বুঝেন গরিবের উদরে এইসব বাদশাহী উপঢৌকন খেজুর সহ্য হইবে না, তাই বেশিটাই চট্টগ্রাম কুমিল্লার মত ধনী অঞ্চলে পাঠাইয়া দিয়াছেন বেশি জনসংখ্যার নামে। শুধু দামী খাবার নয়, দরিদ্র অঞ্চলগুলিতে ভালোও রাস্তাঘাট, নগরীর সুযোগ সুবিধা, কলকারখানায় কর্মের সুযোগ কোন কিছুই সহ্য হইবে না। তাইতো উত্তরাঞ্চলে কোনবারই ঈদ আসিলে অভাবী মানুষ আর সাহায্যপ্রার্থীর সংখ্যা পূর্বের বছরের চেয়ে কমে না, বরং বাড়ে বৈকি।

যাই হোক, আমি আশাবাদী মানুষ। কোন সহৃদয়বান বাদশাহ বা শায়েনশাহ যদি ভবিষ্যতে দয়া করিয়া বরই ফল পাঠায়, আমি নিশ্চিত উহা আমাদের দরিদ্র অঞ্চলে আগে পৌঁছিবে, আমরা মন প্রাণ ভরিয়া বরাই খাইবো। ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়া যাওয়া ছাড়া আর গতি নাই।

(নিচের চিত্রগুলো আপনাদের বুঝিবার সুবিধার জন্য দেয়া হইলো। সরকারি উপাত্ত অনুসারে প্রস্তুতকৃত। নাই কাজ তাই খই ভাজ মন্ত্রে উজ্জীবিত)

Dr. Khalid Imran (sir)
Associate Professor
Department of Economics (HSTU)

05/03/2026

Assalamualaikum to All.

Hope you all are well by the grace of Almighty.
We (Department of Economics, HSTU) are going to open the HSTU Economics Alumni Association (HSTUEAA). For this purpose, we want your cooperation by filling up our database of the Association. Here i am sharing a link for gogle form. Please fill up this form by 15th march 2026.

Your cooperation is highly appreciated and this enriches our department.
Thank you so much in advance.

With best wishes,
Babor Ahmad
Lecturer,
Department of Economics,
Hajee Mohammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur-5200.

For further Information: 01705943381

https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScOSscDk30GKkkUXhpwRwjZkrx06wnRwjippSKzxznepngW0g/viewform?usp=header

Photos from Department of Economics-HSTU's post 08/02/2026

ইকোনমিকস ২০১৭ সেশন থেকে ১২ জন।
প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত।

08/02/2026

অভিনন্দন

Economics-16
46 bcs (Education) cadre
চুড়ান্ত তালিকায় মনোনিত
উল্লেখ্য আপুর বর
#রমজান_আলী_সরকার
ইংরেজি-১৬
বর্তমানে পুলিশ সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Department Of Economics (HSTU)
Dinajpur
5200

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00